please click here to view dainikshiksha website

কোচিংয়ের চাপে ৬০ দিনে ৫০ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

দৈনিক শিক্ষা ডেস্ক | অক্টোবর ২০, ২০১৭ - ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

৯৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন সামিউক্তা। মাস তিনেক আগে ভর্তি হয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের একটি কোচিং সেন্টারে। তার ইচ্ছা ছিল মেডিকেলে ভর্তি হয়ে চিকিৎসক হবেন।

গত সোমবার তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পড়াশোনার চাপ সামলাতে না পেরে আত্মহত্যা করার বিষয়টি সুইসাইড নোটে লিখে গেছেন তিনি।

গত দুই মাসে তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্র প্রদেশে ৫০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। শিশু অধিকার কর্মীরা এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আরও অনেক শিক্ষার্থীর মানসিক চাপের বিষয়টি জানতে পেরেছেন।

মেয়েকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন সামিউক্তার চালক বাবা। সেই মেয়ে তাদের ছেড়ে চলে যাওয়ায় একেবারে ভেঙে পড়েছেন তিনি। তার অভিযোগ, কোচিং সেন্টারের চাপিয়ে দেয়া পড়াশোনার ভার নিতে না পেরে তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। অন্য অভিভাবকরা যেন তাদের সন্তাদের প্রতি গুরুত্ব দেন, সেই অনুরোধও জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার নির্দেশে এখন থেকে কানো কলেজে আট ঘণ্টার বেশি শিক্ষার্থীকে রাখা যাবে না। শিক্ষার্থীদের জোর করে ক্লাসে রেখে পড়ানো কিংবা শারীরিক নির্যাতন করা যাবে না। এমনকি কথার মাধ্যমেও তাদেরকে হেনস্থা করা যাবে না।

শিশু অধিকারকর্মী অচিতা রাও জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। তাদের উচিত শিশুদের সহায়তা করা; অথচ তারা শিশুদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করছে।

গত মাসে ১৫ তলা ভবন থেকে ১৭ বছর বয়সী একজন লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে শিক্ষকের কাছে হেনস্থা হয়ে। অনেকে দাবি জানিয়েছেন পড়াশোনার নামে চলা এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার।

সূত্র : এনডিটিভি

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৭টি

  1. Rawsan says:

    আপনার মন্তব্য হই হই

  2. মোঃ আকরাম হোসেন, বটিয়াপাড়া শিয়ালমারি মা: বি:, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা। says:

    কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে হবে।

  3. এ এন এম মোস্তাফিজুর রহমান says:

    বাংলাদেশের কোচিং সেন্টারগুলোর একই অবস্থা। ব্যবসা ছাড়া আর কিছু না। এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া দরকার।

  4. এ এন এম মোস্তাফিজুর রহমান says:

    বাংলাদেশের কোচিং সেন্টারগুলোর একই অবস্থা। ব্যবসা ছাড়া আর কিছু না। এ সমস্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া দরকার।

  5. আমিরুল says:

    চাপার জোর বেশি হলো। মন্ত্রী খুশি হবেন।

  6. Mintu sikder says:

    আপনারা যে ভাবে বলছেন তাতেতো শিক্ষকদের হতে হবে শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসলে আসল না আসলে না আসল,পড়লে পড়ল না পড়লে না পড়ল শিক্ষকদের বাপের কি? আর এভাবেই যদি হয় তাহলে শিক্ষাব্যবস্হা অতল গহ্বরে তলিয়ে যেতে একদম সময় লাগবে না।

  7. মিজানুর রহমান।। বদরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ,চুয়াডাঙ্গা। says:

    কোচিং কোচিং না করে গাদা গাদা বই সিলেবাস থেকে বাদদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। কোন কোচিং টোচিং করার দরকার হবে না।।

আপনার মন্তব্য দিন