আন্দোলনে যাবেন সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা - সমিতি সংবাদ - Dainikshiksha

জাতীয়করণআন্দোলনে যাবেন সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক |

জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি দেবেন সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। বাংলাদেশ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা টিচার্স সোসাইটির ব্যানারে এরই মধ্যে জেলা ও উপজেলায় জনসংযোগ শুরু করেছেন শিক্ষক নেতারা। দাবি আদায়ে প্রথমে সরকারের সঙ্গে আলোচনা, মানববন্ধন এবং প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবেন তারা।

বাংলাদেশ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা টিচার্স সোসাইটির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল হামিদ খান দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যায় সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের জাতীয়করণসহ বেতন স্কেল ও অন্যান্য সব সুবিধা দিতে সরকারের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি। আগামী এক মাসের মধ্যে দাবি আদায়ে আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করব। তবে কর্মসূচি ঘোষণার আগে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসব।

বাংলাদেশ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা টিচার্স সোসাইটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব আ.ন.ম. রেজাউল করিম দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে বলেন, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় আমাদের ন্যায্য দাবি হতে বঞ্চিত হচ্ছি। দাবি আদায়ে এরই মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভা করেছি। এরপর আমরা ঢাকা মানববন্ধন করব। প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে স্মারকলিপি দেব।


শিক্ষক নেতারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বর্তমানে যে পরিমাণ বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন, ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা একই পাঠ্যবই শিক্ষাদানসহ অতিরিক্ত ধর্মীয় শিক্ষাদান করেও চার ভাগের এক ভাগ বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। এতে তাদের জীবিকা নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কোনো উপবৃত্তি ও টিফিন ভাতা পায় না।  তাদের জন্য পিটিআই ট্রেনিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন স্কেল দেয়া হয় না। শিক্ষক নেতারা নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা - dainik shiksha প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা - dainik shiksha কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website