প্রভোস্টরা ক্যাম্পাসে না থাকায় কুয়েটে বেপরোয়া ছাত্রলীগ - বিশ্ববিদ্যালয় - দৈনিকশিক্ষা

প্রভোস্টরা ক্যাম্পাসে না থাকায় কুয়েটে বেপরোয়া ছাত্রলীগ

বরিশাল প্রতিনিধি |

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিভিন্ন হলে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হলের প্রভোস্টরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন না। থাকেন না ছাত্র কল্যাণ পরিচালকও। এর সুবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিবির সন্দেহে গণপিটুনি, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ করেই যাচ্ছেন তারা। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টের কাজ ২৪ ঘণ্টা হলের দেখভাল করা। আর আবাসিক শিক্ষকদের কাজ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে হলে অবস্থানের সার্বিক তদারকি। আর ছাত্র কল্যাণের পরিচালকের কাজ হচ্ছে ছাত্রদের যাবতীয় বিষয়ে দেখভাল করা। কিন্তু তারা কেউ-ই রাতযাপন করেন না ক্যাম্পাসে। আর এই সুযোগে-ই হলে হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  

কুয়েট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি অনুষদের অধীনে ২০ টি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মোট পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থী থাকেন হলে। 

কুয়েটে ছেলেদের জন্য ৬টি এবং মেয়েদের জন্য একটি মিলিয়ে মোট ৭টি আবাসিক হল রয়েছে। কিন্তু নিয়ম থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলের প্রভোস্টরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন না। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বেপরোয়া আচরণ করলেও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিবৃত্ত করারও কেউ থাকে না। আর এ সুযোগে বেড়েই চলেছে এ হীন কাজ।

কুয়েটের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, অমর একুশে হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুল মতিন, ড. এম এ রশীদ হলের প্রভোস্ট ড. সজল কুমার অধিকারী, লালন শাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুল্লাহ ইলিয়াস আখতার, খান জাহান আলী হলের প্রভস্টে ড. মো. জহির উদ্দীন, ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট ড. মো. হাবিবুর রহমান ও রোকেয়া হলের প্রভোস্টের দায়িত্বে রয়েছেন ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। তবে তারা কেউ-ই ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন না বলে জানিয়েছে হলের একাধিক সূত্র।  

অভিযোগ রয়েছে, কুয়েট ছাত্রলীগের একাধিক নেতার পরোক্ষ মদদে ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসা চলছে। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ তাদের চিহ্নিত করতে পারছে না। রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি খাটিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। ফলে মাদকমুক্ত হচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। উল্টো সাধারণ শিক্ষার্থীরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, রাতে কুয়েটে মাদক বিকিকিনির ঘটনা ওপেন সিক্রেটের মতো। কুয়েটে পুলিশ টহল দিতে পারে না আর এ সুযোগকে কাজে লাগায় এক শ্রেণির মাদক ব্যবসায়ী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ রশিদ হল, খান জাহান আলী, ফজলুল হক, অমর একুশে হল ও বঙ্গবন্ধু হলে মাদক সেবন চলে প্রকাশ্যে। সন্ধ্যার পর এ হলগুলোতে গেলে গাঁজার গন্ধ ভাসতে থাকে। 

তারা বলেন, হলের প্রভোস্টরা ক্যাম্পাসে থাকেন না। তাই তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। আর এ সুযোগকে কাজে লাগায় মাদকসেবীরা। খুলনা শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশেই ফুলবাড়ীগেট এলাকায় কুয়েটের অবস্থান হওয়ায় পুলিশের নজরদারিও কম। যার কারণে মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে ছাত্রলীগ।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যখন আন্দোলন হচ্ছে তখন কুয়েটে ছাত্রলীগের ভয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদও করতে পারছে না। শিক্ষার্থীরা যদি কেউ তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুকে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু লিখছে সেখানে ছাত্রলীগের নেতারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিচ্ছে। তাই ভয়ে কেউ প্রতিবাদও করছে না। 

আর মাদকসেবীদের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় বলে জানান তারা। 

কুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পরও ক্যাম্পাসে প্রভোস্টসহ ছাত্র কল্যাণ পরিচালকের জন্য থাকার ব্যবস্থা নেই। এমনকি কেয়ারটেকারেরও থাকার জায়গা নেই। তাই সবাই ক্যাম্পাসের বাইরে থাকেন। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব ফরিদ আহম্মাদ স্বাক্ষরিত ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে খুলনার দুটি পাবলিক এবং দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ মাদক ব্যবসায়ীকে বেপরোয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই তালিকা অনুযায়ী, কুয়েটে মাদক বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে রয়েছে গিলেতলার দক্ষিণপাড়ার আবু হানিফের স্ত্রী শাবানা বেগম, একই এলাকার আজমত আলীর ছেলে নূরে আলম খান, গিলেতলা মীরপাড়ার রজব আলীর খাঁর ছেলে মো. জামাত খাঁ, ফুলবাড়ীগেটের বাদশা মিয়ার স্ত্রী বিলকিস, রংমিল গেটের ইউসুফ হায়দারের স্ত্রী রেখা, গাবতলার সৈয়দ মোশারেফের ছেলে সৈয়দ আশরাফুল, একই এলাকার বাবুল মীরের ছেলে টুকু মীর, মীরেরডাঙ্গার শেখ আবদুল জলিলের ছেলে শেখ মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ফুলতলা উপজেলার মশিয়ালী পূর্বপাড়া গ্রামের মো. ইসলাম শেখের ছেলে মো. রাজিব শেখ এবং একই গ্রামের নূরু শেখের ছেলে রাজু শেখ।

এ বিষয়ে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এই থানায় আসার পর ছাত্রলীগ শিবির সন্দেহে ৪-৫জনকে পুলিশে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 

তবে গত ৬ মাসে এ ধরনের কোনো ঘটনা কুয়েট ক্যাম্পাসে নেই। আর মাদকের বিষয়ে আমি বিভিন্ন সময়ে কুয়েট ভিসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি, আলোচনা করেছি-কীভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ভিসিকে কুয়েটের পকেট গেট বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেছি।

শুধু মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা-ই নয়, অভিযোগ রয়েছে- ছাত্রশিবির, ছাত্রদল, ছাত্রফ্রন্ট সন্দেহে কুয়েট ছাত্রলীগ একাধিকবার সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলা চালিয়েছে। শিবির সন্দেহে মারধোরও করেছে, দিয়েছে পুলিশে। 

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, কুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়াত হোসেন নয়নের সময় থেকে এসব অপকর্মের শুরু হয়। যা বর্তমান সভাপতি আবুল হাসান শোভন ও সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানও অব্যাহত রেখেছেন। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলেন, দিনকে দিন কুয়েট প্রশাসনের মদদপুষ্ট ছাত্রলীগ কুয়েটে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত একাধিক ছাত্রকে শিবির সন্দেহে হলে ডেকে নিয়ে রাতভর নির্যাতন চালিয়েছে। হকিস্টিক, স্ট্যাম্প, রড দিয়ে উপুর্যপুরি আঘাত করা হয় রাতভর। 

তারা বলেন, প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সামান্য সন্দেহের উপর ভিত্তি করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় হলের নির্দিষ্ট কক্ষে। সাধারণ ছাত্রদেরও কারণে অকারণে ‘শিবির’ বলে নানা হয়রানি করা হয়। প্রথম বর্ষের ছাত্রদের ভর্তির পর বিভিন্ন সময়ে র্যাগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রলীগের ছাত্র নামের গুণ্ডা-পাণ্ডারাই এগিয়ে। যদিও নির্যাতনের শিকার কেউ ছাত্রলীগের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। 

জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ মার্চ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শাহীন, রেজাউল ও মেহেদী নামের তিন ছাত্রকে ফেয়ারওয়েলের অনুষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে যান ছাত্রলীগের নেতারা। পরে ফজলুল হকের একটি কক্ষে আটকে রাতভর তাদের মারধর করা হয়। ২৫ মার্চ সকালে ‘শিবির নেতা’ পরিচয় দিয়ে তাদের খান জাহান আলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

ওই রাতে নির্যাতনের শিকার মোহাম্মদ শাহীন ও রেজাউল ইসলাম বলেন, আমরা বা আমাদের পরিবারের কেউ কোনোদিন রাজনীতি করেনি। মারধরের পর আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ কিছুই ফেরত পাইনি। সবচেয়ে বড় কষ্ট সেই মামলায় এখনও হাজিরা দিয়ে যেতে হচ্ছে।

এরপরের মাসেও চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর মারধর করে ছাত্রলীগের নেতারা। তবে ওই শিক্ষার্থী এখনও ক্যাম্পাসে অবস্থান করায় তার নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশ করা হলো না। এর আগে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪ জনকে বেদম মারপিট করে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে আল আমিন নামের এক শিক্ষার্থীর চোখ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

২৭ ফেব্রুয়ারি ২ জনকে একইভাবে নির্যাতন করে পুলিশে ধরিয়ে দেয় ছাত্রলীগ। একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, সন্দেহবশত মারধরের পর নিজেদের ‘জায়েজ’ করতে ছাত্রদের ওপর ‘জামাত-শিবির’ ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে সহজেই পুলিশ তাদের পুরাতন নাশকতা মামলায় আটক দেখিয়ে দেয়।

জানা যায়, কুয়েটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে মারধর করা হয় ২০১৭ সালের ১ মে। ওই রাতে বিভিন্ন হলের ২১ জন শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে বঙ্গবন্ধু হলের গেস্ট রুমে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জনকে ‘শিবির’ বলে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়।

যোগাযোগ করা হলে কুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবুল হাসান শোভন বলেন, মানুষ কেউই ভুল ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। কেউ কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িত আছে। পরীক্ষা খারাপ বা মানসিক দুশ্চিন্তায় মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন অনেকে। আমার নেতৃত্বে দুইবার মাত্র ৪জনকে শিবির সন্দেহে ধরা হয়েছে। আবার ছাড়াও হয়েছে ১৮ জনকে।

হলের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, শিবির সন্দেহে শিক্ষার্থীদের ধরতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন নিজেই হলগুলোতে অভিযান চালান। এরপর তাদের শাস্তি দেন। আর সাধারণ সম্পাদক সেজান শেরে বাংলা হল ও একুশে হলে গ্যাং তৈরি করে তাদের দিয়ে কেউ ফেসবুকে সমসাময়িক কোনো বিষয়ে স্ট্যাটাস দিলে সেখানে হুমকি দেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কেউ কোনো অপরাধ করলে কিংবা শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে প্রশাসন কিংবা পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতারা কে?  

এসব বিষয়ে ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার বলেন, আড়ালে হয় কি না আমার জানা নেই। তবে আমি মাদকের বিরুদ্ধে কুয়েটের বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স অবস্থানে রয়েছে। 

কোনো ছাত্রকে সন্দেহ হলে আইন নিজের হাতে না তুলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ বলেন, এখন ছুটির সময়। তাই প্রভোস্টরা সবাই বাড়ি গেছেন। অনেক শিক্ষার্থী ছুটি নিয়েও বাড়িতে চলে গেছে। সর্বোচ্চ মনে হয় ১০০ বা ১৫০ শিক্ষার্থী হলে আছে। পূজা শেষে আমাদের অফিস খুলবে রোববার। শনিবার রাত থেকে হয়তো রেগুলার হবে।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের বিভিন্ন সময়ের হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এবিষয়ে জানি না। আপনি এ বিষয়ে ছাত্র কল্যাণের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

মাদকের ব্যাপারে উপাচার্য ড. সাজ্জাদ বলেন, আমি প্রভোস্টদের ইনফর্ম করবো, যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

কোচিং সেন্টারে অভিযান: ২ শিক্ষকের সাজা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ - dainik shiksha কোচিং সেন্টারে অভিযান: ২ শিক্ষকের সাজা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মমিনুর রশিদকে বদলি - dainik shiksha শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মমিনুর রশিদকে বদলি অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার সেই সূচি সংশোধন, সস্তুষ্ট নয় শিক্ষার্থীরা - dainik shiksha অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার সেই সূচি সংশোধন, সস্তুষ্ট নয় শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শুরু ১০ মার্চ - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শুরু ১০ মার্চ এক কলেজে ২ সভাপতি ২ অধ্যক্ষ - dainik shiksha এক কলেজে ২ সভাপতি ২ অধ্যক্ষ এ প্লাস মাইনাস পাওয়া জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নয়: পরিকল্পনা মন্ত্রী - dainik shiksha এ প্লাস মাইনাস পাওয়া জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নয়: পরিকল্পনা মন্ত্রী ভুয়া বিএড সনদে আইডিয়াল স্কুলের ৮ শিক্ষকের চাকরি, রয়েল ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ - dainik shiksha ভুয়া বিএড সনদে আইডিয়াল স্কুলের ৮ শিক্ষকের চাকরি, রয়েল ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন সোয়া ৯ লাখ শিক্ষক তবু প্রশ্ন নোট-গাইড থেকেই - dainik shiksha প্রশিক্ষণ পেয়েছেন সোয়া ৯ লাখ শিক্ষক তবু প্রশ্ন নোট-গাইড থেকেই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের নির্দেশ - dainik shiksha সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের নির্দেশ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসবে প্রায় ১২ লাখ - dainik shiksha ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসবে প্রায় ১২ লাখ করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচবেন যেভাবে - dainik shiksha করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচবেন যেভাবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের কলেজের সংশোধিত ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের কলেজের সংশোধিত ছুটির তালিকা ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা ২০২০ খ্র্রিষ্টাব্দে মাদরাসার ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্র্রিষ্টাব্দে মাদরাসার ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন শিক্ষা ভবনের মহাপরিচালকের ঘনঘন বিদেশ সফর নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha শিক্ষা ভবনের মহাপরিচালকের ঘনঘন বিদেশ সফর নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী please click here to view dainikshiksha website