please click here to view dainikshiksha website

শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষকের মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১০, ২০১৭ - ৩:১২ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদুল হকের বিরুদ্ধে করা ৫৭ ধারার মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। গত ১৩ জুলাই একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগেরই আরেক শিক্ষক আবুল মনসুর আহাম্মদ মামলাটি করেছিলেন।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শাহবাগ থানার পুলিশের আরেকটি সূত্র জানায়, মামলার বাদী ও আসামির মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়ে গেছে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে পুলিশকে জানানোর পর গত ৩১ জুলাই পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

পুলিশ জানায়, দুই পক্ষের মীমাংসার পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটিতে কাউকেই অভিযুক্ত না করে তদন্ত শেষ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। এখন আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে সাধারণত আপস-মীমাংসার পর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মামলা আদালত থেকে শেষ হয়ে যায়। আসামিও খালাস পেয়ে যান।

ফেসবুকের ক্লোজড গ্রুপে দেওয়া পোস্টের জেরে শিক্ষক আবুল মনসুর তাঁর সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। যে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৫৭ ধারার বিলোপ চেয়ে আন্দোলন করছেন, সেই বিভাগেরই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরেক শিক্ষকের মামলা করার খবর প্রকাশ হওয়ার পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি ভালোভাবে নেননি বিভাগের শিক্ষক, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

মামলার এজাহারে আবুল মনসুর অভিযোগ করেন, ফাহমিদুল হক লিখেছেন, আবুল মনসুরের কারণে মাস্টার্সের ফলাফল দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছে, যার কারণে বিভাগের আরেক অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন বিপদ ও হয়রানির মধ্যে পড়েছেন এবং বিভাগের একাডেমিক পরিবেশ কলুষিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অফিস ও প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সামান্য একটি ঘটনাকে জটিল করার বিষয়ে ‘অসামান্য অবদান রাখা’ এবং ‘শত্রুতামূলক উদ্যোগ’ গ্রহণের জন্যও ফাহমিদুল তাঁর বিরুদ্ধে (আবুল মনসুর) অভিযোগ করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১টি

  1. মো:সাইফুল ইসলাম,অধ্যক্ষ কোহিনৃর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ,তরগাও,কাপাসিয়া,গাজীপুর।০১৮২৩৩৩২৫১৭ says:

    বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষিত গুনিজনেরা যদি এধরনে পতিহিংসা মুলক অাচরন করে একজন অারেক জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তবে তাদের নিকট থেকে শিক্ষার্থীরা কি শিকবে? এধরনের শিক্ষকের বি:বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার মত যোগ্যতা তারা হারিয়ে ফেলেছে।

আপনার মন্তব্য দিন