নিয়োগের দাবিতে এনটিআরসিএর সামনে বিক্ষোভ - চাকরির খবর - Dainikshiksha

নিয়োগের দাবিতে এনটিআরসিএর সামনে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নিয়োগ বঞ্চিতরা নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এনটিআরসিএ কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। ছয় মাসের ডিপ্লোমাধারী আইসিটি বিষয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীরা এ সময় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে পুলিশ তাদের রাস্তা ছেড়ে সরে দাড়াতে বললে কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।

নিয়োগ বঞ্চিতদের দাবি, ৬ মাসের ডিপ্লোমায় আইসিটি বিষয়ে সরকারী শিক্ষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য আবেদন করেছিলেন তারা। সেই প্রেক্ষিতেই সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। পেয়েছিলেন সুপারিশ পত্র। কিন্তু এরপর হঠাৎ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনটিআরসিএ সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান করাতে বলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। গত ১২ জুন জারি হওয়া এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুসারে সুপারিশপ্রাপ্তদের শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে বলা হয়েছিল। তাই, ৬ মাসের ডিপ্লোমায় আইসিটি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক ও প্রভাষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন। মানববন্ধনে নিয়োগ পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা।

এদিকে, নিয়োগের দাবিতে ৬ মাসের ডিপ্লোমায় সুপারিশপ্রাপ্তদের একটি প্রতিনিধি দল এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেনের সাথে দেখা করেছেন। নিয়োগ বঞ্চিতদের সাথে আলোচনা করেছেন চেয়ারম্যান। আলোচনা শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত নিয়োগ বঞ্চিতদের প্রতিনিধি দলের নেতা ওসমান গণি দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, চেয়ারম্যান স্যার বলেছেন নীতিমালা মন্ত্রণালয় করেছে, সে প্রেক্ষিতে তাদের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, নিয়োগের সুপারিশ পত্র পেয়েও আমরা নিয়োগ পাইনি। এ কারণে আমরা হতাশ। আমরা সরকারে উচ্চ মহলে আমাদের দাবি মেনে নেয়ার আবেদন জানাচ্ছি।    

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা - dainik shiksha প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা - dainik shiksha কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website