ইবিতে শিক্ষার্থীদের অবরোধ - বিশ্ববিদ্যালয় - Dainikshiksha

ইবিতে শিক্ষার্থীদের অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক |

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিভাগ অবরোধ করেছে। ভর্তি পরীক্ষায় আরবী বিভাগকে মানবিক অনুষদ থেকে ধর্মতত্ত্ব অনুষদে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে বিভাগ অবরোধ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) ১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী শতাধিক শিক্ষার্থী বিভাগ অবরোধ করে রাখে। পরে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এসে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্থ করলে তারা অবরোধ তুলে নেয়। এর আগে শনিবার বেলা ১২টার দিকে বিভাগের শিক্ষকরা একই দাবি নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানায়।

বিভাগ সূত্র জানায়, গত ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় আরবী ও আল ফিকহ বিভাগকে যথাক্রমে মানবিক এবং আইন ও শরীয়াহ অনুষদ থেকে ধর্মতত্ত্ব অনুষদের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এতে ওই সভাতেই আরবী বিভাগের সভাপতি এর বিরোধীতা করেন। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাস খোলার পর থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ শুরু হয়।

এ দিকে একই দাবিতে আল ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরাও সোমবার থেকে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে। আইন অনুষদভূক্ত অন্য বিভাগ বি ইউনিটের অধীনে থাকলেও তাদেরকে দেয়া হয়েছে ধর্মতত্ত্ব অনুষদের এ ইউনিটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা ক্লাস বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির এক সদস্য বলেন, এ দুটি বিভাগে শুধুমাত্র মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হয়। এ জন্যই পরীক্ষা পদ্ধতিকে সহজীকরণ করার জন্য এ বিভাগ দুটিকে ধর্মতত্ত্ব অনুষদের অধীন করা হয়েছে। এখানে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি। আমাদের যৌক্তিক দাবির ব্যাপারে তাকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছি। এখন পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, বিভাগের শিক্ষকরা তাদের দাবি তুলে ধরেছে। তাদেরকে অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলেছি। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা এর পুনঃবিবেচনা করব। এখনও তাদের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো আশ্বাস দেয়া হয়নি।

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা - dainik shiksha প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা - dainik shiksha কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website