বেহাল প্রাথমিক বিদ্যালয় - মতামত - Dainikshiksha

বেহাল প্রাথমিক বিদ্যালয়

দৈনিক শিক্ষা ডেস্ক |

‘সবার জন্য শিক্ষা’—এই লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ। শিক্ষার প্রসারে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে সরকার। শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাপঞ্জিও কার্যকর হচ্ছে। রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ হয়েছে। প্রতিবছর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে, কমছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। পাসের হারও সন্তোষজনক। তার পরও প্রাথমিক শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। শহরের সঙ্গে গ্রামের শিক্ষার মানের তফাত প্রকট হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নড়বড়ে। গাছতলায় অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়, এমন সচিত্র প্রতিবেদন মাঝেমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে আসে।

মানসম্পন্ন শিক্ষকের অভাব তো আছেই। দেশের ৬৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ হাজারই চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়া। এসব স্কুলে একজন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে সমস্যা হচ্ছে শ্রেণিকক্ষে। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে ৩৪তম বিসিএস থেকে ৮৯৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল সরকারি কর্মকমিশন। গত এক বছরে এই নিয়োগ হয়নি। ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় দেখা দিয়েছে ধীরগতি। তার মাসুল দিচ্ছে অল্প বসয়ী শিশুরা। নতুন নিয়োগ না হলেও কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগও এখন নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ার পর থেকে এই পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির দায়িত্ব পিএসসির। আবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পদোন্নতির জন্য জ্যেষ্ঠতার কোনো তালিকা তৈরি না করায় পিএসসি কর্মরতদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে পারছে না। ফলে দেশের ২১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়া। অন্যদিকে ভাঙাচুরা স্কুলগৃহ তো আছেই, যেখানে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে যেতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এসব স্কুলের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে।

এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু বিনা মূল্যে বই দিয়ে কিংবা বছরের প্রথম দিন থেকে শিক্ষাপঞ্জি শুরু করে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। নিশ্চিত করতে হবে মানসম্মত শিক্ষক, যাঁরা মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করবেন। সেই সঙ্গে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। প্রাথমিক কিছু চাহিদা নিশ্চিত করতে পারলেই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

আসছে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সুপারিশ - dainik shiksha আসছে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সুপারিশ স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন ১৪ মার্চ - dainik shiksha স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন ১৪ মার্চ এনটিআরসিএর ভুল, আমি পরিপত্র মানি না.. (ভিডিও) - dainik shiksha এনটিআরসিএর ভুল, আমি পরিপত্র মানি না.. (ভিডিও) এমপিওভুক্তির নামে প্রতারণা, মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha এমপিওভুক্তির নামে প্রতারণা, মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি শিক্ষকদের কোচিং করাতে দেয়া হবে না: শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha শিক্ষকদের কোচিং করাতে দেয়া হবে না: শিক্ষামন্ত্রী জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী - dainik shiksha জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী ৬০ বছরেই ছাড়তে হবে দায়িত্ব - dainik shiksha ৬০ বছরেই ছাড়তে হবে দায়িত্ব ফল পরিবর্তনের চার ‘গ্যারান্টিদাতা’ গ্রেফতার - dainik shiksha ফল পরিবর্তনের চার ‘গ্যারান্টিদাতা’ গ্রেফতার নকলের সুযোগ না দেয়ায় শিক্ষিকাকে জুতাপেটা - dainik shiksha নকলের সুযোগ না দেয়ায় শিক্ষিকাকে জুতাপেটা প্রাথমিকে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড প্রার্থীদের ২০ শতাংশ কোটা - dainik shiksha প্রাথমিকে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড প্রার্থীদের ২০ শতাংশ কোটা ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু - dainik shiksha ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ - dainik shiksha প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website