কৌশলে ফি বেড়েছে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত - ইংলিশ মিডিয়াম - Dainikshiksha

কৌশলে ফি বেড়েছে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত

শরীফুল আলম সুমন |

আদালতের নির্দেশনা অমান্য করেই চলছে ইংলিশ মিডিয়াম তথা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালাও আমলে নিচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। ইচ্ছামতো বাড়ানো হচ্ছে টিউশন ফি তথা বেতনসহ অন্যান্য ফি। আলাদা সেশন ফি নেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় টিউশন ফির সঙ্গে সেশন ফি সমন্বয় করা হচ্ছে। আবার কোনো কোনো স্কুল ভিন্ন নামে ফির নামে নিচ্ছে সেশন চার্জ। ফলে জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে বেশির ভাগ স্কুলেরই প্রতিটি ক্লাসে টিউশন ফি বেড়েছে দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া ম্যানেজিং কমিটি গঠনসহ নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার বিষয়েও আদালতের নির্দেশনা মানার আগ্রহ দেখাচ্ছে না ওই সব স্কুল কর্তৃপক্ষ। এমনকি তারা নিবন্ধন নিতেও রাজি নয়। এত অনিয়ম জেনেও নির্বিকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সব মিলিয়ে অভিভাবকরা পড়েছেন বিপাকে। স্কুল কর্তৃপক্ষ কিংবা সরকার কেউই শুনছে না তাঁদের কথা।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বিষয়ে আলাদা দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বেশ কিছু নির্দেশনা দেন গত ২৫ মে। এতে বলা হয়, কোনো শিক্ষার্থী এক শ্রেণি থেকে আরেক শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় ভর্তি ফি বা সেশন ফির নামে অর্থ নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া ১৯৬২ সালের বেসরকারি বিদ্যালয় নিবন্ধন অধ্যাদেশ এবং ২০০৭ সালের বেসরকারি (ইংরেজি মাধ্যম) বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা অনুসারে দেশের প্রতিটি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (প্লে গ্রুপ থেকে ‘এ’ লেভেল পর্যন্ত) নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিতে অভিভাবকদের প্রতিনিধিও থাকতে হবে। ওই কমিটি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ও বেতন নির্ধারণ করবে। আদালতের নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ‘পেছনের দরজা দিয়ে’ শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। শিক্ষক ও কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ও মেধাবীদের নিয়োগ দিতে হবে। তাতে মালিকপক্ষের কোনো প্রাধান্য থাকবে না। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অডিট রিপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বেতনের সঙ্গে সেশন ফি সমন্বয় করে আদায় করছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো। জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রতিটি স্কুলই বেতন বাড়িয়েছে। আবার কোনো কোনো স্কুল প্রতি মাসের বেতনের সঙ্গে সেশন ফি ভাগ করে দিয়েছে। তবে অন্যান্য খাত নামেও সেশন ফির অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

বিভিন্ন স্কুলের বেশ কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মেপললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী বেতন বাড়ানো হয়েছে দুই হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত; স্কলাসটিকা স্কুলে বাড়ানো হয়েছে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত; মাস্টারমাইন্ড স্কুলে বাড়ানো হয়েছে এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত; একাডেমিয়া স্কুলে বাড়ানো হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

মেপললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির এক অভিভাবকের মা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আগে পুনর্ভর্তি ফি নিত ২৫ হাজার টাকা। এবার সেটা না নিতে পেরে বেতনই বাড়িয়ে দিয়েছে। আমার সন্তানের বেতন পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাত হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এই টাকার উপর যদি আবার ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয় তাহলে টাকার অঙ্ক অনেক বেড়ে যাবে। ’

মাস্টারমাইন্ড স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘এবার আমার ছেলের বেতন প্রায় এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর সেশন ফির টাকাটা মূলত ১২ ভাগে ভাগ করে অন্যান্য খাত নামে আদায় করা হচ্ছে। আমার ছেলের বেতনের সঙ্গেও অন্যান্য খাত নামে প্রতি মাসে এক হাজার ৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে। গত শিক্ষাবর্ষে বেতনসহ অন্যান্য ফি ১২ হাজার টাকার কম থাকলেও এবার ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। ’

স্কলাসটিকা স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমার ছেলের গত শিক্ষাবর্ষে বেতন ছিল ১৩ হাজার টাকা। এবার হয়েছে ১৬ হাজারের কাছাকাছি। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ হলে বড় বিপদে পড়ে যাব। আর এই বেতন বাড়ানো নিয়ে কোনো কথা বলারও সুযোগ নেই। স্কুল কর্তৃপক্ষের হাবভাব এমন—না পড়ালে স্কুল থেকে নিয়ে যান। ’

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের অভিভাবকদের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আমিনা রত্না  বলেন, ‘এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে বেশি পড়ছে। অথচ প্রতিটি স্কুলেই বেতন বাড়ানো হয়েছে। সেশন ফি না নেওয়া হলেও অন্য খাত দেখিয়ে তা আদায় করা হচ্ছে। আমাদের কোনো অসন্তোষ বা দাবি থাকলে কার কাছে বলব? স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের কোনো কথা শোনে না। আর শিক্ষা প্রশাসন তো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলকে স্বীকারই করে না। একটি নীতিমালার কথা শুনেছি; কিন্তু এর কোনো বাস্তবায়ন তো দেখছি না। আসলে আমাদের প্রতিকার চাওয়ার কোনো জায়গা নেই। ’

বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জি এম নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা আমরা পত্রপত্রিকায় দেখেছি। কিন্তু এখনো কোনো কপি আমাদের হাতে এসে পৌঁছেনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও কোনো পরিপত্র বা নির্দেশনা আমাদের দেওয়া হয়নি। এর পরও স্কুলগুলো সেশন ফি নিচ্ছে না। এ ছাড়া আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আদালতের এই রায়ের ব্যাপারে আমরা আপিল করব। কিন্তু লিখিত কোনো ডকুমেন্ট না পাওয়ায় আমরা সেটাও করতে পারছি না। আর স্কুলের বেতন বাড়ানো যার যার নিজের ব্যাপার। তবে যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল নয় তারাই বেশি বেতন বাড়ায়। ’

স্কলাসটিকা স্কুলের মিডিয়ার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা সেশন ফি নিচ্ছি না। তবে বেতন বাড়ানোটা আমাদের নিয়মিত প্রক্রিয়া। মূলত বাজারের অন্য সকল বিষয়ের প্রতি সামঞ্জস্য রেখেই এই বেতন বাড়ানো হয়েছে। ’

রাজধানীর একটি স্বনামধন্য স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সম্প্রতি এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আলাপচারিতায় বলেন, ‘আমরা শিক্ষাদান করলেও এটা আমাদের ব্যবসা। আমরা ইনভেস্ট করেছি, এখান থেকে আমাদের ফিডব্যাকও পেতে হবে। মনে রাখা উচিত, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে যেসব অভিভাবক অ্যাডজাস্ট করতে পারবে তারাই থাকবে। আমরা তো কাউকে জোর করে রাখছি না। ’

জানা যায়, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ভ্যাট সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। যদিও আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় আপাতত ভ্যাট দিতে হচ্ছে না। তবে অতিরিক্ত বেতনের সঙ্গে যদি ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয় তাহলে তা ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর জন্য নীতিমালা তৈরি করতে ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন আদালত। এরপর চার বছরের চেষ্টায় গত ১১ জুন ‘বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত বেসরকারি বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা ২০১৭’ নামে একটি বিধিমালা জারি করে মন্ত্রণালয়। তাতে বলা হয়, সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনো ইংরেজি মাধ্যম স্কুল পরিচালনা করা যাবে না। প্রতিটি স্কুল পরিচালিত হবে ১১ সদস্যের একটি ম্যানেজিং কমিটির (এমসি) মাধ্যমে। ওই কমিটি ছাত্রছাত্রীদের টিউশন ফি এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ করবে। বছরে ১০ শতাংশের বেশি টিউশন ফি বাড়ানো যাবে না। ম্যানেজিং কমিটিতে দুজন শিক্ষক প্রতিনিধি (একজন নারী), দুজন নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্য থেকে ছয়জন থাকবেন। এঁদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি এবং একজন সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। প্রতিষ্ঠানের প্রধান পদাধিকার বলে কমিটির সচিব হবেন। কমিটির মেয়াদ হবে দুই বছর। কমিটি শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

নীতিমালায় আরো বলা হয়, ভর্তি নবায়ন বা পুনঃ ভর্তির নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা যাবে না। তবে সহপাঠ কার্যক্রম বিশেষ সুবিধা এবং উন্নতমানের যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে পারবে। এ জন্য ম্যানেজিং কমিটিকে লিখিতভাবে তা অভিভাবকদের জানাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতি অর্থবছর শেষে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দিয়ে হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাতও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ওই নীতিমালায়।

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জি এম নিজাম উদ্দিন আরো বলেন, ‘আমরা চাই অবশ্যই নীতিমালা হোক। কিন্তু আমাদের মতামতের প্রতিফলন এই নীতিমালায় থাকা উচিত। তাহলেই তা বাস্তবায়ন সম্ভব। নীতিমালাটি এখনো পড়া হয়নি। বিস্তারিত পড়ে এরপর বলতে পারব। ’

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘বহু বছর ধরে আমরা চেষ্টা করছি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটা নিয়মের মধ্যে আনার। কিন্তু তাদের ওখানে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানরা পড়ে। এর ফলে তাদের সাহসও বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানকে এই দেশের নিয়ম মানতে হবে। আমরা এ জন্যই একটা নীতিমালা করেছি। এখন তাদের ওই নীতিমালার মধ্যে আনার চেষ্টা করছি। ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান  বলেন, ‘ইদানীং অভিভাবকদের মধ্যে সন্তানদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। সেই সুযোগে যত্রতত্র স্কুল গড়ে উঠছে। তাদের বেশির ভাগই ব্যবসা করছে। তাই সরকারের উচিত এ ধরনের স্কুলগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। শুধু নীতিমালা করলেই হবে না, এর বাস্তবায়নও করতে হবে। তবে বাস্তবায়নে শিক্ষা আইনও দরকার। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তা ঝুলে আছে। ’

নীতিমালায় রয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কার্যক্রম তদারকি, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য মাউশি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক উপপরিচালকের অধীন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রতি ডিসেম্বর মাসে পরিবীক্ষণ করাতে হবে। ব্যানবেইস নির্ধারিত প্রতিবেদন ফরমে মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। মেট্রোপলিটন এলাকা এবং এর বাইরের এলাকার বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য কি পরিমাণ নিজস্ব বা সাময়িক ভাড়াভিত্তিক জমি কিংবা ভবন থাকতে হবে তাও উল্লেখ আছে নীতিমালায়।

ব্যানবেইসের তথ্যানুযায়ী, দেশে ১৫৯টি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নিবন্ধন রয়েছে। তাতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ৬৪ হাজার ৫০৭। এসবের মধ্যে ‘ও’ লেভেল স্কুল ৬৪, ‘এ’ লেভেলের ৫৪ এবং জুনিয়র লেভেলের স্কুল ৪১টি। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড নিবন্ধন দিয়েছে ১০২টি স্কুলের। বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, সারা দেশে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সংখ্যা প্রায় ৩৫০ এবং শিক্ষার্থীসংখ্যা তিন লাখের ওপরে। কিন্তু বাস্তবে স্কুলের সংখ্যা আরো বেশি। আর এসব স্কুলের বেশির ভাগই ভাড়া বাড়িতে। কোনোরকমে ঠাসাঠাসি করে চলছে স্কুলগুলো। ক্লাস রুমে নেই পর্যাপ্ত জায়গা। খেলার জায়গাও নেই। এসব স্কুলের নিবন্ধনেরও কোনো আগ্রহ নেই।

 

সরকারিকরণের দাবিতে শিক্ষক সমাবেশ ৫ অক্টোবর - dainik shiksha সরকারিকরণের দাবিতে শিক্ষক সমাবেশ ৫ অক্টোবর অনলাইনে এমপিও আবেদন শুরু - dainik shiksha অনলাইনে এমপিও আবেদন শুরু ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে - dainik shiksha ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর - dainik shiksha এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website