শরীরে মল ঢালা সেই শিক্ষককে এবার হত্যার হুমকি! - বিবিধ - Dainikshiksha

শরীরে মল ঢালা সেই শিক্ষককে এবার হত্যার হুমকি!

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বরিশালের বাকেরগঞ্জের একটি মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) মাওলানা মো. আবু হানিফাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে গত শুক্রবার ওই তত্ত্বাবধায়কের শরীরে মল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিপক্ষের লোকজন এখন হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আবু হানিফা ও তাঁর ছেলে।

আবু হানিফা উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ‘কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদরাসা’র তত্ত্বাবধায়ক। সম্প্রতি মাদরাসার পরিচালনা কমিটির নির্বাচন হয়। তাতে আবু হানিফা ছিলেন সভাপতি প্রার্থী এইচ এম মজিবর রহমানের পক্ষে। নির্বাচনে মজিবর রহমানের কাছে হেরে যান আরেক প্রার্থী জাহাঙ্গীর খন্দকার।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত শুক্রবার জাহাঙ্গীরের লোকজন আবু হানিফার মাথায় ও শরীরে মল ঢেলে দেয়। পাশাপাশি তা ভিডিও করে ছেড়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ ঘটনায় আবু হানিফা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

আবু হানিফার ছেলে মো. মহিবুল্লাহ বলেন, ‘আসামিপক্ষের লোকজন আমাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আসামি ও জামায়াত নেতা এনামুল হাওলাদারের ভাই হাবীব মুন্সী বলেছে, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আমাকে এবং আমার বাবাকে হত্যা করবে।’

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল হক বলেন, ‘হুমকির বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। এরপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানা যায়, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের দারুস সুন্নাত  দাখিল মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো: আবু হানিফের মাথায় মল ঢেলেছেন স্থানীয় জাহাঙ্গীর খন্দকার ও মাসুম সর্দার গং।  আবু হানিফ স্থানীয় নিকাহ রেজিস্টারও। মাদ্রাসার জমি নিয়ে বিরোধ এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদে নির্বাচন করে হেরে যাওয়ায় সুপারের ওপর ক্ষুব্ধ হন জাহাঙ্গীর। শনিবার বিকেলে পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায়।

আবু হানিফ দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, ‘১১ (মে) খুব ভোরে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে বের হয়েছিলাম। তখন জাহাঙ্গীর মৃধা ও মাসুম সরদারের নেতৃত্বে অনেকে মি‌লে আমাকে রাস্তায় আটক করে লাঞ্ছিত করে। সামাজিকভাবে আমাকে অসম্মানিত করার জন্য ওরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’

তিনি বলেন, চক্রটি মাদ্রাসার জমি দখল করার চেষ্টা করছিলো। এই চক্রটি নানাভাবে বিনা অনুমতিতে মাদ্রাসার জমিতে বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছিল। আমি এতে বাধা দিই। এ নিয়ে মামলাও চলছে। আমি মামলার বাদী। এ কারণে ওরা আমার ওপর ক্ষিপ্ত। সেই সাথে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি  পদেও এই দলের লোক জাহাঙ্গীর জায়গা পায়নি। সভাপতি হয়েছেন এখানকার সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির রত্না হাওলাদারের মনোনীত ব্যক্তি। ওরা আমাকে নির্যাতন করেছে।

আরও পড়ুন: শিক্ষকের মাথায় মল ঢালার ভিডিও ভাইরাল

সদ্য সরকারিকৃত ২৭১ কলেজ শিক্ষকরা যা জানতে চান - dainik shiksha সদ্য সরকারিকৃত ২৭১ কলেজ শিক্ষকরা যা জানতে চান মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধের নির্দেশ - dainik shiksha মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধের নির্দেশ অবসর সুবিধার আবেদন শুধুই অনলাইনে, দালাল ধরবেন না(ভিডিও) - dainik shiksha অবসর সুবিধার আবেদন শুধুই অনলাইনে, দালাল ধরবেন না(ভিডিও) দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website