please click here to view dainikshiksha website

রংপুরে অকারণে বাতিল হয় এমপিওভুক্তির আবেদন

দৈনিক শিক্ষা ডেস্ক: | আগস্ট ৮, ২০১৭ - ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

হাতে ফাইল নিয়ে শিক্ষা অফিসের মাঠের এক কোনায় গাছের ছায়ায় বসে আছেন তিনি। ঘামে ভিজে ফাইলটি অনেক জায়গায় ছিঁড়ে গেছে। কাছে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বসতেই শুরু করেন তার দুঃখের কথা। তিনি হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক। পাঁচ বছর ধরে রংপুরে শিক্ষা অফিসে ঘুরছেন এমপিওভুক্তির জন্য। তার অভিযোগ, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই প্রতিবার অনলাইনে করা আবেদন বাতিল করা হয়। আবদুর রাজ্জাক মাহিগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের কথা শুনে কী লাভ? শিক্ষা অফিসে ঘুরতে ঘুরতে স্যান্ডেল ক্ষয় হয়ে গেল, কিন্তু কোনো কাজই হলো না। অফিসের কর্মকর্তারা আমাকে দেখলেই বলেন, এখন সময় নেই কথা বলার, পরে আসেন। জীবনে মনে হয় বড় পাপ করেছি শিক্ষকতা পেশায় এসে।’

আবদুর রাজ্জাক আরও বলেন, প্রথমবার অনলাইনে আবেদন করার পর শিক্ষকদের তালিকায় নাম না থাকায় বাতিল করা হয় তার ফাইলটি। আবার আবেদন করার সময় বলা হয়, পোস্ট নেই, তাই রিজেক্ট করা হলো। পরে আবারও আবেদন করলে বলা হয়, ওই পদে লোক রয়েছে। অথচ ওই পদে লোক পাঁচ বছর আগে চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। সে-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেওয়ার পরও তার ফাইল বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় ধাপে ধাপে অর্থ দেওয়ার পরও কাজ হচ্ছে না। এ পর্যন্ত প্রায় চার লাখ টাকা খরচ হয়েছে। শুধু আবদুর রাজ্জাকই নন, এমপিওভুক্তির জন্য অনেক শিক্ষক আসেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রংপুর আঞ্চলিক অফিসে। দিনের পর দিন ঘুরেও কোনো সমাধান হয় না তাদের সমস্যার।

চৌধুরানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফারুখ হোসেন চার বছর ধরে ঘুরেও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। অনলাইনে নিবন্ধন করা হলে একেক সময় একেক ধরনের সমস্যা দেখিয়ে ফাইলটি বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য যদি বছরের পর বছর ঘুরতে হয়, তাহলে শিক্ষিত জাতি কীভাবে গড়ে উঠবে?

বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়ের চার শিক্ষক তিন বছর ধরে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করছেন। বারবার কোনো না কোনো কারণ দেখিয়ে বাতিল করা হচ্ছে আবেদন। বাংলার শিক্ষক মোখলেছুর রহমান জানান, তিন বছরের বেশি সময় ধরে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করছেন; কিন্তু হচ্ছে না। এ পর্যন্ত তার দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। চাঁপাইদহ বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক শাহ আলমও ছয় বছর ধরে ফাইল নিয়ে ঘুরছেন; কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর প্রথমে উপজেলা শিক্ষক অফিসে গিয়ে ফাইলটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। সেখান থেকে যায় জেলা শিক্ষা অফিসে। সেখানেও একই অবস্থা। টাকা না দিলে ফাইল ছাড়া হয় না। সেখানে ফাইলটি ছেড়ে দিলে মাউশি অফিসে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট করা হয়। ফাইলটি ওই পর্যন্ত নিয়ে যেতে পরিশ্রম ও খরচ সব মাটি হয়ে যায় বলে জানান শিক্ষক ফারুখ হোসেন।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাসুম হাসান বলেন, শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদনে জটিলতা রয়ে গেছে। সামান্য একটু ভুলের কারণে আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া টাকা-পয়সার লেনদেনের বিষয় তো রয়েছেই।

বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ মিঞা বলেন, নিবন্ধনে টাকা-পয়সা খরচের পাশাপাশি হয়রানি হতে হচ্ছে শিক্ষকদের। বারবার আবেদন রিজেক্ট করা হলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শিক্ষকরা। অবৈধ লেনদেন বন্ধ এবং সহজ পদ্ধতিতে শিক্ষক এমপিওভুক্তির দাবি জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা বেগম জানান, এখন শিক্ষক নিবন্ধন হয়রানি অনেক কমে গেছে। অবৈধ লেনদেনের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, কাগজপত্র ঠিকভাবে না দিয়েই অনেকে আবেদন করেন। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই একার পক্ষে কাউকে ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য জেলার চেয়ে রংপুরে শিক্ষক এমপিওভুক্তি বেশি হচ্ছে। এবার ২৫০ শিক্ষক এমপিওভুক্তি হয়েছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তাক হাবীব বলেন, সবকিছুর একটা নিয়ম রয়েছে। নিয়মের বাইরে তো কেউ নয়। আবেদনে যেসব প্রয়োজন তা যদি ঠিকভাবে কেউ দেন, তাহলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তিনি অর্থ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সূত্র: সমকাল

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৮০টি

  1. ভূপাল প্রামানিক, প্র:শি: নামুজা উচ্চ বি: & সেক্রেটারি, বা: প্রধান শিক্ষক সমিতি, বগুড়া সদর। 01711 515468 says:

    Very sad.

  2. মোঃ মানিক উদ্দিন says:

    দশবারো জন শিক্ষক তাদের ভোগান্তির কথা শুনে মনে হলো তারা মিথ্যা বলেননি। অথচ এ প্রসঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা বেগম জানান এখন শিক্ষক নিবন্ধন হয়রানি অনেক কমে গেছে। তার মানে হয়রানি হয়েই থাকে এখন বুঝতে পারলাম আগে হতো 120% এখন 100% ধন্যবাদ।

  3. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চৌঃ, অধ্যক্ষ, দেওগাঁও বকুলতলা কলে, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর। says:

    শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই স্বীকার করেছেন যে, হয়রানী কমে গিয়েছে। তারমানে হয়রানী বন্ধ হয়নি। এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয় না? এর জন্য কি নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষও দায়ী নয়? তারা ব্যবস্থা নেয় না, কারণ তাঁদের কারো কারো মাঝে অনেক গলদ রয়েছে।

  4. শেখ শামাউন says:

    শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়োগ পদ্ধতি আরও যাচাই বাছাই হওয়া দরকার। তারা শিক্ষকদের সঙ্গে অসাদাচরণ করলে, অহেতুক হয়রানি করলে বিভাগীয় বিভিন্ন স্বাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার। শিক্ষা দান কার্যক্রমের তারাও একটি অংশ।

  5. Zzaman says:

    Shob Shala Thief Dio madam taka khai shata Ashraful ar madhoma , ai mohila akta baza manus ataka sharano uchit ta na hala shonar bangla gara haba na.Ar Ashraful akta pion haya o Rangpur shahara 5 ta bari kara ki vaba?????????????????

  6. শম্ভু রঞ্জন দাস says:

    এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে এত ছেলে খেলা কেন? শিক্ষাক্ষেত্রে কি তাদের কোন অবদান নেই?

  7. মোঃ কামাল হোসেন says:

    আমরা এই অবস্থা থেকে কবে পরিত্রান পাবো,গোটা জাতীর কাছে আমার প্রশ্ন।

  8. Khasru says:

    বেসরকারিতে নানান সমস্যা এর একমাত্র সমাধান জাতিয়করন।

  9. মো.আলাল মিয়া, সহকারী শিক্ষক দেওয়ানগজ্ঞ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।দেওয়ানগজ্ঞ,জামালপুর says:

    টাকা দিউয়ও বেতন হয় না।

  10. জামান says:

    অনলাইন এমপিও শুরু হয় ২০১৫ সালের জুন মাসের পর থেকে কিন্তু যে সকল শিক্ষক অভিযোগ করেছেন তাদের নিয়োগ তারও ২/৩ বছর অাগে। বিষয়টি কেন অাঞ্চলিক অফিসকে দায়ি করছেন। তাদের নিয়োগ/পদের প্রাপ্যতা/নিবন্ধন কোন জটিলতা রয়েছ না হলে ডিজি অফিস তাদের এমপিও কেন করেননি।লেখক মহোদয় কোন অভিযোগ লিখার সময় মূল সমস্যা চিহ্নিত করবেন। বেশিরভাগ মানুষ নিজের সত্য সমস্যা অন্যকে বলেনা কিন্তু অপরের কাজের ভুল তথ্য দেয়। শিক্ষাতে খারাপ অভিযোগ অাছে তবে অন্যায় অাবদার একটি কারণ।

  11. সারোয়ার says:

    জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাসুম হাসান ? কি এখনো কর্মরত আছেন???????

  12. pearul says:

    100% right.Ami NTRCA kattik niog prapto &all paper right howa sotteo 8 month por mpo pelam.samnno karone file reject Kore but mpo Pete kono taka large nai.Maddhomic(Tarikul sir)&DO sir Safikulsir)honest.online mpo rekhe mpo poddhti sohoj kora darkar.

  13. মো: ফারুক হোসেন, says:

    একটা জাতিকে ধংস করতে হলে প্রথমে তাদের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ধংস করতে হয়। আর গোটা শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ধংস করার সহযোগি হিসেবে এরা কাজ করছে। বড় পরিতাপের বিষয় এরা নিজেদের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে নিজরাই শেষ করে দিচ্ছে। এদের শুভবুদ্ধির উদয় হউক।

  14. নূর এ ইলাহী says:

    বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো বিধি 2010 যা 2013 পর্যন্ত সংশোধিত।যারা এই কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত তাদের এই বিধিটি সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারনা না থাকার কারণে শিক্ষক দের এই ভোগান্তি । এ ক্ষেত্রে এই সমস্ত পদে যোগ্য লোকদের বসানো প্রয়োজন ,সেক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়ার প্রয়োজন হলে তাই করতে হবে।এতে করে ভোগান্তি দুর হবে ভুক্তভোগী শিক্ষক দের।

  15. Ali akbor says:

    ami nijei 6 bar AP scaler dorkhastho koreo file reject.

  16. moniruzzaman;bezpara hayatunnesa dakhil madrasah.koyra; khulna says:

    Very Very sad. We want to realise these problems.

  17. সুভাষ, দক্ষিণ বল্লভপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ছাগলনাইয়া,ফেনী says:

    শুধু রংপুরে নয় সব জায়গায়। যেখানে টাকা ছাড়া ফাইল খালাস হয় না । মনে হয় যেন বন্দরের মাল খালসের মত।

  18. Md.Ahsan habib . Chilahat ju Fazil Madrasha says:

    কে শুনে কার কথা ? আমরা যে বে-সরকারি শিক্ষক দেখার কেউ নাই ।

  19. মোঃ এরশাদুল হক, প্রভাষক (জীববিজ্ঞান ও আইসিটি), আদর্শ এতিমখানা দ্বিমুখী সিনিয়র মাদ্রাসা। says:

    হায়রে সোনার বাংলা!
    এই সোনার বাংলায়; আজ তামা ফলে।
    খনি ছাড়াই স্বর্ণ মেলে!

  20. সমরেন্দ্র চন্দ্র সরকার, তারাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ। says:

    জেলা শিক্ষা অফিসার কর্তক, সর্ব শেষ এমপিও জন্য প্রথম বার ফেরত ,২য় বার নন ড্রয়াল এর জন্য, ৩য় বার যদি সবগুলো কারণ এক সাথে দেয় এই প্রার্থনা, তাহলে ৪র্থ বার এক সাথে অনলাইন আবেদন করা যাবে। কিশোরগঞ্জ জেলা।

  21. Md.Jowel Rana says:

    যে চুরি করে সে কি স্বীকার করে আমরা এতই বোকা যে এই কথাটা বুজি না।ষোষখোর্ লোকেরাও স্বীকার করবে না কারন তারা জানে এটা বাংলাদেশ ।এ দেশে কিছু হবে না ।

  22. মোঃ মাহবুবুর রহমান says:

    আপনার মন্তব্য

    ভাল করে বিধিমোতাবেক যাচাই কতৃ্পক্ষ করলে সুফল মিলবে ।

  23. মোঃ সোহেল রানা, বড়ভিটা ফাযিল মাদরাসা , নীলফামারী । says:

    ২০০৪ সালে কম্পিউটার শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেয়ে সবার দ্বারে দ্বারে ঘুরে কত যে বেকায়দায় আছি তা যদি মান্যবর ডি,ডি মহোদয় বুঝতেন তবে আমার মত নিরিহ ব্যক্তির কত যে উপকার হত সেটা আমার মত ভুক্তভোগীরাই সুধু বুঝবেন । কেন স্যার আমাদের বার বার কাদাচ্ছেন ? আমাদের পরিবারকে কাদিয়ে আপনার কি লাভ ।
    আমি বুঝিনা, ডিজিটাল দেশে কি আসলে কম্পিউটার শিক্ষকদের কোন দরকার আছে ?

  24. Md.Mozaharul islam Ektiarpur s.s high school says:

    সহানুভূতিশীল হলে ভালো হয়।ফাইল ১০০% হয় না।

  25. মোঃ হাসান says:

    কুত্তার জাত, ওদের পড়িয়ে পড়িয়ে ঘুষখোর বানিয়েছি । লজ্জ্যা লাগে ।

  26. আঃ হক says:

    কে শুনে কার কথা ? ওরা যে বে-সরকারি শিক্ষক দেখার কেউ নাই ।

  27. Md. Sohel Rana says:

    vai amra to sotkarer sotiner sele. Tai amader aj a obostha.

  28. মো: রোকানুজ্জামান says:

    আমি একদিন সকালে গিয়ে সারা দিন বসে ছিলাম কিন্তু ডিডি স্যারের সাথে দেখা করতে পারিনি। তিনি ওনার কক্ষে বসে ছিল ক্ন্তি কোন সময় দেয়নি।আমার ফাইল 2 বার রিজেক্ট করে দিয়েছে কোন নির্দিশ্ট কারন ছাড়া। তাদের মতে দিনাজপুর বোর্ডে উপ-বিদ্যালয় পরির্দশক জনাব আলতাফ হোসেন স্বক্ষরে কমিটি ও স্বকৃতি অনুমোদন ঠিক আছে কিন্তু তার স্বাক্ষরে শাখার বৈধতার কাগজ ঠিক নাই । এটি কোন ধরনের নীতি আমার জানা নাই। দিনাজপুর বোর্ডে উপ-বিদ্যালয় পরির্দশক জনাব আলতাফ হোসেন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন আমার স্বাক্ষরে কাজ হবে না আমাকে লিখিত কাগজ দেখাক। আমি আমার ক্ষমতা বলে এগুলো দিয়ে থাকি।

  29. এম এ হোসেন says:

    শিক্ষাবোর্ডের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সপার্ট, শিক্ষাঅফিসের সুপারিশের ভিত্তিতে কলেজের শুন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পরেও শুধুমাত্র যাচাই করে এমপিও দিতে কি বছরের পর বছর সময় লাগে?

  30. মো:জসিম উদ্দিন,সহকারী শিক্ষক(গণিত),কল্যাণী উচ্চ বিদ্যালয়,বীরগঞ্জ,দিনাজপুর। says:

    এই অনিয়ম দুর্নীতি সরকার বন্ধ করতে পারবে কি?তবে এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সরকারকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।

  31. M. Rahman says:

    কি আর বলবো ভাই! বেসরকারি কলেজে চাকুরি করতে যেন কেউ না আসে। বেতন করানো, আর একটা যুদ্ধে জেতা সমান কথা। প্রথমে উপজেলায় ঘুষ দিয়ে জেলায় আনতে হয়, তারপর জেলায় ঘুষ দিয়ে ডিডি অফিসে আনতে হয়, এরপর যদি ডিডি অফিসে ঘুষ কম হয়, তবে ফাইল আবার গোরায় চলে যায়। জাতী এর থেকে মুক্তি চায়! চাকুরি যেদিন, বেতনও সেই দিন নিশ্চত করতে হবে।

  32. মোস্তাফিজুর রহমান।সহ:শিক্ষক(গনিত)দূর্গাপুর হাজী মোবারক আলী দাখিল মাদরাসা।বরিশাল।01711857492 says:

    চোরের আস্তানা হয়ে গেছে মাঊশি পুলিশ কোথায়

  33. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক .বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ. দিনাজপুর says:

    প্রধান শিক্ষক অফিস, অধ্যক্ষ অফিস থেকে শুরু করে শিক্ষকদের মাথার উপর যত অফিস আছে সবাই সাধারণ শিক্ষকদেরকে শোষণ করে যাচ্ছে। এজন্য শিক্ষকদের মধ্য হতে বিকল্প শিক্ষক সংগঠন দরকার।

  34. রবিন says:

    ৩-৬ বছর ধরে যে শিক্ষকরা ঘুরছে ,রংপুরে তো mpo দেয়া শুরু হয়েছে ২ বছর হলো।

  35. Md. Mafizur Rahman (A.T) , P.S.S Secondary School, Daulatpur, Kushtia says:

    ফাইল ঠিক থাকলেও যে কোন কারন দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হয়। অথবা অন-লাইনে একটি কাগজ আপলোডের অপশন নেই কিন্তু রিজেক্ট করে দিয়ে লিখবে -“এই কাগজ পাওয়া যাইনি”। আসল কথা- “টাকা দাও, না হয় ফাইল রিজেক্ট খাও”।

  36. Sumon mahmud says:

    সবজায়গাতেই প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ সহকারি শিক্ষক/ প্রভাষক দের শোষন করে। প্রশেসনের কর্মকর্তারা জানলেও তারা প্রতিষ্ঠানদের পক্ষনেয়। চোরে চরে মাসতুতু ভাই!”””

  37. মোঃ শাহজাহান মিয়া says:

    এমপিও প্রক্রিয়াটি অনলাইনের মাধ্যমে হওয়াটা খুবই ভাল। তবে একটি দপ্তরে থাকা দরকার। সরকার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে শুরু মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর হাতে এমপিও ভূক্তির জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষা অফিস, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অফিস এরা তাদের বাব দাদাদের সম্পদ মনে করেন। এ বিষয়টি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এমপিও ভূক্তির জন্য কার্যক্রম ঢাকাতে থাকাই ভাল। (একটি দপ্তরে)

  38. md.azad says:

    কোন সমস্যা নেই তার পরও রংপুরের ডিডি মোস্তাক হাবীব ফাইল রিজেক্ট করেন।মনে হয় ওনার বাবার টাকা দিবেন।যে শিক্ষককে মর্যাদা দেয়না সে বড় বেয়াদব।আর এ বেয়াদবটাকে আন্দলন করে না সরালে আমারা শান্তি পাবনা।প্র্যাপ্ত নুযায়ী নিয়োগকৃত সকল শিক্ষকের দ্রুত এমপিও দিন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ুন। এটা আমার মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে। আবেদন।

  39. Debendro sarker says:

    টাকা দিয়ে এদের কে জনম দিয়েছে,চাকুরি থেকে মাঠে নামা উচিত।তানা হলে শিক্ষার মান কি বুঝে।

  40. আবুল খায়ের says:

    কথা না লিখে থাকতে পারলামনা। অনেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে লিখছে। আমার মনে হয় অন লাইন পদ্ধতিতে এমপিও ভুক্তিতে ভোগান্তি পুরোটাই কমেছে। আগে পুরো ফাইলই হারাত। আবার নতুন করে ফাইল বানাতে হত। কত ঝামেলাপূর্ণ কাজ। এখন তা হয় না। বাড়িতে বসে খবর নেওয়া যায়। আমার এমপিও তে ১ টাকাও খরচ হয়নি। আমি কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর এ গত মে/২০১৭ তে সহঃ প্রধান শিক্ষক পদে এমপিও ভুক্ত হয়েছি। রংপুরের জেলা শিক্ষা অফিসার রোখসানা ম্যাডাম অমায়িক লোক। আমার মনে হয় এক শ্রেণির দালাল আছে- যারা অন লাইন পদ্ধতিকে বিতর্কিত করে ফায়দা লুটতে চাচ্ছে। ঢাকা ডিজি অফিসের তিক্ত অভিজ্ঞাতা যাদের আছে- তারাই যানে সেটা কি ছিল। আমি এই পদ্ধতিকে সাপোর্ট করি, যে যাই বলুক।

  41. Md. Asaduzzaman. says:

    There is no system of Bangladesh.

  42. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    দালাল জামান ভাই কে অনুরোধ আপনি আমার কাগজ পত্র দেখন তার পর মন্তব্য দিবেন।

  43. helal says:

    এম পি ও নির্দেশীকায়্ আছে ব্যাংক নণ ড্রয়াল অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট। কিণ্তু রংপুর আইন করেছে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ছাড়া এম পি ও ভূক্ত হবে না তাহলে এম পি ও নির্দেশীকায় কার জন্য

  44. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    চট্টগ্রামের এডিডি জসিম সাহেব শুধু ঘোষ এর জন্য আমার ফাইল দুই বার রিজেক্ট করে যে খানে উচ্চ আদালতের রায় আছে। তার পরও আঞ্চলিক অফিসে ঐ ঘোষ খোর ফাইল ছাড়লেন না।

  45. মোঃ রশিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক, সরল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়, আদিতমারী, লালমনিরহাট। says:

    যারা ৩/৪ বছর যাবত বিলের পিছনে ঘুরাঘুরি করে, তাদের কাগজপত্রে অবশ্যই ত্রুটি আছে। আমার বিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাগারিকের কাগজে ত্রুটি থাকায় তা দুইবার রিজেক্ট করা হয়। কিন্তু এবার ত্রুটি সংশোধন করায় তা মাত্র ৬ দিনে সকল টেবিল পার হয়। আমি নিজেই তার (সহকারী গ্রন্থাগারিকের) ফাইল তিনবার পাঠিয়েছি আমার ১ টাকাও খরচ হয়নি। আমার নিজের (প্রধান শিক্ষকের) ফাইল ০৯/০৭/২০১৭খ্রিঃ তারিখে রিজেক্ট হয়। আমি গত ২০/০৭/২০১৭ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তাক হাবীব স্যারের সাথে অল্প সময়ের মধ্যে দেখা করি, তিনি আমাকে সুন্দর ভাবে পরামর্শ দিয়েছেন। দুটি কাজের জন্য (টিএ ডিএ) বাদে আমার ১ টাকাও খরচ লাগেনি। তবে আমার খুদ্র জ্ঞানে সকল মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, জেলার শিক্ষা অফিসার বা উপ-পরিচালক মহোদয় সম্পর্কে ধারণা নেই।

  46. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    সকলেই তো আপনার মতো রশিদ স্যার নয়। যেখানে আমার অধ্যক্ষ নিজেই ঘোষ. খোর কার কাছে বলব। অসংখ্য জালিয়াতি র মাধ্যমে ঠিকে আছে।

  47. জামান says:

    শ্রদ্ধেয় অাকতারু অালম স্যার যে সকল শিক্ষক টাকা দিয়ে চাকুরি নেই, তারা কেমন শিক্ষক। তারা অনেকেই জানে না তার পদে বেতন হবে কিনা। অার যেসব শিক্ষক সনদ কিনে চাকুরি করেন কিন্তু অার যারা কষ্ট করে সনদ অর্জন করে চাকুরি পায় না তাদেরেক কি বলবেন।যারা চাকুরি পরীক্ষায় ভাল করেন কিন্তু চাকুরি তাদেরেকে না দিয়ে তাদেরকে দেয় যারা অন্যভাবে সম্মান করে।

  48. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    অপর দিকে আমাদের উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব সেলিম স্যার নিজের টাকা খরচে ফাইল চট্টগ্রামে পাঠিয়েছেন রাত 10টা11টায় খবরাখবর নিয়েছেন। তাই বলে ঘোষ খোর অধ্যক্ষ এবংজসিম সাহেব কে ভাল বলতে পারিনা ।

  49. মোঃ আনিসুর রহমান যাদু অফিস সহকারী says:

    অন-লাইনে এম পি ও ভুত্ত কার্যক্রম বাতিল করে পুর্বের নিয়ম চালু করা উচিত ।

  50. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    শ্রদ্ধেয়.রশিদ স্যার সকল কে যদি 100%দেন তাহলে জালিয়াতি ও ঘোষ খোর বেড়ে যাবে। দয়াকরে এদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন। আমার মত অসহায়দের পাশে দাড়ানোর অনুরোধ. রহিল।

  51. Md. Mahfuzur Rahaman says:

    Abdur razzak vai er bapare amio shahomormita prokash korce . amar scale change er shamoy erokomy ghatona ghotechilo .shamoy hole details janabo . on line er ageo dd/ad ra ghush nie erakom kaj koreche .Siddik vai apni shob school/college e jabar ebong toitho janar adhikar rakhen kina .tahole ami ba amar mato anekei apnake shohaota korbe asha kore .

  52. Habib says:

    দেখার কেউকী নেই!

  53. আল মোতি লিটন says:

    কবি বলেছন একবার না পারিলে দেখ শতবার। আমাদের শিক্ষাগুরুরা চার থেকে পাঁচবার চেষ্টা করেছেন মাত্র। ডিডি মহোদয় চাইছেন শতবার চেষ্টা করুক।

  54. Waziullah says:

    আসসালামু আলাইকুম
    আমি নিজে একজন ভুক্তভোগী শিক্ষক ….
    আজ থেকে প্রায় 20 মাস হলো MPO ভুক্ত হতে পারিনি.ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস এযাবৎ 7 (সাত)
    আমার File Reject করেছেন..1.First MPO copy Not found…Mark by …DD
    কিন্তুু আমার পরে সহ: প্রধান নিয়োগ পেয়ে একই MPO copy দিয়ে MPO ভুক্তি হয়েছেন 2016 সালে.
    আর বাকি কারন গুলো না লিখি…জানিনা এবার কি হবে….

  55. Md.Hamidur Rahman says:

    Jatiokoron is only solution of the non govt. teachers.

  56. মোহাম্মদ আলী মন্ডল (এটম), প্রভাষক (গণিত), রাজারহাট ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা,কুড়িগ্রাম। says:

    কার কথা শুনি সবই সত্য।ফাইলে ত্রুটি থাকলে রিজেক্ট হবে। আর টাকা না দিলে রিজেক্ট হবে। আল্লাহ্ পাক ভালো জানেন কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। ধারনায় বলছি, মিঃ কর্তৃপক্ষের কথাঃ- টাকা ছাড়া যে চাকুরি হয় নাই তা আমরা জানি। যেখানে রুজি রোজগারের ব্যবস্থা হবে সেখানেই এসে আপনাদের ভান্ডার শুকিয়ে যায়। সকলের কাছে আমার অনুরোধ ঘুষ নিবেন না, ঘুষ দিবেন না। প্রয়োজনে দুদকে ধরিয়ে দিন ১০৬ নম্বরে ফ্রী কল করে।

  57. মোঃ রশিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক, সরল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়, আদিতমারী, লালমনিরহাট। says:

    গত এমপিওতে রংপুরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও ভূক্ত হয়েছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস বা ডিডি অফিসে বিন্দু মাত্র খরচ নেই। আমি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আসল কথা হলো কাজ করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, কাজ করে জেলা শিক্ষা অফিসার বা ডিডি স্যার। তারা কখনও টাকা নেয় না। কিন্তু অন্য কাউকে টাকা দিলে তাঁদের কি দোষ? কাগজপত্র ঠিক থাকলে তাঁরা কখনও ফাইল রিজেক্ট করে না। আর হ্যাঁ যাদের দূর্বলতা আছে তারাই টাকা খরচ করে।

  58. মোহাম্মদ আলী মন্ডল (এটম), প্রভাষক (গণিত), রাজারহাট ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা,কুড়িগ্রাম। says:

    আমার অনুরোধ কেউ ঘুষ নিবেন না, কেউ ঘুষ দিবেন না।ঘুষ ছাড়া ফাইল পার না হলে প্রয়োজনে ফ্রী কল করুন দুদকে ১০৬ নম্বরে।

  59. মোহাম্মদ আলী মন্ডল (এটম), প্রভাষক (গণিত), রাজারহাট ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা,কুড়িগ্রাম। says:

    দুদকে ধরিয়ে দিন।

  60. মোহাম্মদ আলী মন্ডল (এটম), প্রভাষক (গণিত), রাজারহাট ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা,কুড়িগ্রাম। says:

    ধন্যবাদ সবাইকে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

  61. Md. Akramul Hoque , Asst. Teacher(ICT), Nunuj Kalimia High School, BadalGachi, Naogaon, 01728747974 says:

    অনলাইন এমপিও শুরু হয় ২০১৫ সালের জুন মাসের পর থেকে কিন্তু যে সকল শিক্ষক অভিযোগ করেছেন তাদের নিয়োগ তারও ২/৩ বছর অাগে। বিষয়টি কেন অাঞ্চলিক অফিসকে দায়ি করছেন। তাদের নিয়োগ/পদের প্রাপ্যতা/নিবন্ধন কোন জটিলতা রয়েছ না হলে ডিজি অফিস তাদের এমপিও কেন করেননি।লেখক মহোদয় কোন অভিযোগ লিখার সময় মূল সমস্যা চিহ্নিত করবেন। বেশিরভাগ মানুষ নিজের সত্য সমস্যা অন্যকে বলেনা কিন্তু অপরের কাজের ভুল তথ্য দেয়। শিক্ষাতে খারাপ অভিযোগ অাছে তবে অন্যায় অাবদার একটি কারণ।

  62. অাখতারুজ্জামান says:

    DEO office ar দলাল দের transfer deya dorker

  63. MOKABBAR HOSSAIN, Assistant Teacher,CHAPADAHA B L HIGH SCHOOL says:

    দুদক এসব ঘুষখোর অফিসার দের ধরেন না কেন?

  64. Reza SHS says:

    Rasidul sir lalmanirhat,don’t mind please.You are a Headmaster. So you & they both are same.

    • মোঃ রশিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক, সরল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়, আদিতমারী, লালমনিরহাট। says:

      মতামতের জন্য ধন্যবাদ। তবে কারো সম্পর্কে মন্তব্য দিতে গেলে তার সম্পর্কে কিছু ধারনা নিলে ভাল হয়।

  65. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    শ্রদ্ধেয় রশিদ স্যার আবারো বলছি আমাদের কক্সবাজার সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব সেলিম স্যার নিজ. খরচে আমার ফাইল ডিও অফিস পার করে চট্টগ্রাম পযন্ত পৌঁছে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি রাত 10টা 11টায় খবরাখবর নিয়েছেন কিন্তু চট্টগ্রামের এডিডি জানোয়ার জসিম ঘোষ এর জন্য ফাইল ছাড়লেন না।

  66. অনুকুল রায় says:

    প্রশাসনিক দুর্নীতি বেড়েই চলেছে..মাঝে পিষ্ট হচ্ছি অবহেলিত শিক্ষকগন ।

  67. অনুকুল রায়, রামেশ্বেরপুর,ফুলবাড়ি,দিনাজপুর । says:

    প্রশাসনিক দুর্নীতি বেড়েই চলেছে..মাঝে পিষ্ট হচ্ছি অবহেলিত শিক্ষকগন । পরিত্রাণের একমাত্র উপায় সৃষ্টিকর্তার নিকট বিচার প্রদান ।

  68. মোঃ আলমগীর , উলিপুর কুড়িগ্রাম । says:

    মনে পড়ল , নচিকেতার সেই
    বিখ্যাত গান – আমি সরকারি
    কর্মচারী……..

  69. মোঃলুৎফর রহমান says:

    ntrca কর্তৃক নিয়োগকৃতদের শর্তহীনভাবে যোগদানের তারিখ হতে বেতন চাই। আমাদের কোন যুক্তিতে বেতন দিচ্ছে না। নিয়োগের প্রায় ৯মাস হলো বেতন ছাড়া আমরা কিভাবে স্কুলে যাচ্ছি সেটা কি কখোনো ডিডি মহোদয় খেয়াল করেছেন?

  70. আশরাফুল ইসলাম says:

    আমি ২০১৫ সালের ২৪/০২/১৫ইং গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষক পদে নিয়োগ পাই। আমার এমপিও হয় না। জেলা শিক্ষা অফিসার মেডাম নিয়োগ ও ডিজির প্রতিনিধি দিলো কেনো।এখন এপিও নাই।এদের বিচার আল্লাহ করবেন কবে।

  71. কে এম ছাইফুল ইসলাম says:

    এম পি ও ভুক্তির জন্য আমাদের কেয়ামত পর্যন্ত আপেক্ষা ছাড়া উপায় নাই। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।আমাদের প্রতি একটু সদয় হোন।

  72. সহকারী শিক্ষক, হরিশ্চন্দ্রপাঠ ইস্কুল এন্ড কলেজ, জলঢাকা, নীলফামারী says:

    হয়তো কোনো পাপের ফলে এমন প্রধান শিক্ষকের পাল্লায় পড়েছি. যিনি এমপিও পাঠাতে সময় নিলো ৬ মাস আর বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য………

  73. মোঃ আবুল হাশেম says:

    আমার ২০১৪ সালে নভেম্বর মাসে mpo এর জন্য ঢাকা শিক্ষা ভবনের জামাল উদ্দিন তালুকদার নামের এক কর্মচারীর কাছে শূন্য পদে বিলের জন্য ২০০০০/- চুক্তি হয় পরবর্তী সময়ে ফাইল রিজেক্ট হয় বিনা কারণে। যে কারণ দেখায় তার সকল কাগজ পত্র অনলাইনে ছিল।পরে শুনতে পেলাম অন্যদের ভাগ তিনি কাউকে দেইনি কারণ ফাইলের কোন সমস্যা নাই এমনিতে বিল হলে ফাও উপার্জন হয়ে যাবে। দ্বিতীয় বার যার মাধ্যমে যোগাযোগ তাকে নিয়ে ঢাকা হোস্টেলে তিন দিন থেকে প্রতিদিন ঐ লোকের সাথে বার বার দেখা করার পর বলত অাপনারা চলে যান বিল হয়ে যাবে কিন্তু ঐ mpo এর শেষ দিনেও বিল না হওয়ায় অন্য মাধ্যমে ৩০০০০/- দিয়ে বিল হয়। অামি ঐ লোকের কাছে চিরঋণি কারণ তার দ্বারা আমার দূরদিন কেটেছে। কিন্তু পরে ঐ চোর বলে ও কাজ করেছে। আমি ওর কাছে প্রমাণ নিয়ে যাই ও আমাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে একটি অনলাইনে আমি কথাগুলো লিখি কিন্তু দূঃখের বিষয় কিছুক্ষন পরে সেই মন্তব্য আর অনলাইনে নেই।আমার টাকা দেওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ পাওয়া যাবে একটি ব্যাংকে গিয়ে খামে করে টাকা দেওয়া হয় ঐ ব্যাংকের ভিডিও ফুটেজ যদি এখনও থাকে তাহলে সবাই দেখতে পারেন।আর ঐ কর্মচারী যদি অনলাইনে আমার mpo কোন সমস্যা করে তাতেও আমার কোন দূঃখ নাই। কারও যদি এব্যাপারে টাকা তোলার ব্যাপারে কোন পরামর্শ থাকে তাহলে দয়া করে আমাকে জানাবেন।কারন আমি চাই অপরাধির শাস্তি হোক।ঐ কর্মচারী তখন ৩০৯/২০৯ কম্পিউটারে কাজ করত।

আপনার মন্তব্য দিন