ভিকারুননিসার শিক্ষকরা ভর্তিবাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত : অধ্যক্ষ হামিদা আলী - কলেজ - Dainikshiksha

ভিকারুননিসার শিক্ষকরা ভর্তিবাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত : অধ্যক্ষ হামিদা আলী

নিজস্ব প্রতিবেদক |

ভিকারুননিসা এখন আর আগের ভিকারুননিসা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটিতে ২১ বছর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করা হামিদা আলী। শিক্ষকরা ভর্তিবাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মানুষ গড়ার কারিগরের মতো করেই শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের গড়বেন। শিক্ষকদের এই মানসিকতা না থাকলে তো হবে না। এখন পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নাই এখানে।  এক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে আলাপকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হামিদা আলী।

নানা ঘটনায় বিগত বিএনপি-জামাত জমানায় ভিকারুননিসা ছাড়তে হয় হামিদা আলীকে। বর্তমানে তিনি সাউথপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান। তিনি আরও বলেন, এখন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তেমন কোনো পড়াশোনা হয় না। ছাত্রীরা যেটুকু ফলাফল করছে সেটি বাইরে প্রাইভেট-টিউশনি করে করছে। শিক্ষকরা ভর্তিবাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত। এসব বাণিজ্যের তদন্ত হওয়া উচিত। বাণিজ্য যারা করছে তাদের প্রকৃত চেহারা মানুষের সামনে উন্মোচন করা দরকার। এটি করা না হলে আজ হয়তো দেখা দেবে এক সমস্যা, কাল হবে আরেক সমস্যা। তিনি বলেন, ভিকারুননিসায় যা চলছে তা বলে শেষ করা যাবে না।

এমন ঐতিহ্যবাহী স্কুলে কীভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া একের পর এক শিক্ষক ‘বাই রোটেশন’ অধ্যক্ষ হচ্ছেন? তাদের অভিজ্ঞতার কোনো বালাই থাকছে না। এ কারণেও বাড়ছে সমস্যা। অভিভাবকদের কেউ কেউ আমার কাছে এসে বলেন, তারা ৬ থেকে ৮ লাখ টাকায় তাদের সন্তানদের ভর্তি করাচ্ছেন। সাবেক অধ্যক্ষ হিসেবে এসব শুনলে অসুস্থ হয়ে যাই আমি।

হামিদা আলী বলেন, বাবা-মা তার আদরের সন্তানকে মানুষ করতে শিক্ষকদের কাছে পাঠান। এই শিক্ষার্থীদের ভালো-মন্দ দেখার দায়িত্ব শিক্ষকদের। আমি ৫৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। শিক্ষার্থী নির্যাতন, নিপীড়নকে ভালোভাবে দেখার কোনো সুযোগ নাই। এগুলো নিষিদ্ধ।

পরীক্ষায় কোনো ছাত্রী নকল করলে তো তাকে সংশোধন করতে হবে। নকলের শাস্তি তো ছাড়পত্র হতে পারে না। আমরা যেসব শিক্ষক পড়াই, আমাদেরও তো দোষ রয়েছে। তবে শুধু কেন শিক্ষার্থীর দোষ ধরা হবে? এমন ঘটনার নিন্দা জানাই। এমন শুনলে কষ্ট পাই আমি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি মানসিক কাউন্সেলিংও দরকার। তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে শিক্ষকদের।

শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ - dainik shiksha শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট - dainik shiksha বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের - dainik shiksha শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি - dainik shiksha ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি দাখিল ও আলিম মাদরাসার তথ্য চেয়েছে বোর্ড - dainik shiksha দাখিল ও আলিম মাদরাসার তথ্য চেয়েছে বোর্ড এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার সূচি - dainik shiksha এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার সূচি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াবে আওয়ামী লীগ - dainik shiksha সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াবে আওয়ামী লীগ পৃথক শিক্ষা চ্যানেল, জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি বিএনপির - dainik shiksha পৃথক শিক্ষা চ্যানেল, জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি বিএনপির অবসর ও কল্যাণের চাঁদার হার বাড়ছে না : শিক্ষাসচিব - dainik shiksha অবসর ও কল্যাণের চাঁদার হার বাড়ছে না : শিক্ষাসচিব প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর - dainik shiksha প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website