বাকৃবি ছাত্র সায়াদ হত্যার বিচার এখনো শেষ হয়নি - ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি - দৈনিকশিক্ষা

বাকৃবি ছাত্র সায়াদ হত্যার বিচার এখনো শেষ হয়নি

বাকৃবি প্রতিনিধি |

গত ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ মার্চ পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাৎকাবিজ্ঞান অনুষদের স্নাতক শেষ বর্ষের ক্লাস প্রতিনিধি সায়াদ ইবনে মোমতাজকে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাই এ নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। সেই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলাও হয়েছিল। কিন্তু সেই মামলার বিচারকাজ এখনো শেষ হয়নি। সায়াদের বাড়ি রাজশাহীর রাজপাড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া গ্রামে।

জানা যায়, তদন্ত শেষে পুলিশ এ মামলায় ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আদালতে অভিযোগ গঠনকালে অব্যাহতি পেয়ে যান রেজাসহ আলোচিত সাত আসামি। বাকি সাতজনের পক্ষ থেকে আদালতের অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ প্রার্থনা করলে তা মঞ্জুর হয়। এ ঘটনাও প্রায় দেড় বছর আগের। সব কিছু মিলিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলার বিচারকাজ কবে শেষ হবে তা অনিশ্চিত। প্রকৃত অপরাধীরা আদৌ শাস্তি পাবে কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচারের দাবিতে বাকৃবি তখন উত্তাল হয়েছিল।

ওই সময় প্রকাশিত পত্রপত্রিকা সূত্রে জানা যায়, ৩১ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে আশরাফুল হক হল শাখার ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজা একই সংগঠনের সুজয় কুমার কুণ্ডু, রোকনুজ্জামান রোকন ও সায়াদকে হলের ‘এ’ ব্লকে হৃদয়ের কক্ষে (২০৫ নম্বর কক্ষ) যেতে বলেন। রেজার কথা মতো সুজয়, রোকন ও সায়াদ সেখানে যান। ওই কক্ষে যেতেই রেজা দলের কাজকর্ম নিয়ে সায়াদকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে সায়াদকে শায়েস্তা করার জন্য তাঁর বন্ধু সুজয় ও রোকনকে নির্দেশ দেন রেজা। সায়াদকে মারার জন্য এ সময় সুজয় ও রোকনের হাতে দুটি ক্রিকেট স্টাম্প তুলে দেন রেজা।

এরপর সুজয় ও রোকন তাঁদেরই বন্ধু সায়াদকে স্টাম্প দিয়ে পেটাতে থাকেন। পরে সেখানে রেজার আরো ক্যাডাররা আসে। তারাও সায়াদকে দলীয় নানা বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে এবং বেধড়ক মারতে থাকে। একপর্যায়ে সায়াদের অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ে। পরদিন সকালে বেসরকারি একটি ক্লিনিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ২ এপ্রিল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন হাওলাদার।

ময়মনসিংহের আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিকে একপর্যায়ে জেলা জজ আদালতে শুনানি হয়। এ সময় অভিযুক্তদের অন্যতম আলোচিত রেজাসহ সাতজন অব্যাহতি পান। বাকি থাকে অন্য সাত আসামি। এদের মধ্যে সুজয় ও রোকন রয়েছেন। তবে ওই সাতজনের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ প্রার্থনা করা হয়। এর পর থেকে সেই অভিযোগ গঠনের বিষয়টি স্থগিত হয়ে আছে।

করোনা আক্রান্ত আরও পাঁচ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১ - dainik shiksha করোনা আক্রান্ত আরও পাঁচ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১ এপ্রিলে দেশে করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha এপ্রিলে দেশে করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ কারাগারে - dainik shiksha বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ কারাগারে দিনমজুর ও মধ্যবিত্তদের তালিকা করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - dainik shiksha দিনমজুর ও মধ্যবিত্তদের তালিকা করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর করোনা দুর্যোগে বেসরকারি শিক্ষকেরা কেমন আছেন? - dainik shiksha করোনা দুর্যোগে বেসরকারি শিক্ষকেরা কেমন আছেন? করোনায় কাজ করা চিকিৎসদের পুরষ্কার, অন্যদের শাস্তি : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha করোনায় কাজ করা চিকিৎসদের পুরষ্কার, অন্যদের শাস্তি : প্রধানমন্ত্রী ছুটির দিনে সব ধরনের চেক লেনদেন হবে - dainik shiksha ছুটির দিনে সব ধরনের চেক লেনদেন হবে নামাজে ৫ জনের বেশি শরিক হওয়া যাবে না - dainik shiksha নামাজে ৫ জনের বেশি শরিক হওয়া যাবে না সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন please click here to view dainikshiksha website