ইতিহাসের সত্য ও গণহত্যা দিবস - মতামত - Dainikshiksha

ইতিহাসের সত্য ও গণহত্যা দিবস

তোফায়েল আহমেদ |

প্রকৃতপক্ষে ১৯৭১-এর ১লা মার্চ থেকেই অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। সাতই মার্চ জাতির জনক তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ বক্তৃতার মধ্য দিয়ে- যে বক্তৃতা আজ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তৃতা- একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেন। বক্তৃতায় তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, একাত্তরের দিনগুলিতে আমরা অক্ষরে অক্ষরে সেসব নির্দেশ পালন করেছি। এই বক্তৃতার মধ্য দিয়ে তিনি একটি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাঙালি জাতিকে এক মোহনায় দাঁড় করিয়েছিলেন।


মধ্য মার্চে ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে যখন বঙ্গবন্ধুর সংলাপ চলে, তখন প্রতিদিনই আমাদের চারজনকে- যারা আমরা পরে মুক্তিযুদ্ধের কালপর্বে মুজিব বাহিনীর অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছি- মণি ভাই, সিরাজ ভাই, রাজ্জাক ভাই এবং আমাকে ব্রিফ করতেন যে কী হয়েছে, কী ঘটছে এবং কী হতে চলেছে। তিনি কখনোই মনে করেননি যে সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ইয়াহিয়া খানের সময় দরকার, আমারও সময় দরকার। তোমরা প্রস্তুতি নাও। আমি আক্রান্ত হবো; কিন্তু আক্রমণকারী হবো না। যখনই ওরা আক্রমণ করবে এবং আমরা আক্রান্ত হবো, তখনই পৃথিবীর মানুষ বুঝবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প ছিল না।’ তেইশে মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস। সেদিন পাকিস্তানের পতাকা কোথাও ওড়েনি। শুধু ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া। আসগর খান তার বইতে লিখেছেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান সফরে গিয়ে আমি অবাক হয়েছি। কারণ, পাকিস্তানের চিহ্ন আমি পূর্ব পাকিস্তানের কোথাও দেখিনি। শুধু ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া।’ ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা শুরুর আগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বৈঠকে আসগর খান জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘এরপর কী হতে পারে?’ বঙ্গবন্ধু উত্তর দিয়েছিলেন, ‘ইয়াহিয়া খান আসবে। তার সঙ্গে অর্থনীতিবিদ আসবে। প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান এম এম আহমেদ আসবে। তার সঙ্গে বিচারপতি কর্নেলিয়াস আসবে। আরো কিছু লোক আসবে এবং এসে আমার সঙ্গে আলোচনা করবে; কিন্তু এ আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না। একদিন সে বাঙালি জাতির উপর আক্রমণ করবে এবং সেদিনই পাকিস্তানের সমাধি রচিত হবে।’ তেইশে মার্চ আমরা ঘরে ঘরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি।

’৭১-এর পঁচিশে মার্চ দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। মনে পড়ে, বাইশে মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে প্রাক্তন বাঙালি সৈনিকদের সঙ্গে বৈঠকে কর্নেল ওসমানী বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ডু ইউ থিংক দ্যাট টুমরো উইল বি এ ক্রুসিয়াল ডে?’ বঙ্গবন্ধু জবাবে বলেন, ‘নো, আই থিংক, ইট উইল বি টুয়েন্টি ফিফথ্।’ তখন ওসমানী সাহেব পুনরায় তীক্ষ স্বরে তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাল তো তেইশে মার্চ। পাকিস্তান দিবস। সে উপলক্ষে ওরা কি কিছু করতে চাইবে না?’ বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘ওরা যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো কিছু করতে পারে। তার জন্য কোনো দিবসের প্রয়োজন হয় না।’ কী নিখুঁত হিসাব বঙ্গবন্ধুর! হিসাব করেই তিনি বলেছিলেন পঁচিশে মার্চেই পাকিস্তানিরা ক্র্যাকডাউন করবে।

সেই পঁচিশে মার্চের কথা মনে পড়ে। অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে শিল্পপতি শ্রদ্ধেয় জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে আমরা একটা গাড়ি চেয়ে নিয়েছিলাম। এই গাড়ির পেছনে আমাদের ব্যাগ থাকতো। কারণ, আমরা তৈরি থাকতাম, কোন সময় কী ঘটে। বঙ্গবন্ধু সবসময় বলেছেন, ‘প্রস্তুত থেকো।’ যুদ্ধ শুরু হলে কলকাতা গেলে আমরা কোথায় থাকবো? ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ বঙ্গবন্ধু আমাদের ঠিকানা মুখস্থ করিয়েছেন। সানি ভিলা, ২১ নম্বর রাজেন্দ্র রোড, নর্দার্ন পার্ক, ভবানীপুর, কলকাতা। পঁচিশে মার্চ বহু লোক বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এসেছেন। অনেকেই অনুরোধ করে বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু, ৩২ নম্বরের বাসভবন ত্যাগ করেন।’ বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘ওরা যদি আমাকে না পায়, ঢাকা শহরকে ওরা তছনছ করবে। লক্ষ লক্ষ লোককে ওরা হত্যা করবে। আমি তো সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আমি এভাবে অন্য জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিতে পারি না। আমি আমার বাড়িতেই থাকবো। কারণ, আমি আমার জীবন বাংলার মানুষের জন্য উত্সর্গ করেছি। জীবন এবং মৃত্যু একসাথে। আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য মৃত্যুকে বারবার আলিঙ্গন জানিয়েছি। এবারও আমি এখানেই থাকবো। আমার দেশ যে স্বাধীন হবে এতে কোনো সন্দেহ নাই।’

বঙ্গবন্ধু সকলের শুভ কামনা করে বিদায় জানিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা যাও, আমার যা করার আমি করেছি।’ আমার মনে আছে ২৫ মার্চ তিনি বলেছিলেন, ‘সত্যিই আমার জীবন সার্থক। আমি যা চেয়েছিলাম আজ তাই হতে চলেছে। এই তো প্রথম বাঙালিরা বাংলার ভাগ্যনিয়ন্তা হতে পেরেছে। আজ আমার কথা মতো, আমার নির্দেশিত পথে বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে। আজ আমি যা বলি মানুষ তা পালন করে। আমার অসহযোগ আন্দোলন সার্থক ও সফল হয়েছে।’ আমরা যখন বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলাম, ওরা তো আপনাকে গ্রেফতার করবে। আপনাকে হত্যাও করতে পারে। উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমাকে গ্রেফতার করে, হত্যা করে ওদের লাভ হবে না। ওরা আগেও আমাকে গ্রেফতার করেছিল। ওদের লাভ হয় নাই। এবারও আমাকে গ্রেফতার করুক, হত্যা করুক ওদের লাভ হবে না। আমার বাংলাদেশ স্বাধীন হবেই। আমার মৃত্যুর পরে কেউ যদি আমার মৃতদেহ দেখে, দেখবে আমার মুখে হাসি। আমার জীবন সার্থক। কারণ, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হতে চলেছে।’

আমি এবং মণি ভাই সবশেষে রাত ১১টায় বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিলাম। তিনি আমাদের দুজনের মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন। কোথায় গেলে অর্থ ও সাহায্য পাবো সে-সব কথা বলে আমাদের কপালে চুমু দিয়ে সে রাতে বিদায় দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যখন যাচ্ছি, তখন রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড। সেগুনবাগিচার একটি প্রেসে মণি ভাই লিফলেট ছাপতে দিয়েছিলেন। সেগুনবাগিচা গেলাম। আমরা পায়ে হেঁটে মণি ভাইয়ের বাসায় গেলাম। এরপর রাত ১২টা ১ মিনিটে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে শুরু হয় ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা। পঁচিশে মার্চ রাতে ঢাকা নগরীর নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বর পাকবাহিনী ট্যাংক ও ভারী অস্ত্রসহ ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় বাঙালি নিধনে গণহত্যা। লক্ষাধিক লোককে এক রাতেই হত্যা করেছে পাকবাহিনী। ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইয়াহিয়া খান বলেন, শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ‘মুজিব ইজ এ ট্রেইটর। দিস টাইম হি উইল নট গো আনপানিশড।’ বক্তৃতায় তিনি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে আরো আগেই আমার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত ছিল। এদের নেতাদের আগেই আমার গ্রেফতার করা উচিত ছিল।’

পরদিন ২৭ মার্চে যখন দু’ঘণ্টার জন্য কারফিউ প্রত্যাহূত হলো তখন আমরা ঢাকা থেকে কেরানিগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা বোরহানউদ্দিন গগনের- যিনি পরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন- বাড়িতে আশ্রয় নেই। কেরানিগঞ্জে দু’রাত থাকার পর ২৯ মার্চ আমি, মণি ভাই, জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামারুজ্জামান সাহেব এবং আমাদের বন্ধু ’৭০-এ নির্বাচিত প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ডা. আবু হেনাসহ- যিনি অসহযোগ আন্দোলনের সময় যে পথে কলকাতা গিয়েছিলেন এবং এসেছিলেন, সেই পথে- আমরা প্রথমে দোহার-নবাবগঞ্জ, পরে মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, সারিয়াকান্দি, বগুড়া হয়ে বালুরঘাট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ৪ এপ্রিল, সেই ‘সানি ভিলা’য় আশ্রয় গ্রহণ করি। মার্চের ২৫ থেকে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত কালপর্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালি নিধনে ৯ মাসব্যাপী বর্বর গণহত্যা পরিচালনা করে।

‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নীলনকশায় ঢাকার ৪টি স্থান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং তত্কালীন পিলখানা ইপিআর (বর্তমান বিজিবি)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দসহ ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রলীগ নেতা চিশতী হেলালুর রহমান ও বর্তমান ক্যাবিনেট সেক্রেটারির ভাই জাফর আহমদকে হত্যা করে। এছাড়াও জগন্নাথ হলের অনেক ছাত্রকে হত্যা করা হয়। ঢাকার ৪টি স্থান ছাড়াও রাজশাহী, যশোর, খুলনা, রংপুর, সৈয়দপুর, কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম ছিল ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর আওতাভুক্ত এলাকা। ’৭১-এর গণহত্যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ বাংলাদেশের হত্যাযজ্ঞকে বিশ শতকের পাঁচটি ভয়ঙ্কর গণহত্যার অন্যতম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে ’৭১-এ পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘তিন মিলিয়ন’ বা ত্রিশ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে। এই সংখ্যার সমর্থন রয়েছে Encyclopedia Americana এবং National Geographic Magazine-এ। এসব রিপোর্টে লেখা আছে, বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তান বাহিনীর নিষ্ঠুরতা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পোল্যান্ডে নাজী বাহিনীর বর্বরতার চাইতেও ভয়াবহ।

আমি অকপটে স্বীকার করি, পঁচিশে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত আরো আগেই নেওয়া উচিত ছিল। বহুবিধ কারণে এটি সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। ’৭১-এর গণহত্যাকে ভিন্নখাতে চালিত করার জন্য দেশ-বিদেশের অনেকেই অপকর্ম করে থাকে। দুঃখজনক হলেও একথা সত্য যে, এজন্য আমাদের দেশের কতিপয় রাজনৈতিক নেতা দায়ী। বিশেষ করে বিএনপির নেতৃবৃন্দ। যেদিন বিএনপি নেত্রী প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেছিলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে তার প্রশ্ন আছে, সেদিন থেকে অনেকেই শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর লেখাপত্র প্রকাশের সাহস পেয়েছে।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বা তার দোসররা স্বাধীন বাংলাদেশে ’৭১-এর গণহত্যার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা দীর্ঘকাল ধরে বিতর্কিত ও বিকৃত করে অস্বীকার করবার চেষ্টা করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে বিএনপি নামক দলটি যে রাজনৈতিক পাপ করেছে, তাতে করে দলটির অস্তিত্ব আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। আর এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ জেল-জুলুম-হুলিয়ার মুখেও অবিচল থেকে ইতিহাসের সত্যকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে রেখেছে বলেই আজ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণহত্যায় লিপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পঁচিশে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

 

লেখক: আওয়ামী লীগ নেতা, সংসদ সদস্য, সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

 

সৌজন্যে: ইত্তেফাক

‘শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণ সুবিধার তহবিল বন্ধ করে পেনশন চালু করতে হবে’ - dainik shiksha ‘শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণ সুবিধার তহবিল বন্ধ করে পেনশন চালু করতে হবে’ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা ১০ মে - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা ১০ মে কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক তহবিলের এক কোটি টাকার হদিস নেই - dainik shiksha কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক তহবিলের এক কোটি টাকার হদিস নেই এসএসসির ফল ৫ বা ৬ মে - dainik shiksha এসএসসির ফল ৫ বা ৬ মে সরকারিকৃত ২৯৯ কলেজে পদ সৃজনে সংশোধিত তথ্য ছক প্রকাশ - dainik shiksha সরকারিকৃত ২৯৯ কলেজে পদ সৃজনে সংশোধিত তথ্য ছক প্রকাশ কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা এফডিআর করা হয়নি - dainik shiksha কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা এফডিআর করা হয়নি আদর্শ না শেখালে সন্তানদের হাতে বাবা-মাও নিরাপদ নন: গণপূর্তমন্ত্রী - dainik shiksha আদর্শ না শেখালে সন্তানদের হাতে বাবা-মাও নিরাপদ নন: গণপূর্তমন্ত্রী চাঁদা বৃদ্ধির পরও ২১৬ কোটি টাকা বার্ষিক ঘাটতি : শরীফ সাদী - dainik shiksha চাঁদা বৃদ্ধির পরও ২১৬ কোটি টাকা বার্ষিক ঘাটতি : শরীফ সাদী কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নীতিমালা জারি - dainik shiksha কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নীতিমালা জারি একাদশে ভর্তির নীতিমালা জারি, আবেদন শুরু ১২ মে - dainik shiksha একাদশে ভর্তির নীতিমালা জারি, আবেদন শুরু ১২ মে প্রাথমিকের ৪২৭ শিক্ষকের বদলি - dainik shiksha প্রাথমিকের ৪২৭ শিক্ষকের বদলি সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website