please click here to view dainikshiksha website

জাতীয়করণের সরকারি আদেশ চাই

জহুরুল ইসলাম | আগস্ট ১১, ২০১৭ - ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেত্রী শেখ হাসিনা সরকারি স্কুল কলেজ বিহীন উপজেলাসমূহে একটি করে স্কুল ও একটি করে কলেজ চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ২৮৫টি কলেজের অধিকাংশ কলেজ দানপত্র দলিল সম্পন্ন করে দিয়েছে।এখন উক্ত ২৮৫ টি কলেজ জাতীয়করণের সরকারি আদেশ (জিও)জারির অপেক্ষায় প্রহর গুনচ্ছে। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে আত্তীকরণ বিধি নিয়ে পক্ষ বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন। এবিষয়ে দৈনিক শিক্ষা অনলাইন পত্রিকায় পর্বে পর্বে লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হল এই যে লেখা যারা লিখছেন তারা আসলে কারা? তারা কি আসলে সরকারের সূজন? এদেরকে কি সরকার আত্তীকরণ বিধি প্রণয়নের দায়িত্ব দিয়েছে? এ্সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে মতামত প্রকাশের জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে।

উভয় পক্ষ যেভাবেই আত্তীকরণকে দেখতে চায়, এ দেখার যেমন তাদের অধিকার আছে ঠিক তেমনি  আত্তীয়করণ করা যাঁর এখতিয়ার তাঁর তেমনি দায়িত্বও রয়েছে।এই দায়িত্ব বোধের জায়গা থেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংগালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে কলেজ জাতীয়করণ করেছেন এবং যুগোপযোগী শিক্ষকবান্ধব আত্তীকরণ বিধিমালা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি করেছেন। এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞা জানাই।  এই কমিটি নিরলস ভাবে যখন কাজ করে যাচ্ছেন ঠিক তখনই অতি উৎসাহি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাদের ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার গঠিত কমিটির কাজকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের সরকারি আদেশ (জিও) জারি যেন বিলম্বিত হয়, সরকারের সফলতা যেন প্রশ্নের সম্মুখিন হয় এ চেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছে।

এই অপচেষ্টায় লিপ্ত শিক্ষকগণ দৈনিক শিক্ষাডটকম পত্রিকায় লিখেছেন ‘জাতীয়করণ তালিকাভূক্ত শিক্ষকরা যেমন চায়’ আর শেষে লিখল জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতি। এটা কি ধরনের আচরণ তা আমার এবং জাতীয়করণ তালিকাভূক্ত কলেজ শিক্ষকদের বোধ্যগম্য নয়। এ যেন গায়ে মানেনা আপনি মোড়ল অবস্থা।উনারা স্বঘোষিত নেতা হয়ে জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ অধ্যক্ষ সমিতি গঠণ করেছিলেন যার বর্তমান নাম জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতি। যেখানে সাধারণ শিক্ষকদের কোন সম্পৃক্ততা আছে কি না তা আমার ও জাতীয়করণ তালিকাভূক্ত কলেজ শিক্ষকদের জানা নেই।তারা তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। তারা নিজেদেরকে সরকার গঠিত কমিটির চেয়ে অধিকতর বিজ্ঞ মনে করে জাতীয়করণ তালিকাভূক্ত কলেজ শিক্ষকদের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন।আবার তারা তাদের কলেজে বসে সাধারণ শিক্ষকদেরকে বলছেন আপনাদের জন্য প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের সরকারি আদেশ(জিও) জারি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারিকরণের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন গায়ে মানেনা আপনি মোড়লরা আর দোষ দিচ্ছেন সাধারণ শিক্ষকদের। এহেন আচরণ থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখুন, গৃহ বিবাদ ডেকে আনবেন না, এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে। দয়া করে সাধারণ শিক্ষকদেরকে পতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাবেন না।

জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির স্ব-ঘোষিত নেতাগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবরে আত্তীকরণ বিধি প্রণয়ন কমিটিতে তাদের সমিতির দুইজন সদস্যকে অন্তর্ভূক্ত করার আবেদন করেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তাদের মতামত জানার জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় বিধি প্রণয়ন কমিটির একটি সভায় উক্ত সমিতির দুইজন সদস্যকে আমন্ত্রণ জানান। উক্ত সভায় জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির স্ব-ঘোষিত নেতাদ্বয় এর কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনারা কিভাবে নেতা হলেন। জবাবে তাঁরা উত্তর দেন যে,আমরা ছাড়া অন্য কেউ কি আপনাদের সাথে এ সমস্যা নিয়ে কি কখনও কথা বলেছে কিনা? যদি কেউ কথা না বলে থাকে তাহলে আমরাই তো এ সমস্যা নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলেছি। তাই আমরা জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির নেতা।

আমি বিনয়ের সাথে জাতীয়করণ লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির নেত্রীবৃন্দের কাছে জানতে চাই যে আপনারা কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং কোন কোন সাধারণ শিক্ষকদেরকে সম্পৃক্ত করে আপনাদের সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি করেছেন?

জাতীয়করণ লক্ষ্যে  প্রাথমিক অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির স্ব-ঘোষিত নেতাগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আত্তীকরণ বিধি প্রণয়ন নির্দেশিকা প্রদানের জন্য আবেদন দিয়েছেন যা ইতিমধ্যেই দৈনিক শিক্ষা ডটকম পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে।

বি সি এস শিক্ষা সমিতি ইতিমধ্যেই আত্তীকরণ প্রসঙ্গে কি চায় সে সম্পর্কে তাদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাদের অতি উৎসাহি আচরণ দেখে মনে হয় সরকার তাদের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে। সরকার আত্তীকরণ বিধি প্রণয়ন এর জন্য একটি কমিটি করে দিয়েছে।যে কমিটি নিরলসভবে কাজ করে যাচ্ছে।কিন্তু সেই কমিটি যেন যথাযথভাবে কাজ না করতে পারে প্রতিনিয়ত সে চেষ্টা করে যাচ্ছে বি সি এস শিক্ষা সমিতি।

বি সি এসশিক্ষা সমিতি নানামুখী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে এবং অযৌক্তিক যুক্তি উপস্থাপন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ও সাহসিকতাপূণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নটরাজের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।অসর্মথিত সূত্র থেকে শোনা যাচ্ছে যে, সরকার কর্তৃক গঠিত আত্তীকরণ বিধিমালা প্রণয়ন কমিটি বিধিমালা প্রণয়ন করে বাস্তবায়নের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।

নতুন তৈরিকৃত আত্তীকরণ বিধিমালার কি আছে এমন  তথ্য বি সি এস শিক্ষা সমিতি জানতে পেয়ে এ বিধি যাতে কার্যকরী না হয় বা বাস্তবায়িত না হয় সে চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠছে। তারা তাদের সমিতির নেতাদের মাধ্যমে শিক্ষা মনন্ত্রালয়ের কর্তা ব্যক্তিদের উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে এবং নতুন তৈরিকৃত আত্তীকরণ বিধিমালা বাস্তবায়িত হলে তারা মানবেনা বলে হুমকী দিয়ে যাচ্ছে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের হুমকীমূলক প্রতিবাদের কি কোন প্রতিকার নেই? তাছাড়া বি সি এস শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নো বি সি এস নো ক্যাডার শ্লোগান দিয়ে মনোগ্রাম তৈরি করে আত্তীকৃত শিক্ষকদেরকে হেয় পতিপন্ন করে অশ্লীল ভাষায় পোষ্ট দিচ্ছে। দয়া করে আত্তীকৃত শিক্ষকদেরকে হেয় পতিপন্ন করে অশ্লীল ভাষায় পোষ্ট  দিবেন না এবং কি আত্তীকৃত শিক্ষকদেরকে  পতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাবেন না। আর মনে রাখবেন আত্তীকৃত কোন শিক্ষক আপনাদের কোন পদে আত্তীকৃত হচ্ছেনা, তারা তাঁদের সৃজনকৃত পদে আত্তীকৃত হচ্ছে। বরং এসব পদে যাঁরা নিয়োগ পাচ্ছে তাঁরা অবসরে গেলে বা যেকোন কারণে পদটি শূন্য হলে সেপদে আপনারাই নিয়োগ পাবেন। যে সব পদ আত্তীকৃত হচ্ছে সেসব পদের অধিকাংশই প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে শূন্য হয়ে যাবে। আর এখনই ২৮৫টি অধ্যক্ষ ও প্রায় সমান সংখ্যক উপাধ্যক্ষ পদে আপনারাই নিয়োগ পাচ্ছেন। যাঁরা আত্তীকরণ হচ্ছে তারা আপনাদের ক্যাডারে আত্তীকৃত আর আপনারা তাঁদের পদে আত্তীকৃত। তাই পরশ্রীকাতর না হয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকরী ভূমিকা পালন করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।

সকল পক্ষেরই মনে রাখা উচিত যে, দেশে এই প্রথম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হচ্ছে না এর আগেও হয়েছে। পূর্বে যেভাবে জাতীয়করণ হয়েছে এখনও সেভাবেই জাতীয়করণ হবে।

আসুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা ও  ভরসা রাখি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোনভাবেই সাধারণ শিক্ষক সমাজকে বঞ্চিত করবেন না কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই ২৮৫টি কলেজ সরকারিকরণের ঐতিহাসিক ও সাহসিকতাপূণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ  ঐতিহাসিক ও সাহসিকতাপূণ সিদ্ধান্তের জন্য বাংগালি জাতি চির কৃতজ্ঞ।

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে যে, Justice delay justice denied. তাই অনতিবিলম্বে প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

জহুরুল ইসলাম: মধুপুর, টাংগাইল।

[মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন]

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৪৯টি

  1. মোঃ বাবুল গাজী সহকারি শিক্ষক(গণিত), গলাচিপা ,পটুযাখালী। says:

    ধন্যবাদ

  2. Md.Abdul Jabbar. says:

    Thanks to Sir.We want to a Cadre.

  3. হুমায়ুন কবির says:

    শিক্ষার সামগ্রিক উন্নতির স্বার্থে এ মুহূর্তে দেশের বেসরকারি শিক্ষাকে জাতীয়করণের কোনোই বিকল্প নেই।

  4. দুলাল িশকদার says:

    বিসিএস পরীক্ষা ছাড়া ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন দেখা বাড়াবাড়ি নয় কি?

  5. Mr.masud rana says:

    Which Law support BCS Education Cadre please write to people’s Of Bangali nation

  6. কাসেদ মিঞা says:

    কলেজ এখন মোড়ে মোড়ে তাছাড়া অধ্যাপোকগো আবার স্কেলও বড় লাগে সুতারাং উনাগো সরকারি করনের আদেশ গুলান একেবারে বাতিল করা হইলেই ভাল হয়।

  7. এম এ ইউসুফ লেকচারার , টগড়া কামিল মাদরাসা, ইন্দুরকানী, পিরোজপুর। 01710-541839 says:

    শুধু জাতীয়করণ চাই

  8. জাহাংগীর কবির. নাজিরপুর কলেজ, পিরোজপুর says:

    এত ব্যস্ত হইছেন কেন? অনেক উপজেলাতেই আপনাদের মত যোগ্য কলেজ আছে যারা বিশেষ কোন কারনে বাদ পড়েছে তাদের সাথে নিয়া নৌকায় উঠেন।

  9. M NAHIDUL ISLAM LECTURER(STATISTICS) B.D. COLLEGE, SYLHET says:

    khub sundor akta motamat, ja otibo joriri….many many thanks.

  10. M NAHIDUL ISLAM LECTURER(STATISTICS) B.D. COLLEGE, SYLHET says:

    khub sundor akta motamat, ja bortomane khub joruri….many many thanks.

  11. প্রভাষক রেজাউল করিম, রাজিবপুর ডিগ্রি কলেজ, কুড়িগ্রাম says:

    ২৮৫ কলেজ জাতীয়করন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখবেন আশা রাখি

  12. Md. Jahir Uddin says:

    ধন্যবাদ। এরূপ একটি নিরপেক্ষ ও সময় উপোযোগী লেখার জন্য।

  13. Md. Kamal Uddin, SC Degree college, chandpur. says:

    good , it is logical. to make delay to give general order is frustrating. It is creating manifold problems in that 285 colleges. So we hope we shall get G, O very soon.

  14. টি,আই,এম,কামরুল আলম মিএওা says:

    অন অতি বিলম্বে GO ঘোষনার দাবী জানচছি

  15. Md. Asaduzzaman. says:

    Honorable & Glorious Prime Minister Of Bangladesh gives the Govt. Order. Very quick PLZ.

  16. ALAK CHAKRABORTY. LECTURER & HEAD OF THE DEPARTMENT.SHAHJALAL COLLEGE. says:

    ২৮৫টি কলেজ সরকারিকরণের ঐতিহাসিক ও সাহসিকতাপূণ সিদ্ধান্তের জন্য মাননীয় প্রধানমণ্ত্রীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

  17. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, পরিসংখ্যান, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    আত্মীকরণ বিধিমালা 2000 শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই 2000 সালে প্রনয়ণ হয়েছিল। তিনি সকল পক্ষের সংগে আলোচনা করেই সেই বিধিমালা প্রনয়ন করেছিলেন। সুতরাং 2000 বিধিমালার বিরোধিতা করার অর্থই হলো শেখ হাসিনার বিরোধিতা করা এবং তাঁর দূরদর্শিতাকে চ্যালেঞ্জ করা। তাই সকলেরই উচিৎ 2000 বিধিমালা মেনে নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা যাতে করে দ্রুত সরকারীকরনের গেজেট প্রকাশিত হয়।

  18. ফারুক says:

    দ্রুত প্রতিষ্ঠান গুলোর জিও জারি করে অপেক্ষার পালা শেষ করা জরুরী বলে মনে করি । এতে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হবে।

  19. মুহাম্মাদ মজিবুর রহমান says:

    আর দেরি নয় ।

  20. Shykhul Islam. lecturer. Singair College. Manikgonj says:

    Thank You Sir.

  21. এম এ রহমান says:

    সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য কমবে।

  22. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, পরিসংখ্যান, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    জাতীয়করনের লক্ষ্যে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতিকে কে অনুমোদন দিয়েছিল জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। সেই কমিটির নেতৃস্থানীয় দশ জনের মধ্যে নয় জনই বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ। আত্মীকরণ বিধিমালা 2000 এর আলোকে অধ্যক্ষদের সার্থ আর সাধারণ শিক্ষকদের সার্থ এক নয়। সুতরাং
    সাধু সাবধান।

  23. মানিক চান কর,সহকারী অধ্যাপক,কটিয়াদি কলেজ,কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ। says:

    জহুরুল স্যারকে ধন্যবাদ চমৎকার লেখা উপস্থাপনের জন্য। আমার স্পষ্ট কথা – বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, জাতির জনকের রক্ত যার শরীরে বহমান তাঁর ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারি ঘোষনা কোন ভাবেই বৃথা হবেনা। আত্তীকরণ বিধি-২০০০ এর ভিত্তিতে( প্রয়োজনে ইতিবাচক সংযোজন-বিয়োজন করে) ২৮৫ টি কলেজ( সদ্য জাতীয়করণে চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত) আত্তীকৃত হবে এটা আমার বিশ্বাস। দৃঢ়চেতা ও বিচক্ষণ সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুব শীঘ্র GO’ র ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী মাইলফলক সৃষ্টি করবেন এই প্রত্যাশা করি।

  24. Md. Mahfuzur Rahaman says:

    vai jahurul apnar baktobber janno dhannobad . tobe shob netar nam thikana sposto kore likhle shikkhok shamajer kache cinneto hoe thakto . tara ke kotha theke eshe neta shejece sheta shokole jante parto . parobortite likhben asha kory .

  25. শাহিনুর আলম, প্রভাষক,ডিমলা মহিলা মহাবিদ্যালয়,নীলফামারী says:

    ধন্যবাদ,স্যার এরকম একটি পরিছন্ন বিবৃতি রচনা করার জন্য?

  26. Zakkaria showdagar,assistant professor, Begum Nurunnahar Tarkabagish Honours College ,Raigonj,Sirjgonj says:

    Many thanks for reasonable comments.

  27. শফিকুল ইসলাম । says:

    আপনি নিজের চিন্তা করেন সবার জন্য নয়।

  28. মো:সাইফুল ইসলাম,অধ্যক্ষ কোহিনৃর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ,তরগাও,কাপাসিয়া,গাজীপুর। says:

    বাংলাদেশের শিক্ষার মান উন্নত করতে,জাতীরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর সুনারবাংলা গড়তে,জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের সপ্ন বাস্তবায়ন করতে ২৮৫টি কলেজ সরকারী করন করলে চলবে না।এক যোগে সকল এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপতিষ্ঠান সরকারীকরন করতে হবে।

  29. রেজাউল says:

    ধন্যবাদ স্যার
    সুন্দর লেখনির জন্য

  30. mustak md zakaria sarker says:

    স্যারকে ধন্যবাদ।

  31. হারুন অর রশীদ সিদ্দিকী says:

    লিখাটি পড়ে মনে হল লেখক নিজেই একটি পক্ষ। তিনি সাধারণ শিক্ষকদের কথা বলেছেন। আবার জাতীয়করণের লক্ষে অনুমোদিত কলেজ শিক্ষক সমিতির অস্তিত্বকে ভুঁইফোড় বলে আক্ষায়িত করেছেন। অথচ আমরা সাধারণ শিক্ষকরা জানি জাকশিস সারা দেশে সরকারিকরণকৃত ও সরকারিকরণের প্রক্রিয়াধীন কলেজের সাধারণ শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জেলায় জেলায় সভা করে আত্তীকরণ বিধিমালার জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যা সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাকেই বাস্তবায়িত হওয়ার পক্ষে। সমিতির গঠনতন্ত্র আমাদের মাথা ব্যাথা না। আমাদের মাথা ব্যাথা আত্তীকৃত শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে কিনা? আরও একটি বিষয় লক্ষণীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ মহতী উদ্যোগকে সরকারের ভিতর- বাহিরের একটি চক্র অকার্যকর করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। সেটা আমরা সাধারণ শিক্ষকগণ সজাগ আছি। এখন অনেক কে দেখা যাবে শিক্ষকদের দরদি। আমরা পরামর্শ দেই নেতা হওয়ার লোভ যেন সাধারণ শিক্ষক ও সরকারকে বিব্রত না করে। ব্যাক্তির চেয়ে সমষ্টি অনেক বড়। অন্যকে দোষারোপ করে নেতা হওয়া যায় না। জাকশিস নীতিমালা সংক্রান্ত কাজটি অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছে। তাই বলি আমলাতন্ত্র নিজেই একটা জটিল প্রক্রিয়া তার উপর ঢোলের বারি বিসিএস সমিতি। কারো এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মতামত “আত্তীকরণ নীতিমালা ২০১৭” আরো বিলম্বিত না হয়।

  32. বিদ্যুৎ রায় says:

    মন্তব্যে আর কি বা লিখি, আমার চাচা আমাকে বলেছিলেন, “এই ছ্যামড়া, চাকুরী বাকরী পাইছির না মাষ্টেরীএরিস?” দেশ উন্নতি হয়েছে, কিন্তু তা বুঝার উপায় কি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের সব কিছুতে বঞ্চিত রাখা? যে স্তরে বাচ্চারা সব থেকে বেশি শেখে, সেই স্তরকে বঞ্চিত রেখে দেশ কখনও উন্নত হতে পারে না,

  33. মোঃমখলেসুর রহমান,প্রধান শিক্ষক,দুর্গাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়,কুমারখালী,কুষ্টিয়া । says:

    আমরা আশা করেছিলাম এই সরকার একদিন বে-সরকারী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন ঘোষনা করবেন।কিন্তু পরিতাপের বিষয় সরকার তা না করে কিছু সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় করনের ঘোষনা দিয়েছে।যে সকল প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের তালিকা ভুক্ত হয়েছে তারা আনন্দে আটখানা ,এরা মিষ্টি বিতরন থেকে শুরু করে দরগায় সিন্নি পর্যন্ত দিয়েছে। হায়রে দুনিয়া । যে আমরা বে-সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ককেরা বিভিন্ন দাবী আদায়ের ক্ষেত্রে একসাথে মাঠে ময়দানে থেকেছি,রাজপথে ঘুমিয়েছি,পুলিশের তাড়া খেয়েছি -আজ সেই আমাদের কিছু অংশ জাতীয় করনের নেশায় বুদ,কোন সভা অথবা মন্তব্যে কোথাও একবার ও তারা বলে নাই-জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ তার এই সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য-তবে আরো ভালো হত যদি তিনি সকল বে-সরকারী স্কুল-কলেজ জাতীয় করন করতেন।

  34. মুহামম্মদ নুরুল ইসলাম, সোনার চর উচ্চ বিদ্যালয় , মেঘনা, কুমিল্লা । says:

    জাতীয়করণ এখন সকলের দাবি ।

  35. George Herbert. Lecturer in English( Part time) says:

    তাহলে পড়াশোনা করে কেন বিসিএস পরিক্ষা দিব???? চুরি আর টাকা দিয়ে নিয়োগ নিব আর বিসিএস ক্যাডার হবো।।।।

  36. George Herbert. Lecturer in English( Part time) says:

    সরি ভুল জায়গায় ভুল পোষ্ট করেছি বলে।। কেউ কষ্ট পেলে মাফ করে দিবেন আত্তীকৃত ভাই ও বোনেরা।।।

  37. Md.Abdul Jabbar. says:

    জহুরুল স্যারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই ধরনের লেখার জন্য।
    বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি সারা দেশের ২৮৫টি কলেজকে জাতীয়করনের উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা আশা করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অতি দ্রুত সরকারি আদেশ জারি করবেন।
    A College Teachers must be a Cadre.No Cadre no College Teacher.

  38. মোহাম্মদ আবু সায়েম says:

    জহুরুল স্যারকে সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ স্যাররা যদি স্বপদে থাকতে পারেন তাহলে আমাদের সমস্যা কি?বরং আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।আমরা তাদের প্রতিপক্ষ হতে যাব কেন?অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ স্যারদেরও উচিৎ নয় স্বপদে বহাল থাকার জন্য সাধারণ শিক্ষকদের বলি দেয়া।আমি মনে করি এই সংকটে ঐক্যের বিকল্প নেই।

  39. মাহমুদুল মান্নান তারিফ says:

    বেসরকারির বে নামক বেমানান আর দেখতে চাইনা।

  40. asim chandra , patuakhali says:

    sundor lekhar jonno dhonnobad sir .

  41. rohan says:

    জহুরুল স্য়ার কারও প্রতিপক্ষ নয়। উনি সরকারি আদেশ চেয়ে অনুরোধ। করেছেন। যারা এক নৌকায় থাকতে চান তাদেরও সুযোগ আসবে ।ক্য়াডার নিয়ে যারা গোস্বা করছেন তারা শপথ নিন ক্য়াডার ছাড়া আত্নীয় করবেন না। সমাজকে ভালভাবে চলতে দিন। মনে রাখবেন সবাই মাস্টর।

  42. শেখ মিজানুর রহমান, পাবনা। says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার ঘোষণা ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না। তার কারণ তিনি ঘোষণায় উল্লেখ করেছিলেন যে, সরকারি স্কুল ও কলেজ বিহীন উপজেলা সদরে একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতিয়করণ করা হবে । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এক শ্রেণীর নিচু মনের কিছু অমানুষ, বাটপার, ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ , সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত যারা কিনা অর্থের বিনিময়ে নিজের মান সম্মান বিক্রি করে , এ জাতিকে কলংকিত করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে পায়ে পৃষ্ট করে, সমাজের সুপতিষ্ঠিত লোকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ এনে সদরের বাহিরে মফস্বলে নিম্নমানের কিছু নতুন ও নন এমপিও কলেজকে জাতিয়করণের সুপারিশ করে ইতিমধ্যে উপজেলা সদরের 0 কি.মিটারে অবস্থিত কয়েকটি পুরাতন ও নামি কলেজেকে বাদ দেয়া হয়েছে । এতেকি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়নি ? জাতির কাছে প্রশ্ন রইল । শুনেছি ঘুমন্ত মানুষেকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলা যায় , কিন্তু জাগ্রত মানুষকে কখনও ঘুম থেকে উঠানো যায়না । এগুলো দেখার কি কেউ আছে বলে আমার মনে হচ্ছে না। বর্তমান সরকার কি চোখ থাকিতেও অন্ধ নাকি ? এদেশ আজ কলংকমুক্ত হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় কার্যকর হওয়াতে এটি প্রথমত ভালো উদ্যোগ বলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কিন্তু একজন নিরীহ নিরপরাধ মানুষের নামে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করা হচ্ছে এবং অভিযোগকারির আনিত মিথ্যা অভিযোগের কোনও বিচার হচ্ছে না বরং তাকে বাঁচানোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছে । এ কেমন দেশরে বাবা ?জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কি এইগুলা শিখিয়ে গেছেন এ জাতিকে ? শেখের বেটিতো এমন না , তিনি অত্যন্ত জ্ঞানী মানুষ হিসেবে এদেশ নিজ হাতে পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে যাচ্ছেন , তবে তাঁরই ঘোষণার কেন এত অনিয়ম। শেখ বংশে জন্ম নিয়ে আমারাও কি এই শিক্ষাই নিবো ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ জাতিয়করণের তালিকায় থাকা উপজেলা সদরের কলেজের নাম যে কারনেই বাদ দেয়া হয়েছে তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে উপজেলা সদরের কলেজকে পূণরায় অন্তর্ভূত করা হউক এবং আপনার ঘোষণা ও নীতিমালা অনুযায়ী স্কুল ও কলেজ জাতিয়করণ করা হউক । তাহলে আর জাতিয়করণ নিয়ে কেউ আদালতের দ্বারস্থ হতে যাবে না এবং সাধারণ জনগনের পরবর্তী রায় আপনার বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না ।

  43. মুহাম্মাদ মজিবুর রহমান says:

    R deri noi,

  44. মহিউদ্দিন, হাজারীহাট আলিম মাদরাসা, চরহাজারী, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী। says:

    ৯০% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ, অনেক পীর আওলিয়ার দেশ বাংলাদেশ। এ দেশে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান মাদরাসা গুলো জাতীয় করণ করার দরকার। এতে সরকারের ভাবমুর্তি আরো উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বল হবে। আশা করি জনগণের সরকার স্কুল, কলেজের পাশাপাশি মাদরাসাগুলোকেও জাতীয় করণ করবে।

  45. শেখ মিজানুর রহমান, পাবনা। says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে স্বাগত জানাই এবং সঠিক বাস্তবায়ন করার জন্য আহ্বান জানাই ।

  46. মো. নজরুল ইসলাম খান বুলু, বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর। says:

    আত্মীকরণ বিধিমালা 2000 শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই 2000 সালে প্রনয়ণ হয়েছিল। তিনি সকল পক্ষের সংগে আলোচনা করেই সেই বিধিমালা প্রনয়ন করেছিলেন। সুতরাং 2000 বিধিমালার বিরোধিতা করার অর্থই হলো শেখ হাসিনার বিরোধিতা করা এবং তাঁর দূরদর্শিতাকে চ্যালেঞ্জ করা। তাই সকলেরই উচিৎ 2000 বিধিমালা মেনে নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা যাতে করে দ্রুত সরকারীকরনের গেজেট প্রকাশিত হয়।

  47. মো. নজরুল ইসলাম খান বুলু, বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর। says:

    ধন্যবাদ

  48. Jakir Hossain says:

    সব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ চাই।

আপনার মন্তব্য দিন