প্রধান শিক্ষককে পেটালো বখাটেরা - স্কুল - Dainikshiksha

প্রধান শিক্ষককে পেটালো বখাটেরা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি |

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সিংদাইর সাইদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যাত্রা করার অনুমতি ও দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দেয়ায় প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেনকে পিটিয়েছে বখাটেরা। সোমবার ( ১১ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সামনেই এ ঘটনা ঘটায় তারা।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেন জানান, উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের  সিংদাইর গ্রামের মোস্তফা, বাচ্চু, সোহেল, মিন্টু ও জুয়েলসহ আরো কয়েকজন গত শনিবার আমার কাছে এসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাত্রা করার অনুমতি এবং এর জন্য চাঁদা দাবি করে।

এ সময় আমি তাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাত্রার অনুমতি দেয়ার ক্ষমতা আমার নেই বলে জানাই এবং ১০০ টাকা চাঁদা  দেই। পরদিন রোববার সন্ধ্যায় তারা আমাকে ফোনে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ, রুম ও বিদ্যুতের লাইন দেয়ার জন্য চাপ দেয়। আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন সোমবার সকালে আমি বিদ্যালয়ে পৌঁছলে তারা আমার ওপর হামলা করে কিল-ঘুষি মারতে থাকে।

এ সময় আমার সহকর্মীরা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আমি সুবিচার প্রার্থনা করে নাগরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাকু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় যাত্রার অনুমতি না দেয়ায় এলাকার কিছু বখাটে এ রকম ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

ওদের শাস্তি হওয়া দরকার। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোস্তফা বলেন, আমরা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান করার অনুমতি চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেন আমাদের তা না দিয়ে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন। অনুষ্ঠানের পরদিন এলাকার ছেলেপেলে অনুমতি না দেয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আলম চাঁদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু - dainik shiksha এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন - dainik shiksha মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? - dainik shiksha কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন - dainik shiksha ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website