please click here to view dainikshiksha website

আগৈলঝাড়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: আসামি দীপকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১১, ২০১৭ - ১:৪৭ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

বরিশালবরিশালের আগৈলঝাড়ায় রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি দীপক জয়ধর। দীপক আগৈলঝাড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের দ্বীজেন জয়ধরের ছেলে। ওই মামলায় দীপক ছাড়াও তার মা পুষ্প জয়ধর ও স্ত্রী কচি জয়ধরও জেলহাজতে রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দু’দিন পুলিশ রিমান্ড শেষে বুধবার বিকালে দীপক জয়ধর বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিহাবুল ইসলামের আদালতে ওই ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে মা পুষ্প রানী এবং স্ত্রী কচি রানীকেও দু’দিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তারাও তাদের অপরাধ স্বীকার করে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শাহজাহান।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক মোলালা জানান, দীপকের পাশের বাড়ির বাসিন্দা তাপস শীলের সঙ্গে ঘটনার দিন রাতে দীপকের বাড়িতে অবস্থান নেয় মামলায় অজ্ঞাতনামা বলে উল্লেখিত ধর্ষক গৌরনদী থানার কুদ্দুস ফকিরের ছেলে কাওছার ফকির।

তাপস টরকী বন্দরে সেলুন ব্যবসার আড়ালে এলাকার দীপকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে মাদক বিক্রি করে আসছিল। সেলুন ব্যবসার সুবাদে কাওছারের সঙ্গে তাপসের সখ্যতা গড়ে ওঠে। দীপকের পরিবারও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিন ২৯ জুলাই রাতে ওই স্কুলছাত্রীকে রাত ১১টার দিকে দীপক ও তার স্ত্রী কচি ফোন করে দীপকের ঘরে ডেকে আনে। সেখানে আগে থেকেই তাপস শীল, তার বন্ধু কাওছার, গৌরনদীর নন্দনপট্টি গ্রামের শফি মৃধার ছেলে সেন্টু মৃধা উপস্থিত ছিল। এসময় কাওছার তাকে ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে ওই কিশোরী চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে দীপক, তার মা ও স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এসময় কৌশলে তাপস, কাওছার ও সেন্টু পালিয়ে যায়। ওই রাতে এলাকায় ডিউটিরত এএসআই মিন্টু লাল হীরা ঘটনাস্থল গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করেন। ধর্ষণে সহায়তা করার অপরাধে দীপক, তার মা পুষ্প জয়ধর, স্ত্রী কচি জয়ধরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন তিনি। ভিকটিমকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য পাঠানো হয়।

ঘটনার পর দিন ৩০ জুলাই ওই স্কুলছাত্রী মামলা করে। গত রোববার পুলিশ আসামিদের রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত তাদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১টি

  1. হুমায়ুন কবির says:

    এই অপরাধটি যেভাবে শহর-গ্রামব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে আর প্রতিদিনই বিরামহীন ঘটেই চলেছে এ রকম অসংখ্য ঘটনা! এমতাবস্থায় হয় এ দেশকে ‘মুক্ত যৌনতার দেশ’ ঘোষণা করা হোক! নয়তো হাজার বছরের রক্ষণশীল এই সমাজকে শেষরক্ষা করতে হলে “বিশেষ বিচার ট্রাইব্যুনাল” গঠন করে তাৎক্ষণিকভাবে গুলী করে হত্যার ব্যবস্থা করা হোক।

আপনার মন্তব্য দিন