please click here to view dainikshiksha website

ফরম পূরণে আদায় করা অতিরিক্ত ফি ১৫ দিনের মধ্যে ফেরতের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ডিসেম্বর ১২, ২০১৭ - ৫:০০ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

২০১৮ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত ফি ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আাদায় করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার (১১ই ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বোর্ড নির্ধারিত ফির চেয়ে কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিলেই হাইকোর্টের ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ৬ই জানুয়ারির নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। যদি কোন প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ফি আদায় করে এবং এ বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে অতিরিক্ত ফি আদায় করে থাকলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তা শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৬টি

  1. মোঃ হবিবর রহমান, বীরগঞ্জ কলেজ, দিনাজপুর says:

    সে তো গেল ফরম পুরনের সময়কার অতিরিক্ত ফি এর ক্ষেত্রে। কিন্তু পরে নেয়া হলে?
    প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার বেলায় কি হয়?
    ফরম পূরনের সময় পরীক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট হারে ফি দিয়ে থাকে। কিন্তু কেন্দ্র সচিব তথা প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষরা সেই টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদেরকে দেন না। বলেন পরীক্ষার্থীদের নিকট হতে টাকা তুলে পরীক্ষা চালিয়ে নেন। তখন বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের কাছে হাত পেতেন, ভিক্ষা করেন। অনেকে এটিকে চাঁদাবাজিও বলেন। এটাও তো নির্দিষ্ট ফি এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়। আইনে এটাও মহা অন্যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষা বোর্ড এ ব্যাপারে কিছুই বলছেন না। কেন্দ্র সচিবের অর্থলিপ্সা শিক্ষকদেরকে চাঁদাবাজির ন্যায় জঘন্য কর্মকান্ডে বাধ্য করছে। শিক্ষা বোর্ডের কি আদৌ কিছু করার নাই। বোধগম্য নয়।
    দয়া করে শিক্ষকদেরকে বাঁচান এহেন কূকর্ম থেকে।

  2. মোঃ হবিবর রহমান, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর says:

    সে তো গেল ফরম পুরনের সময়কার অতিরিক্ত ফি এর ক্ষেত্রে। কিন্তু পরে নেয়া হলে?
    প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার বেলায় কি হয়?
    ফরম পূরনের সময় পরীক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট হারে ফি দিয়ে থাকে। কিন্তু কেন্দ্র সচিব তথা প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষরা সেই টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদেরকে দেন না। বলেন পরীক্ষার্থীদের নিকট হতে টাকা তুলে পরীক্ষা চালিয়ে নেন। তখন বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের কাছে হাত পেতেন, ভিক্ষা করেন। অনেকে এটিকে চাঁদাবাজিও বলেন। এটাও তো নির্দিষ্ট ফি এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়। আইনে এটাও মহা অন্যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষা বোর্ড এ ব্যাপারে কিছুই বলছেন না। কেন্দ্র সচিবের অর্থলিপ্সা শিক্ষকদেরকে চাঁদাবাজির ন্যায় জঘন্য কর্মকান্ডে বাধ্য করছে। শিক্ষা বোর্ডের কি আদৌ কিছু করার নাই। বোধগম্য নয়।
    দয়া করে শিক্ষকদেরকে বাঁচান এহেন কূকর্ম থেকে।

  3. নজির আহাম্মেদ says:

    আইনত আছে বাস্তবায়ন নেই।প্রতিষ্টান প্রধানের বেতন ভাতা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

  4. মকবুল আহমদ says:

    আদেশের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, পরীক্ষা কেন্দ্রের ৮০%এর অধিক আয়কৃত টাকা ব্যায় হয় অন্যায়ভাব। এই টাকা পাবে কোথা হতে??? অথচ পরীক্ষায় প্রদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের নগন্য হারে সম্মানী দেয়া হয়।।

  5. মকবুল আহমদ says:

    আদেশের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, পরীক্ষা কেন্দ্রের ৮০%এর অধিক আয়কৃত টাকা ব্যায় হয় অন্যায়ভাব রাগব বোয়ালদের পিছনে!!!। এই টাকা পাবে কোথা হতে??? অথচ পরীক্ষায় প্রদর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের নগন্য হারে সম্মানী দেয়া হয়।।

  6. মো:আফসারুল ইসলাম says:

    সে তো গেল ফরম পুরনের সময়কার অতিরিক্ত ফি এর ক্ষেত্রে। কিন্তু পরে নেয়া হলে?
    প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার বেলায় কি হয়?
    ফরম পূরনের সময় পরীক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট হারে ফি দিয়ে থাকে। কিন্তু কেন্দ্র সচিব তথা প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষরা সেই টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদেরকে দেন না। বলেন পরীক্ষার্থীদের নিকট হতে টাকা তুলে পরীক্ষা চালিয়ে নেন। তখন বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের কাছে হাত পেতেন, ভিক্ষা করেন। অনেকে এটিকে চাঁদাবাজিও বলেন। এটাও তো নির্দিষ্ট ফি এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়। আইনে এটাও মহা অন্যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষা বোর্ড এ ব্যাপারে কিছুই বলছেন না। কেন্দ্র সচিবের অর্থলিপ্সা শিক্ষকদেরকে চাঁদাবাজির ন্যায় জঘন্য কর্মকান্ডে বাধ্য করছে। শিক্ষা বোর্ডের কি আদৌ কিছু করার নাই। বোধগম্য নয়।
    দয়া করে শিক্ষকদেরকে বাঁচান এহেন কূকর্ম থেকে।

আপনার মন্তব্য দিন