লক্ষ্যহীন শিক্ষাযাত্রা - মতামত - Dainikshiksha

লক্ষ্যহীন শিক্ষাযাত্রা

এ কে এম শাহনাওয়াজ |

গত সপ্তাহে এই পাতায় শিক্ষাসংক্রান্ত একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর ফেসবুক, টেলিফোন এবং সাক্ষাতে অনেক অভিভাবক ও পাঠক জানিয়েছেন তাদের মনের কথাই নাকি লিখেছি। অর্থাৎ চলমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অনেকেই দারুণ অস্বস্তিতে আছেন। শিক্ষাবিষয়ক আরও নানা সংকট নির্দেশ করে তারা লেখার অনুরোধ করেছেন। আজকের লেখাটি তেমন একটি অনুরোধের প্রতিফলনই বলা যেতে পারে।

ঢাকা শহরে চল্লিশোর্ধ এক মায়ের গল্প দিয়ে শুরু করি। আমি জানি, চারপাশের বাস্তবতা দেখে অভ্যস্ত পাঠক এ গল্পে মোটেও চমকে যাবেন না। এই আধুনিক গৃহবধূ আমার পরিচিত। তিনি দুঃখ করছিলেন তার মেয়েটিকে নিয়ে। মেয়েটি পড়াবিমুখ হয়ে যাচ্ছে। পড়ার টেবিলে জোর করে বসাতে হয়। কিন্তু পড়ায় তেমন মন থাকে না। আমি সবিস্তারে জানলাম। মেয়েটি ঢাকার এক নামি বিদ্যালয়ে ক্লাস ফাইভে পড়ে। স্কুল ছুটির পর মা এক কোচিং সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে একটি বিষয়ের চর্চার পর বাড়ি আসেন। নাকেমুখে খেয়ে দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আরও দুই কোচিং সেন্টারে যেতে হয় শিশুটিকে। বাসায় এসে ক্লান্তির রেশ না কাটতেই সন্ধ্যায় একজন গৃহশিক্ষক আসেন অঙ্ক করাতে। ৭টায় শিক্ষক চলে যাওয়ার পর একটু নাশতার বিরতি। ৮টায় মা পড়তে বসান। এখানেই মেয়ে বিদ্রোহ করে পড়তে চায় না। শুনে আমি বললাম, এইটুকুন মেয়ে সারা দিনই তো পড়ার মধ্যে রইল, তা আবার কেন? ওর মায়ের উক্তি, এগুলো তো সব স্কুল আর কোচিং করা, আসল পড়া তো তাকে পড়তে হবে! আমি ছোট্ট মেয়েটির করুণ চোখের দিকে তাকালাম। এই গৃহবধূরও যুক্তি আছে। বললেন, সামনে পিইসি পরীক্ষা। ভালো ফল না করলে ওর ভবিষ্যৎ কী! অকাট্য যুক্তি। আমি প্রায় ৪৫ বছর আগে ফিরে গেলাম। আমাদের শিক্ষাজীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি নিয়ে আমাদের মা-বাবারা এর সিকিভাগ শঙ্কাগ্রস্ত ছিলেন বলে মনে হয় না। অমন সনাতন পদ্ধতিতে পড়ে বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সামনে আমরা অচল হয়ে পড়েছি মনে হয় না। সময়ের চাহিদা পূরণে কারিকুলামে মাঝে মাঝে পরিবর্তন আসতে পারে, তবে আমাদের দেশের মহারথীদের করা সব বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ফল কী আমি বুঝতে পারি না। তবে বর্তমান সময়ের বৈপ্লবিক ধারায় পড়ালেখা করে আসা খুব কম ছাত্রছাত্রী পাচ্ছি যারা জানার জগৎটা শানিত করে আসতে পারছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। অথচ মেধার ঘাটতি নেই ওদের। হয়তো ভুল পথ নির্দেশনা দিয়ে ওদের বেপথু করে ফেলছি।

আরেকটি সাম্প্রতিক উদাহরণ। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করেছে। ওদের একটি ক্লাস নিতে যেতে হয়। এখানে নানা বয়সী শিক্ষার্থী পড়েন। সেদিন এক ছাত্রী তার আড়াই বছরের মেয়েকে নিয়ে ক্লাসে এলো বাসায় ওকে দেখার কেউ নেই বলে। শুক্রবার, তাই মেয়ের স্কুল বন্ধ। আমি চমকে উঠলাম অতটুকুন মেয়ে স্কুলে যাচ্ছে! এটিই নাকি এখন বাস্তবতা। মা যুক্তি দিল পড়াশোনা তো তেমন না। বর্ণ পরিচয় আর খেলাধুলা। আমি এই অসহায় শিশুটির দিকে তাকালাম। পড়াশোনা না হলেও শিশুটি তো ছকবন্দি হয়ে গেল। নির্দিষ্ট সময়ে মা কাঁচাঘুম ভাঙিয়ে প্রস্তুত করবেন। জোর করে কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন। তারপর মায়ের কোলে ঢুলুঢুলু চোখে স্কুলের গণ্ডিতে পৌঁছবে। আমার ভিন্নমত শুনে ছাত্রীটি বলল, কী করব স্যার সবাই তো এমন বয়সেই স্কুলে নিয়ে যায়। আর ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো বয়স বেড়ে গেলে এবং গায়ে-গতরে লম্বা হয়ে গেলে ভর্তি করতে চায় না।


শিক্ষাবিজ্ঞানীরা বলেন, সাড়ে চার বছরের আগে ছকবন্দি পড়াশোনায় আটকে ফেলার পরিণতি ভালো হয় না। মধ্যযুগের বাংলায় সুফি সাধক ও সুলতানগণ পুঁথিগত বিদ্যায় নয়, বাস্তব বিবেচনায় এ বিজ্ঞানটা বুঝতেন। মুসলমান সমাজে তখন প্রাথমিক পড়াশোনা অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। এর জন্য প্রথা নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন শাসকরা। বলা হতো, ধনী-নির্ধন সব মুসলিম পরিবারের সন্তানকে প্রাথমিক পাঠ নিতেই হবে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে। যাতে কেউ ভুলে না যায়, তাই অভিনব উপায়ে দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া ছিল। বলা হতো, সন্তানের বয়স যেদিন চার বছর চার মাস চার দিন হবে, সেদিন মসজিদের ইমাম সাহেবকে ডেকে প্রথম পাঠ দিতে হবে। অর্থাৎ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সাড়ে চার বছরে পাঠ শুরুর বিষয়টি তারাও অনুভব করতেন। শিক্ষার প্রথম পাঠের এই অনুষ্ঠানকে বলা হতো ‘বিসমিল্লাহখানি’। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্লাসে আমাদের শিক্ষার এই ইতিহাস শুনে এক ছাত্রী উদ্বুদ্ধ হয়ে বলেই ফেলল, আমি সরকারপ্রধান হলে সাড়ে চার বছর আগে স্কুলে ভর্তি নিষিদ্ধ করে দিতাম।

আসলে শিশু কোনো নিয়মে বন্দি না হয়ে শৈশবের একটি সময় পর্যন্ত নিজের মতো করে বেড়ে উঠবে। দুরন্তপনা করবে। মাঠ না পেলে ঘরের বারান্দায় ছোটাছুটি করবে। এর বদলে আড়াই বছর বয়সে স্কুলে ঢুকছে শিশু। তারপর একটু বড় হতেই স্কুল, কোচিং আর প্রাইভেট টিউটরে আটকে যাবে। নিজের শৈশবের স্বাধীনতাকে অনুভব করার আগেই বেড়ে উঠবে। কেউ সাধারণ ধারার স্কুলে পড়বে, কেউ ইংরেজি মাধ্যম বা ভার্সনে আবার কেউ মাদ্রাসায় পড়বে। এরপর শিক্ষাচর্চার বদলে পরীক্ষাচর্চা শুরু হবে। পিইসি, জেএসসি, জেডিসি অতঃপর এসএসসি, এইচএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষা ইত্যাদি সমুদ্রে হাবুডুবু খাবে। অন্যদিকে একই দেশের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী এসব অনেক ঝুটঝামেলার বাইরে থেকে নিজেদের এগিয়ে নেবে। এ ধারার নানা কাণ্ডের হযবরল দশায় দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী থেকে সরকারপ্রধান সবাই শিক্ষা উন্নয়নের জয়গান গাইতে থাকবেন। সাক্ষরতার হার কতটা বাড়ল, তা দিয়ে শিক্ষার মান নিরূপণ করা যায় না। কোন নীতিতে এদেশে শিক্ষার যাত্রাপথ এগিয়ে যাচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। সাধারণ জ্ঞানে বলে দেশে গৃহীত শিক্ষানীতি অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম চলার কথা। কিন্তু আমাদের দেশে তা প্রায়ই ঘটে না। বাস্তবতায় মনে হয় এদেশে শিক্ষার বিধিব্যবস্থা অভিভাবকহীন। যখন যাদের খবরদারি করার ইচ্ছা হয় ক্ষমতার দাপটে তা জাতির ওপর চাপিয়ে দেন। তা না হলে ২০১০ সালে যে শিক্ষানীতি গৃহীত হয়েছিল, এই নীতির আলোকেই শিক্ষাক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা। এই শিক্ষানীতিতে পশ্চিমবঙ্গের মতো দশম শ্রেণীর বদলে মাধ্যমিক পাঠ শেষ হবে দ্বাদশ শ্রেণীতে। এতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে অষ্টম ও দ্বাদশ শ্রেণীতে। কিন্তু কার্যত শিক্ষানীতির প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এসএসসি আর এইচএসসি বহাল রেখেও জেএসসি (জেডিসি) এবং পিইসি চাপিয়ে দেয়া হল। বামপন্থী সমালোচক হলে বলতেন আমাদের প্রজন্মকে মূর্খ বানাতে এ নিশ্চয়ই সাম্রাজ্যবাদী আর পুঁজিবাদী দেশগুলোর ষড়যন্ত্র।

‘সবাই রাজার’ দেশে সবই হয়। ২০১১ সালের কথা। এনসিটিবিতে নতুন শিক্ষানীতির আলোকে নতুনভাবে কারিকুলাম তৈরি করে নিুমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বই লেখানো হবে। কমিটিতে আমি ছিলাম। সভায় উত্থাপন করা হয় নতুন ধারায় ‘বাংলাদেশ ও গ্লোবাল স্টাডিজ’ বিষয়ে বই লিখতে হবে। বিষয়টির একটি বাংলা নাম প্রয়োজন। আমি তাৎক্ষণিকভাবে বললাম ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ হতে পারে। সবাই গ্রহণ করলেন। যথেষ্ট সময় ছিল না, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় আমরা আক্ষরিক অর্থে রাতদিন খেটে পাণ্ডুলিপি তৈরি করলাম। এ সময় বোর্ডের চেয়ারম্যান বিরক্তিকরভাবে বারবার অনুরোধ করছিলেন বই ছোট কলেবরে লিখতে। এটি নাকি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছে। আমরা বোঝাতে পারছিলাম না বই হবে বইয়ের চাহিদামতো। প্রধানমন্ত্রী বইয়ের আকার নয়, সংখ্যা কমিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের বোঝা কমাতে বলেছেন। কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন প্রতি ক্লাসে বছরে ১০৬টি ক্লাস হবে। তাই প্রতি বইয়ে ১০৬টি পাঠ লিখতে হবে। আমরা অনেক ক্ষেত্রে গতানুগতিকতা পরিহার করে বাংলাদেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে লিখেছিলাম। তারপর বই প্রকাশের আগে জানলাম কোনো এক ক্ষমতাশালী বিশেষজ্ঞ বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করে বইগুলোর সম্পাদক হলেন। লেখকদের সঙ্গে কোনো আলাপ না করে প্রধানমন্ত্রীর কথিত ইচ্ছে অনুযায়ী বই খর্বকায় করে ফেললেন। আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিপাঠের শুরুতে উদ্দেশ্য, শেষে শিখনফল ইত্যাদি প্রয়োগ করা শেখানো হয়েছিল। ক্ষমতাবানদের এসব না জানার কারণে সব রীতি উপেক্ষা করে পুরনো প্রথায় সাধারণ ধারায় বই প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হল। এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করল না। এজন্যই বলি অভিভাবকহীন শিক্ষাযাত্রা আমাদের। ক্ষমতা থাকলে যখন যার যা খুশি তা-ই করতে পারে।

আমার মাঝেমধ্যে মনে হয় আমাদের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমে কোচিং, গাইড বই আর প্রাইভেট টিউটরবান্ধব হয়ে উঠেছে। এসব থেকে কে কীভাবে লভ্যাংশ নিচ্ছে জানি না। আমাকে স্কুলের একজন নীতিবান শিক্ষক হলফ করে বললেন, এদেশের কোনো সময়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরই সাধ্য নেই কোচিং বাণিজ্য আর গাইড বই বাণিজ্য বন্ধ করে। এ দুই এলাকা অর্থবিত্তে সমৃদ্ধ। উচ্চ থেকে নিম্নপর্যায় পর্যন্ত এরা ম্যানেজ করতে সিদ্ধহস্ত।

আমরা আদার বেপারি, জাহাজের খবর রাখার সাধ্য নেই। তবে ছোট ডিঙির খোঁজ তো পেয়েই যাই। একটি প্রচলিত কথা আছে, গাইড ব্যবসায়ীরা নাকি এখন স্কুল কিনে নেন। এই কেনা হচ্ছে শিক্ষক আর ম্যানেজিং কমিটিকে ম্যানেজ করা। ম্যানেজ হলে ভালো হোক মন্দ হোক নির্দিষ্ট গাইড বইটিই শিক্ষার্থীদের কিনতে বলা হয়। এর একটি ছোট্ট ফল দেখলাম। আমার বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে স্কুলের একজন শিক্ষিকা থাকেন। তার বন্ধ দরজার পাশে একটি প্যাকেট করা রাইস কুকার পড়ে থাকতে দেখলাম। জানলাম গাইড বইয়ের প্রকাশক সব শিক্ষকের জন্য রাইস কুকার উপহার পাঠিয়েছেন। গত বছর দিয়েছিলেন মাইক্রোওভেন। আমার পরিচিত এক প্রকাশক বন্ধুকে প্রশ্ন করলাম এত টাকা ছড়িয়ে তাদের থাকে কী? উত্তরে বলল, গাইড বইয়ের উৎপাদন খরচ ১২৫ টাকা হলে গায়ে দাম ধরবে হয়তো ৩৫০ টাকা। প্রতিবছর প্রচ্ছদ পাল্টে বিক্রি করবে ৬-৭ বছর। ৪-৫টি স্কুল ধরতে পারলে খুচরা বিক্রেতার কমিশন, স্কুল কেনা থেকে ওপর মহল পর্যন্ত পারিতোষিক বিতরণের পরও কোটি টাকার কাছাকাছি লাভ থেকে যাবে।

এসব ওপেন সিক্রেট বাস্তবতা নিয়ে আমাদের দেশের দায়িত্বশীলরা যখন শিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ে কথার ফুলঝুরি সাজান, তখন সত্যিই হতাশায় ডুবে যেতে হয়।

এমন নানা ধারার লক্ষ্যহীন শিক্ষাযাত্রায় আমরা প্রকৃত অর্থে শিক্ষিত প্রজন্ম তৈরি করতে পারব না। শুধু কথায় যেমন চিঁড়ে ভিজে না, তেমনি শুধু রাজনৈতিক বাগাড়ম্বরে সুশিক্ষিত প্রজন্ম বেড়ে উঠবে না। ক্ষমতার বিচারে নয়, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মেধাবী বিশেষজ্ঞদের হাতে থাকতে হবে শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব। অতি বিশেষজ্ঞরা প্রজন্মের অনেক ক্ষতি করেছেন। ক্ষমতাবানদের মধ্যে রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরে যদি দেশপ্রেম থেকে থাকে, তবে কালবিলম্ব না করে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর - dainik shiksha স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন - dainik shiksha চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি - dainik shiksha একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website