গ্যাং কালচার বিরোধের জেরে খুন কিশোর মহসিন - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

গ্যাং কালচার বিরোধের জেরে খুন কিশোর মহসিন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

পারভেজ আর মহসিনের মধ্যে ছিল পূর্বশত্রুতা। গত বুধবার বিকেলে বান্ধবীকে নিয়ে ঢাকা উদ্যানে বেড়াতে গিয়ে পারভেজের ইভটিজের শিকার হয় মহসিনের বান্ধবী। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা ও তর্ক-বিতর্ক হয়। সেখান থেকে ফিরে ১৫-২০ জনের গ্রুপ নিয়ে চাঁদ উদ্যানের সামনে অপেক্ষা করে পারভেজ। মহসিন চাঁদ উদ্যান এলাকায় একটি চায়ের দোকানে বসে। সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা পারভেজ ও তার সহযোগীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পাঁচ জন গ্রেফতার হলেও মূল হোতা পারভেজ পলাতক।

পুলিশ বলছে, পারভেজ ও মহসিনের মধ্যে পূর্বশত্রুতা ছাড়াও ছিল কিশোর গ্যাং কোন্দল। পারভেজ ছিল ‘আতঙ্ক’ নামক গ্রুপের নেতৃত্বস্থানীয় পর্যায়ের। নিহত মহসিন ‘ফিল্ম ঝির ঝির’ গ্রুপের সদস্য। আধিপত্য বিস্তারে এলাকায় দুই গ্রুপে কোন্দল থাকলেও স্পষ্ট ছিল না। তা ছাড়া পারভেজ ও নিহত মহসিনের বিরুদ্ধে আগে কোনো মামলা ছিল না। এ ঘটনায় নিহত মহসিনের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে স্কুলছাত্র খুন, আহত ৩

এডিসি ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনায় জড়িত ও দুই কিশোর গ্যাং গ্রুপের অধিকাংশ সদস্যই স্কুলে অনিয়মিত কিংবা স্কুল থেকে ঝরে পড়া। অধিকাংশই ঢাকা উদ্যানের ভেঙে যাওয়া বস্তির বাসিন্দা। কারো বাবা গার্মেন্টে চাকরি করেন, কেউবা টাউন হলে মাছের ব্যবসা। এর সাথে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতারে আমাদের অভিযান চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় চাঁন মিয়া হাউজিংয়ের কালভার্টের পাশে মহসিনসহ কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিল। হঠাৎ করে মুখোশ পরা কয়েকজন এসে মহসিনের খোঁজ করে। মহসিন এগিয়ে গেলে তার পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এ সময় পাশের দোকানে ছিল রুবেল নামে একজন। মহসিনকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে রুবেলকে চাপাতি দিয়ে কোপানো হয়। এ সময় আরও দুজন আহত হয়। তারা হলো, সাব্বির (১৭) ও রাকিব (১৭)। গুরুতর আহতাবস্থায় মহসিনকে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিক্ষা আইন যেন শুধু শিক্ষকদের শাসন করার জন্য না হয় - dainik shiksha শিক্ষা আইন যেন শুধু শিক্ষকদের শাসন করার জন্য না হয় হঠাৎ রাজধানীর ৩ স্কুলে প্রতিমন্ত্রী, ৫ শিক্ষককে শোকজ - dainik shiksha হঠাৎ রাজধানীর ৩ স্কুলে প্রতিমন্ত্রী, ৫ শিক্ষককে শোকজ ১৩ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কর্মবিরতির হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের - dainik shiksha ১৩ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কর্মবিরতির হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ - dainik shiksha এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে - dainik shiksha কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website