please click here to view dainikshiksha website

এমপিওভুক্তিতে এলিয়াছতন্ত্র!

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ৬, ২০১৭ - ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

এক হাজার তিনশ আঠারো জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ২৫ জুলাই। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরাধীন শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পদাধিকার বলে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। ৩০ সদস্যের মিটিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চারজন প্রতিনিধি থাকেন। দৈনিকশিক্ষার অনুসন্ধানে জানা যায়, গুরুতর অভিযোগের দায় এড়াতে ২০১১ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশ জারি করে। এতে বলা হয়, শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তিতে ভুল-ত্রুটিসহ যাবতীয় দায়-দায়িত্ব মহাপরিচালকের। সেভাবেই চলে আসছে। মন্ত্রণালয় যখন দায় এড়ানোর ওই আদেশ জারি করে তখন ম্যানুয়ালি এমপিওভুক্ত করা হতো।  জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক অগ্রায়ন করা আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু বিকেন্দ্রীকরণের পর এমপিওভুক্তির আবেদন হয় অনলাইনে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাই মূল দায়িত্বে।

২০১৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মহাপরিচালকসহ এমপিও কমিটির সবাই জানতেন কতজন কীভাবে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত হলেন। কিন্তু অবিশাস্য হলেও সত্য বর্তমানে এমপিওভুক্তির একমাত্র সফটওয়ারের পাসওয়ার্ড জানেন শুধু অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক! ত্রুটিপূর্ণ সফটওয়ারের নির্মাতা একটি জামাতী প্রতিষ্ঠান। প্রতি বিজোড় মাসে [প্রতি দুই মাসে একবার] অনুষ্ঠিত এমপিওভুক্তির সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন হয় হাজার হাজার নতুন শিক্ষক কর্মচারীর এমপিওভুক্তি, টাইমস্কেল, বকেয়া, সিলেকশন গ্রেড, বিএড/কামিল স্কেল ও সহকারি অধ্যাপক পদের স্কেলসহ বিভিন্ন প্রস্তাব।

বিগত পাঁচটি সভার গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনায় দেখা যায়,  মহাপরিচালকের ভূমিকা শুধুই একজন শোতা ও প্রধান বক্তার। মহাপরিচালক নিযুক্ত হওয়ার পর ওয়াহিদুজ্জামান এ পর্যন্ত এমপিওভুক্তির পাঁচটি সভায় উপস্থিত থেকেছেন। প্রতিটি সভায় এমপিও সফটওয়ারের জটিলতায় শিক্ষকদের ভোগান্তি, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপ-পরিচালকদের দুর্নীতির প্রসঙ্গ ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত এমপিও দুর্নীতির প্রতিবেদন নিয়ে ছিলেন সরব। সমস্যা নিরসনে তিনি সবসময়ই উচ্চকন্ঠ। ‍উপ-পরিচালক, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যখনই দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ ওঠে তখনই অভিযুক্তদের পক্ষ নেন এলিয়াছ। তাকে সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক মো: মোস্তফা কামাল।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এলিয়াছের একই জবাব, ‘সবকিছু অনলাইনে হয়, সুতরাং অনলাইনে তো ঘুষ নেয়র সুযোগ নেই।”  “দুর্নীতির অভিযোগ : সব ঝুট হ্যায়!”

জানা যায়,  ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সভায়ও যথারীতি উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন উপ-সচিব ও সিনিয়র সহকারি সচিব, মাউশি অধিদপ্তরের তিনজন পরিচালক, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের একজন উপ-পরিচালক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নয়জন আঞ্চলিক উপপরিচালকসহ ত্রিশজনের বেশি কর্মকর্তা। কিন্তু নতুন এমপিওভুক্ত ১৩১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে কতজন কীভাবে এবং কতদিন আগে নিয়োগ পেলেন? সহকারি শিক্ষক, প্রভাষকসহ সব এন্ট্রি লেভেল নিয়োগ ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ২২ অক্টোবর থেকে বন্ধ থাকলেও কিভাবে এত শিক্ষক নিয়োগ পেলেন? কতজন সহকারি শিক্ষক অথবা প্রভাষক, কতজন প্রধান শিক্ষক, সুপার অথবা অধ্যক্ষ কিংবা সহকারি প্রধান শিক্ষক অথবা উপাধ্যক্ষ, কতজন সহকারি গ্রন্থাগারিককে এমপিওভুক্ত করা হলো? ২৫ জুলাইয়ের সভায় আটশ আটানব্বই জনের এমপিও সংশোধনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু কমিটির কেউ জানেন না কী ভুল ছিলো আর কিসের ভিত্তিতে সংশোধন করা হলো? টাইমস্কেল বন্ধ থাকলেও ওই সভায় বাহাত্তর জনের টাইমস্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। তারা কারা? ২৭ জনকে এমপিওর বকেয়াবাবদ ২৭ কোটি টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি সভায় এত এত টাকা বকেয়া অনুমোদন হয় কীভাবে? মে মাসের সভায় নুতন এমপিওভুক্ত করা হয়েছে দুই হাজার সাতশ পচাঁশি জনকে। তারা কারা? সবকিছু জানেন শুধু একজন। তিনি অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) এলিয়াছ হোসাইন।

জানা যায়, এমপিওভুক্তির সভায় উপস্থিত সবাইকে যে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করা হয় তাতে শুধু সারাংশ বলা হয়। মাধ্যমিক শাখার পরিচালক তার হাতে থাকা একমাত্র কাগজ দেখে মৌখিকভাবে দ্রুত উচ্চারণ করে যান এত শিক্ষক ও এত কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে উপ-পরিচালকদের কাছ থেকে এবং আজকের আলোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হলো! সভার কার্যবিবরণীও লেখা হয় তার নির্দেশেই। নাম না প্রকাশের শর্তে এমপিও কমিটির একাধিক সদস্য দৈনিকশিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চত  করেছেন।
অধিদপ্তরের একজন পরিচালক বলেন, যথাযথ পাইলটিং না করেই, গোয়ার্তুমি করে এমপিও বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। এতে ঘুষের হাটের সংখ্যা বেড়েছে। এমপিও দুর্নীতি ছাড়াও প্রশ্নপত্র ফাঁস, নোটগাইড কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, লাবু, মেনজিস, তালেব ও আনন্দ নামের চার উপজেলা কর্মকর্তাকে দেখা যায় অধিদপ্তরের এমপিও শাখায়। তাদের কর্মস্থল ঢাকার বাইরে হলেও বেশিরভাগ সময় দেখা যায় পরিচালক ও উপ-পরিচালকের (মাধ্যমিক) কক্ষের সামনে ঘোরাঘুরি করতে। ধানমন্ডির দামী ফ্ল্যাটে থাকেন। কোন উপজেলায় এমপিওভুক্তিতে ঘুষ বেশি, কোথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেশি সবকিছুই এই চক্রের নখদর্পণে। উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তা  বদলির তদবিরের জন্য মূলত এরা অধিদপ্তরে ঘোরাঘুরি করে।

দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের বলা হয় যায়, ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক গৌর মন্ডল ও ময়নসিংহ অঞ্চলের আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন নারী  অতিরিক্ত সচিবের কারণে।

এক প্রশ্নের জবাবে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মোস্তফা কামাল বলেন, সরকারের একটা ভালো উদ্যোগ এমপিওবিকেন্দ্রীকরণ। যেকোনো মূল্যে এটা রক্ষা করতে হবে।

উদ্বিগ্ন অপর একজন উপ-পরিচালক বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের হাতে নিয়োগ এবং এমপিও দুটোই থাকায় এমপিওপ্রত্যাশীদের ভোগান্তিও বেড়েছে, দুর্নীতির স্তরও বেড়েছে। সফটওয়ার আর অনলাইনের নামে যা করা হচ্ছে তাতে এমপিওসভায় উপস্থিত অধিকাংশই সদস্যই উদ্বিগ্ন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মামলা মোকদ্দমা হলে, দুর্নীতি দমন কমিশন ডাকলে ডাকবে আমাদের সবাইকে। কারণ, আমরা সবাই সভায় উপস্থিত থাকি এবং কার্য বিবরণীতে স্বাক্ষর করি। প্রতিমাসের এমপিওশীটে আমাদের স্বাক্ষরের পর বেতন-ভাতা ব্যাংকে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান দৈনিকশিক্ষাডটকমকে বলেন, সরকার এমপিওভুক্তির কাজ বিকেন্দ্রীকরণ করেছে এমপিওপ্রত্যাশীদের সুবিধার জন্য, দুর্নীতি রোধ ও  হয়রানি বন্ধ করার জন্য কিন্তু ঘুষ-দুনীর্তি যদি আগের তুলনায় বৃদ্ধি পায় তবে নতুন করে ভাবা উচিত।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্তির পুরো কাজটাই করেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা ও স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা যাদের এমপিও সম্পর্কে কোনো ধারণাই থাকে না। তাই এই সব গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিজ্ঞ বেসরকারি এমপিওভুক্ত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের পদায়ন করা হলে তারা দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল  ইসলাম নাহিদও বলেছেন, হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকরা কেন উপ-পরিচালক পদে। কেন তাদের হাতে এমপিওর গুরুত্বপূর্ণ কাজ?

জানা যায়, মাউশি অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক পদে বসার আগ পর্যন্ত এমপিও শব্দটির সঙ্গে পরিচিতই ছিলেন না তিনি। মাগুরার একটি কলেজ থেকে হঠাৎ আনা হয়েছে বার্ষিক প্রায় এগারো হাজার কোটি টাকার এমপিওর দায়িত্বে! বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা হয়েও তিনি থাকেন ধানমন্ডি সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাসভবনে!

এমপিও দুর্নীতির প্রতিবেদন গায়েব: গত চার মাসে দৈনিকশিক্ষাডটকম, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক কালেরকন্ঠ ও জনকন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতি বিষয়ক কয়েকটি প্রতিবেদনের ওপর শিক্ষা অধিদপ্তরের মতামত জানতে চেয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন। কিন্তু সচিব স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদন ও চিঠির কপি গায়েব হয়ে যায় জাদু-মন্ত্রে! অনেক খোঁজাখুজি ও মন্ত্রণালয়ের তাগাদার পর তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে গত সপ্তাহে।

জনকন্ঠে প্রকাশিত এমপিও দুর্নীতির প্রতিবেদনের ওপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়ে তিন মাস আগে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেই চিঠির দেয়া হয়েছে অধিদপ্তরকে। সাত দিনের মাধ্যে মতামত জানাতে বলা হলেও অদ্যাবধি তা জানায়নি বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৪৭টি

  1. মোঃ এসকান্দার আলী।সুপার কুতুবপুর সামছিয়া দাখিল মাদরাসা।শিবচর মাদারীপুর। says:

    এম পি ও ভুক্তি বিকেন্দ্রিকরণ না করে যোগ্য সৎ ও নীতিবান লোক দ্বারা কাজি করালে এতসব ঝামেলা থাকবেনা বলে আম মনে করি।

  2. নজির আহাম্মেদ says:

    ঘুষ দূর্নীতি বেড়েছে এটা ১০০% সত্য ইলিয়াছ সাহেবকে উপজেলা লেবেলের একটা সরকারী কলেজে বদলী করলেইতো হয়।

  3. kamrulilsam says:

    ঘুষ দূর্নীতি বেড়েছে এটা ১০০% সত্য ইলিয়াছ সাহেবকে উপজেলা লেবেলের একটা সরকারী কলেজে বদলী করলেইতো হয়।

  4. মুহা.সাইফুল্লহ বিন জাকারিয়া.পিরোজপুর, মঠবাড়ীয়া. মুঠোফোন-01719-482639 says:

    আর ডিজিটাল অপমান না করে, আইসিটি /কম্পিউটার শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করুণ.

  5. paritush says:

    উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন বিষয়ে অতি দ্রুত এমপিও দেওয়ার ব্যবস্থা করেন,,

  6. মো. হাফিজুর রহমান, প্র/শি, বারই্হাটি এ.এ.কে উচ্চ বিদ্যালয়, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ। says:

    এই এলিয়াছ গং দের বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো মহাদেশে বদলী করা যায় না ?

  7. Mausud..Rana... lecturer... English.. says:

    jatio koron e,,somadha.n,,,,,,

  8. মো: আবুল কাশেম সহকারী শিক্ষক লাকেশ্বর দাখিল মাদ্রাসা ছাতক সুনামগঞ্জ says:

    ঘুষ দুর্নীতি লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলেছে কিন্ত এসব দেখার কেউ নেই। নেই কোন নজর দারি। বদলী করে কি হবে যিনি আসবেন তিনি যে দুর্নীতি করবেন না এই গ্যারান্টি কে দেবে?

  9. Anamul houqe says:

    এদের ক্ষমা কি সরকারের চেয়ে বেশি।।

  10. S.mAkash says:

    এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণেই ১৩.১১.১১ পরে অনেক শিক্ষক এমপিও হয়েছে এখনো হচ্ছে অথচ আমাদের এমপিও দেওয়া হচ্ছে না। উৎপাদন ব্যবস্থাপনার এমপিও দেওয়া হক।

  11. মোঃ গোলাম রসুল says:

    যারা আজ দেশ বা সমাজে উচুঁ পর্যায়ে বসে আছেন, আমার মনে হয় তাদের কোন আসল চোখ কিংবা কান নেই, তার মূল কারণ যদি থাকতো তাহলে আইসিটি শিক্ষকদের বেতন দিত, কিংবা মুখ খুলে একটা কথা বলতো। ভাবতে অবাক লাগে, হায়রে ডিজিটাল বাংলাদেশ? এ যে ডিজিটাল বাংলাদেশ নয়, কারণ যে দেশে কোন কোন শিক্ষক বেতন পায় আবার কোন কোন শিক্ষক বেতন পায় না, কেউ খাবে, কেউ না খেয়ে থাকবে সে দেশ কোন দিন ডিজিটাল হতে পারে না। ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আজ দুটি কথা লিখলাম। আজ চাকুরির বয়স প্রায় 6 বছর। অর্থ ছাড়া একটি দিন ও চালানো সম্ভব হয় না, সেখানে 6টি বছর কিভাবে কাটছে তা কিভাবে জানাবো তা আর আমার মুখে আসে না। মহান আল্লাহ্ ওনাদের জ্ঞান দান করুক।

  12. মোঃ জহিরুল হক। প্রধান শিক্ষক, নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ।-০১৮২১৮৮৯৫৮৫ says:

    এত কথা কেন? এলিয়াছকে বদলী করলেই তো সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তবে কি ————–ভয় পান?

  13. ‌মোহাম্মদ অালাউ‌দ্দিন, সহকা‌রি প্রধান শিক্ষক, জম‌শেরপর উচ্চ বিদ্যালয়। says:

    শিক্ষকগন প্রাই‌ভেট ও কো‌চিং করা‌লে দুদক তা‌দের খু‌জে কিন্তু তি‌নি প্রশাসন‌কে ফা‌কি দি‌য়ে কো‌টি টাকা ভা‌গি‌য়ে নি‌চ্ছেন , এ‌লিয়া‌ছের বেলায় দুদক কোথায়?

  14. দিলীপ সিকদার,সহকারী প্রধান শিক্ষক,গংগানগর আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ,শরীয়তপুর। says:

    Right

  15. Every head sir is responsible for any indiscipline. says:

    Every head sir is respensible For Any indiscipline

  16. মোঃ নিয়ামত উল্লাহ says:

    যে সকল কর্মকর্তা ঘুষ নেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অযথা অনলাইন এমপিও কে কেন কুলষিত করছেন। অনলাইন এমপিও এর আগেও ঘুষ লেনদেন হয়েছে এখনও হচ্ছে । তবে কারণগুলো-
    ১। আবেদন সঠিকভাবে না করা।
    ২। সংযুক্ত কাগজপত্র যেখানে যেটা যেভাবে চাওয়া হয়েছে তা অসম্পূর্ণ এবং স্পষ্ট না থাকা।
    ৩। পদের প্রাপ্যতা না থাকা, বিষয় বা শাখার অনুমোদন(বোর্ড/মন্ত্রণালয়)না থাকা।( অনেকের বেতন না দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে অনুমোদন)
    ৪। সংযুক্ত কাগজ পত্রে তথ্য গরমিল থাকা।(রেজুলেশন,ফরম ও CS Copy)
    ৫। ‍যিনি অফিসে যোগাযোগ করেন(আবেদনকারী নয়) তিনি নিজের সুবিধা আদায় করে থাকেন।
    ৬। প্রতিষ্ঠান প্রধান সরাসরি অফিসারের সাথে যোগাযোগের অভাব।
    ৭। সনদ এর গরমিল থাকা।
    ৮। মহিলা কোটা/শিক্ষার্থীর সংখ্যা(বিশেষ ক্ষেত্রে) পূরণ না থাকা।
    ৯। অধ্যক্ষ/সুপার/প্রধান/সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এর ক্ষেত্রে পূর্বের পদের সঠিক ব্যাংক প্রত্যয়ন না থাকা।
    ১০। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অসম্পূর্ণ(স্কুল পর্যায়ে সহকারি গ্রন্থাগারকি পদ হবে কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে আছে গ্রন্থাগারকি) বা ভুয়া বিজ্ঞপ্তি।

  17. M A YOUSUF LECTURER TOGRA KAMIL MADRASAH , PIROJPUR 01710-541839 says:

    ok

  18. মোঃ মুন্জুর ইলাহী, বেরইল পলিতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মাগুরা। says:

    কাকে বিশ্বাস করবো?

  19. কল্যাণ says:

    শেষ কোথায়!

  20. Mominul Islam says:

    বাংলাদেশে যে যত শিক্ষিত হয় সে তত চোর হয় ।

  21. Tuhin Roy says:

    চোরের রাজ্যে পৃথিবীও ভয় পায়, কষ্টি পাথরও যেন তিলে তিলে ক্ষয় হয় ।

  22. Tuhin Roy says:

    আমরা সবাই চোর, আমরা সবাই চোর, আমাদেরই চোরের রাজত্বে, নইলে মোরা চোরের সাথে মিলব কি শর্তে ।আমরা সবাই চোর _আমরা সবাই চোর ॥

  23. md. billal hossain says:

    ict. শিক্ষকদের বেতন হচ্ছেনা কেন?

  24. Md.Jasim uddin says:

    Ilias jamt.we want his displace.We want his hung by kill.( fasi).

  25. BULBUL says:

    ONLINE SYSTEM IS DIGITAL SYSTEM. HONORABLE PM WANTS TO CHANGE OUR COUNTRY TO DIGITAL BANGLADESH.AT FIRST INS HEAD SUBMIT THEIR PAPERS FOR ONLINE MPO. THERE IS NO OPTION TO CHANGE THE SUBMITTED PAPERS BY THE OFFICERS.

  26. মোঃ খলিলুররহমান says:

    অনলাইনে এমপিও দুর্ণীতি এ হচ্ছে একটি ইস্যু মাত্র আসলে মাউসির যে যে টেবিলে এমপিও এর ফাইল ঘুরে সেই টেবিল গুরো আবার এমপিও সিস্টেম পূবের নিয়মে করার একটি নতুন বাহানা শুরু করছে । এমপিও অন লাইনে হওয়ায় ম্াউশির কিছু উপ- পরিচালক ওশাখা কর্মকর্তা গনের পকেট খালি।

  27. Rofiqul Islam Swapon, Lect: Accounting, purbadhala Degree college. 01926874021 says:

    দূর্নীতির শেষ কবে হবে। যারা দূর্নীতি করে তাদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড দেওয়া উচিত।

  28. মোঃ আফজল আলম চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক (হি,বি,) লাউতলী ডাঃ রশীদ আহমেদ উ/বি ও কলেজ, ফরিদগঞ্জ,চাঁদপুর says:

    বর্তমান সময়ে ডিজিটালাইজেশন যে ভাবে হচ্ছে তাতে অনলাইন এমপিও বাদ দেয়ার সুযোগ কম । এমপিও ভূক্তিতে অনলাইন প্রযুক্তি থাকাতে সমস্যা নেই । সমস্যা হলো লেনদেনে । আগে লেনদেন হতো এক জায়গায় এবং নিশ্চয়তা পাওয়া যেতো কিন্তু বর্তমানে নেনদেন হচ্ছে (বাধ্য হয়ে) একাধিক কিন্তু অনিশ্চয়তায় ভরপুর । এমনটা যদি করা যেতো যে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার পর অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানের ই-মেইলে সকল কাগজপত্র স্ক্যান করে নিজ দায়িত্বে ডিজি অফিসের মেইলে প্রেরণ করবেন এবং ডিজি অফিসের মেইল হতে তথ্য কালেকশনের মাধ্যমে এমপিও কার্যক্রন সম্পন্ন হবে । অধ্যক্ষ যা পাঠাবে তার হার্ড কপি সংরক্ষণ করবেন প্রয়োজনে সরবরাহের জন্য । আমরা চাই হয়রানী মুক্ত , দূর্ণীতি মুক্ত এমপিওভূক্তি ।

  29. জাহাঙ্গীর অালম,সহকারী শিক্ষক,বিজ্ঞান,খোদেজা-হারুন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়,পাবনা says:

    ছয় বছর ধরে জ্বালা-যন্ত্রনায় নিঃশেষ গয়ে যাচ্ছি!সরকার বেতনের ব্যবস্থা করেনা। ১৩/১১/২০১১এর কাল পজ্ঞাপন বাতিল করে আই.সি.টি শিক্ষক, বিজ্ঞান শিক্ষক, অতিরিক্ত শাখা শাখা শিক্ষকদের বেতন দিন।২০১২ সনে বিজ্ঞান সৃষ্ট পদে নিয়োগ নিয়েছিলাম।তখন জানতাম না ১৩/১১/২০১১ পজ্ঞাপনটি আসলে কি! জানলে কি আর নিয়োগ নিতাম! চিন্তায় চিন্তায় আমি এখন হার্টের রোগী।কবে মরি ঠিক নাই,মরার আগে যদি এমপিও ভুক্তটা দেখে যেতে পারতাম, তবে শান্তি পেতাম।

  30. নয়ন কুমার সরকার says:

    মন্তব্য করতে লজ্জা লাগে।

  31. Md.Asaduzzaman.HM.Abdul Barri SS Sadar,Jessore. says:

    বি,এ, প্রশিক্ষণের সময় পাঠ দানের ক্ষেত্রে “হারবার্ড এর পঞ্চ সোপান বিধি জেনে ছিলাম কিন্তু এমপিও ভূক্তির ক্ষেত্রে পঞ্চ সোপান পার হতে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের নাভিশ্বাস ।

  32. Md. Mosharrof Hossain. Urun, Kapasia, Gazipur says:

    It seems to me “Something is wrong”

  33. রামকৃষ্ণ রায় says:

    আরকতদিন! এমপিওর জন্য আর্তনাদ করিব!

  34. মোঃ নুর আমিন মন্ডল says:

    আমরা বি এম কলেজের ব্যাংকিং এবং উদ্যেক্তা ট্রেডের শিক্ষক আর কতদিন জিওর জন্য অপেক্ষা করব ।কারন জিও না পেলে এমপিওতো হচ্ছেনা ।

  35. আবুল হাসান তুহিন says:

    দূর্নীতি করে টাকা নেয় কয়জন দেয় বেশি তাই আমরাই দায়ী দূর্নীতির জন্য।

  36. zamir hossain says:

    দুনীতিবাজদেরচিন্নিত করা হলেও বিচার করা হয় না।

  37. সোহরাব says:

    সময়মত কাজ হলেই দুনীতি হওয়ার সুযোগ থাকে না।

  38. abdur rahim momtaz fakir high chool bhuapur tangail says:

    High school a alada kore accounting teacher daya hok

  39. abdur rahim momtaz fakir high chool bhuapur tangail says:

    ২২শে অক্টোবর ২০১৫ এর আগে হিসাব বিজ্ঞান সৃষ্ট পদে নিয়োগ পেয়েছি।মানবিক শাখায় ৪ জন সহকারি শিক্ষক থাকায় আমার Mpo হচ্ছেনা। অথচ বানিজ্য শাখায় কোন শিক্ষক নেই। আমার Mpo কিভাবে হবে কেউ কি বলতে পারেন? Please জানাবেন

  40. Ab Jalil says:

    এসব দুর্নীতি বন্ধ করার মতো এদেশে কেউ নেই মনে হয়। সবাই দুর্নীতিবাজ হলে যা হয় আর কি!

  41. Md.Shahjahan Shaju Lecturer (Sociology) R A Goni School and college UP: Sadullapur . Dis:Gaibandha says:

    আপনাদের কাছে সব সম্ভব এমনি একজন সাহসী সরকার। মানুষ দরদী সরকার আপনি।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে। শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও ।

  42. Md.Shahjahan Shaju Lecturer (Sociology) R A Goni School and college UP: Sadullapur . Dis:Gaibandha says:

    আপনাদের কাছে সব সম্ভব এমনি একজন সাহসী সরকার। মানুষ দরদী সরকার আপনি।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে। শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও ।

  43. Hasan says:

    Dhaka’s DD Goura Chandra is the most criminal and he earned more millions of tk. through bribe. Please find his corruption since his joining at Shikhsha Bhaban.

  44. Humayoun kabir, SP High school,Savar, Dhaka. says:

    এমপিওভুক্ত শব্দটা যখন সরকার বাদ দিতে পারবে তখন থেকেই শিক্ষা ব্যাবস্থার উন্নয়ন হবে। জাতিওকরন ব্যতিত এদেশের শিক্ষা সমস্যার সমাধান হবে না।

  45. জাহাংগীর কবির. নাজিরপুর কলেজ, পিরোজপুর says:

    মন্ত্রী, সচিবদের আর পাম্প দিয়ে ফোলাবেন না। ওরা জনগনের সেবক। পাম্প দিতে দিতে এখন নিজেদের প্রভু ভাবে। নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হউন। দুর্নীতি বাজ কারা তা আমরা কম বেশি সবাই জানি। আসুন সবাই মিলে টেনে হিচড়ে ওদের রাস্তায় নামাই। রুই কাতলার বিচার হলে চুনু পুটিরা এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। আর দুদকের অবস্হা হচ্ছে নরম কাঠে শক্ত মিস্ত্রি। যে সরষের ভিতর সহযেই ভূত ঢুকে সে সরষে ফলানোও বন্ধ করতে হবে।

  46. মুহাম্মদ ওয়ায়াক্কাচ, উপাধ্যক্ষ, বড়ঘোপ ইসলামিয়া ফাদিল মাদরাসা, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার says:

    জামাতে ইসলামী সমর্থনন করেন বলে এতো অভিযোগ । পুরো লেখা পড়লাম, তার বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোন দুর্নীতিরর খতিয়ান দিতে পারেননি।

আপনার মন্তব্য দিন