বাঁধের পানিতে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত - স্কুল - Dainikshiksha

বাঁধের পানিতে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি |

পানি নিস্কাশনের খালে বাঁধ দিয়ে স্কুল ভাসিয়ে দিয়েছেন মাছচাষিরা। এর ফলে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের হাপানিয়া গয়সাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও মাঠে জমেছে বৃষ্টির পানি। গত এক সপ্তাহ ধরে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। খেলার মাঠেও জমেছে হাঁটুসমান পানি। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্কুলটির চারপাশে ফসলি কোনো জমি নেই, সব জমি খনন করে তৈরি করা হয়েছে মাছ চাষের পুকুর। মালিক আবুল কালাম, আহমদ আলী, আলমগীর হোসেন ও নূরুল ইসলাম মাস্টারসহ অন্যরা পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ করে বেঁধেছেন যার যার পুকুরের পাড়। 

গত শনি ও রোববার পরপর দু'দিন স্কুলটিতে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে জমে থাকা পানিতে কোনোরকমে বেঞ্চিতে পা তুলে বসেছে ক্লাস করার জন্য। তাদের উপস্থিতিও খুব বেশি নয়। রোববার স্কুলটির পঞ্চম শ্রেণির নিয়মিত ৩৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্লাসরুমে উপস্থিত ছিল পাঁচজন এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ৬৩ জনের মধ্যে ছিল ছয়জন। শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠটিতেও জমে আছে হাঁটুপানি। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, খাল ভরাট করে জমির মালিকরা পুকুরের পাড় বাঁধা এবং বসতবাড়ি করায় পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। গত তিন বছর ধরে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে একাকার হয় ক্লাসরুম ও খেলার মাঠ। ফিশারি খননে বিলীন হওয়া খাল দুটি আবার চালু না করলে এ সমস্যার নিরসন সম্ভব নয়। 

প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, 'বর্ষাকালে শ্রেণিকক্ষে প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি জমে। পানির ওপর বসে শিশুরা ক্লাস করতে থাকলে চর্মসহ নানা রোগব্যাধি দেখা দিতে পারে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।' 

মাছচাষিদের একজন আহমদ আলী বলেন, 'আমার সামনে ও পেছনে সবাই নিজেদের পুকুরের মধ্যে খালের অংশটি নিয়ে নিচ্ছিল; তাই আমি বাধ্য হয়েই এটা করেছি। এখন আর তেমন কিছু করার নেই। তবে সরকারিভাবে যদি রিং পাইপ দেওয়া হয়, তবে আমি আমার এখানে বক্স কালভার্ট করার মতো জায়গা দেব। অন্যদের কথা আমার জানা নেই।'

ত্রিশাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, 'খাল উদ্ধার নিয়ে তো আমাদের কিছু করার নেই। তবে আমি দেখি চেয়ারম্যানদের বলে কোনো প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি ভরাট করে স্কুলের মাঠটি আরও উঁচু করা যায় কিনা। 

ইউএনও আবুজাফর রিপন অবশ্য খুব দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

এমপিও কমিটির সভা ২০ জানুয়ারি - dainik shiksha এমপিও কমিটির সভা ২০ জানুয়ারি ৩৫ উত্তীর্ণ ইনডেক্সধারী কর্মচারীরা শিক্ষক পদে নিয়োগ পাবেন না - dainik shiksha ৩৫ উত্তীর্ণ ইনডেক্সধারী কর্মচারীরা শিক্ষক পদে নিয়োগ পাবেন না উপবৃত্তি : ডাচ-বাংলার অদক্ষতায় গাইবান্ধায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি - dainik shiksha উপবৃত্তি : ডাচ-বাংলার অদক্ষতায় গাইবান্ধায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বৃত্তি কোটা বণ্টনে জেএসসি উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর - dainik shiksha বৃত্তি কোটা বণ্টনে জেএসসি উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর শিক্ষা ক্যাডারের জামাতীরা ভালো পদে, প্রগতিশীলরা মফস্বলে - dainik shiksha শিক্ষা ক্যাডারের জামাতীরা ভালো পদে, প্রগতিশীলরা মফস্বলে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ শুরু - dainik shiksha প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ শুরু ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার খবর সবার আগে পেতে ‘দৈনিক শিক্ষা ব্রেকিং নিউজ’ ফেসবুক পেজে লাইক দিন - dainik shiksha শিক্ষার খবর সবার আগে পেতে ‘দৈনিক শিক্ষা ব্রেকিং নিউজ’ ফেসবুক পেজে লাইক দিন please click here to view dainikshiksha website