এমপিও নীতিমালা সংশোধন প্রসঙ্গে - মতামত - দৈনিকশিক্ষা

এমপিও নীতিমালা সংশোধন প্রসঙ্গে

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী |

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০১৮ সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়েছে।  সেই কমিটির প্রথম সভা ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে দৈনিক শিক্ষার বরাতে শিক্ষক সমাজ জানতে পেরেছেন। তাই সেদিকে এখন অনেকের দৃষ্টি নিবদ্ধ। সংশোধনী কমিটির প্রথম সভাকে সামনে রেখে এ বিষয়ে কিছু লেখার জন্য অনেক শিক্ষক বন্ধু ক'দিন থেকে  পীড়াপীড়ি করছেন। বিশেষ করে হবিগঞ্জের শিক্ষক নেতা ইকবাল ভাই এবং বরগুনার পাথরঘাটার শিক্ষক নেতা মিজান স্যারের অনুরোধ রক্ষা না করে বসে থাকতে পারি নাই। 

বলতে গেলে যে মুহুর্তে গোটা জাতি শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারীকরণের জন্য মুজিববর্ষের দিকে উন্মুখ তাকিয়ে আছে, সে সময়ে এমপিও নীতিমালা নিয়ে  লেখার ব্যাপারে আমার নিজের তেমন আগ্রহ নেই। অন্তত বেসরকারি স্কুল-কলেজ সরকারিকরণ করার মত সক্ষমতা যখন রাষ্ট্র তথা সরকারের অর্জিত হয়েছে, ঠিক তখন সরকারিকরণ নিয়ে গড়িমসি অনেকের মত আমার মনেও প্রশ্ন জন্ম দেয়। এ সময়ে এমপিও নীতিমালা নয়, সরকারিকরণের নীতিমালা নিয়ে মাথা ঘামানোর কথা। সরকারিকরণের স্বপ্নকে দমিয়ে রাখার জন্য এমপিও নীতিমালা নিয়ে হৈচৈ কীনা, কে জানে?

অবশ্য গত দু'তিন দিন আগে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা নিয়ে সামান্য দু' কলম লিখেছিলাম। এর মধ্যে বেসরকারি কলেজের প্রভাষকদের পদোন্নতির বিষয়ে অনুপাত প্রথা বলে যে একটি বাজে বিষয় রয়েছে, তা নিয়ে আলোকপাত করেছিলাম। প্রকৃতপক্ষে এ বিষয়টি এখনও আমার বোধগম্য নয় যে, ৮ বছর পর সমান যোগ্যতা সম্পন্ন ৭ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন প্রভাষক সহকারি অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান আর বাকি ৫ জন সারা জীবন একই পদে বসে থাকেন। এটি নিঃসন্দেহে একটি বাজে প্রথা। ইনডেমনিটির ন্যায় একটি কালো আইন। এই প্রথাটি বহুদিন ধরে চলে আসছে। বর্তমান নীতিমালায়ও সেটি রয়েছে। আজকের লেখার শুরুতে এ কালো প্রথাটি  এমপিও নীতিমালা-২০১৮ থেকে বাদ দেয়ার জন্য সংশোধনী কমিটি সমীপে পুনশ্চ জোর  দাবি জানাই। কমিটির সদস্যগণ যদি এ বিষয়টি সক্রিয় ভাবে বিবেচনা করে দেখেন, তাহলে তারা ধন্যবাদার্হ হবেন। সারা দেশের কলেজ শিক্ষকদের দোয়া পাবেন।

এছাড়া কলেজের প্রভাষকের পদোন্নতির মাধ্যমে সহকারি অধ্যাপক থেকে সহযোগি অধ্যাপক এবং সহযোগি অধ্যাপক থেকে প্রফেসর পদ পর্যন্ত উন্নীত হবার পথ উন্মুক্ত রাখা দরকার। যোগ্য লোকের মর্যাদা না দিলে একদিন যোগ্য লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। অযোগ্যদের রাজত্ব কায়েম হয়ে যাবে। এমনিতে আজ সব জায়গায় যোগ্য লোকেরা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে দৃষ্টি দিলে সহজেই তা অনুমেয় হয়। বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আজ অযোগ্যদের দখলে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের কাণ্ড কারবারে লেখাপড়া শিঁকেয় চড়তে বসেছে। 

মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষকদের পদ পদবীর কোন নড়চড় নেই। তাদের অন্তত সামান্য নড়াচড়া করার সুযোগ করে দেয়া দরকার। তাই এ স্তরে 'সিনিয়র সহকারি শিক্ষক'র একটি পদ সৃজন করা আবশ্যক। প্রভাষকদের ন্যায় একজন সহকারি শিক্ষক আট বছর পূর্তিতে যাতে সিনিয়র সহকারি শিক্ষক পদে উন্নীত হয়ে একটি নতুন বেতনগ্রেড অর্জন করতে পারেন সে ব্যবস্থাটি থাকা অপরিহার্য বলে মনে করি। আজ দু'তিন দিন থেকে ফেসবুকে দাবিটি ভাইরাল হতে দেখছি। আমার কাছেও এটি খুব যৌক্তিক মনে হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে আবার কোন অনুপাত টনুপাত প্রথা যেন নাজিল করা না হয়। শিক্ষকতার মত মহান পেশা চালিয়ে যাবার পথে  প্রতিবন্ধকতা কাম্য নয়। এসব যারা করে তারা যেমন শিক্ষা বান্ধব নয়, তেমন শিক্ষকের বন্ধুও নয়।

আরো পড়ুন: বদলি: এমপিও নীতিমালা পর্যালোচনা কমিটি সমীপে ২২ প্রস্তাব

জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা '১৮তে বেসরকারি শিক্ষকদের দু'টো উচ্চতর বেতন গ্রেড দেবার কথা উল্লেখ আছে। এ দু'টো উচ্চতর গ্রেড শিক্ষক-কর্মচারীদের পুরোপুরি খুশি করতে পারে নাই। সারা জীবনে একটিমাত্র টাইমস্কেলের জায়গায় দু’টো উচ্চতর গ্রেড তাদের কিছুটা আনন্দ দিলেও এ নিয়ে কথা থেকে যায়। যারা ২২ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পান, তারা ১০ বছর পর ২৩ হাজার টাকায় উন্নীত হলে বেতন কয় টাকা বাড়ে? আবার যারা ১৬ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পান তারা ১০ বছর পর ১ম উচ্চতর গ্রেড পেয়ে ২২ হাজার টাকায় উন্নীত হবেন বটে। কিন্তু ৬ বছর পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডে মাত্র ১ হাজার টাকা বেড়ে ২৩ হাজার টাকা প্রাপ্য হবেন। এতগুলো বছর পর মাত্র ১ হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধিতে কে খুশি হবে? ১ হাজার টাকা আজকাল কোন টাকা হলো নাকি? আসলে জাতীয় বেতনস্কেলের সময় যখন বিভিন্ন গ্রেডের বেতনের ধাপ নির্ণয় করা হয়, তখন সবগুলো ধাপের ব্যবধান যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা উচিত ছিল। নিচের ধাপের সবগুলো গ্রেডের ব্যবধান একেবারে নগণ্য। এখানে মাত্র ২-৩ শ' টাকা ব্যবধান। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন এসব গ্রেডেই আবদ্ধ। তাই ১০ বছর ও ৬ বছর পর শিক্ষক-কর্মচারীগণ উচ্চতর গ্রেড পেলেও তাদের অনেকের তেমন একটা বেতন বৃদ্ধি পায়না। যেই লাউ সেই কদুই থেকে যায়। তাই এ নিয়ে অনেকের অসন্তোষ। বিশেষ করে কলেজের প্রভাষকগণ ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন। এ জায়গায় আমারও আপত্তি। যাই হউক, ১০ বছর ও ৬ বছরের জায়গায় ৮ বছর ও ৪ বছর পর উচ্চতর গ্রেড দেয়া যায় কীনা-ভেবে দেখা দরকার। এ বিষয়ে সংশোধনী কমিটি সমীপে জোর দাবী জানাই। আশা করি, তারা বিষয়টি ভেবে দেখবেন। যে সকল গ্রেডের ব্যবধান ২ হাজার টাকার কম সেগুলোর বিষয়ে বিশেষ ইনক্রিমেন্ট যোগ করে দেবার প্রস্তাবনা ভেবে দেখা যেতে পারে। 

অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষকদের বেলায় কী হবে? তারা কী উচ্চতর গ্রেড পেতে পারেন না? একটিমাত্র টাইমস্কেলের সময় সেটি তাদের জন্য নাজায়েজ ছিল। এখনো কী নাজায়েজ রয়ে যাবে? তারা সকলে তো আর জমিদারের ছেলে সন্তান নেন। তাদেরও পেট-পিঠ এবং ইজ্জত-সম্মান আছে। তাদের জন্য উচ্চতর গ্রেড বা সিলেকশন গ্রেড যে নামেই অভিহিত হউক না কেন-সুবিধাটি অবারিত করা উচিত। তা না হলে তাদের জীবনমান ও ইজ্জত-সম্মান বাঁচানো কঠিন। সংশোধনী কমিটির প্রথম সভাতেই যাতে বিষয়টি ফয়সালা করা হয়, সে জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাই। উক্ত কমিটি বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে কাজটি করবে বলে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করি। তাহলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারি প্রধানগণ  আজীবন কৃতজ্ঞতা বন্ধনে আবদ্ধ থেকে তাদের জন্য মন ভরে দোয়া করবেন। সরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল ও সরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেলের সাথে বেসরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল ও বেসরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেলের সমতা আনা দরকার।

ইকবাল ভাই ও মিজান স্যারের কথাটি এখনও বলা হয়নি। এবার তাদের কথায় আসি। তাদের  দু'জনের কথা, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে সে বিষয় নিয়ে। ১৮'র নীতিমালায় প্রধান শিক্ষকের বেলায় কাম্য অভিজ্ঞতা হলো-সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা ও সহকারি শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেলায় অধ্যক্ষের অভিজ্ঞতা- ৩ বছর উপাধ্যক্ষ অথবা সহকারি অধ্যাপকের এবং ন্যূনতম ১২ বছরের সহকারি অধ্যাপক বা প্রভাষকের অভিজ্ঞতা। স্নাতক কলেজে অধ্যক্ষদের ৩ বছর কোন ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ ও ১৫ বছরের সহকারি অধ্যাপকের বা প্রভাষকের  অভিজ্ঞতা থাকা লাগে। আমরা মনে করি, প্রধান শিক্ষক পদে সহকারি প্রধান হিসেবে ২ বছরের অভিজ্ঞতা রাখা যেতে পারে। শিক্ষক হিসেবে ৮ বছরের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট হবে। এ ক্ষেত্রে সহকারি প্রধান শিক্ষকের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামুলক করা ঠিক হবেনা।

তাহলে এক সময় প্রধান শিক্ষক পদের জন্য লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। এত অভিজ্ঞতা ও শর্ত দিয়ে যোগ্য লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়। তাই অভিজ্ঞতা ও শর্ত দিয়ে নয়, এনটিআরসিএ'র মাধ্যমে যোগ্য প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা দরকার। কমিটির হাতে নিয়োগ থাকলে শর্ত আর অভিজ্ঞতা দিয়ে কী হবে? বিভিন্ন জায়গায় এরা টাকা পয়সা খেয়ে কেবল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদের বলে অযোগ্য লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে। প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপ্যাল এবং সহকারি প্রধান শিক্ষকদেরও একই নিয়মে নিয়োগ দেয়া আবশ্যক। অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক পদে পূর্ব অভিজ্ঞতার একান্ত প্রয়োজন হলে ২ বছর রাখা যেতে পারে এবং শিক্ষক হিসেবে ৮ বছরের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট হবে। অনুরুপ সহকারি প্রধান কিংবা ভাইস প্রিন্সিপালের ক্ষেত্রে ৬ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রাখা সমীচিন হবে। তাহলে এসব পদে উপযুক্ত লোক খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। এ বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য সংশোধনী কমিটিকে সবিনয়ে অনুরোধ জানাই। অনেক সরকারি হাই স্কুল ও কলেজ ভারপ্রাপ্ত লোকজন দিয়ে চলে। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো যাতে এরকম ভারপ্রাপ্তদের ভারে জর্জরিত হয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রেখে কাম্য অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা উচিত। আগের নীতিমালা বহাল রেখে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রধান নিয়োগ দেয়া যেতে পারে বলেও অনেকের অভিমত।

কারিগরি শিক্ষার উপর সরকার জোর দিচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার কথা শুনা যাচ্ছে। আসলে কারিগরি শিক্ষা এগিয়ে নেবার এখন উপযুক্ত সময় হয়েছে। কিন্তু, নুতন জনবল কাঠামোতে নিম্ন মাধ্যমিক কিংবা মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষকের কোন পদ প্রদর্শিত হয়নি। এ বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত। জনবল কাঠামোয় প্রথম অবস্থায় নিম্ন মাধ্যমিকে কম করে ১ জন এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ জন ট্রেড শিক্ষকের পদ সৃজন করা না হলে কারগরি শিক্ষার স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে।

লেখক : অধ্যক্ষ, চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কানাইঘাট, সিলেট এবং দৈনিক শিক্ষার নিজস্ব সংবাদ বিশ্লেষক।
  

এমপিওভুক্তি : মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই ১৮ থেকে ২৪ ডিসেম্বর - dainik shiksha এমপিওভুক্তি : মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই ১৮ থেকে ২৪ ডিসেম্বর এমপিওভুক্ত মাদরাসার তথ্য যাচাইয়ে যেসব কাগজপত্র লাগবে - dainik shiksha এমপিওভুক্ত মাদরাসার তথ্য যাচাইয়ে যেসব কাগজপত্র লাগবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা সমমান সনদ নিয়ে আইসিটির ভাইভা প্রার্থীদের জটিলতা নিরসনে এনটিআরসিএর পরামর্শ - dainik shiksha সমমান সনদ নিয়ে আইসিটির ভাইভা প্রার্থীদের জটিলতা নিরসনে এনটিআরসিএর পরামর্শ ঢাকা বোর্ডের এসএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা - dainik shiksha ঢাকা বোর্ডের এসএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা ঢাকা বোর্ডে এইচএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা - dainik shiksha ঢাকা বোর্ডে এইচএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা অতিরিক্ত কর্তন : কথা রাখেননি সিনিয়র সচিব (ভিডিও) - dainik shiksha অতিরিক্ত কর্তন : কথা রাখেননি সিনিয়র সচিব (ভিডিও) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ২০ ডিসেম্বর মধ্যে - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ২০ ডিসেম্বর মধ্যে এমপিও নীতিমালা সংশোধন সংক্রান্ত কয়েকটি প্রস্তাব - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা সংশোধন সংক্রান্ত কয়েকটি প্রস্তাব দৈনিকশিক্ষার ফেসবুক লাইভ দেখতে আমাদের সাথে থাকুন প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮ টায় - dainik shiksha দৈনিকশিক্ষার ফেসবুক লাইভ দেখতে আমাদের সাথে থাকুন প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮ টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন please click here to view dainikshiksha website