শিক্ষকের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ - স্কুল - দৈনিকশিক্ষা

শিক্ষকের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি |

যৌন হয়রানিচাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে ১১০নং পদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিশুটির দাদি।  তবে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) নানা কারণ দেখিয়ে ওই শিক্ষককে দুই শিক্ষক প্রতিনিধির জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওই শিক্ষক স্কুলে যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের করার অভিযোগ ছিল। ৮ সেপ্টেম্বর তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয় চলাকালীন যৌন নির্যাতন করায় ঘটনাটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী শিক্ষক মাসুদ রানাকে আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ওই শিক্ষককে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রবিবার শিশুটির দাদি মামলা করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে মাসুদ রানার মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করার পর সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি সংযোগ কেটে ফোন বন্ধ করে দেন।

পদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ঘটনা সম্পর্কে খুব একটা জানি না। এখনও আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে আমার আগে যে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন তার কাছে শুনেছি প্রায় দেড় মাস আগে এক অভিভাবক একবার অভিযোগ দিয়েছিলেন।’

মতলব দক্ষিণ উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সেলিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা জেনেছি- ঘটনা প্রায় দেড় মাস আগের। ওইদিন স্থানীয় লোকজন ওই শিক্ষককে আটকে রেখেছে পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করেছে। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানও এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনও অভিযোগ দেয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভাগীয় তদন্ত করবো। কেউ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উসি) স্বপন কুমার আইচ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় শিশুটির দাদি একটি মামলা করেছেন। অভিযোগে ঘটনার দিনসহ বিভিন্ন সময়ের কথা বলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে তাকে ছেড়ে দেইনি। তিনি সরকারি কর্মচারি। ডিপিও সাহেবকে এবং ইউএনও সাহেবকে বলেছি নিতে কিন্তু তারা নেবে না। পরে তাকে আমরা দু’জন অভিভাবক প্রতিনিধির জিম্মায় দিয়েছি। তারা কোর্টে গিয়েছিল হাজির হতে। কিন্তু কোর্ট বসেনি তাই হাজির হতে পারেনি। পরে হাজির করে দেবে।’

চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন বলেন, ‘এ বিষয়ে পুলিশ একটি রিপোর্ট দেবে। ওই রিপোর্ট পাওয়ার পর আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

Admission going on at Navy Anchorage School and College Chattogram - dainik shiksha Admission going on at Navy Anchorage School and College Chattogram একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবেন যেভাবে - dainik shiksha একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবেন যেভাবে please click here to view dainikshiksha website