বিবৃতির চেয়ে পদক্ষেপ জরুরি - বিসিএস - Dainikshiksha

ক্যাডারভুক্তি প্রসঙ্গে শিক্ষা সমিতির সভাপতিবিবৃতির চেয়ে পদক্ষেপ জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

নব্য জাতীয়কৃত কলেজ শিক্ষকদের পূর্বের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা ক্যাডারে আত্তীকরণ ঠেকাতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জরুরি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আইকে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার। তাঁর মতে, বিসিএস পরীক্ষা ছাড়া ক্যাডারভুক্তি ঠেকাতে বিবৃতি নয় জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। সভাপতির সাফ কথা: “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের কোনো ব্যত্যয় আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।” 

এদিকে, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের দুজন কর্মকর্তার জিপিএ ফাইভ বিক্রি, মন্ত্রণালয়কে ডিঙ্গিয়ে নতুন কলেজের অনুমোদনসহ বিভিন্ন দুর্নীতি ও অপকর্মের দায়ভার কোনোভাবেই সমিতি নেবে না বলে সমিতির সচেতন অংশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত মতামতে তাদের এমন দাবির প্রতিফলন ঘটেছে।

একজন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা তার ফেসবুকে লিখেছেন, “ব্যক্তিগত দুর্নীতির দায় কোনোভাবেই সমিতি নেবে না। আত্তীকরণের বিরোধীতার তকমা লাগিয়ে কোনোভাবেই যেন সমিতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে ক্যাডারের সদস্যদের।

আরেকজন কর্মকর্তা লিখেছেন, “ব্যক্তিগত কাজে গুলশানের সাত তারকা হোটেলে গিয়ে ‍গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সমিতির মহাসচিব। প্রথমে অস্বীকার করলেও গণমাধ্যমে মহাসচিব দাবি করেছেন সমিতির সভা করতে ওয়েস্টিন হোটেলে গিয়েছিলেন। সমিতির অফিস থাকতে ওয়েস্টিনে সভা, তাও বৃহস্পতিবার! সমিতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার আর কতো?”    

“আত্তীকরণ বিরোধী সভা করতে সাত তারকা হোটেলে, এ কথা কে বিশ্বাস করবেন? 

সমিতির সভাপতি শনিবার ফেসবুক গ্রুপে লিখেছেন, “বিবৃতির চেয়ে সমিতির পদক্ষেপ জরুরি। তাই পোস্ট দিই নি। ইফতারের আগের দিন সচিব মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি। উনি পিএসসি'তে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, এটি স্বীকার করেছেন। তবে মাঝামাঝি অবস্হান বলেই মনে হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আমাদের আস্হায় রাখেন নি।ক্যাডার বহির্ভূত করে কাজ হচ্ছে , তাই বলা হচ্ছিলো।শেষে ফাঁক রেখেই বিধি অগ্রায়ন করা হয়।”

তিনি আরও লিখেছেন, “ইফতারের দিন সমিতির জরুরি সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মহোদয়ের সাথে আলোচনা সভাকে অবহিত করেছি। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ হবে বলে আশা করছি। বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডারভুক্ত করা নিশ্চিত নই। মনে হয়, বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে শর্ত শিথিল করে বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করে ক্যাডারভুক্ত করার প্রচেষ্টা থাকতে পারে। নিশ্চিত হবার চেষ্টা করছি।

নতুন জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের সরকারের বিধি বিধান অনুযায়ী যে কোন সুবিধায় আমাদের আপত্তি নেই। তবে, কোনভাবেই আমাদের সাথে সিনিয়রিটি মেলানো যাবে না। সরকারের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী তারা নন ক্যাডার হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের কোন ব্যত্যয় আমাদের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না।

NO BCS NO CADRE ”

স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর - dainik shiksha স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন - dainik shiksha চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি - dainik shiksha একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website