please click here to view dainikshiksha website

ভাতিজির সঙ্গে প্রেম, স্কুলছাত্রের পায়ের নখ তুলে নিল চাচা

গাজীপুর প্রতিনিধি | আগস্ট ১১, ২০১৭ - ৮:২৬ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামি নামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, প্লায়ার্স দিয়ে ওই ছাত্রের পায়ের নখও উপড়ে ফেলা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কিবরিয়া নামে একজনকে আটক করেছে।

বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি শুক্রবার বিকেলে জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এবং ওই স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রের অভিযোগ, আশুলিয়ার কুরগাঁও এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে পড়াশুনা করে সে। তাদের ভাড়া বাড়ির পাশের বাড়ির একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হলে ওই মেয়ের চাচা কিবরিয়া তাকে নানা সময়ে হুমকি দিয়ে আসছিল।

এরই সূত্র ধরে গত বুধবার বিকেলে ওই মেয়ের চাচা কিবরিয়া তাকে জোড় করে তুলে নিয়ে যায় এবং রড় দিয়ে মারধর করে। এসময় কিবরিয়া এবং তার লোকজন প্লায়ার্স দিয়ে ওই ছাত্রের পায়ের নখও উপড়ে ফেলে।

এদিকে, বিষয়টি শুক্রবার বিকেলে জানা জানি হলে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এবং ওই স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল জানান, এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত কিবরিয়াকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৫টি

  1. হুমায়ুন কবির says:

    শুধু মামলা নয়। সমাজের এ ধরণের ভয়ানক মানব-পশুকে সরাসরি ফায়ার।

  2. হাজী মোঃ শামীম উজ্জামাম says:

    অল্প বয়সে লেখাপড়ার উপর থেকে সরে এসে প্রেমে পরা ঠিক না। মানা করার পর ছাএের উচিৎ ছিল ঐ ছাত্রীর সহিত প্রেম না করা।

  3. Abu Taher says:

    প্র‌‌েম শিখ্খা দ‌িতে এমন হ‌িংস্রতা দরকার আছ‌ে।সমাজটা রসাতল‌ে চল‌ে গেল।শাসন না থাক‌ায় প্র‌েমের ছল‌ে অবৈধ য‌ৌনতায় সমাজ পচ‌ে গেছ‌ে।এমন হ‌িংস্রতায় যদ‌ি সমাজটার পচন একটু ন‌িরাময় হয় তাহল‌ে সমাজ বাচব‌ে।

  4. এম.সোলায়মান এম.এ says:

    যার প্রেম ধরা পরেছে সে কিন্তু চোর আর যার প্রেম ধরা পরেনি সে কিন্তু সাধু

  5. awal,natore says:

    এমন শাস্তি দেওয়া ঠিক হয়নি।

আপনার মন্তব্য দিন