ইতিহাস বিকৃতকারী ঢাবি শিক্ষককে রক্ষায় তৎপর কতিপয় অধ্যাপক! - বিশ্ববিদ্যালয় - দৈনিকশিক্ষা

ইতিহাস বিকৃতকারী ঢাবি শিক্ষককে রক্ষায় তৎপর কতিপয় অধ্যাপক!

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য ও ইতিহাস বিকৃতি করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান! কর্তৃপক্ষের একটি অংশের তদ্বিরের জোরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিএনপি-জামায়াতপন্থী সাদা দলের অন্যতম নেতা মার্কেটিং বিভাগের এ শিক্ষকের অপরাধ তদন্তও ঝুলে আছে মাসের পর মাস। জিয়াউর রহমানকে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করায় রেজিস্ট্রার চাকরিচ্যুত হলেও আরও ভয়াবহ ইতিহাস বিকৃতি ঘটিয়েও টিকে আছেন এ শিক্ষক। ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে ঢাবিতে। আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ছাত্রলীগসহ প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন বিভাষ বাড়ৈ।

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, ছাত্রলীগ অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতি করে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে বলেছে, জাতির জনক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারী কোন শক্তি এ বিশ^বিদ্যালয়ে থাকতে পারবে না। তাকে রক্ষায় কোন গোষ্ঠীর ছলচাতুরী সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে অপরাধীর শাস্তির জন্য কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবে ছাত্রলীগসহ প্রগতিশীল শক্তি। একই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, চাকরিচ্যুতি করার দাবিতে অভিযুক্ত ড. মোর্শেদ হাসান খানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে।

জানা গেছে, এ শিক্ষক পৃথকভাবে একাধিকবার গণমাধ্যমে জাতির জনকের অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুর শাসন আমল নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ মনগড়া তথ্য পরিবেশন করেছেন। ছাত্রলীগসহ প্রগতিশীল সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে গত বছরের শেষ দিকে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কিন্তু তদন্ত মাসের পর মাস চলে গেলেও শিক্ষকের অবস্থান শক্ত হওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে।

এরই মধ্যে গত কদিন ধরে খবর ছড়িয়ে পরে চাকরিচ্যুতির বদলে কৌশলে বহাল রাখা হতে পারে শিক্ষককে। এ লক্ষ্যে তার ‘পদাবনতি’ দিয়ে বিভাগে আবার বহাল করার সুপারিশ আসছে বলেও খবর ছড়িয়ে পরে। তদন্ত কমিটি ও কর্তৃপক্ষের অন্তত ৭ জন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে রক্ষা করার জন্য একটি পক্ষ সক্রিয় হয়ে ওঠায় বিভক্তি দেখা দিয়েছে কর্তৃপক্ষের মধ্যেও। কিন্তু বিএনপি-জামায়াতপন্থী নেতা ও জাতির জনকের অবমাননাকারী ব্যক্তির জন্য আওয়ামীপন্থী ব্যক্তিদের দৌড়ঝাঁপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথাও বলতে রাজি হচ্ছেন না তদন্ত সংশ্লিষ্ট অনেকেই। ফলে বাড়ছে অসন্তোষ।

জামায়াত সমর্থিক গণমাধ্যম দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকায় ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে এক নিবন্ধে সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান লিখেছেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাক-হানাদার বাহিনীর এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। তখন তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধের লেশমাত্রও পাওয়া যায়নি। মানুষ এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না। এমনই এক পরিস্থিতির মাঝে আওয়ামী নেতাদের বেশির ভাগই তাদের পরিবার-পরিজনসহ ভারতে চলে গেলেন, এ দেশবাসীকে মৃত্যু ফাঁদে ফেলে দিয়ে নেতৃত্বহীন অবস্থায়। যাকে ঘিরে এ দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখত সেই শেখ মুজিবুর রহমানও। জাতির এ সঙ্কটকালীন মুহূর্তে ত্রাতারূপে আবির্ভূত হন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। দেশপ্রেমের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত এই টগবগে যুবকের কণ্ঠে ২৬ মার্চ রাতে বজ্রের মতো গর্জে ওঠে স্বাধীনতার ঘোষণা।’ তিনি আরও লেখেন, ‘স্বাধীনতার ডাক এসেছিল শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর, তার আগে নয়। আমার জানা মতে, তিনি কোন স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি’।

লেখার অপর একটি অংশে স্বাধীনতার পরেও বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেছেন, ‘দেশবাসী দেখলো শেখ মুজিব একদলীয় বাকশালী শাসনব্যবস্থা চালু করে নিজেই যেন দাঁড়িয়ে গেলেন নিজের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে। ১৯৭২ থেকে ৭৫-এর ১৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত দেশে বাক স্বাধীনতা বলতে কিছুই ছিল না’।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘সংসদে দাঁড়িয়ে আজ মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা ও তার চেলাচাম‍ুন্ডারা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করছে, তার স্বচ্ছ ইমেজকে কালিমালিপ্ত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। তবে আওয়ামী শিষ্টাচার বলে গ্রহণযোগ্য।’

দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় স্মৃতিময় জিয়া শিরোনামে এক লেখাতে অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য করেছেন। তিনি লিখেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাক-হানাদার বাহিনী যখন এ দেশের নিরীহ-ঘুমন্ত মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালায় তখন আওয়ামী লীগ নেতারা তাদের পরিবার-পরিজনসহ ভারতে পালিয়ে যান। শেখ মুজিবুর রহমানও এ দেশবাসীকে মৃত্যুর ফাঁদে ফেলে দিয়ে পাক-হানাদার বাহিনীর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণের পূর্বে তিনি তার পরিবার-পরিজনের সার্বিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে যান।’ এই লেখাতেই এ শিক্ষক স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাসের বিকৃতি ঘটান নগ্নভাবে। তিনি লেখেন, ‘ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে ২৬ মার্চ রাতে ২টা ১৫ মিনিটে মেজর জিয়াউল রহমান নিরস্ত্র জাতিতে দিলেন অভয়, শোনালেন আশার বাণী- প্রিয় দেশবাসী, আমি মেজর জিয়া বলছি। আমি বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের সুপ্রিম কমান্ডার ও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি’।

স্বাধীনতার পরের ইতিহাস লিখতে গিয়ে এ শিক্ষক জাতির জনককে গণতন্ত্র হত্যাকারী হিসেবে তুলে ধরেন। লেখেন, ‘শেখ মুজিব সবাইকে হতাশ করলেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠান সংগ্রামের অভিযাত্রিক অগ্রভাগে থেকেই গণতন্ত্রকে হত্যা করলেন। দেশব্যপী চালু করলেন একদলীয় বাকশালী শাসনব্যবস্থা’।

জিয়াউর রহমানকে প্রথম প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘১৯৭৮ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিএনপি থেকে নির্বাচন করেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।’ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে এ শিক্ষক লিখেছেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য মৃত বাকশালের প্রতাত্মা আজ ফের জেগে উঠেছে। মানুষের জানমাল সম্ভ্রম এখন শাসক দলের মর্জির বিষয়। দেশ আজ এক মহাশ্মশানে পরিণত হয়েছে। চারদিকে রক্তের ছটা আর বেওয়ারিশ লাশের সমাবেশ’।

এভাবে ইতিহাস বিকৃতির ঘটনায় কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ কিছুদিন আগে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল। তারা মোর্শেদ হাসান খানের কুশপুতুল দাহ করেন এবং ক্যাম্পাসে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। পরের দিন ছাত্রলীগ অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্তসহ তিন দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান দেশের বাইরে থাকায় স্মারকলিপি গ্রহণ করে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ। ছাত্রলীগের তিন দফা দাবি ছিল অভিযুক্ত শিক্ষককে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা, আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা, অভিযুক্ত শিক্ষককে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘসূত্রতার পরও কোন ব্যবস্থা না নেয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশ হলে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করতে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটির রবিবার একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম বাহলুল মজনুন চুন্নু বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারি একটি মিটিং আছে। তারপর এ বিষয়ে কথা বলতে পারব। তদন্ত কমিটি সিদ্ধান্ত দিলে সেটা আবার সিন্ডিকেটে যাবে। এখন এর বেশি কিছু বলার নেই।

কমিটির অপর এক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি বিব্রত। এ নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না। কমিটির আরেক সদস্য ও কবি জসীমউদ্দীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পদাবনতি করে অভিযুক্ত শিক্ষককে বিভাগে রাখার অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ বলেন, হ্যাঁ আমি কমিটির একজন সদস্য। এ বিষয়ে আমি কোন তথ্য দিতে পারব না।

এদিকে ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে ঢাবিতে। আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে ছাত্রলীগ অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতি করে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাশ বলেছেন, এই কুলাঙ্গার শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হোক। ঢাবিতে এ শিক্ষককে অবাঞ্চিত করার ঘোষণা বলবত থাকল। জাতির পিতার অবমাননাকারীর জায়গা ঢাবির মাটিতে হবে না। তাকে চাকরিচ্যুত করা হোক। কোন ধানাইপানাই বা ছলচাতুরী চলবে না। অন্যথায় আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে ছাত্রলীগ।

সাধারণ সম্পাদক সাদ্দম হোসাইন বলেছেন, কোন শিক্ষক কোন পক্ষে আমরা বুঝি না। জাতির জনক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অবমাননাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সুরাহা করতে হবে এ বিষয়। অন্যথায় আমরা আন্দোলনে যাব। আমরা অন্যকিছু মানব না। অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে ঢাবির শিক্ষকদের দ্বারা এ ইতিহাস বিকৃতির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ইতিহাসবিদরাও। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক দুর্বলতার কারণে ঘটছে। এটাকে সমালোচনা করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো মৌলিক বিষয় নিয়ে যারা আপত্তিকর মন্তব্য করেন তাদের ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষক থাকা উচিত না, এ জন্যে তারা শিক্ষার্থীদের মন মানসিকতায়ও বিব্রত করবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন ৬ হাজার ৪১০ শিক্ষক - dainik shiksha উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন ৬ হাজার ৪১০ শিক্ষক সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা জারি - dainik shiksha সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা জারি ‘সরকারিকরণের আদেশ জারির দিন থেকে শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার চেষ্টা চলছে’ - dainik shiksha ‘সরকারিকরণের আদেশ জারির দিন থেকে শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার চেষ্টা চলছে’ দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা ফিরে আসছে শিক্ষা ভবনে, মাদরাসা শাখার কাজ কি? - dainik shiksha দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা ফিরে আসছে শিক্ষা ভবনে, মাদরাসা শাখার কাজ কি? রিফাত হত্যা মামলা : মিন্নিসহ ৬ জনের ফাঁসি, খালাস ৪ - dainik shiksha রিফাত হত্যা মামলা : মিন্নিসহ ৬ জনের ফাঁসি, খালাস ৪ টাইমস্কেল পাওয়া অধিগ্রহণকৃত স্কুল শিক্ষকদের টাকা ফেরত নেয়ার কাজ শুরু - dainik shiksha টাইমস্কেল পাওয়া অধিগ্রহণকৃত স্কুল শিক্ষকদের টাকা ফেরত নেয়ার কাজ শুরু বিনা প্রয়োজনে কলেজ ক্যাম্পাসে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি - dainik shiksha বিনা প্রয়োজনে কলেজ ক্যাম্পাসে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি ক্যামব্রিয়ান কলেজের ভ্যাট ফাঁকি, গোয়েন্দাদের অভিযান - dainik shiksha ক্যামব্রিয়ান কলেজের ভ্যাট ফাঁকি, গোয়েন্দাদের অভিযান কোচিং ও পরীক্ষা নিয়ে সাংবাদিকদের যা জানাল মন্ত্রণালয় - dainik shiksha কোচিং ও পরীক্ষা নিয়ে সাংবাদিকদের যা জানাল মন্ত্রণালয় please click here to view dainikshiksha website