please click here to view dainikshiksha website

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম ও সহকারিদের ১১ গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | জানুয়ারি ১২, ২০১৮ - ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম ও সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নসহ পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সমগ্র চাকুরীকালের আহরিত টাইম স্কেল গণনা করে বেতন নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। আজ  শুক্রবার সকালে ঢাকার তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ দাবি জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবিতে ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সমগ্র চাকুরীকালের আহরিত টাইমস্কেল গণনা করে বেতন নির্ধারণের দাবিতে মহামান্য হাইকোর্টে দুটো রীট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড নিয়েও রীট পিটিশন করার প্রস্তুতি চলছে। নেতৃবৃন্দ শিক্ষকদের এ সকল দাবি বাস্তবায়নে আইনী লড়াইয়ের পাশাপাশি গঠনমূলক আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. গাজীউল হক চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র সহ সভাপতি সুব্রত রায়, মীর হাবিবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী, সাহিত্য সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, আইসিটি সম্পাদক মো. ফজলুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক সাইদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ মহল, হেলাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন ভূইয়া, বীরসেন চাকমা, মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান প্রমুখ।

সভার শুরুতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস শাহিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩২টি

  1. মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক, ভায়াট সতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা তাড়াশ,সিরাজ গন্জ। says:

    যা পাচ্ছেন, পেয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। অন্যদের দাবী আদায়ের সুযোগ তো দিন,,,,

  2. মোঃ রওশন আহমদ, সহকারী মৌলভী, নওমৌজা জগৎপুর দাখিল মাদরাসা, মৌলভীবাজার সদর । says:

    তাহলে যারা মাধ্যমিক স্কুল বা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং 11 তম বেতন গ্রেডে চাকরি করছেন তারা কোন গ্রেডে বেতন পাবেন ? প্রাইমারি ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের তো এক কাতারে রাখা যাবেনা । বর্তমানে একজন প্রাইমারি শিক্ষক সর্বনিম্ন বেতন ভাতা পান প্রায় 22 থেকে 25 হাজার টাকার মত কিন্তু একজন মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষক সর্ব উচ্চ বেতন ভাতা পান 13250 টাকা মাত্র । এখন জ্ঞানী মানুষেরা এর বিচার কী করবেন ? এটা কী বৈষম্য নয় ?

  3. মোঃ দিদারুল আলম চৌধুরী,চট্টগ্রাম says:

    প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল গণণার কথা লিখা হলো,সহকারও শিক্ষকের টাইম স্কেল গণণা করার কথা উল্লেখ করা হলো না কেন? এরা শিক্ষক না পশু।

  4. রিয়া রানি says:

    ssc পাশ করা মাষ্টার, আবার ১০ম গ্রেড।
    হা,,, হা,,,, হা,,,,,

  5. রতন says:

    বসে থেকে ssc,hsc পাশ সার্কুলার এ ঢুকে এখন আবার ১১ গ্রেড।
    গরিবের টাকা মেরে ওদের দিতে হবে,
    মজা,মজা,মজা।।।।

    • জাফর ইকবাল says:

      যারা না জেনে মন্তব্য করেন তাদের চুপ থাকতে বলি, কারন আপনারা যারা মাধ্যমিক স্কুলের চাকরি জাতীয়করন চান তারা একটু চিন্তা করে দেখুন চাকরিটা কিভাবে নিয়েছিলেন আর সরকারি প্রাইমারির স্কুলের শিক্ষকরা তিব্র প্রতিযোগিতামুলক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের যোগ্যতার প্রমান রেখেছে, সুতরাং এমপিও ভুক্ত স্কুলের সাথে সরকারি প্রাইমারির স্কুলের তুলনা করা বোকামী ছাড়া কিছুই না।

  6. রবিউল ইসলাম,(রতন)বি,এসসি, চর সারিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়।জামালপুর। says:

    ভরা পেটে ভাত।

  7. Bidhan sarker says:

    মামা বাড়ির আবদার । এস.এস.সি ,এইচ.এস.সি দিয়ে ১১ grade বেতন নিবেন । চাকুরী ছেরে দিন । অনেক Honours,Masters পাস করা ছেলে মেয়ে দেশে আছে । তারা present salary তেই চাকুরী করবে। বাড়ির পাশে চাকুরী করা । কত বেতন লাগে ।

  8. পল্লব গোস্বামী says:

    না জেনে কোনো মন্তব্য করার জন্য আমি বিনীত ভাবে সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রাইমারি স্কুলে এখন আর এস এস সি পাস কোনো প্রধান শিক্ষক বা সহকারি শিক্ষক নেই। অধিকাংশই স্নাতকোত্তর, হাতে গোনা কয়েকজন স্নাতক। অনেকেই হাইস্কুল/কলেজের নিবন্ধন পরিক্ষায় উত্তীন্ন হয়েও শুধুমাত্র সরকারি চাকুরীর কারনে প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক হিসাবে যোগদান করে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি মহান এ ব্রত বেছে নিয়েছেন। ছোট ছোট এই সব শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মাধ্যমে তারা দেশের আদর্শ নাগরিক গড়ে তুলেছে। লক্ষ্য করুন অন্যান্য পাবলিক পরিক্ষার তুলনায় পি ই সি ই পরিক্ষার পাসের হার সব চেয়ে বেশি। এ থেকেই বুঝতে পারা যায় তারা কত আন্তরিক ভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান করান। বর্তমানে দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতির কারনে এই শিক্ষকেরা তাদের বেতনগ্রেডের উন্নয়ন চাচ্ছেন। এতে সমস্যা কোথায়? প্রতিটি ডিপার্টমেণ্টেই ডিপ্লোমা ধারিদের বেতনগ্রেড উন্নত হয়েছে। যেমন- কৃষি বিভাগের বি এস, হাসপাতালের নার্স, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি। প্রত্যেক প্রাইমারি শিক্ষক শিক্ষার উপর ডিপ্লোমা ডিগ্রীলাভ করেছেন। তাহলে তারাই বা কেন এই বৈষম্য এর শিকার হবেন? আমি মনে করি, শিক্ষকদের এই দাবি যৌক্তিক। প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হোক।

  9. Rafique ullah says:

    অন্যান্য দেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কলেজ লেবেলের শিক্ষকদের সমান বাংলাদেশে তার বিপরীত! আর এখন আর এস এস সি পাসধারী নাই।সবারই যোগ্যতা অনার্স মাস্টার্স ।তাই 10 & 11 ই দরকার ।

  10. তাপস সরকার says:

    হাই সকুল েবসরকাৱী এৱা েকন সরকাৱী হতে চায়, চুপ আর কোন কথা নয় বেশী বললে আপমান হবে?

  11. M.Salim Reza says:

    প্রাথমিক শিক্ষকদের এস.এস.সি পাশ বলা হাস্যকর ব্যাপার! মান্ধাত্বা আমলের কথা বাদ দেন ভাই। এখন প্রায় সবাই অনার্স – মাস্টার্স ডিগ্রীধারী।

  12. আব্দুল বারি says:

    বৈষম্য চাই, না সমতা চাই ?

  13. তাপস সরকার says:

    হাই সকুল েবসরকাৱীএরা অনেকে িহংসা করে এদেৱ ভাতা বাৱষিক বৃদিধ দেওয়া হবে না?

  14. শেমল says:

    না জেনে না বুঝে অহেতুক প্রাথমিক শিক্ষকদের সম্পকে্ মন্তব্য । অাপনি অাপনার মতো করে ভাবলে ভুল হতে পারে, তাই না ??????? অাপনর ভাবনার ধারন ক্ষমতা অারো অরজন করা দরকার!!!!

  15. শ্যামল চন্দ্র says:

    না জেনে না বুঝে অহেতুক প্রাথমিক শিক্ষকদের সম্পকে্ মন্তব্য । অাপনি অাপনার মতো করে ভাবলে ভুল হতে পারে, তাই না ??????? অাপনর ভাবনার ধারন ক্ষমতা অারো অরজন করা দরকার!!!!

  16. মো: রবিউল আলম,সহকারি শিক্ষক, কাদিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়,পীরগঞ্জ, রংপুর। says:

    যেকোনো ব্যাপারে শিক্ষকদের নিয়ে কুটুক্তি করা এখন প্রায় সকলের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।একজন শিক্ষক শিক্ষকই, হোক তিনি প্রাইমারি,হাইস্কুল,কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। শিক্ষককে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে সম্মানজনক বেতন দিয়ে সম্মানিত করা উচিত সমাজ ,দেশ তথা রাষ্ট্রের। এতে দেশ হবে উন্নত আর জাতি হিসেবে বাঙ্গালী হবে সম্মানিত।

  17. শামসুল হক says:

    লালন কি পাস ??????????

  18. মোঃ মুকুল হোসেন, সহকারী শিক্ষক, তারাগণ্জ, রংপুর। says:

    এসএসসি/এইচএসসি পাশ করা শিক্ষক তার আবার ১১গ্রেড চাওয়াটা যাদের কাছে বেমানান মনে হচ্ছে তারা কী কখনো ভেবে দেখেছেন যে, যারা আজকে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজে শিক্ষকতা করছেন তারা কিন্তু ঐ SSC/HSC পাশ করা সার্কুলার অর্থাৎ প্রাইমারির শিক্ষক পদে কত বার চেষ্টা করেছন? উপায়ান্তর না পেয়ে কিভাবে ঐ বিদ্যালয় বা কলেজে ঢুকেছেন তা সবার জানা। তাহলে এবার বিচার করেন তো যোগ্যতার দিক দিয়ে কারা উপরে?

  19. Misbahul says:

    Dear Riya Rani, You are absolutely wrong. Primary teachers are more educated than the high school teachers. I know so many highschool and college teachers around me those seems to be readmitted into primary school. Have you any idea what you say. Primary teachers are now reqruited through a competitive job exam not locally apointed by bribe money.

  20. Badsha says:

    প্রাইমারী মাস্টার (পুরুষ) সব’নিম্ন joggata স্নাতক পাস; ssc keu nai.

  21. Masum says:

    Government should honour as second class officers all primary school Teachers

  22. Masum says:

    Government should implement as soon as possible second class honour All primary school teacher’s

  23. বরুণ সরকার says:

    প্রত্যেকের বাড়িতে নিজের বা ভাই বনের ছোট ছেলে- মেয়ে আছে।তাদেরকে অ,আ—ক,খ–া ি,ী—-A/a,B/b—১/1,২/2 শিখাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। আর সর্বনিম্ন ৩০ জন ৫+ বাচ্চদের এক সংগে শেখাতে কী লাগে জানেন কেউ? প্রাইমারি শিক্ষকরা সব শেখায় ইাইস্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়।কিন্তু সেখানে Student ফেল করে কী ভাবে, সবার কাছে প্রশ্ন আমার। সেখানেতো বড় বড় ডিগ্রীধারি,BCS ক্যডার,Teacherরা আছেন, শেখানো Student কে,শেখাতে পারেনা কেন? তাই জনে শুনে মন্তব্য না করাটাই ভাল।

  24. পলাশ says:

    এখন সব চাকুরীর ক্ষেত্রেই প্রতিযোগীতা। প্রাইমারীতে দেখা যায় ১টা কোঠার বিপরীতে ১০ হাজার আর মাধ্যমিকে ১ টার বিপরীতে ১০ জন। এটাই হলো পার্থাক্য।

  25. Noor says:

    সম্মানীত শিক্ষক বৃন্দ, সরকার যদি বলে পরীক্ষা নিয়ে সুযোগ সুবিধাগুলো দেয়া হবে, তাহলে কারা কারা রাজি আছেন।

  26. Noor says:

    যদি সরকার বলে, সবার দাবি মেনে নেয়া হবে তবে পরীক্ষা দিতে। তবে কে কে রাজী আছেন।

  27. মোঃ দিদারুল আলম চৌধুরী,চট্টগ্রাম says:

    সহকারি ও প্রধান শিক্ষক, পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সকলেরই টাইম স্কেল গণণা করার কথা উল্লেখ করা দরকার ছিল তোতা সাহেব।আপনাদের প্রতারণার কারণে আজ সহকারি শিক্ষক সমিতি গঠিত হয়েছে।আজ প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্য এত সংগঠন সৃষ্টি হওয়ার পেছনে আপনারই দায়ী।মূখে এক কথা বলেন,কাজে আরেক।আপনাদেরকে চেনার বাকী আর কিছুই নেই।অধ্যাপক আবুল কালাম আযাদ থাকাকালীন সময়ের কিছু সম্পদ থাকায় আপনাদের সংগঠনের নাম এখনও আছে,নচেৎ আপনাদের সংগঠনের নাম এদেশের রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের মত হতো,এও হওয়ার বাকী নেই।আপনারা বক্তব্য ও কথা বলার সময় ফাঁক রেখে কথা বলেন কেন? সহকারি শিক্ষকদের জন্য আপনাদের সংগঠন দ্বারা কোন উপকার হয়নি,বরং ক্ষতি করেছেন অনেক।আর ক্ষতি করার চেষ্টা করবেন না।

আপনার মন্তব্য দিন