জাতীয়করণ হওয়া কলেজ ও হাইস্কুল নিয়ে জনবল আত্তীকরণে তালগোল - কলেজ - দৈনিকশিক্ষা

শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাফিলতিতে জমেছে ফাইলের স্তূপজাতীয়করণ হওয়া কলেজ ও হাইস্কুল নিয়ে জনবল আত্তীকরণে তালগোল

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

জাতীয়করণ হওয়া ৩০২টি কলেজ ও একশ’ হাইস্কুলের জনবল আত্মীকরণে তালগোল পাকিয়ে ফেলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের নামে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিরন্তর হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমেছে ফাইলের স্তুপ। আত্মীকৃত হওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন শিক্ষকরা। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সংবাদ পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন রাকিব উদ্দিন। 

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, এ নিয়ে নানা রকম অভিযোগও রয়েছে। জাতীয়করণ হওয়া কয়েকটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, নানা তুচ্ছ অজুহাতে বারবার কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করছেন। মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিষয়টি জেনেও এড়িয়ে যাচ্ছেন। এজন্য সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। ফলে জাতীয়করণের তিনবছর অতিবাহিত হলেও প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এখন পর্যন্ত সরকারি কোন আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন না।

এ সংকট নিরসনে সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতি (সকশিস) গত ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত আত্তীকরণ প্রক্রিয়া শেষ করার দাবি জানিয়েছেন। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এ অবস্থায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গত সোমবার মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের কাছে জাতীয়করণ হওয়া কলেজ শিক্ষকদের আত্তীকরণ অগ্রগতি মঙ্গলবার (গতকাল) সকাল সাড়ে ৮ টার মধ্যে অবহিত করার নির্দেশ দেন। গতকাল সকাল পৌনে ৯টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই মাউশিতে চলে যান।

এরপর সেখানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের কাছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আত্তীকরণ বিষয়ে খবর নেন। কড়া ভাষায় কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়। মাউশি কর্মকর্তারা এ সময় শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, জাতীয়করণের কাজটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। হুটহাট করে সম্পন্ন করা যাবে না। তাছাড়া এ সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে বলেও মাউশি কর্মকর্তারা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদি। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে সরকারি হওয়ায় কাজের চাপ বেড়েছে। এরপরও কাজগুলো যাতে দ্রুত শেষ হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় জনবল দেয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব কাজগুলো শেষ করা হবে।

মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মাউশির একাধিক কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ‘আমরা জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের আত্মীকৃত করার যাবতীয় নথিপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সব নথিই স্তূপ আকারে পরে রয়েছে। কর্মকর্তারা বিদেশ ভ্রমণে ব্যাস্ত। কাজ হচ্ছে না। আমাদের কী করার রয়েছে?’

সভায় উপস্থিত ছিলেন অপর এক কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ‘মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, ৩০২টি কলেজের মধ্যে ২২১টি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরি আত্মীকৃত করার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে আপাতত আর কোন কলেজের তালিকা না পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজন্য কাজ এগুচ্ছে না। আর তিনশ’ কলেজের জন্য প্রায় সাড়ে ১২ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা। এই পদ সৃষ্টি না হওয়ায় জাতীয়করণ হওয়া কলেজের শিক্ষকরা যোগদান করতে পারছেন না। এটি না হওয়ায় শিক্ষকরা সরকারি বেতন-ভাতাও পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আজ ফের মাউশিতে আসার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রী সরকারি কলেজ ও হাইস্কুল নেই- দেশের এমন সব উপজেলায় উপজেলায় একটি কলেজ এবং একটি মাধ্যমিক জাতীয়করণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর আলোকেই গত তিন বছরে ৩০২টি কলেজ ও প্রায় তিনশ’ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ১৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী আছেন।

এই সময়ে সরকারি হওয়া প্রায় পৌনে ২শ’ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে একটি কলেজেরও আত্তীকরণ প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। কলেজের শিক্ষকদের আত্তীকরণের জন্য গত তিনবছর দুই মাস ধরে শুধু নথিপত্র যাচাই করছেন মাউশি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এর ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় আত্মীকরণের জন্য জমা হওয়া ফাইলের স্তূপ জমেছে। আত্তীকরণের ঢিলেমির কারণে মাউশি কর্মকর্তারাও শিক্ষকদের চাপের মুখে রয়েছেন।

সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতির (সকশিস) সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রণালয় ও মাউশির কিছু কর্মকর্তার গাফিলতি ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সরকারিকরণের সুযোগ-সুবিধা থেকে শিক্ষক-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা বঞ্চিত হচ্ছেন। কলেজ সরকারি হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩ বছর ২ মাস পার হয়েছে। তবুও কাজটি শেষ হয়নি। এই সময়ের মধ্যে প্রায় তিন হাজার শিক্ষক কর্মচারী সরকারিকরণের সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে অবসরে গেছেন। দ্রুত এই কাজ শেষ না করলে কোন সুবিধা না পেয়ে আরও কয়েক হাজার শিক্ষক অবসরে যাবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবীর চৌধুরী সংবাদকে বলেন, ‘সরকারি হওয়া কলেজগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের নথিগুলোতে নানা ঝামেলা রয়েছে। কেউ কেউ অসম্পূর্ণ কাগজপত্র জমা দিয়েছে। নথিগুলো ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে একটু সময় লাগছে। আমরাও কাজ করছি; মন্ত্রণালয়ও দ্রুত কাজ করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বরাবর সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতির চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে বেসরকারি কোন কলেজকে সরকারি করা হবে তা নির্বাচন করা হয়। একই বছরের ২৮ আগস্ট সরকারি হওয়া কলেজগুলোর নিয়োগ ও অর্থ ব্যয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। এরপর সরকারিকরণের জন্য নির্বাচিত বেসরকারি কলেজগুলোতে মাউশির প্রতিনিধি হিসেবে ৮টি আঞ্চলিক অফিসের পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সহকারি পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন টিম সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন প্রতিবেদন মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেন। এখন সেই পরিদর্শন প্রতিবেদনকে বিবেচনায় আনা হচ্ছে না। ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ২০ এপ্রিল সরকারি হওয়া কলেজগুলোতে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সরকারের নামে হস্তান্তরের জন্য আদেশ জারি করা হয়।

নতুন সরকারি হওয়া কলেজগুলোর শিক্ষকদের যাতে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের মর্যাদা দেয়া না হয় সেজন্য ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে ‘নো বিসিএস নো ক্যাডার’ শিরোনামে আন্দোলনে নামেন সরকারি কলেজগুলোর শিক্ষকরা। একপর্যায়ে এই দাবিতে ওই বছরের ডিসেম্বরে বিসিএস শিক্ষা সমিতির পক্ষ্য থেকে আদালতে রিট করা হয়। আন্দোলন ও রিটের কারণে ২ বছর ২ মাস ১৪ দিন দেরি করে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ জুলাই নতুন সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা-১৮ জারি করা হয়। বিধিতে বলা হয়, নতুন সরকারি হওয়া কলেজ শিক্ষকরা নন-ক্যাডার মর্যাদা পাবেন। আগের বিধিতে ক্যাডার মর্যাদা দেয়া হতো। এরপরে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ১২ আগস্ট প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের জিও (সরকারি আদেশ) জারি করা হয়।

পরবর্তীতে ৩ সেপ্টেম্বর সদ্য সরকারি হওয়া কলেজগুলোতে সমন্বিত পদ সৃষ্টির জন্য মাউশিকে আদেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা জেলার সদ্য সরকারি হওয়া ৪টি কলেজের তথ্য নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজও শুরু হয়। পরবর্তীতে সমন্বিত পদ সৃষ্টির কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। সরকারি হওয়া কলেজের প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদ সৃজনের জন্য প্রথমে ২০টি কলেজ ও পরবর্তীতে তিন ধাপে ২৭৯টি কলেজ থেকে তথ্য ছক ও কর্মরতদের ব্যক্তিগত ফাইল তলব করা হয়। সেই তথ্য ছক ও কর্মরতদের ব্যক্তিগত ফাইল অনুসারে কার্যক্রম পরিচালনা না করে মাউশি ফের ২৯৯টি কলেজের সব মূল কাগজপত্র যাচাই শুরু করে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওইসব কলেজের কাগজপত্র যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফাইলের মধ্যে সব কাগজ ও নথিপত্র থাকার পরও নরসিংদীর পলাশ শিল্পাঞ্চল কলেজ কর্তৃপক্ষকে কয়েকদিন আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, কলেজ অধিভুক্তির কাগজ জমা দেয়া হয়নি। এই কাগজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ কাগজ নিয়ে যেদিন ঢাকায় আসবে তার আগের দিন ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাদের বলা হয়, অধিভুক্ত কলেজের কাগজ পাওয়া গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসতে হবে না।

এদিকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন কলেজ জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারি হয় ২০১৬ সালে। ওই বছরই কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের নথিপত্র নিয়ে আসেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) কর্মকর্তারা। তিনবছর পর গত সেপ্টেম্বরে ফের নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে মাউশিতে ডেকে আনা হয়।

মাদরাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিওর চেক ছাড় - dainik shiksha মাদরাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুনের এমপিওর চেক ছাড় - dainik shiksha স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুনের এমপিওর চেক ছাড় শিক্ষার্থীর সংখ্যার ভিত্তিতে স্কুলের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর - dainik shiksha শিক্ষার্থীর সংখ্যার ভিত্তিতে স্কুলের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে বন্যা দুর্গত এলাকায় স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে বন্যা দুর্গত এলাকায় স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার নির্দেশ তিন শিক্ষকের ডাবল এমপিও : দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর অধ্যক্ষকে শোকজ - dainik shiksha তিন শিক্ষকের ডাবল এমপিও : দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর অধ্যক্ষকে শোকজ দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর : তথ্য গোপন করে নেয়া অনুদানের টাকা ফেরত - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর : তথ্য গোপন করে নেয়া অনুদানের টাকা ফেরত জটিলতার দ্রুত সমাধান চান এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকরা - dainik shiksha জটিলতার দ্রুত সমাধান চান এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকরা প্রভাষকের বিরুদ্ধে ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ - dainik shiksha প্রভাষকের বিরুদ্ধে ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে লেখা আহ্বান - dainik shiksha শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে লেখা আহ্বান বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক - dainik shiksha বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে - dainik shiksha শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website