অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ - মেডিকেল ও কারিগরি - দৈনিকশিক্ষা

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি |

মাদারীপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিসিসি) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকায় ভেঙে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা।

বিল-ভাউচারের তথ্য মতে, মাদারীপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য একটি সাইন বোর্ড বানানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৫৫ হাজার টাকা। নোটিস বোর্ড বানানোর খরচে উল্লেখ আছে ৪৪ হাজার ৮৯০ টাকা। যার মধ্যে মেরামত খরচই ছয় হাজার ৮৯০। মেরামতের জন্য মিস্ত্রি আনা হয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি থেকে।

একাধিক সূত্র জানায়, মাদারীপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য তিনটি গাড়ি বরাদ্দ রয়েছে। এই গাড়ি পারিবারিক কাজে ব্যবহারের বিধান না থাকলেও অধ্যক্ষের ছেলেকে স্কুলে আনা নেয়ার কাজে ব্যবহার করে থাকেন। এ ছাড়া সেইপ প্রকল্পের কাঁচামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয় বলে প্রশিক্ষকদের অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জামানত বাবদ ১০০ টাকা রাখা হয় যেটা ফেরতযোগ্য। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থীকে সেই টাকা ফেরত দেয়া হয় না।

অভিযোগ আছে, উন্নয়ন খাতের কয়েক লাখ টাকা অধ্যক্ষ ভুয়া বিল-ভাউচার করে খরচ দেখিয়েছেন।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, ‘ইতোপূর্বে টিটিসি সম্পর্কে বেশকিছু অভিযোগ শুনেছি। অনেকেই আমাকে ব্যক্তিগভাবে জানিয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে প্রশিক্ষণ না করেই প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে সনদপত্র দেয়া, প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ অর্থ ঠিক মতো বণ্টন না করা। মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে একজন সচিবও বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

এমপিওভুক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন - dainik shiksha এমপিওভুক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ - dainik shiksha মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন - dainik shiksha মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? - dainik shiksha কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন - dainik shiksha ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website