please click here to view dainikshiksha website

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১১, ২০১৭ - ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকারের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগসহ ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১০ই আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

কলেজের কয়েকজন প্রভাষক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক অভিযোগ আনেন।

অভিযোগে তারা বলেন, কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেন এবং উক্ত নিয়োগকালীন সময়ে তিনি কলেজের অন্যান্য কাজ করেছেন। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর হতে ২০১৫’র জুলাই পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি ৭ লাখ এবং অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর ৭৬ লাখসহ মোট ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, জজ কোর্টে মামলা চলাকালীন অবস্থায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, সাবেক অধ্যক্ষের কার্যালয়কে নিজের বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা ছাড়াও তিনি উপবৃত্তি বন্টনে অনিয়ম করেন বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরে আলম সিদ্দিকীকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ সরেজমিনে তদন্ত করে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয় অধিদপ্তরের ওই চিঠিতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১০টি

  1. ABU SUFIAN.. assistant teacher..Patanusher high school. Kamalgonj.Moulvibazar says:

    মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপর আরোপিত
    ১৩/১১/১১ কালো পরিপত্র বাতিল করে আগে সকল শাখা শিক্ষক দের এম,পি,ও দিন।
    ব্যবসায় শাখা কে সরাসরি প্যাটার্ন ভূক্ত শূন্য পদ করে commerce এর এম,পি,ও
    দিন।।।

  2. মো: আইয়ুব আলী says:

    বে-সরকারি স্কুল ও কলেজের প্রধানগন টাকা মেরে খাবেন এটাইতো স্বাভাবিক। আইনতো সেইভাবেই করা আছে। ভাউচার করেন ইচ্ছামত কোন শিক্ষক বলতে গেলেই চাকুরী নিয়ে টানাটানি। একমাত্র বদলী এই সমস্যার কিছুটা সমাধান দিতে পারে।

  3. মো: আইয়ুব আলী says:

    বে-সরকারি স্কুল ও কলেজের প্রধানরা টাকা মেরে খাবেন এটাইতো স্বাভাবিক। একমাত্র বদলী ব্যবস্থা কিছুটা হলেও কাজে আসবে।

  4. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    কক্সবাজারের ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ জাফরুল্লাহ নুরীর কোঠি কোঠি টাকা আত্মসাতের তদন্ত কবে হবে। এতো অভিযোগ দেওয়ার পর ও তদন্ত হয় না। কারণ যার. কাছে অভিযোগ করি তাদেরও টাকা দিয়ে কিনে নেয়। তবে তদন্ত করবে কে?

  5. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, পরিসংখ্যান, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাসিক আয় ব্যায়ের তথ্য প্রস্তুত এবং তা মনিটরিং এর ব্যাবস্থা থাকা দরকার। উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তা অর্থমন্ত্রনালয়ের দৃষ্টিতে নিতে হবে। সারাদেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাসে কত টাকা আয় হয় আর কোন কোন খাতে কত টাকা ব্যায় হয় সরকার কি তা জানে? জানে না। সরকারকে জানতে হবে।

  6. মো.ছিদ্দিকুর রহমান says:

    অভিযোগকারী কয়েকজন প্রভাষককে তিনি মামা ডাকতে ভুল করেছেন বলে তিনি এই সমস্যায় পড়েছেন।

  7. মোঃ সোহেল রানা says:

    Bangladesh er 95% Headmaster, Principal ei durnitir sata jorito, tai Bangladesh er somosto prothistan prodhan er biruddha kothor babosta grohon kara ucit.

  8. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক .বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ. দিনাজপুর says:

    সঠিক তদন্ত হলে বাংলাদেশের বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার 95% প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ এবং সুপার দূর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন, চাকরি হারাবেন এবং জেলে যাবেন।

  9. Ab Jalil says:

    অভিযোগকারীর নাম প্রকাশ করলে পরবর্তীতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।কারণ,শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের কিছুই হয়না,গোপনে টাকা লেন-দেনের মাধ্যমে সব ঠিক হয়ে যায়।

আপনার মন্তব্য দিন