please click here to view dainikshiksha website

শিক্ষকদের সামনেই পেটানো হয়েছিল মাদ্রাসাছাত্রটিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৭, ২০১৭ - ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া তৈয়বিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র মো. মোফাজ্জল হোসেনকে মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষকের সামনেই পেটানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তার অচেতন দেহ কীভাবে শৌচাগারে গেল, সে বিষয়ে তারা এখনো কিছু জানতে পারেনি।

রোববার রাতে ওই মাদ্রাসার নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, একটি শৌচাগার থেকে আহত অবস্থায় ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও পাঁচ ছাত্র আহত হয়। মোফাজ্জল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির আবাসিক ছাত্র ছিল।

মোফাজ্জলের বাবা আবুল কাশেম প্রধান সোমবার রাতে মাদ্রাসার হোস্টেল সুপার মিজানুর রহমানসহ পাঁচজনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। বাকি চারজন হলো মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন (১৫), মাহমুদুল হাসান ওরফে হিমেল (১৪), মো. তানভীর আহমেদ ওরফে তুহিন (১৫) ও মুহাম্মদ সাইজুদ্দীন (১৫)।

হোস্টেল সুপার মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার দুদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। গতকাল ছিল প্রথম দিন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুজানুর ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে হোস্টেল সুপারসহ আরও কয়েকজন শিক্ষকের সামনেই মোফাজ্জলকে মারধর করে নবম শ্রেণির ছাত্ররা। তার অচেতন দেহ শৌচাগারে গেল কীভাবে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে এখনই সব তথ্য বলা যাবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৫টি

  1. মুহাঃ সাইফুল্লহ বিন জাকারিয়া,পিরোজপুর মঠবাড়ীয়া.মুঠোফোনঃ01719-482639 says:

    সুষ্ঠু ভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিচার কার্যকর করার দাবী.

  2. মুহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান । (গ্রাম,ডাকঘর : খাকবুনিয়া ,বরগুনা সদর,বরগুনা ) । says:

    এই পাশবিকতার কঠোর বিচার হওয়া উচিত । তবে জানিনা কতটুকু সুষ্ঠু বিচার হবে ।

  3. কামাল উদ্দিন সজীব /প্রভাষক /বিপুলাসার,কুমিল্লা। says:

    এটাকে কেন্দ্র করে কাউকে হেনস্থা না করে দ্রুত তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।

  4. মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম says:

    নিহত ছাত্রটির জন্য মন খুব কাঁদছে। নিরব ও শান্ত মনের ছিল। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসীব করুন। পরিবারকে ধৈর্য ধরার শক্তি দিন। কিন্তু নিরপরাধ মিযান সাহেব একজন সুদক্ষ হোস্টেল সুপার। কয়েকজন শিক্ষকের সামনে পেটানোর কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ১০ম শ্রেণির ছাত্ররা মিথ্যা বলে একজন নিরপরাধ ও নানা রোগে আক্রান্ত (ডায়বেটিস, হাই প্রেসার, শ্বাস কষ্ট, এলার্জি ইত্যাদি) একজন সরল মানুষকে বিপেদে ফেলল। রিমান্ড শেষে তার কী অবস্থা হয় জানিনা। আল্লাহ উনাকে ধের্য ও সহ্য করার তাওফীক দিন।

  5. প্রশাসনিক দূর্বলতা ছিল।তবে কোন শিক্ষক চায়না এমনটি হোক!

আপনার মন্তব্য দিন