চাই নতুন আশা ও আত্মগঠন - মতামত - দৈনিকশিক্ষা

চাই নতুন আশা ও আত্মগঠন

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

সাড়ে তিন শ বছর আগে ব্রিটিশ দার্শনিক টমাস হবস মানুষের কল্যাণে চিন্তা করতে গিয়ে মানুষকে দেখেছিলেন  ‘Nasty, solitary, poor, brute and short’-রূপে। তিনি শাসক শ্রেণির লোকদের দিকে তাকিয়ে মানুষ সম্পর্কে এমনটি ভেবেছিলেন। তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে মানবিক গুণাবলির বিকাশের সম্ভাবনা দেখেছিলেন এবং তাদের উত্থান কামনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে সভ্যতার উন্নতির আশায় ব্রিটেনে লক, হিউম, ম্যালথাস, স্টুয়ার্ড মিল, ডারউইন, হার্বার্ট স্পেন্সার, ফ্রন্সে অগাস্ট কোঁৎ মানুষের স্বরূপ সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করেছেন। পৃথিবীর দেশে দেশে বিভিন্ন সময়ে মানুষের সমাজ বিরাজিত  Struggle for existence-এর Natural selection-এর এবং  Survival of the fittest-এর নানা রূপ তাঁদের দৃষ্টিতে ধরা পড়েছে। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়।

নিবন্ধে আর জানা যায়, হবস যে চেহারায় মানুষকে দেখে গিয়েছেন, বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কালে আরো কোনো কোনো মনীষী মানুষকে সেই চেহারায়ই দেখেছেন। সপ্তদশ শতাব্দীর জন লকের দৃষ্টিতে মানুষ ভালো ও মন্দ মিলিয়ে। অষ্টাদশ শতাব্দীর ফরাসি দার্শনিক রুশোর দৃষ্টিতে ‘মানুষ মূলত সৎ’। মানুষের অন্তরকে রুশো দেখেছেন মহত্তম সব সম্ভাবনার অফুরন্ত ভাণ্ডাররূপে। তিনি উপলব্ধি করেছেন, সম্ভাবনাগুলো বাস্তবায়িত করা সম্ভব। উনিশ শতকের কার্ল মার্ক্স মানুষের সমাজে দেখেছেন একদিকে শোষক ও অন্যদিকে শোষিত। মার্ক্সের দৃষ্টিতে মানবজাতির মহান সম্ভাবনাই অনেক বড় হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছে। মানবসত্তার কুৎসিত কদর্য দিকও তিনি দেখেছেন। বস্তুবাদী দ্বন্দ্বদর্শনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তিনি মানুষের সমাজকে দ্বান্দ্বিক স্বরূপে বুঝতে চেয়েছেন। তিনি ভেবেছেন, জেনারেশনের পর জেনারেশনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষ পৃথিবীকে স্বর্গে পরিণত করবে। সমাজে  Dehumanization of man-এর কারণ এবং Humanization of man in society-র উপায় তিনি সন্ধান করেছেন। মানুষের কল্যাণের জন্য তিনি মানব পরিস্থিতির—মানুষের আর্থ-সামাজিক ও রাষ্ট্রিকব্যবস্থার পরিবর্তনে সীমাহীন গুরুত্ব দিয়েছেন। ফ্রয়েড, এডলার, ইয়ং চেতনার দিক দিয়ে মানুষের স্বরূপ ও সম্ভাবনা উন্মোচন করেছেন। গান্ধী মানুষকে দেখেছেন মহৎ সব সম্ভাবনার আকররূপে। তিনি মনে করেছেন, সত্যগ্রহ, অহিংসা, সর্বোদয় ও অসহযোগের (অন্যায়কারীদের সঙ্গে) দর্শন অবলম্বন করে মানুষ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পৃথিবীকে স্বর্গে উন্নীত করার সামর্থ্য রাখে। কালে কালে শ্রেষ্ঠ মনীষীদের দৃষ্টিতে মানুষের ব্যক্তিত্বের মহত্তর দিকই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

মানুষ মনুষ্যত্ব নিয়ে জন্মে না, মনুষ্যত্ব অর্জন করে। মানুষ ধর্ম কিংবা আদর্শ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না, জৈবিক সামর্থ্য বলে ধর্ম, আদর্শ সে অর্জন করে। এই অর্জনে তার ইচ্ছাশক্তি, চিন্তাশক্তি, শ্রমশক্তি ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। মানুষ শুধুই প্রাকৃতিক নিয়মের, সামাজিক প্রথা-পদ্ধতির ও রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধানের শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থার দাস নয়, আপন প্রবৃত্তির দাসও মানুষ নয়; মানুষের মধ্যে নিহিত রয়েছে সেই শক্তিও, যার বলে সে আপন সত্তার এবং অবস্থার প্রভুও হয়ে উঠতে পারে। অবস্থার প্রভু কিংবা নিয়তির নিয়ন্তা হওয়া এক জীবনে, এক জেনারেশনে সম্ভব না হলেও বহু জীবনে, বহু জেনারেশনের পারম্পর্যশীল সাধনা ও সংগ্রামে সম্ভব হবে।

উন্নত জীবন, উন্নত সমাজ, উন্নত রাষ্ট্র ও উন্নত বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে তার ভিত্তিভূমি হিসেবে মানসিক ও বৈষয়িক এমন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে মানুষ নৈতিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে কিংবা আর্থিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নৈতিক উন্নতি লাভ করতে পারে।

আমাদের দেশে অনেক ভাগ্যসন্ধানী দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে সেই সঙ্গে ভাঁওতা ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সম্পত্তিশালী ও প্রতিপত্তিশালী হয়ে থাকে। কিন্তু কোনো বিষয়ে যিনি আন্তরিকভাবে নৈতিক প্রশ্ন তোলেন, তাঁর ওপর চারপাশ থেকে নিগ্রহ নেমে আসে। তিনি আপস করতে না চাইলে সমাজে তাঁর ভাতও জোটে না। এ দেশে নৈতিক বিষয়ে বাস্তবসম্মত কার্যকর কোনো কথা বলার জন্য যথার্থই সাহসের দরকার হয়। কারণ যিনিই নৈতিক বিষয়ে কার্যকরভাবে কিছু লিখতে কিংবা বলতে চেষ্টা করেন, তাঁরই চারপাশে বহু লোক সক্রিয় হয়ে ওঠে তাঁর ত্রুটি অন্বেষণে এবং তাঁকে খাদে নিক্ষেপ করে শেষ করে দেওয়ার তৎপরতায়। অবস্থা এমন যে লোকে সর্বজনীন কল্যাণে অল্পই ভাবতে পারে। কায়েমি-স্বার্থবাদীরা কার্যকর নৈতিক প্রশ্নকেই নিজেদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মনে করে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ নয়। জনগণের কোনো নেতৃত্ব নেই। সমাজে বিবেক, বিচারপ্রবণতা ও যুক্তিপরায়ণতার অনুশীলন নেই বলে সমস্যা অত্যন্ত জটিল। ক্ষমতাবান, প্রতিপত্তিশালী, সক্রিয় লোকেরা ন্যায় স্বার্থের বিবেচনায় অগ্রসর না হয়ে হীনস্বার্থের চিন্তায় নিজেদের মনকে আচ্ছন্ন রাখে বলে যেকোনো নৈতিক প্রশ্নকেই ভয় পায় এবং প্রশ্ন উত্থাপনকারীকে কোণঠাসা করতে উদ্যত হন। শিক্ষাব্যবস্থা এমন যে এতে স্বদেশপ্রেম, স্বাজাত্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি বিকশিত হয় না। এ সমাজে মানবশিশুর মানবিকীকরণের চেয়ে অমানবিকীকরণের সুযোগ অনেক বেশি। এ সমাজে যার ক্ষতি করার শক্তি যত বেশি, তার প্রভাব-প্রতিপত্তি তত বেশি, মানুষের কল্যাণ করার শক্তি এ সমাজে কোনো শক্তি বলেই স্বীকৃতি পায় না।

এই বাস্তবতায় প্রচলিত ধারায় সুস্থ, স্বাভাবিক ও সমৃদ্ধ জীবন সম্ভব নয়। সুস্থ, স্বাভাবিক ও সমৃদ্ধ জীবনের এবং জাতীয় উত্থানের জন্য দরকার জাতীয় ও সামাজিক জীবনে সব কর্মকাণ্ডের মর্মস্থলে নৈতিক চেতনার জাগরণ ও স্বাভাবিক নৈতিক অনুশীলন। রাজনীতিতে, প্রশাসনে, বিচারব্যবস্থায়, শিক্ষাব্যবস্থায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ও পরিকল্পনায়—সর্বত্র দরকার নৈতিক বিবেচনা ও নৈতিক অনুশীলন। নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যায় যেসব সমস্যা আলোচিত হয়, বাংলাদেশের সমস্যাবলি সমাধানের উদ্দেশ্যে অন্তত কিছু সময়ের জন্য গোটা জাতির শিক্ষিত লোকদের যেসব বিষয়ে পরিপূর্ণ মনোযোগ দেওয়া দরকার। বলা বাহুল্য, এ বিষয়ে চিন্তাকে হতে হবে কর্মমুখী—বিরামহীন অন্ধকার ঘরে কালো বিড়াল খোঁজার মতো করে নয়।

যে নৈতিক উত্থানের কথা আমি বলছি, তার কথা অনেকেই অনেকভাবে কিছুকাল যাবৎ বলে আসছেন। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতির অভিযোগে ভীষণভাবে অভিযুক্ত হয়েছিল। জিয়া সরকারের আমলেও আগেকার আওয়ামী লীগ সরকারকে প্রবল প্রচারের দ্বারা ক্রমাগত দুর্নীতিবাজ বলে চিহ্নিত করে। কিন্তু দুর্নীতির ধারা তখনো চলমান থাকে। একদল দুর্নীতিবাজের স্থলাভিষিক্ত হয় নতুন আরেক দল দুর্নীতিবাজ। আগেকার দুর্নীতিবাজদের অনেকে সাধু সেজে নতুন ধারায় মিশে যায়। জিয়া সরকার তখন ‘নৈতিকতা সপ্তাহ’ বলে জাতীয়ভাবে একটি সপ্তাহ পালন করে এবং তাতে আগেকার আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির তথ্যাদি ব্যাপকভাবে সামনে আনে। নৈতিকতা সপ্তাহের সুযোগ নিয়ে ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী অনেকে নৈতিকতাবাদী সেজে সামনে আসে। প্রচারমাধ্যমে তারা ভালো প্রচারও পায়। প্রায় সব প্রচারমাধ্যম, বিশেষ করে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রা তখন এমনভাবে ক্রমাগত প্রচার চালায় যে তাতে জনমনে জাতীয় হীনতাবোধ সৃষ্টি হয়। প্রচার করা হয় যে দেশে একমাত্র প্রেসিডেন্ট জিয়া সৎ, বাকি সবাই দুর্নীতিবাজ। মন্ত্রী-আমলা থেকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আদালতের বিচারক, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত পর্যন্ত সবাইকে তখন দুর্নীতিবাজরূপে সামনে আনা হয়। তখন জাতীয় হীনতাবোধ যে গভীরতা লাভ করে, ক্রমে তা আরো গভীর হয়ে চলছে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম থেকেই ইতিহাসকে বিকৃত করা আরম্ভ হয়। ক্রমে তা বেড়েছে। কোনো জাতির ইতিহাসকে বিকৃত করা হলে সেই জাতির আত্মাই বিকৃত হয়ে যায়। দেশের শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থাকে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রমাগত খারাপ থেকে আরো খারাপ করে ফেলা হয়েছে। কোনো রাষ্ট্রের শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা খারাপ হয়ে গেলে সেই রাষ্ট্রের জনগণের সংস্কৃতিও বিকারপ্রাপ্ত হয়ে অপসংস্কৃতিতে পরিণত হয়। বাংলাদেশে অপসংস্কৃতিকেই এখন সংস্কৃতি বলা হয়। যেমন—‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’, ‘প্রশ্ন ফাঁসের সংস্কৃতি’, ‘ঘুষ-দুর্নীতির সংস্কৃতি’, ‘ধর্ষণের সংস্কৃতি’, ‘নারী নির্যাতনের সংস্কৃতি’ ইত্যাদি কথা প্রতিদিন প্রচারমাধ্যমে আসছে।

প্রশ্ন হলো—এই রুগ্ণ, পচনধরা, পতনশীল অবস্থা থেকে উদ্ধার লাভের উপায় কী? আমার কোনো কোনো বইয়ে এ প্রশ্ন সম্পর্কে আমার মতের প্রকাশ আছে।   ‘আটাশ দফা : আমাদের মুক্তি ও উন্নতির কর্মসূচি’তে এ প্রশ্নে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য আছে। শুধু বক্তব্য দিয়ে হয় না, বক্তব্যের বাস্তবায়নের জন্য কাজে লাগে। সেই কাজের ধারা কী করে সৃষ্টি করা যাবে—সেটাই মূল প্রশ্ন। বলা যায় সেটাই মূল সমস্যা। কাজের জন্য বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদের সংগঠন দরকার। কাজের জন্য প্রথমে বৌদ্ধিক আন্দোলন  (Intellectual movement) দরকার। সর্বোপরি দরকার প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি চাইলে জনগণের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল হয়ে উঠতে পারে। নতুন দল গঠিতও হতে পারে। রাজনৈতিক উপায় ছাড়া সামাজিক আন্দোলন, নাগরিক আন্দোলন, নির্দলীয় কোনো প্রক্রিয়া দ্বারা তা হবে না। রাজনৈতিক দলের বিকল্প নেই।

মানুষের জীবন সব সময় সমস্যাপূর্ণ। সমস্যা বাড়তে বাড়তে কখনো কখনো সংকট সৃষ্টি হয়। ব্যক্তিগত ও সম্মিলিতভাবে জেনারেশনের পর জেনারেশন ধরে সমস্যার পর সমস্যার ও সংকটের পর সংকটের সমাধান করে করেই মানুষ জীবন যাপন করে এবং নিজের ও সবার জন্য উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করে। সমস্যা ও সংকটের সমাধান এবং উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টি সম্ভব—এ বিশ্বাস ব্যক্তি, গোষ্ঠী, জাতি ও মানবজাতিকে আশাবাদী রাখে। নানা কারণে, বিশেষ করে নৈতিক পতনশীলতার কারণে এ বিশ্বাস যখন ক্ষয় পেতে থাকে এবং লোপ পায়, তখন দেখা দেয় নৈরাশ্য ও নৈরাশ্যবাদ। তাতে অন্ধকার যুগ সামনে আসে। তারপর ব্যক্তিগত ও সম্মিলতি দীর্ঘ চেষ্টায় অন্ধকার যুগেরও অবসান ঘটে।

বাংলাদেশে ও পৃথিবীর বেশির ভাগ রাষ্ট্র, বিশেষ করে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোতে কায়েমি স্বার্থবাদীরা তাদের জীবন-জগত্দৃষ্টি নিয়ে এখন খুব আশাবাদী। তাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কম। বাকি মানুষের মধ্যে এখন বিরাজ করছে হতাশা ও অনাস্থা। সমস্যাবলির সমাধান ও উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টি সম্ভব—জনসাধারণের মধ্যে এই মনোবল এখন আর নেই। মানুষ সম্পর্কে মানুষের উচ্চ ধারণা লোপ পেয়েছে। বিরাজ করছে

Hobbsian state of nature, Malthusian state of nature. এ অবস্থার অবসান ঘটাতে হবে। মানবচরিত্র অবশ্যই এ রকম থাকবে না, উন্নত হবে।

মানুষ আত্মসচেতন হবে। মানুষ আত্মগঠনে মনোযোগী হবে। মানুষ বদলে যাবে এবং সামাজিক, রাজনৈতিক পরিবেশকে বদলে ফেলবে। দেশে দেশে বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদের সংঘবদ্ধ হয়ে অগ্রযাত্রার ভূমিকা পালন করতে হবে। জনসাধারণকে অগ্রসর হতে হবে বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদের সন্ধানে এবং তাঁদের সমর্থন দিয়ে শক্তশালী করার কাজে। জনসাধারণকে জাগতে হবে।

আবুল কাসেম ফজলুল হক : প্রগতি প্রয়াসী লেখক, সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ডিপিএড শিক্ষকদের বেতন জটিলতার সমাধান শিগগিরই - dainik shiksha ডিপিএড শিক্ষকদের বেতন জটিলতার সমাধান শিগগিরই স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামী মিজান গ্রেফতার - dainik shiksha স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামী মিজান গ্রেফতার উচ্চতর গ্রেড পাওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কমবে না - dainik shiksha উচ্চতর গ্রেড পাওয়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কমবে না ১ অক্টোবর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন - dainik shiksha ১ অক্টোবর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন এমফিল-পিএইচডি জালিয়াতিতে এগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা - dainik shiksha এমফিল-পিএইচডি জালিয়াতিতে এগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফাজিল ও কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডির মেয়াদ বৃদ্ধি - dainik shiksha ফাজিল ও কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডির মেয়াদ বৃদ্ধি অফিস সময়ে কর্মকর্তাদের বাইরে ঘোরাঘুরিতে বিরক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় - dainik shiksha অফিস সময়ে কর্মকর্তাদের বাইরে ঘোরাঘুরিতে বিরক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় please click here to view dainikshiksha website