এক শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান - স্কুল - Dainikshiksha

এক শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান

মাদারীপুর প্রতিনিধি |

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আবদুল আজিজ মোল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক দিয়েই চলছে পাঠদান। বিদ্যালয়ের শিশু থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস একজন শিক্ষককেই সামলাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী রয়েছে ১২৪ জন। একটি ক্লাসে শিক্ষক গেলে অন্য ক্লাসগুলো ফাঁকা থাকে। এ কারণে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই স্কুলে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার দাবিতে বিদ্যালয় চত্বরে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

এলাকা ও সরেজমিন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১ জন শিক্ষক দিয়েই জোড়াতালির মাধ্যমে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। প্রথম অধিবেশনে শিশু শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ৩টি ক্লাস নেয়া হয়। ওই শিক্ষক একটি ক্লাসে গেলে অন্য ক্লাস ফাঁকা থাকে। একইভাবে দ্বিতীয় অধিবেশনে তৃতীয় শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত তিনটি ক্লাস চলে। প্রতি সময় দুইটি করে ক্লাস শিক্ষকবিহীন থাকে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে দিয়েই। তাও তিনি রয়েছেন ডেপুটেশনে।

বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, হারুন হাওলাদার, নাসিমা আক্তার, এরশাদ হাওলাদার ও তুহিন প্রমুখ।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানায়, দ্বিতীয় অধিবেশনে তৃতীয় থেকে ৫ম শ্রেণি তিনটি ক্লাস একজন শিক্ষককেই নিতে হয়। অনেক সময় স্যার আমাদের পড়া দিয়ে আবার অন্য ক্লাসে চলে যায়। এ জন্য স্যার আমাদের পড়া ভালোভাবে আদায় করার আগেই ক্লাসের সময় চলে যায়। সামনে আমাদের পরীক্ষা, প্রস্তুতিও নেই তেমনটা। স্যার কম থাকায় অনেক ছাত্র অন্য বিদ্যালয়ে চলেও গেছে। শিক্ষক ঘাটতি থাকায় তাদের পড়ালেখার অনেক ক্ষতি হচ্ছে বলেও তারা জানায়।

শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে একজন শিক্ষককেই শিশু থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাসগুলো নিতে হচ্ছে। ক্লাস চলাকালে দুইটি করে ক্লাস ফাঁকা থাকে। এ কারণে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকলেও শিক্ষা অফিস কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে নিয়েও পড়ালেখা করাচ্ছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, স্কুলটি নতুন হয়েছে। তাই সেখানে শিক্ষক নিয়োগের পদ সৃষ্টি হয় নাই। তবে পদ সৃষ্টি হবে এবং সেখানে নতুন শিক্ষক দেয়া হবে।

বেসরকারি চাকরিজীবীরাও ফ্ল্যাট পাবে : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha বেসরকারি চাকরিজীবীরাও ফ্ল্যাট পাবে : প্রধানমন্ত্রী একাদশে ভর্তিকৃতদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে - dainik shiksha একাদশে ভর্তিকৃতদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যেভাবে এইচএসসির ফল সংগ্রহ করবে প্রতিষ্ঠানগুলো - dainik shiksha যেভাবে এইচএসসির ফল সংগ্রহ করবে প্রতিষ্ঠানগুলো স্কুল-কলেজ খোলা রেখে বন্যার্তদের আশ্রয় দেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha স্কুল-কলেজ খোলা রেখে বন্যার্তদের আশ্রয় দেয়ার নির্দেশ অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো - dainik shiksha অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো এইচএসসি পরীক্ষার ফল ১৭ জুলাই - dainik shiksha এইচএসসি পরীক্ষার ফল ১৭ জুলাই ঢাবির ভর্তির আবেদন শুরু ৫ আগস্ট, পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর - dainik shiksha ঢাবির ভর্তির আবেদন শুরু ৫ আগস্ট, পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website