বাজেটে শিক্ষা খাত ও সময়ের দাবি - মতামত - Dainikshiksha

বাজেটে শিক্ষা খাত ও সময়ের দাবি

কাজী ফারুক আহমেদ |

৭ জুন সংসদে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ২০১৮-১৯ সালের বাজেট বক্তৃতায় ও পরদিন বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেটকে ঘিরে কয়েকটি নতুন ভাবনা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বিজয় দিবস ভাতা প্রদানের ঘোষণা, সর্বজনীন পেনশন প্রদানের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা উপস্থাপন, সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, নারী উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ, ক্যান্সার ওষুধের কাঁচামালে শুল্ক রেয়াতের প্রস্তাব, শিশু বাজেটে বরাদ্দ ১.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি, জলবায়ু ও দুর্নীতি দমন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি বিশেষভাবে উল্লেখ্য। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাঝে মধ্যে তাকে আগের মতো খানিকটা উত্তেজিত ও ক্ষুব্ধ দেখা গেলেও কিছুক্ষণ পরেই আবার নিজেকে সামলে নিয়েছেন। গত কয়েক বছরে তার কতিপয় উক্তির সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। তবে তার বয়সের কথা বিবেচনা করে খুব একটা গায়ে মাখে না। বরং প্রস্তাবিত বাজেটকে ঘিরে সরকার দলীয় ব্যক্তিদের প্রস্তুতিমূলক ও বিরোধী রাজনৈতিক মতাবলম্বীদের প্রথাসিদ্ধ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গঠনমূলক ও বাস্তবতা-ঘেঁষা সমালোচনাও স্বাভাবিক নিয়মে অব্যাহত আছে, যা বাজেট পাসের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও উন্নয়ন সহযোগীদের মূল্যায়ন চলবে আরেকটি বাজেট না আসা পর্যন্ত। একই কথা শিক্ষা বাজেট নিয়ে আগ্রহী স্বল্পসংখ্যক শিক্ষাবিদ, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষক সংগঠন ও এনজিওগুলোর বেলায়ও প্রযোজ্য।

সরকারবিরোধীরা বর্তমান সরকারের এ শেষ বাজেটকে নির্বাচনমুখী বললেও আমার তা মনে হয় না। অবশ্য অর্থমন্ত্রী স্বয়ং বলেছেন যে, যেহেতু তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য এবং জনগণের ভালো করতে চান, তাই তার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনী বাজেট। তার দিক থেকে তিনি হয়তো সঠিক বলেছেন। কিন্তু আমার মতো অনেকের কাছে তা মনে হয় না। কারণ তা হলে নির্বাচনে যারা কোনো না কোনোভাবে ফ্যাক্টর যেমন শিক্ষক, তাদের দাবি বা প্রত্যাশাগুলো নিয়ে বাজেটে এত অস্পষ্টতা বা রাখঢাকের দরকার ছিল না। পত্রিকার পরিসরের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমার আজকের লেখাটি শিক্ষা খাতের মধ্যে সীমিত রাখতে চাই।

শিক্ষায় অর্জন ও উন্নয়ন প্রসঙ্গ

শিক্ষায় সরকারের অর্জন ও গৃহীত পদক্ষেপের যেসব কথা অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছে- ১. প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তকসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে øাতক ও সমপর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুলফিডিং কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানীয়জলের ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা, বিভিন্ন ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার পুস্তক মুদ্রণ, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় পরিচালনা, সৃজনশীল মেধার মূল্যায়ন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়ক ট্রাস্ট গঠন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অনুপাত কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রদান, তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমে উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ।

২. ই-বুক প্রচলন, ১২৫টি ‘উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা, ৩১৫টি উপজেলায় ১টি করে বেসরকারি বিদ্যালয়কে মডেল বিদ্যালয়ে রূপান্তর, ২৬ হাজার ৬৫৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন। তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এর মধ্যে ৯০ হাজার শিক্ষক এবং ১ হাজার ৫০০ মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ প্রদান। টিচার্স পোর্টালে ৬২ হাজার কনটেন্ট তৈরি, মোট ৮ লাখ শিক্ষককে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ‘জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা কাউন্সিল’ গঠন।

৩. দেশি ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার প্রসারের ওপর গুরুত্ব প্রদান। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে পাঠ্যক্রমে ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়টির অন্তর্ভুক্তি। কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ’ প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।

কিন্তু শিক্ষায় অর্জন ও উন্নয়নের ফিরিস্তিতে শিক্ষার্থীর মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে অপরিহার্য যে দক্ষ শিক্ষক, তার প্রাপ্য যুক্তিসঙ্গত মানবিক চাহিদা পূরণ ও পেশাগত প্রত্যাশার বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় কোনো কথা নেই।

বাজেট তৈরিতে জনবিচ্ছিন্নতা

আগের বছরগুলোর মতো এবারও বাজেট তৈরিতে সনাতনী আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, কথিত বিশেষজ্ঞদের দোর্দণ্ড খবরদারি ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট জনবিচ্ছিন্নতা বাজেটকে শুধু সাধারণ মানুষের কাছেই দুর্বোধ্য ও জটিল করে তোলেনি; কোন খাতে, কোন কর্মসূচিতে কী বরাদ্দ, কত বরাদ্দ- তা জানতেও হিমশিম খেতে হয়। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় আগে মোটা দাগে গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দের উল্লেখ থাকলেও এবার বাজেটের মঞ্জুরি ও বরাদ্দের তালিকা না দেখে বোঝার উপায় নেই। যেমন মঞ্জুরি নম্বর ২২, ১২৫-মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বরাদ্দ ও কার্যক্রম সম্পর্কিত ৩ নম্বর ক্রমে ‘২০১৮-১৯ অর্থবছরের নিম্নে বর্ণিত উল্লেখযোগ্য কার্যাবলি/প্রকল্প/ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে :’ তালিকার খ-তে উল্লিখিত হয়েছে- ‘নতুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ এমপিওভুক্তকরণ।’ আবার ক থেকে ট বর্ণের মধ্যে বর্ণিত তালিকাটির শিরোনামেও ঘোরপ্যাঁচ মনে হতে পারে। প্রশ্ন উঠতেই পারে, তালিকায় উল্লেখযোগ্য কার্যাবলি/প্রকল্প/কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে। তাহলে এখানে উল্লেখ করা হয়নি এমন কর্মসূচিও কি থাকতে পারে? বাজেটের এসব অস্পষ্টতা ও জটিলতার একটা বড় কারণ বাজেট তৈরির প্রক্রিয়ায় স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ কার্যত নেই বললেই চলে। শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন, এনজিও ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার অতি স্বল্পসংখ্যক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব বাদে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কম মানুষই অর্থমন্ত্রীর সাক্ষাতে মতামত দিতে পারে। শিক্ষক সংগঠন থেকে ই-মেইলে পাঠানো প্রস্তাব বা সুপারিশ পড়ে দেখা হয় কিনা বলা কঠিন। তবে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া বরাবর ‘কেমন বাজেট চাই’ বিষয়ের ওপর প্রস্তাব ও সুপারিশ পেশ করলে তিনি তার ব্যাখ্যা চাইতেন। বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ নিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার মতবিনিময়ের সুযোগ আমার হয়েছে।

নতুন এমপিওভুক্তি ও এমপিওভুক্তদের প্রত্যাশা প্রসঙ্গ

আজ ১১ জুন সকাল ১০টার দিকে আমি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সঙ্গে টেলিফোনে নতুন এমপিওভুক্তি ও বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন পেশাগত দাবি নিয়ে কথা বলি। তিনি আমাকে নিশ্চিত করে বলেন যে, উভয় ক্ষেত্রে সরকারের অনুকূল সিদ্ধান্ত ও বরাদ্দ রয়েছে। শিগগিরই এর বিস্তারিত জানানো হবে। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে একটি দৈনিক খবর ছেপেছে যে, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বার্ষিক পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিতে ৪০০ কোটি টাকা, বৈশাখী ভাতার জন্য ১৮৬ কোটি টাকা এবং নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে। সরকার রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে প্রস্তাবিত বাজেটে বিষয়টি স্পষ্ট করেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী বছরে শিক্ষকদের জন্য উপহার হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।’

বাজেট প্রসঙ্গে অভিন্ন মত, প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা

মত পথ যাই থাকুক- শিক্ষক নেতাদের সবাই একটি বিষয়ে একমত যে, প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষকদের বিভিন্ন সময়ে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো আদৌ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। একইসঙ্গে তারা আস্থাবান যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথাসময়ে তাদের ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশাগুলোর পক্ষে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেবেন। আমি নিজে বিশ্বাস করি, শিক্ষা ও শিক্ষকবান্ধব শেখ হাসিনা যা বলেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন তিনটি সরকারের আমলে শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ও সাফল্য রয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ও দক্ষতা উন্নয়ননীতি ২০১১ প্রণয়নে, বইয়ের বোঝা হ্রাস, শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধকরণসহ শিক্ষার্থীদের বিকাশে বিভিন্ন বাধা অপসারণ ও শিক্ষকদের যৌক্তিক প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে তার ভূমিকা ও সময়োচিত হস্তক্ষেপ বিশেষভাবে উল্লেখ্য। কোনো সমস্যা সংকটে রূপ নিলে অথবা প্রকট হয়ে দেখা দিলে কোনো না কোনো সমাধান সূত্র তার নির্দেশনায় বের হয়ে আসে। এ কথা সত্য, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ ‘সরকারি/বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান বৈষম্য দূরীকরণার্থে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সমান সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্রমান্বয়ে সরকারের আর্থিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষকদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণগত যোগ্যতার আলোকে মূল বেতনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরকার থেকে প্রদান করা হবে’ বলা হলেও এ ক্ষেত্রে এখনও অনেক কিছু করা বাকি। একইসঙ্গে একথা স্বীকার করতে হবে যে, এখন পর্যন্ত যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে তা জনমানুষের নেতা, এরই মধ্যে বিশ্বনেতা হিসেবে স্বীকৃত শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপে হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও সর্বস্তরের মানুষ- যারা বাংলাদেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় অনুপ্রাণিত, সবার উচিত শক্ত অবস্থান নিয়ে তার পাশে দাঁড়ানো। দলীয় বিবেচনায় নয়- বিশেষ করে শিক্ষা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, সামাজিক প্রগতি ও সার্বিক জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত ও শক্তিশালী করতে সব প্রতিকূলতার বিপরীতে এ অবস্থান সময়ের দাবি।

অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ : জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য, প্রবীণ শিক্ষক নেতা

 

সৌজন্যে: যুগান্তর

স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর - dainik shiksha স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন - dainik shiksha চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি - dainik shiksha একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website