অতিরিক্ত কর্তনের প্রতিবাদ, বেসরকারি শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ ইদ বোনাস দাবি - সমিতি সংবাদ - Dainikshiksha

অতিরিক্ত কর্তনের প্রতিবাদ, বেসরকারি শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ ইদ বোনাস দাবি

মুরাদ মজুমদার |

কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোডের্র অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তনের প্রতিবাদ, পূর্ণাঙ্গ ইদ বোনাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের দাবি জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি’ ও ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম’। শনিবার (১৮ মে) ঢাকা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ইফতার ও দোয়া মাহফিল উপলক্ষে ডাকা এক সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

এ সময় শিক্ষক নেতারা বলেন, শিক্ষকদের সাথে কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই তাদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন আইনের লঙ্ঘন। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের ফলে দীর্ঘ ৩৪ বছর পর প্রধানমন্ত্রী ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দিয়েছেন গত নভেম্বরে। মাত্র ৫ মাসের মাথায় আবার ৪ শতাংশ কর্তন। এতে সরকারের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণœ হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা আরও বলেন, এটি সরকার বিরোধী একটি গভীর চক্রান্ত। তারা বলেন, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে ২৫ শতাংশ ইদ বোনাস পেয়ে থাকেন, যা দিয়ে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ইদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন না।

আসন্ন ইদুল ফিতরের পূর্বেই তারা পূর্ণাঙ্গ ইদ বোনাসসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের দাবি জানান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় ফেরত নিয়ে হলেও সরকারিকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষক নেতারা।


আগামী ৩০ জুনের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তনের আদেশ তথা কর্তন প্রক্রিয়া বন্ধ না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবিরাম ধর্মঘটসহ সকল প্রকার পরীক্ষা বর্জন করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা। একইসাথে শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ড থেকে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অপসারণ, শিক্ষকদের কর্তনের টাকার হিসাব ও যথারীতি অডিটে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন, বাশিসের উপদেষ্টা সাজেদা বেগম, বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ মঞ্চের  আফজালুর রশীদ ও আবুল বাশার নাদিম, বিটিসি এর সাধারণ সম্পাদক মো. মোমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মো. আবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, সহকারী মহাসচিব মো. মঈনুল ইসলাম, সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মো. হান্নান সরদার, লিয়াজোঁ ফোরামের উপদেষ্টা মো. ফিরুজ মিয়া, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মঞ্জুরুল আমিন শেখর, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মো. বজলুর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. এনামুল হক প্রমুখ।

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা - dainik shiksha প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা - dainik shiksha কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website