please click here to view dainikshiksha website

বগুড়ার ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ৪, ২০১৭ - ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

বগুড়ায় নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে ডাক্তারি পরীক্ষায়। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে এই ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা হাতে পেয়েছেন।

কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গত সোমবার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ আজ শুক্রবার সকালে বলেন, ‘চিকিৎসকদের দেওয়া প্রতিবেদনে মেয়েটিকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্ক নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।’

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামি তুফান সরকার, তার স্ত্রী বড়বোন মার্জিয়া আকতার এবং সহযোগী মুন্নার দ্বিতীয়দফা রিমান্ড শেষে আজ আদালতে হাজির করা হচ্ছে। অন্যদিকে তুফানের স্ত্রী আশা সরকার এবং শাশুড়ি রুমি বেগমকে গতকাল বৃহষ্পতিবার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায়ের আদালতে হাজির করে তৃতীয় দফায় পাঁচদিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠান। এ মামলায় ইতিমধ্যে তুফানের সহযোগী আতিক এবং ক্ষৌরকার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন।

১৭ জুলাই বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে এক ছাত্রীকে বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার ধর্ষণ করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে দলীয় ক্যাডার এবং এক নারী কাউন্সিলরকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পেছনে লেলিয়ে দেন। ২৮ জুলাই বিকেলে তাঁরা ওই ছাত্রী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চার ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালান। এরপর দুজনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় এই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ২৮ জুলাই রাতে তুফান সরকার, তাঁর স্ত্রী আশা সরকার, আশা সরকারের বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আকতারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলা করেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত নয়জনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন,তদন্ত শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩টি

  1. পরমানন্দ ঢালী says:

    এই ধরণের লিঙ্গ একেবরে গোড়া দিয়ে কেটে দিয়ে প্রচার মাধ্যমে ছেড়ে দিলে এ ধরণের অপরাধ প্রবনতা কমতে পারে।

  2. Md. Eunus Ali, Lecturer in English, Syedpur Bazar Fazil Madrasah, Nabigonj, Habigonj says:

    ধরষনের শাস্তি হোক লিংগ কেটে দেওয়া

  3. Shykhul Islam. lecturer. Singair College. Manikgonj says:

    Exemplary punishment should be given.

আপনার মন্তব্য দিন