অভাব ওই দেশপ্রেমেরই - মতামত - দৈনিকশিক্ষা

অভাব ওই দেশপ্রেমেরই

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

কথা ছিল দিনবদলের, সেটি ঘটছিল কি? না, ঘটেনি। এমনকি আওয়াজটি পর্যন্ত ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে গেছে। তা লোকে কি সত্যি সত্যি আশা করেছিল যে দিনবদল ঘটবে? না, করেনি। অতীতের অভিজ্ঞতা তাদের আশাবাদী হতে শিক্ষা দেয়নি। তবে একেবারেই কাছে ছিল চারদলীয় জোটের যে দুঃশাসন, দুর্নীতি, জঙ্গি তৎপরতায় মদদদান ও চোরাচালানি তৎপরতা ইত্যাদিতে মানুষ এতই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল যে অন্তত ওই জোটের খপ্পরে আরো পাঁচ বছরের জন্য পড়তে হবে না—এটি ভেবেই দলে দলে গিয়ে হাজির হয়েছিল ভোটকেন্দ্রে। এখন যতই সময় যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে যে উন্নয়নের দিনবদল তো ঘটেইনি, উন্নয়ন যে ঘটেছে সেটিও কতিপয়ের, সমষ্টিগতের নয়। উন্নয়নের যে হাওয়া এরই মধ্যে বইতে শুরু করেছে তা নরম নয়, গরম বটে, আরো যদি গরম হয়, তাহলে মানুষ গভীর হতাশা ও ক্ষোভের ভেতর নিপতিত হবে—এমনটিই আশঙ্কা। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়।

নিবন্ধে আরও জানা যায়, লোকে গণতন্ত্র চায় এবং স্বৈরাচার পছন্দ করে না—তা সেই স্বৈরাচার সামরিক, তত্ত্বাবধায়ক কিংবা নির্বাচিত যে ধরনেরই হোক না কেন। মহাজোট দেশে যথার্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিল। গণতন্ত্র জিনিসটি আসলে কী, তা বোঝা মুশকিল এবং সাধারণভাবে এটি বলা অসংগত নয় যে গণতন্ত্র কী নয়, তা বলা যতটা সহজ; গণতন্ত্র কী, তা বলা ততটা সহজ নয়। তার একটি কারণ গণতন্ত্রের ব্যাপারে আমাদের অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে, আমরা শাসিত হয়েছি নানা ধরনের স্বৈরাচারের দ্বারা, যা কখনো এসেছে প্রকাশ্যে, অন্য সময়ে ছদ্মবেশে। তা ছাড়া এটিও সত্য যে আমাদের বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ব্যবস্থায় যথার্থ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তবে গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায় না, তা আমরা বিলক্ষণ জানি। সেটিও জেনেছি অভিজ্ঞতা থেকেই। যেমন—আমরা জানি গণতন্ত্র মানে সংখ্যাগরিষ্ঠের একচ্ছত্র আধিপত্য নয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে ও দাপটে জনগণের দুর্দশা যেকোনো স্তরে গিয়ে পৌঁছতে পারে, চারদলীয় শাসনামলে সে ব্যাপারে ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। লোকে ওই শাসনকে প্রত্যাখ্যান করে বহুদলীয় মহাজোটকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। মহাজোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিরঙ্কুশ, সেই বলে বলীয়ান হয়ে তারা তো আগের শাসকদের মতোই আচরণ করে চলেছে, ক্ষেত্রবিশেষ আরো ভয়ংকররূপে। দেশ শাসন করছেন যাঁরা তাঁদের জন্যও যে ব্যাপারটি বিপজ্জনক হবে, তাতে সন্দেহ নেই।

গণতন্ত্রের জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে স্থানীয় শাসন। স্থানীয় শাসনের অর্থ হলো ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তার এই বিকেন্দ্রীকরণের মূল কথাটি হলো তৃণমূলে স্থানীয় মানুষই নিজেদের দেখভাল করবে, কর্তৃত্ব থাকবে তাদের হাতেই; কেন্দ্রীয় শাসন অবশ্য থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে, তবে সে শাসনের পরিধি যত খাটো হবে সমাজের ততই উপকার ঘটবে। স্থানীয়ভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে উঠবে, স্থানীয় লোকজন যতটা সম্ভব নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই নেবে। কিন্তু শাসনক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণে এ পর্যন্ত কোনো সরকারই উৎসাহ দেখায়নি। অথচ আমাদের সংবিধানের ৪৯, ৫৯ ও ৬০ ধারায় পরিষ্কারভাবে বলা আছে যে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অধীনেই থাকবে। বলা আছে, স্থানীয় শাসন স্থানীয় মানুষদের স্বার্থের তদারকি করবে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বও হবে তাদেরই। স্থানীয় সরকার কর আরোপ করা এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের অধিকারও পাবে।

সংবিধানের অনেক কিছুই কাটাছেঁড়া করা হয়েছে, তবে স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিধানগুলো কিন্তু এখনো অক্ষতই রয়ে গেছে। তদুপরি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার রয়েছে। তাই আশা করা গিয়েছিল যে দিনবদলের হাওয়া ওখান থেকেই বইতে শুরু করবে। চেয়ারম্যান, উপচেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন; এবার নতুন বিধি তৈরি করে স্থানীয় সরকারকে সুযোগ দেওয়া হবে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার। কিন্তু জাতীয় পরিষদে আইন পাস করে উপজেলায় সংসদ সদস্যদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন, তাঁদের পাশ কাটিয়ে উপজেলা পরিষদ সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে না। এ ঘটনা শুধু যে অপ্রত্যাশিত তা নয়, অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জকও বটে। এমনিতেই রাজধানী অতিকায় হয়ে উঠেছে। গ্রামে কর্মের সংস্থান নেই, সেখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক, গ্রাম শুকিয়ে যাচ্ছে, পানির অভাবে তো বটেই, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের অভাবেও।

এ ঘটনা তাৎপর্যহীন নয় যে জাতীয় সংসদের যে সদস্যরা এমন কোনো ইস্যু নেই, যা নিয়ে বিভক্ত হন না, অথচ স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা হরণের বিষয়ে তাঁদের ভেতর কোনো অনৈক্য দেখা দেয়নি, তাঁরা সমস্বরে সাড়া দিয়েছেন। এতে অবশ্য বিস্ময়ের কোনো ব্যাপার নেই। সংসদ সদস্যরা বিনা শুল্কে গাড়ি আমদানি, নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ব্যাপারে যেমন একমত, উপজেলার ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও তেমনি। তাঁরা নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে চান জনগণের ক্ষমতা কমিয়ে। আমরা মনে করি যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে এভাবে পর্যুদস্ত করা কোনো শুভ লক্ষণ নয় এবং দাবি করি যে আইন সংশোধন করে ক্ষমতা উপজেলা পরিষদের হাতে অর্পণ করা হোক। সেটি না করলে উন্নয়নের দিনবদল তো হবেই না, বরং উল্টোটিই ঘটবে।

সমাজে ভালো দৃষ্টান্তের বড়ই অভাব। সে দৃষ্টান্ত সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না, পাওয়া যাচ্ছে না শাসক শ্রেণির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ছাত্রসংগঠনের কাছ থেকেও। উন্নয়ন তথা দিনবদলের দায়িত্ব তাই তাঁদেরই নিতে হবে, যাঁরা দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক। মুশকিল হলো তাঁরা সংগঠিত নন। জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া অবধারিত। এতে বোঝা যায় যে তাঁদের পথটি টাকা খরচ করে এবং মানুষকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হওয়ার নয়, তাঁদের পথটি হলো আন্দোলন।

২.

এটি মোটেই অস্বীকার করা যাবে না যে বাংলাদেশে এখন এক ধরনের বন্ধ্যত্ব বিরাজ করছে, যেটি মূলত অর্থনৈতিক এবং যার প্রভাব জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও বিলক্ষণ পড়েছে। বন্ধ্যত্ব আগেও ছিল; কিন্তু এত সংগ্রামের এবং তথাকথিত উন্নয়নের পরও আমরা বন্ধ্যত্বের প্রকোপ থেকে মুক্তি পাচ্ছি না, বরং তার বিস্তার দেখে হতাশাগ্রস্ত হচ্ছি—এটি মোটেই প্রত্যাশিত ছিল না। কিন্তু ঠিক সেটিই ঘটেছে। এই বন্ধ্যত্বের কারণ কী? কারণ নিশ্চয় একাধিক; কিন্তু প্রধান কারণ একটিই—সেটি হলো দেশপ্রেমের অভাব।

এটি কোনো তত্ত্বকথা নয়, বাস্তবিক সত্য। দেশপ্রেম অর্থ হলো দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা; যে ভালোবাসা মানুষকে মানুষ রাখে, তার মনুষ্যত্বকে বিকশিত করে তোলে এবং সেই সঙ্গে সম্মিলিত উদ্যোগে ব্রতী করে। একা কেউই কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, অন্যের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রয়োজন হয়। এই সহযোগিতা ও সমর্থন লাভের সবচেয়ে সুন্দর, সহজ ও কার্যকর উপায় হচ্ছে দেশপ্রেম। মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকলে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি; সম্ভব হয় পরস্পরকে উৎসাহী ও উদ্দীপ্ত করে তোলা; সর্বোপরি একটি সমষ্টিগত স্বপ্নের লালন ও পালনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া যায়। সমস্যাটি হলো, এই দেশপ্রেম আগে যতটা ছিল এখন ততটা নেই।

আগে আমরা জানতাম শত্রু হচ্ছে বিদেশি, সেই শত্রু রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রেখে আমাদের শোষণ করছে। ওই শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম শক্তিশালী হয়েছে। এখন রাষ্ট্রক্ষমতা দেশি মানুষের হাতে। কিন্তু ক্ষমতা যাঁদের হাতে তাঁরা দেশপ্রেমের কোনো দৃষ্টান্ত তো তুলে ধরেনই না, উপরন্তু জনগণকে শোষণ করার কাজ আগের শাসকদের মতোই অব্যাহত রেখেছেন। জনগণের তাঁরা আর যাই হোন, মিত্র নন। যেহেতু তাঁরা দেশীয় এবং নিজেদের ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখার তাগিদে জনগণকে বিভক্ত করতে অত্যুৎসাহী ও সক্ষম, তাই তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াইটা জমে ওঠে না এবং আবার লড়াইয়ের পেছনে যে দেশপ্রেম ছিল, তা-ও আর বিকশিত হয় না। অন্যদিকে ব্যক্তিগত মুনাফা লাভের যে আদর্শ দেশের শাসকরা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন, তার প্রভাবে সাধারণ মানুষও দেশের কথা না ভেবে শুধু নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে চায়। উভয় কারণেই সমষ্টিগত মুক্তির যে স্বপ্ন অতীতে আমাদের পরিচালিত করত এবং কঠিন দুঃসময়েও আশাবাদী করে রেখেছিল, সে স্বপ্নটি এখন আর কার্যকর নেই। বস্তুত সেটি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং প্রায় প্রত্যেক মানুষের জন্যই একটি করে দুঃস্বপ্নের জন্ম দিয়েছে। দেশপ্রেম হারিয়ে আমরা ভীষণভাবে আত্মপ্রেমিক হয়ে পড়েছি।

দেশে জ্ঞানী-গুণী আর দক্ষ লোকের কোনো অভাব নেই। আমাদের লোকজন বিদেশে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। কিন্তু দেশপ্রেমের অভাবের দরুন জ্ঞান, গুণ ও দক্ষতাকে সৃষ্টিশীলতার কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বন্ধ্যত্বের আসল কারণটি রয়েছে এখানেই।

আরো একটি ঘটনা ঘটেছে। সেটি হলো কৃষিকে অবহেলা করা। আমাদের স্বাভাবিক নির্ভরতা হচ্ছে কৃষির ওপর। একে উপক্ষো করে যে আমরা এক পাও এগোতে পারব না তার প্রমাণ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। কৃষিকে অবজ্ঞা করার ঘটনা শুধু যে বাংলাদেশে ঘটেছে তা নয়, এটি বিশ্বপুঁজিবাদী ব্যবস্থারই একটি অংশ বটে, যে পুঁজিবাদ কৃষিকে ব্যবহার করে ঠিকই কিন্তু উৎসাহী থাকে বৃহৎ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে। আমরাও ওই পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনেই রয়েছি।

অন্যদিকে আরেক ঘটনা ঘটে চলছে। সেটি হলো ঋণ বৃদ্ধি। বাংলাদেশ বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে ঋণ করেছে, এটি আমরা জানি; কিন্তু এখন যেটি করছে তা হলো, দেশি ব্যাংক ও বিদেশি ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থেকে ঋণগ্রহণ। সরকারি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ফলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি না পেয়ে অনুৎপাদনশীল সরকারি খাতগুলোতেই খরচা বাড়ছে। প্রয়োজনে সরকার ঋণ গ্রহণ করবে নিশ্চয়ই; কিন্তু তা করা দরকার ব্যাংক থেকে নয়, দেশবাসীর কাছ থেকে। এর জন্য নানা ধরনের বন্ড বিক্রির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বলা বাহুল্য, এ ক্ষেত্রেও অভাব যেটির সেটি অন্য কিছু নয়, দেশপ্রেমেরই।

দেশপ্রেমের সমস্যাটি দূর করার জন্য রাজনৈতিক আন্দোলন দরকার। তেমন আন্দোলন, যা এক দল বা গোষ্ঠীকে সরিয়ে অন্য দল বা গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসাবে না, রাষ্ট্রের ওপর জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করবে। এটিরই আজ অভাব এবং এই অভাবের জন্যই সর্বত্র এত হতাশা। যাঁরা দেশপ্রেমিক, তাঁদের প্রথম কর্তব্য হলো এই রাজনৈতিক আন্দোলনকে গভীরতা ও ব্যাপকতা দেওয়া। নইলে সংকট থেকে আমরা কিছুতেই বের হয়ে আসতে পারব না।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মাদরাসার এমপিও কমিটির প্রথম সভা ২৫ নভেম্বর - dainik shiksha মাদরাসার এমপিও কমিটির প্রথম সভা ২৫ নভেম্বর সরকারি হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া প্রত্যবেক্ষক, প্রার্থীদের সহায়তার অভিযোগ - dainik shiksha সরকারি হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া প্রত্যবেক্ষক, প্রার্থীদের সহায়তার অভিযোগ মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ - dainik shiksha মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ প্রাক-প্রাথমিকে পরীক্ষা নেয়া যাবে না - dainik shiksha প্রাক-প্রাথমিকে পরীক্ষা নেয়া যাবে না শিক্ষক নিবন্ধন : ৬ষ্ঠ দিনের ভাইভা শেষে যা বললেন প্রার্থীরা (ভিডিও) - dainik shiksha শিক্ষক নিবন্ধন : ৬ষ্ঠ দিনের ভাইভা শেষে যা বললেন প্রার্থীরা (ভিডিও) এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়ল - dainik shiksha এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়ল মাদরাসা-কারিগরির এমপিও নীতিমালা সংশোধনে ১২ সদস্যের কমিটি - dainik shiksha মাদরাসা-কারিগরির এমপিও নীতিমালা সংশোধনে ১২ সদস্যের কমিটি এমপিওভুক্ত মাদরাসা-কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ে ১০ সদস্যের কমিটি - dainik shiksha এমপিওভুক্ত মাদরাসা-কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ে ১০ সদস্যের কমিটি সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ - dainik shiksha সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ এমপিও কমিটির সভা ২৪ নভেম্বর - dainik shiksha এমপিও কমিটির সভা ২৪ নভেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন please click here to view dainikshiksha website