please click here to view dainikshiksha website

চট্টগ্রামে এমপিওভুক্তির হয়রানি পদে পদে

শৈবাল আচার্য্য | আগস্ট ৫, ২০১৭ - ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ফাতেমা জিন্নাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওসমানসহ চারজন গত বছর এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজনের এমপিও হলেও প্রধান শিক্ষকেরটি আটকে যায়। পরে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের কাছে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তারপরও খোলেনি তার জট। সর্বশেষ গত সপ্তাহে তিনি আবেদনটি পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ে যান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। তবে তিনি এই শিক্ষকের আবেদনটি গ্রহণই করেননি। শুধু চন্দনাইশেই নয়, মহানগরীর কোতোয়ালি শিক্ষা অফিসসহ জেলার সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, আনোয়ারাসহ প্রায় সব উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমপিওভুক্তি নিয়ে এমন নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উঠেছে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও। এদিকে অভিযোগ পেয়ে গত দেড় বছরে প্রায় দু’ডজন শিক্ষা

কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম অফিস।

সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের একজন প্রোগ্রাম অফিসারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক টিম। এদিকে অর্থ লেনদেনসহ নানা অনিয়মে জড়িত থাকায় একজন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে গত দেড় বছরে তিনবার বদলি করা হয়েছে।

শিক্ষকের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম হয়রানির সম্মুখিন হতে হয় উপজেলা শিক্ষা অফিসে। শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা নানা কাগজপত্র দেওয়া হয়নি এমন কথা বলে আবেদন গ্রহণ করেন না। তবে উৎকোচ দিলে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি ফাইল স্বাক্ষরও হয়ে যায়। এ ছাড়া দেখা গেছে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন করা পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজনকে এমপিওভুক্ত করলেও বাকি দু’জনকে আর্থিক সুবিধা লাভের জন্য নানা অজুহাতে আটকে দেওয়া হয়। পরে কথামতো টাকা দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। উপজেলা শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক অফিসের কর্মকর্তাদের আর্থিক লেনদেনে চুক্তি থাকে। আবার মাউশির আঞ্চলিক অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর টাকার বিনিময়ে এমপিও পাইয়ে দেওয়ারও চুক্তি থাকে।

সরকারি সব নিয়ম মেনে ২০১৬ সালে এমপিওভুক্তির আবেদন করেও সাতকানিয়া উপজেলায় বাদপড়া শিক্ষক লোকমান হোসেন (ছদ্মনাম) বলেন, ‘কাগজপত্র সব ঠিক থাকলেও কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে না পারায় আমার ফাইলটি আটকে রাখে তারা। আমার তিন বন্ধুর এমপিও হয়ে গেলেও আমারটা হয়নি। দু’জন কর্মকর্তা ঘুষ হিসেবে আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আমি তা দিতে পারিনি।’ রাঙামাটির বাঘাইছড়ির এক শিক্ষক বলেন, নিয়ম মেনেই তিনি অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করেছেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো সাড়া না পেয়ে নানা জনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করলে নানা ত্রুটির কথা বলেন তারা। পরে দু’জন কর্মকর্তাকে টাকা দিলে তারা ফাইলটি ঠিক করে দেন। চন্দনাইশের কয়েকজন শিক্ষক জানান, তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে দেনদরবার করে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন তারা। চাকরির স্বার্থে নাম প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করেন তারা।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আজিজ উদ্দিন বলেন, ‘শিক্ষক এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও টাকা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছি। আমাদের অফিসের একজন প্রোগ্রাম অফিসারের বিরুদ্ধেও টাকা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ঢাকায় জানানোর পর তদন্ত টিম এসে রিপোর্ট নিয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে কাজ করে দেওয়া বাবদ টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। এর আগেও এই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছিল। দুদক গত দেড় বছরে প্রায় ২০ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমপিওর ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম শাখার উপদেষ্টা সুনীল চক্রবর্তী বলেন, ‘বিভিন্ন স্থান থেকে এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষকদের নানা হয়রানি ও টাকা আদায়ের অভিযোগ আমরা শুনেছি। তবে শিক্ষকরা বিষয়টি আমাদের না জানিয়ে টাকা লেনদেন করেন।’

ফাতেমা জিন্না বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওসমান বলেন, ‘তৎকালীন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। যার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মামলাসহ নানা অজুহাতে আমার এমপিওর আবেদনটি শিক্ষা অফিসার গ্রহণ করছেন না। এমপিও হয়ে যাওয়া কয়েকজন বন্ধু দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে বললেও টাকার অভাবে আমি তা পারিনি।’ এ বিষয়ে কথা বলতে শিক্ষা কর্মকর্তা আবু কাউসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এমপিওভুক্ত হওয়া চট্টগ্রাম বিভাগের প্রায় দেড় ডজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে মাউশি অফিস পর্যন্ত কর্মকর্তারা নানাভাবে তাদের হয়রানি করেছেন। কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখারও হুমকি দিয়েছেন। যার কাছ থেকে যেমন পেরেছে তেমনভাবেই টাকা আদায় করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত হওয়ার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে বলে জানান তারা।

জানা গেছে, এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষকদের হয়রানি ও ঘুষ নেওয়ায় হাটহাজারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকা শফিউল আজমকে গত দেড় বছরে তিনবার বদলি করা হয়েছে। এর আগে তিনি আনোয়ারা ও পটিয়ায় দায়িত্বে ছিলেন। বিষয়টি অস্বীকার করে শফিউল আজম বলেন, ‘কারও সঙ্গে আমি অনিয়ম বা ঘুষ আদায় করিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে বদলি করা হয়েছে।’ দুদক তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে কি-না, জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দিয়ে মোবাইল অফ করে দেন।

সৌজন্যে: সমকাল

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৮টি

  1. swapan kumar das, headmaster,maijdee girls academy,main road, sadar, noakhali. says:

    ঘুষ ছাড়া এমপিও হয়না ৷ উপজেলা, জেলা ও বিভাগ ,এই তিন জায়গায় ঘুষ দেওয়া লাগবেই৷

  2. Syed Mohammad Amin Ullah , Nazrul Islam Robin , Sohel Mia says:

    Syed Mohammad Amin Ullah, M L S S, Hazrat shahsufi Moinuddin shah (R.) Dakhil Madrasah,
    Pahartoli, Firojshah Colony, Chittagong.
    Amader pahartoli Thanay Gush Cara mpo 3 joner hoyece….

  3. MD.MOHIUDDIN (Ebtedayee prothan) says:

    ঘুষ ছাড়া এমপিও হয়না ৷ উপজেলা, জেলা
    ও বিভাগ ,এই তিন জায়গায় ঘুষ দেওয়া
    লাগবেই৷

  4. মো:সরওয়ার উদ্দীন,সিনিয়র সহ:শিক্ষক(ইংরেজী)বেংগুরা সি:মাদ্রাসা,বোয়ালখালী,চট্টগ্রাম says:

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও তার অফিসের স্টাফরা এমপিওর ফাইল অনলাইনে আপলোড নামে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘোষ ও অন্যান্য উতকোচ আদায় করে,,তা এখন ওপেন সিক্রেট,,,
    কেউ দেখার নেই,,,,,

  5. md.azad says:

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সেন্ড করলে জেলায় ধরনা দিতে হয়.জেলা থেকে আনঞ্চলিক অফিসে ধরনা দিতে হয়।
    আঞ্চলিক অফিসেতো ডি,ডি স্যারদের সাথে কথা বলার কোন সুযোগ নেই। যে বনে বাঘ নেই সে বনে শেয়ালেই রাজা।

  6. Abdur Rahim says:

    Amader Banskhali Teman Durnety Nai

  7. ওবাইদুল হক says:

    আমি ওবাইদুল হক, পিতা: মো:আলী, মাতা: লেবাছ খাতুন, গ্রাম: সওদাগর ঘোনা, ডাক: চিরিংগা সি,সি-৪৭৪০, উপজেলা: চকরিয়া, জেলা: কক্সবাজার, মোবাইলঃ ০১৮১৩-৩৮৬০২৮, ইমেইলঃ এনটিআরসিএ কতৃক সুপারিশকৃত হয়ে বিগত ১৫/১১/২০১৬ ইং সহকারী শিক্ষক(ইংরেজী) পদে সর্বোচ্চ নম্বরধারী(দ্বাদশ নিবন্ধন পরিক্ষায় অর্জিত নম্ব্রর: ১০০ এর মধ্য ৮৩) এবং ইংরেজী বিষয়ের ২ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ম স্থান অর্জনকারী হিসেবে কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, খুটাখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার এ নিয়োগপ্রাপ্ত হই। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিগত ১৫/০৫/২০১৭ ইং আমার এম,পি,ও’র আবেদনপত্র অগ্রায়ন না করে ২য় স্থান অর্জনকারী শিক্ষক জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ, (নবম নিবন্ধন পরিক্ষায় অর্জিত নম্বর ১০০ এর মধ্য ৭৭) পিতাঃ জহির আহমদ, গ্রামঃ পালাকাটা, ডাক: চিরিংগা সি,সি-৪৭৪০, উপজেলা: চকরিয়া, জেলা: কক্সবাজার, মোবাইলঃ ০১৮১৭-০০২৯০২/০১৮১৮-৫৯৪০৩৯, এর এম,পি,ও ভূক্তির আবেদনপত্র অগ্রায়ন করেন এবং মে মাসের এম,পি,ও তে ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।তাছাডা, আমার একাডেমিক ফলাফল হচ্ছে এসএসসি: জিপিএ ৪.০৬ (জিপিএ ৫.০০ এর মধ্যে) এইসএসসি: ৪.৬০ (জিপিএ ৫.০০ এর মধ্যে), বি.এ (অনার্স-ইংরেজী) ও এম.এ (ইংরেজী) পরিক্ষায় যথাক্রমে ২.৬৬ ও ২.৬৭(জিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে) যেখানে জনাব রমিজ উদ্দিন আহমদ এর একাডেমিক ফলাফল এসএসসি, এইসএসসি, বি.এ (অনার্স-ইংরেজী), এম.এ (ইংরেজী) যথাক্রমে: ১ম বিভাগ, ২য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ, ৩য় বিভাগ। বিদ্যালয়ে আমার নিয়োগ ও যোগদান রমিজ উদ্দিন আহমদ এর পূর্বেই সম্পাদিত হয় এবং সে অনুসারে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় আমার নাম তার আগে তালিকাভূক্ত করা হয়। নিয়োগদান হতে এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে আমার উপস্তিতি ২য় প্রার্থীর চেয়ে বেশী। তাছাড়া, নিয়োগদান ও যোগদান সংক্রান্ত দুটি রেজ্যুলেশনে আমার নাম প্রথমে উল্লেখিত। এনটিআরসিএ এর বিধান অনুযায়ী মেধাক্রম অনুসারে নিয়োগ সংক্রান্ত কর্মকান্ড সম্পাদন করার সু-স্পষ্ঠ নির্দেশনাকে (যা এনটিআরসিএ’র ২৭-১০-২০১৬ ইং তারিখের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত এবং এই আবেদনের সাথে সংযুক্ত) বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির মতকে উপেক্ষা করে স্বেচ্ছাচারিতার নিদর্শন স্বরুপ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির, গ্রাম+ডাকঃ খুটাখালী, উপজেলাঃ চকরিয়া, জেলাঃ কক্সবাজার, মোবাইলঃ ০১৭১৮-২৭৭৬৪১/০১৮৩৮-২৫১৩৩৪, আমাকে আমার ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করে আমার জীবনকে অনিশ্চয়তায় পর্যবসিত করে আমার অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করেছেন। উল্লেখ্য, জনাব মহুয়া জান্নাত কলি কে সহকারী শিক্ষক বিজ্ঞান পদে কারিগরি শাখায় নিয়োগ প্রদান করা সত্ত্বেও তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সাধারণ শাখায় এম,পি,ও ভূক্তির জন্য তার আবেদনপত্র অগ্রায়ন করা হয় এবং মে মাসের এম,পি,ও তে ওনাকে অন্তভূক্ত করা হয়। সাধারণ শাখায় উনার এম,পি,ও’র আবেদন অগ্রায়নের ক্ষেত্রে উক্ত পদে তিনি সাবেক শিক্ষক নুরুল আবছারের স্থলাভিষিক্ত হলেও উক্ত শিক্ষকের নাম কর্তন করা হয়নি। যোগদানের পর থেকে আমাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার কু-মানসে প্রতিষ্ঠানের সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিতকরণসহ মাসিক ৮৫০/(আটশত পঞ্চাশ) টাকা বেতন নির্ধারিত করে ৩ মাস প্রধান করে অদ্যাবধি প্রধান করা হয়নি।
    আমার কী অপরাধ? উনি কি ঘুষ পাননি বলে আমার এম,পি,ও হবে না? নাকী এনটিআরসিএ/মন্ত্রণালয় অপেক্ষা উনি ক্ষমতাধর যে উনি যা চান তা হবে? তবে কি আমার আজম্ন লালিত শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে?

  8. ভূপাল প্রামানিক, প্র:শি: নামুজা উচ্চ বি: & সেক্রেটারি, বা: প্রধান শিক্ষক সমিতি, বগুড়া সদর। 01711 515468 says:

    ,,,,,,।

আপনার মন্তব্য দিন