রহস্যজনক নিখোঁজ সানজিদার চাকরি ফিরিয়ে দিতে তৎপর শিক্ষা ভবনের দালালচক্র - বিবিধ - Dainikshiksha

রহস্যজনক নিখোঁজ সানজিদার চাকরি ফিরিয়ে দিতে তৎপর শিক্ষা ভবনের দালালচক্র

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রহস্যজনকভাবে প্রায় পাঁচ বছর নিখোঁজ থাকা সরকারি হাইস্কুলের একজন নারী শিক্ষককে চাকরি ফিরিয়ে দিতে তৎপরতা শুরু করেছে শিক্ষা ভবন কেন্দ্রীক একটি দালাল চক্র। এই চক্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সরকারি মাধ্যমিক শাখার একজন করে কর্মকর্তা ও কর্মচারী, কলেজ শাখার পরিচালকের ড্রাইভার আলাউদ্দিন এবং কুড়িগ্রামের এমপিও ও বদলির দালাল হাবিব জড়িত বলে দৈনিক শিক্ষার অনুসন্ধানে জানা যায়। 

অনুসন্ধানে জানা যায়,  ২০১১ খ্রিস্টাব্দে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে যোগদানের পর একদিনও ক্লাস না করে উধাও হয়ে যান শিক্ষক সানজিদা কবির। সাড়ে চার বছর পর তিনি স্কুলে হাজির হয়ে চাকরি ফিরে পেতে চাইলে সবাই অবাক হন। জোরপূর্বক যোগ দিতে চাইলে স্কুল থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর সানজিদা দালাল ধরেন। চাকরি ফিরে পেতে দালালদের পরামর্শ অনুযায়ী আবেদন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে। আবেদনের বিষয় ও ভাষা এবং তদন্তের নির্দেশের ভাষার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মাধ্যমিক শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাতুর্য এবং সানজিদার পক্ষে কাজ করার সুষ্পষ্ট প্রমাণ। 

জানা যায়, সানজিদার আবেদনে কয়েকজন ডাক্তারের কয়েকটি সন্দেহজনক ব্যবস্থাপত্র যুক্ত করে দেয়া হয়। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষা অধিদপ্তরের দেয়া তদন্তের নির্দেশে সানজিদা কবিরকে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তদন্তের নির্দেশে এমন কৌশলী বাক্য জুড়ে দেয়ার জন্য দালালদের দেয়া হয় মোটা অঙ্কের টাকা। দালাল হাবিবের  সঙ্গে চুক্তি করেন সানজিদা  কবির। চাকরি ফিরিয়ে দিতে পারলে হাবিবকে মোটা অঙ্কের টাকা দেয়া হবে। ইতিমধ্যে কিছু টাকা অগ্রিম দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। 

সানজিদার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। 

শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার একজন কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক ও সন্দেহজনক।  সানজিদা কবির যোগদান করেছেন মাত্র। একদিনও ক্লাস না করে প্রায় পাঁচ বছর নিখোঁজ ছিলেন কেন? তা জানা দরকার। তিনি তার আবেদনের সঙ্গে  মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জনের বরাতে যে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন তাও দালালদের মাধ্যমে কেনা। সানজিদা কবিরের নামে মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জনের অফিস কোনও মেডিকেল বোর্ড গঠন না করলেও সানজিদা কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। যেগুলো ভুয়া বলে সন্দেহ হয়। সিভিল সার্জন অফিসের ভুয়া কাগজ তৈরি করে শিক্ষা অধিদপ্তরের আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করার দায়ে সানজিদার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা উচিত্। 

ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় ঠেকাতে ১০ কমিটি - dainik shiksha ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় ঠেকাতে ১০ কমিটি এমপিওভুক্ত হচ্ছেন স্কুল-কলেজের ১১২৪ শিক্ষক - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হচ্ছেন স্কুল-কলেজের ১১২৪ শিক্ষক নভেম্বরের এমপিওতেই ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি - dainik shiksha নভেম্বরের এমপিওতেই ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর - dainik shiksha ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ট্রাফিক সার্কুলেশন প্ল্যান তৈরির নির্দেশ - dainik shiksha শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ট্রাফিক সার্কুলেশন প্ল্যান তৈরির নির্দেশ এমপিওভুক্ত হচ্ছেন মাদরাসার ২০৭ শিক্ষক - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হচ্ছেন মাদরাসার ২০৭ শিক্ষক ২৮৮ তৃতীয় শিক্ষককে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত - dainik shiksha ২৮৮ তৃতীয় শিক্ষককে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website