please click here to view dainikshiksha website

বন্ধ হচ্ছে ২৫৭ কলেজ-মাদ্রাসা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১০, ২০১৭ - ৭:২০ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

বন্ধ হয়ে যেতে পারে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৫৭টি কলেজ ও মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮৫টিতে এবার কোনো ছাত্রছাত্রী ভর্তির আবেদন করেনি। বাকি ৭২টি থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। এছাড়া আরও ৮৭৮ কলেজ অস্তিত্ব সংকটে আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯৭টিতে সর্বনিন্ম ৫ জন থেকে সর্বোচ্চ ২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। আর ১৮১টি প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বনিন্ম ৫ জন থেকে সর্বোচ্চ ২০ জন পাস করেছে।

জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার  বলেন, এ ধরনের কলেজের ব্যাপারে সরকার আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে আছে। একই ধরনের সমস্যার কারণে সরকারের নির্দেশে আমরা সম্প্রতি কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছি। এ বছরের তথ্য কয়েকদিন আগে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনামতো আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেব। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে পরপর দু’বছর শূন্য পাস এবং কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি এমন কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। এর মধ্যে গত ১৭ এপ্রিল ৭৯টি কলেজ বন্ধের নোটিশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে হিসেবে এ বছর একই ধরনের অপরাধে চিহ্নিত প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশকিছু আছে সরকারের কাছ থেকে এমপিও হিসেবে বেতনভাতা নেয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারের বিনিয়োগ সম্পূর্ণ গচ্চা যাচ্ছে।

তাৎক্ষণিকভাবে উল্লিখিত ১১৩৫টি (২৫৭+৮৭৮) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কতটি এমপিওভুক্ত তা জানা যায়নি। এছাড়া বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যা জনবল কাঠামো মেনে ও সরকারি শর্ত পূরণ করে প্রতিষ্ঠা পায়নি। বেশকিছু কলেজ গজিয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করতে পারেনি।

সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের জুলাই থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত দু’বছরে ৩৮৭টি কলেজ স্থাপন বা স্কুলে কলেজ শাখা খোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রায় ১৫ লাখ আসন খালি থাকছে, তাই এসব কলেজ অপ্রয়োজনে খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, কলেজ প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়ই নীতিমালা আছে। তাতে দেয়া শর্ত পূরণ করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমতি দেয়া উচিত ছিল সরকারের। যদি ১৫ লাখ আসনের চাহিদাই না থাকবে, তাহলে এগুলো অনুমোদন দেয়া হল কেন? নিশ্চয়ই এমপিও পাওয়া বা রাজনৈতিক বিবেচনাসহ নানা কারণে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এগুলোকে আমরা সরকারি বা জাতীয় অর্থের অপচয় বলে মনে করি।

সারা দেশে ভালো মানের কলেজের সংখ্যা কম থাকায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভালো ফল পেয়েও একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির প্রথম তালিকায় স্থান পায়নি ৬১ হাজার ৯৯ জন শিক্ষার্থী। এমনকি জিপিএ-৫ পেয়েও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে তিন হাজার ৮৯১ জন শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়নি। দশ বোর্ডে মোট পাঁচ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তির প্রথম মেধা তালিকায় স্থান পায়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার একাদশ শ্রেণীতে সারা দেশে ভর্তি নেয়া হয় এমন কলেজ-মাদ্রাসা রয়েছে ৯ হাজার ১৫৮টি। এর মধ্যে ১৮৫টি কলেজে কেউ ভর্তির আবেদনই করেনি। এছাড়া ৬৩টি প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫ জন করে, ১৩০টিতে ১০ জন, ২১৬টিতে ১৫ জন এবং ২৮৮টিতে সর্বনিন্ম ২০ জন আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে সরকারের দেয়া এমপিও একেবারেই গচ্চা যাবে।

এদিকে ৯১৫৮টি কলেজ-মাদ্রাসায় আসন রয়েছে ২৮ লাখ ৬২ হাজার ৯টি। আর এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। এর মধ্যে কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে ১৩ লাখ দশ হাজার ৯৪৭ জন। সেই হিসেবে ১৫ লাখ আসনই খালি থাকছে। নির্বিচারে কলেজ-মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দেয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান এভাবে ছাত্রশূন্য থাকছে জানান সংশ্লিষ্টরা। এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের পেছনে রাজনৈতিক বিবেচনাসহ মন্ত্রণালয় এবং বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্য আছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, যে ১৮৫টি কলেজে ভর্তির জন্য কেউ নির্বাচিত হয়নি, তার মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি, যশোর বোর্ডের ৯টি, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বোর্ডের একটি করে, বরিশাল বোর্ডের ৮টি, সিলেট বোর্ডে ২টি, দিনাজপুর বোর্ডের ৯০টি, রাজশাহী বোর্ডের ৩৮টি এবং মাদ্রাসা বোর্ডের ৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে কারিগরি বোর্ডে আরও শতাধিক প্রতিষ্ঠান আছে। তবে সেগুলোর সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম ছায়েফউল্যা বলেন, ছাত্র পায়নি এবং কাউকে পাস করাতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠান আমার বোর্ডের অধীনে আছে ২৬টি। এ ধরনের মাদ্রাসার বিরুদ্ধে তালিকা অধিদফতরে চিঠি পাঠানো হবে। কঠোর ব্যবস্থার আগে শোকজ করতে হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা শোকজ করব। তবে ইতিমধ্যে কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। খারাপগুলোকে নবায়ন দিচ্ছি না। তিনি বলেন, খারাপগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রধান অন্তরায় চাপ। ব্যাপক চাপ আছে। তবে আমরা শক্ত অবস্থানে আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩৪টি

  1. mannan sir says:

    I think that is hightime these institutions were banned by the authority.

  2. Md. Eunus Ali, Lecturer in English, Syedpur Bazar Fazil Madrasah, Nabigonj, Habigonj says:

    এধরনের প্রতিষ্ঠান যেখানে একটাও পাশ করে নি সেগুলোর দরকার নাই বলে আমি মনে করি।

  3. কল্যাণ says:

    একটা বিহিত করা দরকার।

  4. Bishnu Chandra Modak প্রভাষক , সুন্দরগঞ্জ কারিগরী বাণিজ্যিক কলেজ। Sundargonj, Gaibandha. says:

    কার দোষ কে নিবে।

  5. মুহাঃ তাহির হোসেন, প্রভাষক সমাজকর্ম says:

    13.11.11বাতিল করুন

  6. অধ্যক্ষ মোঃ সিদ্দিক উল্লাহ। says:

    প্রতিষ্ঠান কমিয়ে শিক্ষক সমন্বয় করা উচিত ।

  7. Md nazmul huda says:

    সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের । এখানে এমনও স্কুল এন্ড কলেজ আছে যেখানে একই শিক্ষক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দুই শাখাতেই নিয়োগ নিয়ে বসে আছেন । যখনই কলেজ এ এম.পি.ও ভুক্তি হবে তখন স্কুলের পদ ছেড়ে দিবে ।

  8. মোঃ রয়েল ইসলাম says:

    এ সব জায়গাতে যারা কাজ করে তাদের জীবনের দায় কে নিবে?

  9. অচিন্ত্য মিস্ত্রী। সিনিয়র শিক্ষক, গাওখালী মা:বি:ও কলেজ, নাজিরপুর, পিরোজপুর।। says:

    প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে সরকারী নিয়ন্ত্রনে নিয়ে শিক্ষক বদলী ব্যবস্হা করা হোক।।

  10. মোঃ আজমত আলী says:

    শিক্ষকদের সমন্বয় করে কলেজ বন্ধ করে দেন।

  11. Md.Jasim uddin says:

    Teachers do not know what’s there duty.stop this institue. open the good institute by MPO.

  12. তারেক মাহমুদ (অধ্যক্ষ )রাজাপুর বটতলীহাট মহাবিদ্যালয় ,পোঃরামবাড়ী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ says:

    যে সব প্রতিষ্ঠান গুলি শর্ত পুরন করে দাঁড়িয়ে আছে তাদের কেন এমপিও দেওয়া হচ্ছে না ?আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষের ননএমপিও প্রতিষ্ঠান গুলির অসহায় শিক্ষক কর্মচারীদের ভালোর কথা ভেবে প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

  13. ABU SUFIAN.. assistant teacher..Patanusher high school. Kamalgonj.Moulvibazar says:

    মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপর আরোপিত
    ১৩/১১/১১ কালো পরিপত্র বাতিল করে আগে সকল শাখা শিক্ষক দের এম,পি,ও দিন।
    ব্যবসায় শাখা কে সরাসরি প্যাটার্ন ভূক্ত শূন্য পদ করে commerce এর এম,পি,ও
    দিন।।।

  14. MD.Zamal uddin says:

    তা হলে এম পি ও ভূক্ত শিক্ষকদের কি ব্যাবস্থা করা হবে ,,,,,!!

  15. মোঃ হান্নান মিয়া পাটিকেলবারি মাদ্রাসা নেছারাবাদ,পিরোজপুর। says:

    আপনার মন্তব্য। একটা প্রতিষ্ঠানের প্রান হল ছাত্র-ছাত্রী। আর সে ছাত্র-ছাত্রী যদি পাস না করে তাহলে সব বিফলে। আমি বলব একজন শিক্ষক অনেক টাৃকা সম্মানি পেয়ে থাৃকেন। তারা সরকারী টাকা খেয়ে কি করেন। যাদের বেতন তাদের কথা একটু ভিন্ন। একজন শিক্ষক সে তো জাতী গড়ার কারিগর। যা থেকে আমাদের রোঝি রোঝগার তার প্রতি সম্মান করা। সরকারী টাকা বসে বসে খাবেন এটা ঠিক না। কঠিন ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

  16. মুহাঃ হাবিবুল্লাহ says:

    ছাত্র দাও কাজ দাও ভাত দাও

  17. সন্দীপ ব্যানার্জী says:

    অবশ্যই একটি ভাল সিদ্ধান্ত তবে seeing is believing.

  18. মোঃরফিকুল ইসলাম,সহকারী শিক্ষক,আল-মাদানী দাখিল মাদ্রাসা,আশাশুনি, সাতক্ষীরা। says:

    শিক্ষক জাতীয়করন করে সমন্বয় করা ভাল।

  19. মোঃরফিকুল ইসলাম,সহকারী শিক্ষক,আল-মাদানী দাখিল মাদ্রাসা,আশাশুনি, সাতক্ষীরা। says:

    শিক্ষক জাতীয়করন করে সমন্বয় করুন।

  20. রাজিব রায় call 008801823420900 says:

    এ সব জায়গাতে যারা কাজ করে তাদের জীবনের দায় কে নিবে কারন এই খানে কোন মানুষ নাই পাস কি বাবে করবে সব জঙ্গলি জাগায়।এধরনের প্রতিষ্ঠান তেকে শিক্ষক দের অনন্য প্রতিঠানে নিয়ে য়ান যেখানে একটাও পাশ করে হার বেশি হয়। য়ারা Ntrca তেকে নিয়োগকারী তাদের জন্য টস পার করা দরকারি মনে হয়।

  21. kouwsar says:

    13/11/2011 proggapon batil korun Madrasha gulor ki bigganer projan nai onumodan den na ken ?

  22. বিএম আতাউর রহমান, সহকারী শিক্ষক, গণিত, পতাং উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল সদর, বরিশাল। says:

    13.11.2011 কালো অধ্যাদেশ বাতিল করুন

  23. হুমায়ুন কবির says:

    এই সমস্ত কলেজ রাখার মানে কি?

  24. রফিকুল ইসলাম says:

    অনুমতি প্রদানে বানিজ্য/অনিয়মকারিদেরও সাজা হওয়া উচিত

  25. Uttam Kumar Halder.Lecturer of Philosophy at Char Filiz Joynab High School& College,Bhedorgong, Shariatpur. says:

    সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলে এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন না থাকলে এ দশা চলতেই থাকবে।অর্থ মোহে যারা অন্ধ তাদের থেকে ভালো কিছু আসা করা যায়না।অসাধু লোকদের চিহ্নিত ও অপসারণ করে সরকার এবং তার প্রশাসনিক কাঠামো কতোটা শক্তিশালী তা প্রমান করে দেখান।

  26. শফিকুল ইসলাম সবুজ says:

    এই সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শর্ত পূরণ হওয়া প্রতিষ্ঠানের এমপিওর ব্যবস্থা কনা যেতে পারে….

  27. Dilip Paul says:

    অনেক স্কুল ও কলেজে ২০০০-৩০০০ ছাত্র। একজন করে শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেয়া কঠিন। পার্ট টাইম দিয়ে চালাতে হয়। বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এখানে সমন্বয় করা যেতে পারে।

  28. সৈয়দ ইসতিয়াক আলী says:

    আমার প্রতিষ্ঠানে বিদ্যালয় শাখা উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধানও ; কিন্তু মহাবিদ্যালয় শাখা এম পি ও না থাকায় অত্যন্ত খারাপ। এখন দোষ কাকে দেবেন?

  29. শাহ জামাল আহমেদ says:

    যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করা যাবে ততই ভালো। কিন্তু তাতো হবে না। কারন- অদৃশ্য কারনে সব উপযুক্ত হয়ে যাবে।

  30. khasru says:

    Amader mpo caren baper khaia jomi bikre Kore sudhu teaching dissi bosor 7.Bea o korte parlamna . ki bolbo Manu’s pai na kobo kar sathe ? Bortoman Manu’s = posu .

  31. মোস্তফা কামাল says:

    mpo ভূক্ত বৈধ অবৈধ অনেক প্রতিষ্টান আছে, এমনকি এইসকল প্রতিষ্টানে ষ্টাপিং প্যাটানের বাহিরে অনেক শিক্ষক আছে। আমার প্রশ্ন হল এই সকল অবৈধ প্রতিষ্টান এবং অবৈধ শিক্ষক বৈধ হল কিভাবে? বৈধতা যারা দিয়েছে তাদের কি অপরাধ নেই। সাজা পেলে এক পক্ষ পাবে কেন? উভয় পক্ষরি সাজা পাওয়া উচিত।

  32. ভূপাল প্রামানিক, প্র:শি: নামুজা উচ্চ বি: & সেক্রেটারি, বা: প্রধান শিক্ষক সমিতি, বগুড়া সদর। 01711 515468 says:

    Ok,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ,

  33. Mahbubur Rahman Babul says:

    Stopping is very easy but what will happen those who r teachers. who will take liabilities
    many things r included here,,,,

আপনার মন্তব্য দিন