মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা প্রকাশ - এমপিও - Dainikshiksha

মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক |
বেসরকারি মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।  চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর, শিক্ষক-কর্মচারী বদলি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে নীতিমালায়। একইসঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে নারী কোটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অারও পড়ুন: কারিগরির নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা প্রকাশ 

নীতিমালায় মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীর বয়স ৩৫ বছর করা হয়েছে। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিল করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ ৬০ বছর পর্যন্ত নির্ধারিত হবে। এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে সমপদে বা উচ্চতর পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

মাদরাসা এমপিও নীতিমালায় নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। দাখিল মাদরাসার জন্য সুপারিনটেডেন্ট, সরকারি সুপারিনটেডেন্ট, সহকারী মৌলভীসহ বিষয় ভিত্তিক সহকারী শিক্ষক কর্মচারী মিলে মোট ২৬টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আলিম মাদরাসার জন্য অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, বিষয়ভিত্তিক প্রভাষক, সহকারী শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৩৪টি এবং ফাজিল স্তরে ৩৫টি এবং কামিল মাদরাসার জন্য ৪৩টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ জুন স্কুল ও কলেজকে এমপিও দিতে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০১৮’ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এ নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ রাখা হয়। এই নীতিমালার মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগের বিধান রেখে নীতিমালা জারি করা হয়।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রয়োজনবোধে নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি করতে পারবে। মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে,শিক্ষা জীবনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে একটি তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি বা সমমান গ্রহণযোগ্য হবে।  

নারী কোটা মানার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে নীতিমালাতে। কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে এ নিয়ম আগে থেকেই প্রচলিত থাকলেও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তা ছিলো না। সরকার নারী কোটা মানার বাধ্যবাধকতা আরোপ করলে মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এর আগে আপত্তি জানানো হয়েছিলো। নারী শিক্ষক না পাওয়ার কারণ হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হলে পরিপত্র জারি করে পরে তা শিথিল করা হয়। তবে এবার মাদ্রাসা নীতিমালায় এ কোটা পালন করতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার প্রসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে শর্ত শিথিল করা হয়েছে  নীতিমালায়। বলা হয়েছে, নীতিমালার আওতায় আরোপিত যে শর্তই থাকুক না কেন- শিক্ষার প্রচার, প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সরকার কয়েকটি ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করতে পারবে। সেগুলো হলো-শিক্ষায় পশ্চাৎপদ এলাকা, দারিদ্রপ্রবণ এলাকা, শিল্পাঞ্চল, ভৌগোলিকভাবে অনগ্রসর এলাকা যেমন— পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওর ও চরাঞ্চল, নারী শিক্ষায় অনগ্রসর এলাকা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী, বিশেষভাবে চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী ও বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারের বিবেচনায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত যেকোনো ক্ষেত্র।

নীতিমালায় এমপিও প্রদানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, শর্তপূরণ করলেই বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে তা নয়, সরকারের সামর্থ্য থাকতে হবে। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য নতুন নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে প্রতিষ্ঠানকে আবেদন জানাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ‘এমপিওভুক্তির আবেদন বাছাই কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি এমওিভুক্ত করতে আবেদন বাছাই করবে। অনলাইনে আবেদনের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গ্রেডিং পদ্ধতি মেনে এমপিওভুক্ত করা হবে। 

 
আলিমের নম্বর বণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha আলিমের নম্বর বণ্টন প্রকাশ এমপিওভুক্ত হচ্ছেন স্কুল-কলেজের ৯০৯ শিক্ষক - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হচ্ছেন স্কুল-কলেজের ৯০৯ শিক্ষক সরকারি হল আরও ৪৩ প্রতিষ্ঠান - dainik shiksha সরকারি হল আরও ৪৩ প্রতিষ্ঠান পদোন্নতি পাচ্ছেন সরকারি হাইস্কুলের সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষক - dainik shiksha পদোন্নতি পাচ্ছেন সরকারি হাইস্কুলের সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষক বিশেষ মঞ্জুরীর টাকার আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha বিশেষ মঞ্জুরীর টাকার আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত টেস্টে ফেল করলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না - dainik shiksha টেস্টে ফেল করলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না শূন্যপদের চাহিদা পাঠানোর সময় ফের বাড়ল - dainik shiksha শূন্যপদের চাহিদা পাঠানোর সময় ফের বাড়ল দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website