ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে - বিবিধ - Dainikshiksha

ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে

রুম্মান তূর্য |

গত বছরের তুলনায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে। গতবছর মাধ্যমিকে ৩৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ ছাত্র ঝরে পড়েছিল। এবছরের হিসেবে এ হার বেড়ে ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ হয়েছে। যা বিগত ৫ বছরে সর্বোচ্চ। অপরদিকে বিগত ১০ বছরে মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার অনেকটা কমেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এমন তথ্যই উঠে এসেছে ‘বাংলাদেশ এডুকেশন স্ট্যাটিস্টিক্স ২০১৮’এর খসড়ায়। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশ এডুকেশন স্ট্যাটিস্টিকস্ ২০১৮’ চুডান্তকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেছেন ব্যানবেইসের  মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী  ডা. দীপু মনি এবং উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন। 

২০০৮ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার ছিল ৬১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ব্যানবেইসের তথ্য মতে, বিগত দশ বছরে যা ক্রমান্বয়ে অনেকটা কমেছে। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে ঝরে পড়ার হার কমে হয় ৪১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে তা হয় ৪০ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে ঝরে পড়ার হার ছিল ৩৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। গতবছর মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার ছিল ৩৭ দশমিক ৪১ শতাংশ, যা এ বছর কিছুটা কমে হয়েছে ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ।

অপরদিকে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে বিগত ৫ বছরের তুলনায় ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার ছিল সর্বোচ্চ। এ বছর ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ ছেলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিকে ছাত্র ঝরে হার ছিল ৩৪ দশমিক ৫২ শতাংশ। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে তা কমে হয় ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে এ হার ছিল ৩৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অপরদিকে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিকে ছাত্রদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৩৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।      

এদিকে বিগত ১০ বছরে ছাত্রীদের ঝরে পড়ার হার এবছর ছিল সবচেয়ে কম। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৩৬ দশমিক ০১ শতাংশ ছাত্রী ঝরে পড়েছে। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ছাত্রী ঝরে পড়ার হার ছিল ৬৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিকে ছাত্রী ঝরে হার কমে হয় ৪৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে তা কমে হয় ৪৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে এ হার ছিল ৪২ দশমিক ১৯ শতাংশ। অপরদিকে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিকে ছাত্রীদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৪১ দশমিক ৫২ শতাংশ।      

বিগত বছরগুলোর মত চলতে থাকলে ঝরে পড়ার হার কমতে থাকবে বলে দাবি করেছে ব্যানবেইস। তাদের হিসেব মতে এভাবে চললে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার নেমে আসবে ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। যা ২০৩০ খ্রিস্টাব্দে ২০ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে আসবে বলে দাবি করেছে ব্যানবেইস।   

জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী - dainik shiksha জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু - dainik shiksha ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও ৯২ প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় - dainik shiksha আরও ৯২ প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৮১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু - dainik shiksha ১৮১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু শিক্ষকতা ছেড়ে উপজেলা নির্বাচনে শিক্ষক - dainik shiksha শিক্ষকতা ছেড়ে উপজেলা নির্বাচনে শিক্ষক প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সুপারিশপ্রাপ্তদের করণীয় - dainik shiksha প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সুপারিশপ্রাপ্তদের করণীয় স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি - dainik shiksha স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ - dainik shiksha প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website