রমজান, সংযম ও ঈদের আনন্দ - মতামত - Dainikshiksha

রমজান, সংযম ও ঈদের আনন্দ

মাছুম বিল্লাহ |

প্রবাসে ঈদের আনন্দ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অজয় দাশগুপ্তের একটি লেখা পড়লাম। তিনি লিখেছেন, ‘কোথাও কোনো যানজট নেই। দেরি হলেও আপনি রাস্তার ইলেক্ট্রনিক বোর্ডেই দেখতে পাবেন আর কত সময়ের মধ্যে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। বিলম্বের কারণ আপনাকে নিশ্চিত করা হবে আপডেট দিয়ে। আপনি রাত-দুপুরে ফিরলেও কোনোরকমের টেনশন নাই। কেউ পথ আটকাবে না। নাই কোনো চাঁদাবাজি। নাই কোনো দাদা, কোনো ভাই, কোনো নেতাকে সালাম দিয়ে হয়রান হবার কারণ। এমন পরিবেশে যদি সাম্য না থাকে তো সাম্য আর কোথায় থাকবে?’

তিনি আরও লিখেন, ‘বইপত্রে আমরা যে আদর্শের কথা পড়ি, বলি বা শান্তির দেশ বলে জেনে থাকি, এ দেশগুলোতো তা-ই। সামাজিক কোনো চাপও নাই। বড়, ছোট বা মাঝারি বলে কিছু নাই; সবাই এক বাজারে জিনিস কেনে; এক দোকানের জিনিসপত্রে ঈদ করে। আর ভেজাল! সে-তো খাদ্য দ্রব্যে দেওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাবে না কেউ! খাবার হবে পবিত্র; হবে নিরাপদ। পানি, খাবার ও ভ্রমণ যেখানে নিরাপদ, সেখানে ঈদ উৎসব নির্বিঘ্ন হবে। সেটাই-তো স্বাভাবিক।’

এ তো গেল অষ্ট্রেলিয়ার কথা। সেখানে নানান দেশের নানান মানুষের বাস। তাদের তো ঈদ বলে কিছু নেই। তারপরেও সেখানে বাঙালি কমিউনিটি ঈদ পালন করে আনন্দের মধ্য দিয়ে।

এবার একটু দেখা যাক আমাদের দেশের ঈদ, যেখানে মুসলিম কমিউনিটি মাসব্যাপী রোজা পালন করেন আত্মশুদ্ধির জন্য, আত্ম-নিয়ন্ত্রণ ও আত্ম-সংযমের জন্য। কিন্তু মাস্যাপী যেসব কার্যাবলী চলে তাতে বিশ্বাস করা কষ্ট হয় যে, আসলে মাসটিকে আমরা কীভাবে দেখছি? ছোটবড় সকল ধরনের ব্যবসায়ী মাসটিকে দেখে বড় ধরনের ব্যবসার মাস হিসেবে। রমজানের গন্ধ পেলেই তারা জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়িয়ে দেয়। বড় বড় ব্যবসায়ীরা এমন সংযম করেন যে, তারা রাতারাতি কোটিপতি বনে যান। পেয়াজ, মরিচ, তেল, চিনি, ডাল, চাল ইত্যাদির দাম বাড়িয়ে দেন কেজি প্রতি দশ-বিশ টাকা। কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নেন এই সংযমের মাসে। হোটেল মালিক, মিষ্টির দোকানের মালিক ও কাঁচামালের ব্যবসায়ীদের জন্য মহা সুযোগের মাস। তারা সারা বছরের যত ধরনের পঁচা, ফেলে দেওয়া মাল আছে সব পবিত্র মাসে পবিত্র করে ফেলেন। প্রচুর ইনকাম তাদের। মহাসুযোগ তারা হাতছাড়া করেন না। তারা সব পঁচা-বাসি মাল ও খাবার চালিয়ে দেন এই মাসে। সবাই মহা ব্যবসায় করে সন্ধ্যা বেলা বসেন রকমারি ইফতারি সাজিয়ে মহাপুণ্যের আশায়।

পুলিশকে দেখা যায় বেশ তৎপর এই মাসে। কারণ পবিত্র মাস, ভাঙ্গা-চোরা গাড়ি তো রাস্তায় নামানো যাবে না, বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না ইত্যাদি বিভিন্ন অজুহাতে রাস্তায় একটু পর পর গাড়ি থামিয়ে তারা চালকদের সাথে রফা-দফা করেন। আসলে বিষয়টি তো হচ্ছে ব্যবসায়ের মাস! তাদেরও তো ব্যবসা করতে হবে। তারপর দেখা যায় বিভিন্ন সংস্থা, বিভিন্ন বাহিনী, মিডিয়াকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, মুদি দোকান, কাঁচামালের দোকান, মাংসের দোকান, মাছের দোকান সব জায়গায় হানা দিচ্ছে। উদ্দেশ্য এই পবিত্র মাসে কাউকে যাতে অপবিত্র খাবার খেতে না হয়। টিভির পর্দায় দেখা যায় অমুক দোকানকে বিশ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে পুরানো তেল রাখার জন্য, অমুক মাছের দোকানকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বরফ দেওয়া মাছ বিক্রি করার জন্য, অমুক মিষ্টির দোকানকে দশ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে মিষ্টিতে তেলাপোকা পড়ে থাকার জন্য, ফলের দোকানে সব ফল জুতা দিয়ে, গাড়ির চাকা দিয়ে পিষে ফেলা হয়েছে, কারণ রাসায়নিক মিশ্রিত ফল  যাতে রোজাদারদের  খেতে না হয়। রোজাদারদের খেদমতের জন্য সবাই ব্যস্ত। আসল উদ্দেশ্য সবাইকে-ই তো ব্যবসা করতে হবে। তা না হলে কয়েক হাজার টাকা দামের পাঞ্জাবি কীভাবে কেনা হবে?

ঈদে বহু রকমের খাবার-দাবারের আয়োজন করা, আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের উপহার সামগ্রী ক্রয় করা, এলাকার দরিদ্র মানুষদের মাঝে কাপড় বিতরণ, তাদের খাওয়ানো ইত্যাদি মহৎ কাজেও তো প্রচুর অর্থের প্রয়োজন এই মাসে। তাই সবাই ব্যস্ত থাকে কীভাবে অতিরিক্ত উপার্জন করা যায় এই সংযমের মাসে! তাই কে কীভাবে সংযম করছেন বুঝা মুশকিল। রোজা এক দুটো পার হলেই হরেক রকম বিজ্ঞাপনে ছেয়ে যায় পথ-ঘাট, পত্রিকার পাতা, টিভি পর্দা। ঈদে অমুক জিনিস কিনলে দশ শতাংশ ছাড়। অমুক মার্কেটে ঈদের সব কেনা-কাটা করুন, বিশাল বিশাল পুরস্কার রয়েছে। অর্থাৎ রোজাদারদের সেবা করার জন্য কেউ পিছিয়ে থাকতে চান না।
 
সমস্ত পাড়া-মহল্লা, রাস্তায়, অলিতে গলিতে, হোটেলে, অফিসে রেস্তোরাঁয়, তিন তারকা ও পাঁচ তারকা হোটেলে বড় বড় ইফতার পার্টি চলে মাসব্যাপী। সমস্ত রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন নামে ইফতার পার্টির আয়োজন করে। কারণ এই ব্যবসার মাসে তারা কেন পিছিয়ে থাকবে? এটি তো একটি বাড়তি সুযোগ। যারা কোনো কিছুর সাথে জড়িত নাই তারাও বসে থাকে না। তারা ঢোল বাদ্য বাজিয়ে, টিন পিটিয়ে ভোররাতে সেহরি খাওয়ানোর জন্য পাড়া-মহল্লাবাসীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলেন যদিও মসজিদ থেকেই মাইকে সবাইকে জাগিয়ে তোলা হয়। কিন্তু পাড়া-মহল্লার বেকার ছেলেপেলেদের একটি দায়িত্ব আছে না? সবাই রোজদারদের সেবা করছে, তারা কেন বসে থাকবে? তাই তারাও এই সুযোগে পনের রোজার পর থেকেই বাড়ি বাড়ি হানা দেয় চাঁদার জন্য। কারণ জিজ্ঞেস করলে বলে ‘আমরা তো ভোররাতে আপনাদেও সেহরি খেতে ঘুম থেকে জাগাই! মসজিদের মাইক যেন কোনো কাজে লাগছে না। আসলে বিষয়টি তা নয়। রোজাদারদের জন্য সমাজের সবার সাথে তারাও কিছু করতে চায়!

দীর্ঘ একমাস এভাবে সংযম পালনের পর শুরু হয় দেশের বাড়ি যাওয়া, দেশের বাইরে যাওয়া আর বিভিন্ন ভ্রমণস্পটে ঘুরে বেড়ানোর পালা। সেখানেও তো অনেক অর্থের প্রয়োজন! মোটামুটি রমজান শুরু হওয়ার দুই-তিন দিন পরই শুরু হয় টিকেট কাটা নিয়ে তোড়জোড়। আপনি বিদেশে যাবেন টিকেট পাবেন না, টিকেট বুক হয়ে গেছে অনেক আগেই। কারণ একমাস সংযম পালনের পর অনেকেই একটু দেশের বাইরে ঘুরতে যাবেন, তাই আগেভাগেই টিকেট কিনে রেখেছেন। সংযমের মাসে টিকেট বিক্রেতারাও কমে ছাড়েন না। দেখা যায় পঞ্চাশ হাজার টিকেট হয়তো এক লাখ বিশ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। আর যারা সাধারণ মানুষ যারা নাড়ীর টানে গ্রামের বাড়িতে যাবেন তাদের জন্য লক্করঝক্কর মার্কা গাড়ি, লঞ্চ রং করা শুরু হয় রমযানের প্রথম থেকেই। কারণ মুদি দোকানদার, খাবারের দোকানদাররা পঁচা-বাসি খাবার যেহেতু এ মাসে খাওয়াতে পারেন, গাড়ির মালিক বা গাড়ি ব্যবসায়ীরা কমে ছাড়বেন কেন? তারাও পড়ে থাকা, ফেলে দেওয়া গাড়িতে রঙ করা শুরু করেন। যাতে এই ব্যবসার মাসে একটু ভালো ব্যবসা করতে পারেন, একটু জনগণের সেবা করতে পারেন।

বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ -গাড়ি, স্টিমার, লঞ্চ, ট্রেন সবাই রোজাদারদের নির্বিঘ্নে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। তার সাথে যোগ দেন আমাদের নেতারা, বিশেষ করে যারা ক্ষমতায় থাকেন। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে তারা বলেন, ‘এবার ঈদের যাত্রা হবে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ। যাত্রীরা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বাড়িতে যাবেন।’ তারা চালু করেন বিশেষ ধরনের সার্ভিস। অনেক ঘোষণা দিয়ে এইসব বিশেষ সার্ভিসের বাহনগুলোর টিকেট বিক্রি শুরু হয়। সাধারণ মানুষ ভোররাতে নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে  টিকেটের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে টিকেট কিনেন। অবাক! হঠাৎ শোনা যাচ্ছে টিকেট বিক্রি শেষ। রোজাদারদের যাতে কোনো কষ্ট না হয় সেজন্য তারা অতিদ্রুত সব টিকেট কীভাবে যেন বিক্রি করে ফেলেন আর যারা পান না তাদের জন্য নেতারা দুঃখ প্রকাশ করেন। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য সবাই। কারণ রোজাদারদের জন্য সবার কতই না অনুভুতি!

এবার টিকেট কিনে, টিকেটবিহীন সবাই যখন লঞ্চ-স্টিমার, বা ট্রেনের দিকে ধাবিত হন, সেখানে দেখা যায় যে, বাস, ট্রেন বা লঞ্চ ছাড়ার কথা সকাল ন’টায় সেটি হয়তো বিকেল তিনটা বা চারটায় ছেড়ে যায়। কারণ এ-তো ধৈর্য পরীক্ষার মাস। তাদেরও তো দায়িত্ব রয়েছে। তাই তারা এভাবে রোজাদারদের ধৈর্যের পরীক্ষাটি নিয়ে থাকেন। এ ঘটনা ঈদের তিন-চার দিন আগে নয়, অনেক দিন আগে থেকেই শুরু হয়। আমার এক নিকটাত্মীয়  কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসেছেন। গাড়ি নাকি ছাড়ার কথা ছিল সকাল দশটায় অর্থাৎ বিকেল বা সন্ধ্যানাগাদ তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। দেখলাম উনি পরদিন বিকেলে পৌঁছেছেন আমাদের বাসায়। কারণ সকাল দশটার গাড়ি নাকি ঐ দিন রাত দুটোয় ছেড়েছে। এত কক্সবাজার থেকে ঢাকায়। এবার ঢাকা থেকে যখন কোনো জেলা শহরে গাড়ি যাবে তখন তো আরও ওলট পালট হবে। এত রোজাদারদের ধৈর্যের পরীক্ষা! পরীক্ষাটা যদিও নারী ও শিশুদের জন্য আরও অনেক বেশি ধৈর্যের। তারপরেও কর্তৃপক্ষ কিন্তু অনেক সন্তষ্ট। তারা টিভি চ্যানেলে, পত্রিকাসহ সব মিডিয়ায় তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন এই বলে যে, পবিত্র রমজান মাসে যাত্রীদের সঠিক সেবাটি দিতে পেরেছেন। আসলেই ধন্যবাদ পাওয়ার উপযুক্ত সবাই!
  
এবার কোনোরকম ঢাকার স্টেশন থেকে চাকা ঘুরতে শুরু করলেও শহরের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় আবার ধৈর্য্যরে পরীক্ষা দেয়ার জন্য। কারণ এখানেও তো ব্যবসা। বিভিন্ন সংস্থা বড় ভাই, মেঝ ভাই, ছোট ভাই সবার তো বড় বড় দায়িত্ব রয়েছে। সব দায়িত্ব পালনেই তো প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। অজয় দাশগুপ্ত বলেছেন যে, অস্ট্রেলিয়ায় এই ধরনের দাদা, বড় ভাই মেঝ ভাই নেই। নেই তো কী হয়েছে? আমাদের এখানে তো থাকতে হবে, কারণ তারা তো রোজাদারদের সেবা করার জন্যই সমস্ত রাস্তায় বিশেষ কৌশলে বিশাল জ্যাম বাঁধিয়ে টু-পাইস কামান। কোনো কারণ নেই, কারুর কোনো তৎপরতা নেই, কারুর যেন কোনে দায়িত্ব নেই। সবাই জনগণের জন্য! রাস্তায় মাইলের পর মাইল আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি বাহন, কারুর যেন কোনো বিকার নেই। এই তো আমাদের ঈদ! এই তো আমাদের সংযমের পরীক্ষা!

তারপরেও জীবন থেমে থাকে না, অবিরত বয়ে চলে হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার মধ্য দিয়ে। ব্যক্তি জীবনের অসঙ্গতি ও সমস্যাকে উতরে যাওয়ার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা মানুষ চালিয়ে যায়। কিন্তু সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অসঙ্গতি, সমস্যা ও অনিয়মকে সে একা কীভাবে মোকাবিলা করবে? তাই অনেকেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচার জন্য হাজারো সমস্যা মোকাবিলা করে পাড়ি জমান উন্নত বিশ্বে। সেখানেও কি সুখ আছে? আমরা উন্নত বিশ্বের মতো হয়তো হবো না, সেভাবে কেউ চাচ্ছেও না। চায় শুধু একটু স্বস্তি। ঈদে বাড়ি যাবে- সড়ক, নদী ও আকাশপথের যাত্রা যেন শুভ হয়, অযথা কালক্ষেপণ না হয়। রাষ্ট্র ইচ্ছে করলে সেটি নির্বিঘ্ন করতে পারে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বাহিনীর লাখ লাখ সদস্য পোষা হয় জনগণের জীবনের নিরাপত্তা দিতে, কিন্তু তাদের ম্যান্ডেট থাকে আলাদা।

মানুষ ঈদ যাত্রায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অযথা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট যানজটে। তারপরেও ঈদ আসবে, ঈদ যাবে। মানুষ তাদের কর্মস্থল থেকে নিজ বাসভূমে যাবে, বিদেশে আসা-যাওয়া করবে। সবাই আশা করে, যদি কোনোদিন জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কৃষক ফসল ফলিয়েছে আমাদের সকলের জন্য। কিন্তু সে তার পণ্যের মূল্য পাচ্ছে না। কেমন কাটবে তাদের ঈদ? তাদের পাশে তো কেউ নেই। তারা, আমরা সবাই শুনি শুধু কথার ফুলঝুড়ি। তারপরেও মানুষ আশায় বুক বেঁধে থাকে। সবাইকে ঈদ মোবারক!

লেখক: শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক, বর্তমানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত।

কারিগরি শিক্ষায় আরো অর্থ বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - dainik shiksha কারিগরি শিক্ষায় আরো অর্থ বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবছরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha প্রতিবছরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: ভিপি নুর - dainik shiksha সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: ভিপি নুর বিসিএসে সুযোগ ৩২ বছর পর্যন্ত কেন নয় : হাইকোর্ট - dainik shiksha বিসিএসে সুযোগ ৩২ বছর পর্যন্ত কেন নয় : হাইকোর্ট শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ভবিষ্যতে : প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ভবিষ্যতে : প্রতিমন্ত্রী শিক্ষা আইনের খসড়া : শিক্ষকদের কোচিং-টিউশন বন্ধ হলেও চলবে বাণিজ্যিক কোচিং - dainik shiksha শিক্ষা আইনের খসড়া : শিক্ষকদের কোচিং-টিউশন বন্ধ হলেও চলবে বাণিজ্যিক কোচিং ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসবে প্রায় ১২ লাখ - dainik shiksha ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসবে প্রায় ১২ লাখ ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন - dainik shiksha ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বৃত্তিপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ - dainik shiksha বৃত্তিপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ সরকারিকরণ : ১৬ কলেজের নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা - dainik shiksha সরকারিকরণ : ১৬ কলেজের নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা যেভাবে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা - dainik shiksha যেভাবে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচবেন যেভাবে - dainik shiksha করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচবেন যেভাবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের কলেজের সংশোধিত ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের কলেজের সংশোধিত ছুটির তালিকা ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা ২০২০ খ্র্রিষ্টাব্দে মাদরাসার ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্র্রিষ্টাব্দে মাদরাসার ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষার আসল ফেসবুক পেজে লাইক দিন শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন please click here to view dainikshiksha website