ফেসবুকের ‘মন পড়ার’ ডিভাইস কাজ করবে যেভাবে - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

ফেসবুকের ‘মন পড়ার’ ডিভাইস কাজ করবে যেভাবে

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

মানুষের মস্তিষ্কের ভাবনা বোঝার ডিভাইস আবিষ্কার করতে বেশ কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানি ফেসবুক। বিষয়টি নিয়ে তারা বিভিন্ন সময়ে অল্পস্বল্প ধারণাও দিয়েছে। এবার বিবিসি তাদের বিশেষ সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এমন একটি ডিভাইসের বিস্তারিত জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ছোট স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান সিটিআরএল ল্যাব রিস্টব্যান্ড জাতীয় একটি ডিভাইস নিয়ে কাজ করছে। তারা এখন ফেসবুকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাদের দাবি, এই ডিভাইসের মাধ্যমে মানুষের ব্রেইন কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ পাবে!

ফেইসবুকের ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি প্রধান অ্যান্ড্রু বসওয়ার্থ বলছেন, ‘আমরা দেখেছি প্রযুক্তি এবং ডিভাইস দিয়ে আরও স্বাভাবিকভাবে ভাব বিনিময় করা সম্ভব। আর সেটা আমরা তৈরি করতে চাই।’

তিনি জানান, এই রিস্টব্যান্ড যে কারও ভাবনা-উদ্দেশ্য ক্যাপচার করতে পারবে। এর মাধ্যমে শুধু ইচ্ছা করলেই কোনো বন্ধুর সঙ্গে আপনি ছবি শেয়ার করতে পারবেন!

বিবিসি বলছে, এমন আবিষ্কার সত্যিই কঠিন কাজ। আর যদি ফেসবুক করেই ফেলে তবে সেটা হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথা প্রযুক্তি ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।

এই ধরনের ডিভাইস আবিষ্কার করতে প্রযুক্তি দুনিয়ায় রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কও কয়েক বছর ধরে বলছেন, তারা এমন ডিভাইস নিয়ে কাজ করছেন, যেটি প্যারালাইজড মানুষের মনের কথা পড়তে পারবে।

মানুষের মস্তিষ্কের ওপর এই ধরনে ডিভাইস নিয়ে কাজ করা একজন বিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। মাহনাজ আরবনেহে নামের ওই নারী গবেষক শেফিল্ড ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা করেন। তিনি এই প্রক্রিয়াকে বলেছেন ‘নন-ইভ্যাসিভ টেকনিক’, যেখানে বিদ্যুদ্বাহক মাথার খুলির ওপরে পৌঁছাবে; ব্রেইনের ভেতরে নয়। এই পদ্ধতিতে রেকর্ড করা হবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যাক্টিভিটি।

এই ধরনের প্রযুক্তি কত দূর এগিয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও একে কল্পবিজ্ঞান বলে মনে হতো। কিন্তু এখন বাস্তবে ধরা দিচ্ছে। নার্ভতন্ত্রের বিশেষ ব্যাধি পারকিনসন রোগীদের জন্য আমরা এমন কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছি।’

‘খুব দ্রুত বিভিন্ন ল্যাব থেকে এমন ডিভাইস বেরিয়ে যাবে। ৫০ বছরের মধ্যে বিপ্লব ঘটতে পারে। তার আগেও হতে পারে। নিউরাল ইন্টারফেস হতে যাচ্ছে যুগান্তকারী আবিষ্কার। পরিবেশের সঙ্গে আমাদের ভাবের আদান-প্রদানে পরিবর্তন আসবে। পাল্টে যাবে মানুষের জীবন।’

যে কোনো নতুন প্রযুক্তির কথা সামনে আসলেই নেতিবাচক একটা চিন্তার উদ্ভব হয়। ওই প্রযুক্তি মানুষের কতটা ক্ষতি করবে, উঠে আসে সেই প্রশ্ন। এ ক্ষেত্রেও তেমনটি হচ্ছে।

ডেটা বিশেষজ্ঞ ক্যারোলিন কারুথার্স বলছেন আমাদের সতর্ক হতে হবে, ‘ফেসবুকের মতো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান লাভ ছাড়া কোনো প্রযুক্তি আনবে না। তাই আমাদের বুঝতে হবে, তারা আসলে কী করতে চাচ্ছে।’

এমপিও নীতিমালা সংশোধনে ১০ সদস্যের কমিটি - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা সংশোধনে ১০ সদস্যের কমিটি এমপিওভুক্ত হলো আরও ছয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হলো আরও ছয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম সংশোধনের প্রস্তাব চেয়েছে অধিদপ্তর - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম সংশোধনের প্রস্তাব চেয়েছে অধিদপ্তর এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ে ৭ সদস্যের কমিটি - dainik shiksha এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ে ৭ সদস্যের কমিটি আলিমের সিলেবাস ও মানবণ্টন দেখুন - dainik shiksha আলিমের সিলেবাস ও মানবণ্টন দেখুন শূন্যপদের তথ্য দিতে ই-রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল - dainik shiksha শূন্যপদের তথ্য দিতে ই-রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল স্নাতক ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নয়: প্রজ্ঞাপন জারি - dainik shiksha স্নাতক ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নয়: প্রজ্ঞাপন জারি নবসৃষ্ট পদে এমপিও জটিলতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষকরা (ভিডিও) - dainik shiksha নবসৃষ্ট পদে এমপিও জটিলতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষকরা (ভিডিও) প্রাথমিকে প্রশিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের বেতন একই গ্রেডে - dainik shiksha প্রাথমিকে প্রশিক্ষিত ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের বেতন একই গ্রেডে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন please click here to view dainikshiksha website