চাকরি সরকারিকরণে সংশয়: ৮৪০ শিক্ষকের মানবেতর জীবন - সরকারিকরণ - Dainikshiksha

তিন পার্বত্য জেলাচাকরি সরকারিকরণে সংশয়: ৮৪০ শিক্ষকের মানবেতর জীবন

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি |

তিন পার্বত্য জেলার ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ হলেও দুই বছরেও সরকারিভাবে চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত নেই ওই সব বিদ্যালয়ের ৮৪০ শিক্ষক। টানা ছয় বছর ধরে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকরি করে যাচ্ছেন তারা। ফলে পারিবারিক আর্থিক দৈন্যদশার মধ্যে চরম মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। ওই সব বিদ্যালয় জাতীয়করণ করায় তারা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের চাকরি সরকারিকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। শনিবার রাঙ্গামাটিতে আহূত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আবেদন জানানো হয়। সকালে রাঙ্গামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অরুণ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। এ সময় কমিটির সদস্য সচিব প্রশান্ত ত্রিপুরা উচহাই মার্মা, সুতিল কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, শিক্ষক শ্যামল বিশ্বাসসহ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বলা হয়, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সুবিধা সহায়তা ও মৌলিক শিক্ষাদান (সিএইচটিডিএফ) প্রকল্পের আওতায় ২০০৮ সালে ওই ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে রাঙ্গামাটিতে ৮১, খাগড়াছড়িতে ৪৯ ও বান্দরবানে ৮০টি। প্রকল্পের অধীন শিক্ষকদের স্বল্প বেতন-ভাতাসহ বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করা হয় ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। এরপর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকরি করে আসছেন ওই সব বিদ্যালয়ের ৮৪০ শিক্ষক। এরই মধ্যে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ২১০ বিদ্যালয় সরকারিকরণ করে সরকার। 

কিন্তু শিক্ষকদের চাকরি নিয়ে আজ পর্যন্ত সরকারিকরণের প্রজ্ঞাপন ঘোষণা করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, আমরা সরকারি নিয়মানুযায়ী নিজ বিদ্যালয়ে পাঠদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি। জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করছি। আমরা এতটা দিন নিজেদের চাকরি সরকারিকরণের অপেক্ষায় আছি। কিন্তু বিদ্যালয় সরকারিকরণের প্রায় দুই বছর অধিক সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও আমাদের চাকরি সরকারিকরণ হয়নি। তাই বিষয়টি মানবিক বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি।

একাদশে ভর্তি: ২য় দফার আবেদন শুরু - dainik shiksha একাদশে ভর্তি: ২য় দফার আবেদন শুরু বিসিএসেও তৃতীয় পরীক্ষক চালু - dainik shiksha বিসিএসেও তৃতীয় পরীক্ষক চালু ডিগ্রি ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো - dainik shiksha ডিগ্রি ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো জিপিএ-৫ বিলুপ্তির পর যেভাবে হবে নতুন গ্রেড বিন্যাস - dainik shiksha জিপিএ-৫ বিলুপ্তির পর যেভাবে হবে নতুন গ্রেড বিন্যাস পাবলিক পরীক্ষার গ্রেড: যা আছে আর যা হবে - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষার গ্রেড: যা আছে আর যা হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর শিক্ষক নিবন্ধন: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিষয়ের নতুন সিলেবাস দেখুন - dainik shiksha শিক্ষক নিবন্ধন: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিষয়ের নতুন সিলেবাস দেখুন সার্টিফিকেট ছাপার আগেই ২ কোটি টাকা তুলে নিলেন ছায়েফ উল্যাহ - dainik shiksha সার্টিফিকেট ছাপার আগেই ২ কোটি টাকা তুলে নিলেন ছায়েফ উল্যাহ রাজধানীর সকল ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে: হাইকোর্ট - dainik shiksha রাজধানীর সকল ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে: হাইকোর্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া  - dainik shiksha please click here to view dainikshiksha website