please click here to view dainikshiksha website

বই খুলে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে: শিক্ষাসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮ - ৯:৪০ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

আগামীতে এসএসসির মত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র না ছাপিয়ে বই খুলে পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন। তিনি বলেন, পরীক্ষার বর্তমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া রোধ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র না ছাপিয়ে বই খুলে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি ) ঢাকায় জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) অডিটোরিয়ামে শিক্ষাথাতে উচ্চতর গবেষণা সহায়তা কর্মসূচি বিষয়ক কর্মশালা ও চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এসএসসি কিংবা এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সামনে ছাপানো কোনো প্রশ্ন নেই! বরং পরীক্ষার হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা বই খুলেই উত্তর লিখতে পারছে! এমন অপরিচিত পরীক্ষা পদ্ধতি অনেকের কাছে অদ্ভুত শোনালেও আগামীতে এভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সেটাই এখন চিন্তা করতে হচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভয়াবহ প্রেক্ষাপটে।

এ প্রসঙ্গে সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘ভিন্ন পদ্ধতিতে যাতে প্রশ্ন ছাপানোর প্রয়োজন না হয় সেই রকম কোনো কিছু করা যায় কি না সেজন্য তিন-চারটা কমিটি কাজ করছে এবং মন্ত্রণালয় থেকেও ভিন্নভাবে চিন্তা করা হচ্ছে এমন কিছু করা যায় কি না যে প্রশ্ন ছাপানোর প্রয়োজনীয়তা নেই। প্রশ্ন ওপেন থাকতে পারে, ওপেন বুক এক্সাম হতে পারে বা আরো অনেক কিছু আমরা চিন্তাভাবনা করছি।’

সোহরাব হোসাইন আরো বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্র আউট বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি এবং মনে করি।’

শিক্ষাসচিব আরো বলেন, ‘২০ লাখ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়। একটি প্রশ্ন ছাপাতে চার-পাঁচদিন সময় নেয়। একজন মানুষ যদি অসৎ হয়, সে যদি মনে করে আমি প্রতিদিন একটা বা দুইটা করে মুখস্থ করে যাব, বাইরে গিয়ে লিখেই রাখব। তার পর একসাথে করব, একটি প্রশ্ন হবে। এটি কীভাবে ঠেকাব? আমি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দেই বলেছি এ পদ্ধতিতে প্রশ্ন আউট রোধ করা সম্ভব নয়।’

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৫৬টি

  1. Mohammad Abdul Quddus- Assistant Head Teacher. says:

    good job

  2. রায়হান says:

    পরীক্ষার হলে ছাত্রদের উত্তর পত্রের সাথে সাদা কাগজ দিতে হবে। আর বলতে হবে …………। বিষয়ের উপর ১০টি প্রশ্ন তৈরী করে উত্তর গুলো তোমার খাতায় লিখ। প্রশ্ন তৈরীর মানের উপর মার্ক থাকবে। উত্তরের মান বিবেচনা করে মার্ক দেয়া হবে। আর মিনি ব্যাঞ্চ থাকবে ১ জনের বেশী বসা যাবে না। এটি করলে কেমন হয়। বই দেখে লেখা মানে পরীক্ষা হার মেনে গেল।

  3. আব্দুল মোছাব্বির,প্রভাষক,গণিত,সুজা মেমোরিয়াল কলেজ,মৌলভীবাজার। says:

    সমস্ত দায়িত্ব শিক্ষকদের দিয়ে দিন, প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হয়ে যাবে।

  4. আব্দুল মোছাব্বির,প্রভাষক,গণিত,সুজা মেমোরিয়াল কলেজ,মৌলভীবাজার। says:

    সকল দায়িত্ব শিক্ষকদের দিয়ে দিন, প্রশ্নফাঁস বন্ধ হয়ে যাবে।

  5. Md.sirajulbIslam says:

    If you couldn’t protect it.You must be rejaign the post. Give me only one chance I will show you how can solve question out.

  6. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    নিরঙ্কুশ আত্মসমর্পণ। প্রশ্নফাঁস ঠেকানোর যাবতীয় কর্মযজ্ঞ ভূলুণ্ঠিত। কিন্তু যেভাবেই পরীক্ষা নেন প্রশ্ন প্রনয়ন তো করতে হবে। সেই প্রশ্নটিও যদি ফাঁস হয়ে যায় পরীক্ষার্থীরা কোন প্রশ্নের উত্তর কি হবে তা আন্ডারলাইন করে সে বই নিয়ে পরীক্ষার রুমে ঢুকবে।

  7. আফতাব উদ্দিন আহমেদ says:

    এই পদ্ধতিটিই উত্তম। এতে ছাত্রদের সঠিক মেধা মূল্যায়ন করা যাবে। কিন্তু তারপরও একটা প্রশ্ন লাগবে। সেটি কে কিভাবে তৈরি করবে? এটিই এখন দেখার বিষয়।

  8. মোঃমনিরুল ইসলাম says:

    পাঠ্যবই এ বেশী প্রশ্ন দেয়া থাকবে যেগুলো পরতে এক বছর লাগবে ।সেখানে শুধু পরীক্ষার সময়ে পৃষ্ঠা নং ও প্রশ্ন ন ঙ দেয়া থাকবে প্রশ্নে বই দেখেই উত্তর দিবে ।তাতে পরায় যেমন মনোযোগ হবে তেমনি প্রশ্ন ফাঁস হবে না ।

  9. শেখ মিজানুর রহমান, পাবনা। says:

    এ অবস্থা চলতে থাকলে আর শুধু শুধু পরীক্ষা নেয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না ।
    আগামী পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে শুধুমাত্র ফরমপূরণ করলেই জি.পি.এ ৫.০০ এবং গোল্ডেন জি.পি.এ ৫.০০ দেয়া হোক ।
    সেই সঙ্গে ঘোষণা দেয়া হোক যে যত টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করবে তাকে ততো জি.পি.এ দেয়া হবে।
    তখন একসঙ্গে দুই কাজই হবে।
    ১. ঘটা করে আর কোচিং বন্ধের ঝামেলা মাথায় নিতে হবে না ।
    ২. প্রশ্ন ফাসের জন্য করো কাছে আর জবাব দিহি করতে হবে না ।
    এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে ।

  10. মনীষ says:

    সৃজনশীল প্রশ্ন বই খুলে লিখতে দিলে সমস্যা নাই বটে উত্তর পত্র দেখার মত লোক পাবেন! তা না করে ৭৫ থেকে১০০% উপস্থিতির উপর সনদ প্রদান বিবেচনা করলে কেমন হবে ভেবে দেখবেন।

  11. এইচ,এম,মোকসেদুল হাসান।প্রধান শিক্ষক বা শা বা উ বি বাসুদেবপুর, গোদাগাড়ী, র্াজশাহী। says:

    কি হল শিক্ষা মন্ণালয়ের সবাই যে উল্টাপাল্টা কথা বলছে।

  12. শোভন says:

    বিদেশের মত করেন, অন লাইনে প্রশ্ন সময় মত আসবে, তারপর সাইট বন্ধ হয়ে যাবে।

  13. শোভন says:

    বিদেশের মত করেন, সময় মত নির্ধারিত সাইটে প্রশ্ন আসবে, তারপর সাইট বন্ধ হয়ে যাবে।

  14. আল-আমিন সুমন, পরিচালক, ক্রিয়েটিভ এডুকেশন এরিন্যা says:

    ইনশা’আল্লাহ্
    চ্যালেঞ্জ করছি, প্রশ্নফাঁস প্রসংঙ্গটি জাতি ভুলে যাবে। হিম্মত থাকলে আমাকে সুযোগ দিন। প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধের যথেষ্ঠ কার্যকরি পদ্ধতি, আমার জানা আছে।
    ধন্যবাদ

  15. toma says:

    ভাল কথা
    মাদ্রাসার প্রশ্নতো ১টা ও আউট হল না।

  16. মো: আব্দুল কুদ্দুস says:

    শুনেছি,কবে যেন পত্রিকায় পড়েছি বহির্বিশ্বে কোন কোন দেশে নাকি পরীক্ষা হলে মুল বই দিয়ে দেওয়া হয়,তাৎক্ষনিকভাবে প্রশ্ন করে,এটা করলেও মন্দ হয়না।

  17. হারুন রশিদ আহমদ says:

    শিক্ষাবিষয়ক কাজ আমলাদের দ্বারা সম্ভব না, এটা তঁারা প্রমাণ করল! শিক্ষকদের স্বাধীনভাবে এ কাজ দেন, তবেই আগের জায়গায় ফিরে যাব!

  18. M. Bashar, Lecturer at Jadunath model school & college,Bagerhat. says:

    ধন্যবাদ স্যারকে শিক্ষকদের প্রশ্ন ফাঁশে জড়িত না করাই।

  19. মিলন কান্তি দে says:

    যদি মূল বই ভাল করে বুঝে না পড়লে, এখনকার ছাত্র-ছাত্রীরা বই খুলে লিখতে দিলেও লিখতে পারবে না। কারণ, এখন তারা facebook নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

  20. দেলোয়ার হুসাইন says:

    আমার কাছে একটি পদ্ধতি জানা আছে। ইনশাল্লাহ ১০০ ভাগ কার্করী হবে। মেইলে যোগাযোগ করুন

  21. শিপন says:

    অন্য দেশের নিয়ম আমাদের দেশে অযোগ্য।
    প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা কঠিন কোন কাজ নয়। শুধু প্রয়োজন প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার মানসিকতা এবং আইনের প্রয়োগ।
    কিছু সম্ভাব্য আইন :
    ১। প্রশ্ন ফাঁস কারি সরকারি, বেসরকারি, এমপিও ভুক্ত চাকরি করলে, তাকে চাকরি থেকে চুরান্ত বহিস্কার করতে হবে এবং সকল আর্থিক সুযোগ সুবিধা বাতিল করতে হবে।
    ২। প্রশ্ন ফাঁস কারি ছেলে মেয়ে সরকারি চাকরিতে পুষ্য কোটা পাবে না।
    ৩। প্রশ্ন ফাঁস কারির সকল শিক্ষাগত সনদ বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং সরকারি চাকরির অযোগ্য বলে গণ্য হবে।
    ৪। প্রশ্ন ফাঁস কারির সর্বনিম্ন শাস্তি ২০ বছরের জেল এবং জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।
    ৫। প্রশ্ন ফাঁস কারির নিকট থেকে পরীক্ষার যাবতীয় সকল ব্যয় আদায় করা হবে। অর্থ প্রদান করার সামর্থ্য না থাকলে ১০ বছরের শশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হবে।
    এর পরেও যদি প্রশ্ন ফাঁস হয়, তবে তা হবে সীমিত, যার প্রভাব সমাজে পরবে না

  22. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, পরিসংখ্যান , দিনাজপুর। says:

    এই সিষ্টেম আগেও ছিল। এরশাদ জামানায় অনেক কেন্দ্রেই বই দেখে পরীক্ষা হতো।

  23. শিহাব উদ্দিন মাসুদ বি বি রা: দা: মাদরাসা says:

    চমৎকার আইডিয়া! এই রিপোর্টটি পড়ে একবার হাসছি আর একবার অবাক হচ্ছি। এটা কি সম্ভব? আমরা কোন দেশে বাস করি? আর এটা কেমন কথা?

  24. foyzur rahman emon says:

    সচিব মহুদয়ের মতের সাথে এক মত

  25. গোলাম কিবরিয়া, প্রভাষক, আফজাল হোসেন মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ,কাজিপুর,সিরাজগঞ্জ। says:

    এসব পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মূল‍্যায়ন করা যেতে পারে। যেমন মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত একজন শিক্ষার্থীর ক্লাস পরীক্ষা, ক্লাসে উপস্থিতি, খেলা-ধূলা, আচরণ ইত্যাদি রিপোর্ট শিক্ষা বোর্ডে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ে জমা দিবে। শিক্ষা বোর্ড সেই প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদানের ব‍্যবস্থা করবে।অনুরূপভাবে কলেজ গুলোতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

  26. মো: শহিদুল ইসলাম says:

    প্রবাদে আছে, ভূতের দেশ ফেরতে চালায়।আমাদের ক্ষেত্রে ও তাই হচ্ছে। এহসানুল হক মিলন কে শিক্ষামন্তী করা হলে সব সমস্যার সমাধান হবে।

  27. Misbahul. Alatuli GPS. Chapainawabgong says:

    I think its a good proposal.

  28. আবদুল মোতালেব says:

    বাংলাদেশে নির্বাচন যেভাবে হচ্ছে, পরীক্ষাও সেভাবে হচ্ছে। এতে দোষের কিছু নাই।

  29. নবীন হোসাইন says:

    কোন সমস্যা নেই, শুধু মাত্র সরকার এই আইন করুক যে যতযন পাস করে করুক আপনারা পরিক্ষা কঠিন ভাবে নিবেন।

  30. জাকির রায়হান, শিক্ষক UCEP says:

    আঙগুলে ব্যথা।
    কোন ভাবেই যাচ্ছে না

    কি আর করার
    পুরো হাতটাই কেটে ফেলব।

  31. A.Hakim says:

    পরিকল্পণা সুন্দর,উদ্যোগ নিলে ভাল হয়।

  32. Md Suzon Mahamud says:

    শর্সের মধ্যে ভুত তাড়াবে কে?

  33. সুপ্লব says:

    শুভ বুদ্ধির উদয় হল।শিক্ষার্থীরা ঢের বুদ্ধিমান।

  34. আবুল হোসেন খোকা,প্রভাষক,ভিতরবন্দ কলেজ,কুড়িগ্রাম। says:

    প্রশ্ন ছাপা এবং প্যাকেট করার কাজগুলো সৎ ও যোগ্য লোক দিয়ে করুন।তাঁদের কর্মকালীন সময়ে সকল যোগাযোগ বন্ধ রাখুুন এবং সন্তোষজনক বেতনভাতা প্রদান করুন,ইনশাল্লাহ্ সব সমস্যার সমাধান হবে।

  35. khalilur Rahman says:

    ami shikkha montrir disty akorson korsi je porikkha molok vabe je je school a computer lab/ ict room roese oi school golote sara deshe akjoge ict r pordai prokas korbe.je rokom vabe prodan montri digital lab udvodon koresilen thik se vabe jodi

  36. মো: বিদ্যুৎ আলম says:

    পরীক্ষার সময় নূন্যতম ৩০ সেট প্রশ্ন তৈরি করে তার থেকে ৮-১০ সেট প্রশ্ন নিজেই ফাস করে দিন। দেখবেন ফাস করা প্রশ্নের দিকেে কেউ তাকাচ্ছে না।

  37. আবুল বাশার,সালামপুর আমিনিয়া ফাযিল মাদরাসা, দুমকি, পটুয়াখালী। says:

    শিক্ষা সচিবের কথা ও পাঠকের মন্তব্য পড়ে মনে হল আমারা প্রাগৈতিহাসিক যুগে আছি পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কেবল চিন্তা শুরু করছি

  38. আবুল বাশার,সালামপুর আমিনিয়া ফাযিল মাদরাসা, দুমকি, পটুয়াখালী। says:

    শিক্ষা সচিবের কথা ও পাঠকের মন্তব্য পড়ে মনে হল আমারা প্রাগৈতিহাসিক যুগে আছি পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কেবল চিন্তা শুরু করছি।

  39. মো: নজরুল ইসলাম ইসলাম, says:

    প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য যা করণীয় আমি মনে করি তা হলো-
    ১. প্রশ্ন নির্মাতা ৪ সেট প্রশ্ন তৈরি করবে, যা পরীক্ষার দিন যে কোন এক সেট প্রশ্নে পরীক্ষা নিতে পারে।
    ২. প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে দুটি করে পরীক্ষা কেন্দ্র থাকবে যা পরীক্ষার দিন ৭.৩০ টার সময় প্রশ্ন ডাউন লোড অথবা কেন্দ্র সচিবের ই-মেইলে প্রশ্ন সরবরাহ করতে হবে। তারপর কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন কপি করে পরীক্ষা সম্পন্ন করবে।
    ৩. এজন্য সরকারকে প্রতি কেন্দ্রে একটি দ্রুত গতির কপিয়ার সরবরাহ করতে হবে;
    ৪. কেন্দ্র সচিবের অফিস কক্ষে সি.সি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে;
    ৫. উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর প্রতিনিধি থাকতে হবে।
    এজন্য সরকারের অনেক প্রশ্ন ছাপানো খরচ সাশ্রয় হবে। যশোর বোর্ড এমন তত্বাবধান করতে পারবে বলে আমি মনে করি।

  40. Md.Burhane Sultan says:

    যেখানে ছিলাম সেখানে ফিরে যাই

  41. md. mohsinazad says:

    আমাদের বিদ্যালয়ে পরিক্ষার প্রশ্ন আউট হয় না। তার কারন দায়িত্ব আমাদের,তাই বলছি দায়িত্ব শিক্ষকদের হাতে দিলে বন্ধ হবে প্রশ্ন ফাস।

  42. রবিউল ইসলাম,(রতন)বি,এসসি, চর সারিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়।জামালপুর। says:

    বহি বিশ্বেও প্রযুক্তি আছে। সেখানেও কি আমাদের হতভাগা বাংলাদেশের মতো প্রশ্ন ফাঁস হয়?

  43. মো: আবুল কালাম says:

    আপনার চিন্তার বিষয়টি সুষ্ট মেধাবিকাশে একান্ত যুগপযোগী।

  44. জয়নাল অাবেদীন says:

    প্রশ্ন ফাস ঠেকানোর জন্য অনেক কার্যকর পদ্ধতি আছে। প্রত্যেক কেন্দ্রে উপযুক্ত শিক্ষক কর্তৃক প্রশ্ন তৈরি এবং ছাপানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর প্রশ্ন ফাস হলে ঐ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এবং এই ভয়েই কেউ ফাস করার সাহস পাবে না। অপরপক্ষে, বেশীর ভাগ শিক্ষকই প্রশ্ন ফাস বিরোধী।

  45. আবু তাহের সিদ্দীক says:

    আপনার মন্তব্য প্রশ্ন পদ্ধতির পরিবর্তনেই একমাত্র পথ।

  46. Sadequl islam,Naogaon. says:

    If I get the responsibilities, I will manage the situation .

  47. মৌলুদ আহমদ says:

    ১০০ মার্ক এর পরীক্ষায় ( ১৭+৮+৮)=৩৩ নম্বর পেলে পাস কিন্ত (৫০+৭+২৫)=৮২ নম্বর পেলেও ফেল। কি বিচিত্র শিক্ষা ব্যবস্থা।

  48. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক says:

    বই খুলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্বান্তটিও ভুল হবে।

  49. shahjahan shirajee says:

    নিজের ব্যর্থতা কেউ স্বীকার করবেনা। সাবেক শিক্ষা প্রতি মন্ত্রী আ,ন,ম এহসানুল হক মিলন স্যার
    ২০০২ -২০০৬ সাল পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশকে নকল মুক্ত করেছিলেন। তখন এই সকল শিক্ষকগনই দায়িত্ব পালন করতেন। তারমানে প্রশ্ন ফাঁস বা নকল বন্ধ করতে চাইলে যোগ্যতা ও সততা দুটোই লাগবে যা আপনাদের নাই। লজ্যাতো
    নাই -ই। সময় আছে এখনো। মিলন সাহেবকে ভাড়া করুন।

    • মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, শাজাহানপুর, বগুড়া। says:

      সবার মাথা নষ্ট হয়ে গেল নাকি, এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধবংস করার নীল নকশা হচ্ছে। মাথা ব্যাথার ঔষধ না দিয়ে মাথা কেটে ফেলার চিন্ডা করা কতটা যুক্তিযুক্ত ?

  50. Md. Mosharef Hossain Khan says:

    বর্তমান পাবলিক পরীক্ষার নির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নেের ব্যবস্থা করা জরুরী।
    ১. ক্লাসে উপস্থিতি বায়োমেট্টিক পদ্ধতি ব্যবহারেরর মাধ্যমে ডিজিটাল করতে হবে যেখানে ১০% নম্বর বরাদ্দ দেয়া যায়।
    ২. বাড়ীর কাজ ও টিউটোরিয়ালে ১০% নম্বর বরাদ্দ।
    ৩. টার্ম পরীক্ষা যেমন- প্রিটেস্ট, টেস্ট, অর্ধ-বার্ষিক, বার্ষিক ইত্যাদি পরীক্ষায় ২০% বরাদ্দ।
    ৪. শ্রেণি পার্ফরমেন্স ১০% বরাদ্দ।
    ৫. পাবলিক পরীক্ষায় ৫০%।
    এতে পরীক্ষা নিতে সময় কম লাগবে, কেউ প্রশ্ন ফাঁসের চিন্তা বেশী করবে না।

আপনার মন্তব্য দিন