please click here to view dainikshiksha website

শিক্ষক কেন কর্মকর্তা হবেন?

সায়র আলমগীর আহমেদ | জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ - ৮:৫১ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

আমেরিকান বিজনেস ম্যাগনেট হেনরি ফোর্ড একদা বলেছিলেন-‘কথায় কথায় নিজের বড়ত্ব জাহির করার অর্থ, অন্যের কাছে নিজেকে হেয় প্রতিপন্ন করা।’ বাংলাদেশে ২৮৩ কলেজ আত্তীকরণের বিষয়ে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কিছু শিক্ষকের অহঙ্কারী মন্তব্যে এমন অনেক উক্তিই হয়তো আপনার মনে চলে আসবে। তবু তাদের বক্তব্য এমনই।
কোনও রাষ্ট্র তখনই সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠে যখন তার জনগণ সম্পদে রূপান্তরিত হয়। আর জনগণ তখনই সম্পদ যখন তারা শিক্ষিত এবং কর্মমুখী। রাষ্ট্রের দুর্বলতায় ধর্মীয় গোড়ামি, কুসংস্কার, মৌলবাদী- ধ্যান-ধারণা দানা বাধে। মানুষের মধ্যে অন্ধবিশ্বাসের জন্ম দেয়, অগ্রগতিকে পিছিয়ে দেয়। বাংলাদেশের মতো একটি সাধারণ অর্থনীতি ও নিম্নমধ্য আয়ের দেশের পক্ষে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর একক দায়িত্বে হঠাৎ করেই জনগণকে সচেতন ও শিক্ষিত করা একটি দূরহ কাজ। তাই এটা একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার এগোয়। শিক্ষাকে প্রান্তিক জনগণের কাছ সহজলভ্য করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষায় একটি সমবন্টন নীতি গ্রহণে বিশ্বাসী হয়েছেন। দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ সরকারিকরণের ঘোষণা দেন। কিন্তু ক্যাডার, নন-ক্যাডার দ্বন্দ্ব কিছু কর্মতার বৈষম্যমূলক মানসিকতা, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির অন্যায় আন্দোলন, অধ্যক্ষদের স্বার্থপরতা ও নীতিমালার সীমাবদ্ধতা (একটি তৃতীয় শ্রেণি ও পাসকোর্সধারীদের আত্তীকরণ থেকে বিরত রাখা)সহ নানা কারণে বিষয়টি সমস্যার আবর্তে নিপতিত হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রীর একটি মহতি উদ্যোগ গন্তব্যহীন হয়ে যাচ্ছে।
সমস্যাসংকুল এদেশে কোন ভালো কাজই প্রশংসা পায় না। বরং নানা বাধার আবর্তে ঘুরপাক খায়। প্রতিটি উপজেলায় একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলে এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ছেলেমেয়েরা হয়তো কম খরচে পড়াশুনার সুযোগ পেত, এটা তো অনেক বড় পাওয়া- অথচ এমন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ কিনা একটি মহলের ষড়যন্ত্র আর কলোনি মানসিকতার দাবানলে পড়ে সমস্যার আবর্তে নিপতিত হল।
একটু পেছন ফিরে দেখি। যতদূর জানা যায় দেশ বিভাগের সময় তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের যাত্রা শুরু হয় সাতটি সরকারি কলেজ নিয়ে। তারমধ্যে প্রথম সরকারি কলেজ- ঢাকা কলেজ, দ্বিতীয় চট্টগ্রাম কলেজ, তৃতীয় রাজশাহী কলেজ । তবে এ কলেজগুলো যাত্রা শুরু করেছিল মূলত সরকারি স্কুল হিসেবে তারপর বেসরকারি উদ্যোগে এগুলো সরকারি কলেজে রূপান্তরিত হয়। সে হিসেবে এদেশে কলেজ শিক্ষার গোড়াপত্তন বেসরকারি পর্যায় থেকে। পরবর্তিতে বেশকিছু বেসরকারি কলেজ সরকারি করা হয়। যেমন: ঢাকার জগন্নাথ কলেজ, রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ, পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ইত্যাদি। কলেজ শিক্ষার সার্বিক চিত্রে ফিরে তাকালে দেখা যায় সেই ব্রিটিশ ভারত থেকে বর্তমান বাংলাদেশে প্রায় সব কলেজই বেসরকারি থেকে সরকারি হয়েছে (অবশ্য সম্প্রতিককালে হাতেগোনা কয়েকটি কলেজ সরকারিভাবেই নির্মিত হয়েছে)।
আজকে বিসিএস শিক্ষা সমিতির সদস্যরা যে কলেজের ভিত্তিমূলে দাঁড়িয়ে ক্যাডারের অহংকার করছেন এটাও একসময় বেসরকারি ছিল। সম্মানীত বিসিএস শিক্ষকরা পায়ের নিচে মাটির দিকে তাকালে তা নিশ্চয়ই অনুভব করবেন। বিসিএস শিক্ষকদের যোগ্যতা অবশ্যই সম্মানের, অনেক মেধা আর পরিশ্রমের পর তারা এ অবস্থানে এসেছেন সবই সত্য। এসব সত্যের বিনিময়ে তারা সরকারের কাছে সিনিয়রিটি (সম্মানসহ) দাবি করতে পারেন, অর্থনৈতিক প্রটেকশন দাবি করতে পারেন কিন্তু নিজের অন্ধ স্বার্থের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে অন্যের পথ রুদ্ধ করতে পারেন না, এটা অনৈতিকতা। এটা মনে রাখতে হবে, একটি গণতান্ত্রিক সরকার তার জনগণকে দেয়া রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পালনের পথকে কোন সরকারি কর্মকর্তা বাধাগ্রস্থ করতে পারেন না, এটা গণতান্ত্রিক এবং সরকারি কর্মকতার আচরণ-বিধির পরিপন্থী।
প্রথমে সরাসরি সরকারিকরণে বাধা, পরে সেটাকে ক্যাডারের মোড়কে (যদিও এটা এখন আইনি প্রক্রিয়ায় চলে গেছে)বাধা, সবই সরকারের কর্মপরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা। এগুলো কাম্য নয়। বিষয়টিকে যদি সচেতন ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় তবে কিছু সমাধান হয়তো নৈতিকভাবেই চলে আসে।
প্রথমত, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রায় তিনশত (২৮৩টি) উপজেলায় একটি স্কুল ও একটি কলেজ (প্রায় ছয়শত) সরকারিভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা কতটা সম্ভব? নিশ্চয়ই সময় সাপেক্ষ? ততদিনে জনগণকে দেয়া সরকারের প্রতিশ্রুতির কী হবে? আবার যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ করাই হয় তবে এতগুলো স্কুল-কলেজে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার এতবড় কর্মযজ্ঞ কিভাবে হবে? তাছাড়া এরজন্য যে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন তার যোগান কিভাবে হবে?
দ্বিতীয়ত. আপনারা নিশ্চয়ই জানেন সরকারি কলেজ পর্যায়ে নন-ক্যাডার বলে কোন পদ নেই। যদি নির্বাচিত কলেজগুলোর পদগুলো নন-ক্যাডার করা হয় তবে এসব কলেজে ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডারভূক্ত শিক্ষকরা কি পদায়ণ হবেন না? যদি না হয় তবে কলেজ শিক্ষায় আরেকটি নতুন ধারা তৈরি হবে যা শিক্ষানীতির পরিপন্থী। আর যদি হতে হয় তবে, কিভাবে একটা নন-ক্যাডার পদে একটি ক্যাডার পদের শিক্ষক যুক্ত হবেন? এসব নন-ক্যাডার পদে ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়াটা কিভাবে হবে? আবার যদি একই কলেজে ক্যাডার, নন-ক্যাডার দু’ধরনের পদ সৃষ্টি হয় তখন ক্যাডার এবং নন-ক্যাডারের একটি অদৃশ্য দ্বন্দ্ব কি হবে না? তখন একজন নন-ক্যাডারের পাশের চেয়ারে বসতে ক্যাডারদের তো আত্মসম্মানে লাগার কথা? নাকি ক্যাডারদের জন্য আলাদা বসার জায়গা তৈরির দাবি উঠবে? আত্তীকৃতরা নন-ক্যাডার হলে এসব কলেজের প্রিন্সিপালও নন-ক্যাডার হবেন তখন ক্যাডার হয়ে একজন নন-ক্যাডারে অধীনে চাকরি করতে ক্যাডারদের তথাকথিক অহঙ্কারে লাগবে না? বিষয়গুলো গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে।
আসলে শিক্ষায় ক্যাডার তথাকথিত অহংকার, নাক সিটকানো মনোভাব দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বিতর্কিত এবং জটিল করে দেয়। যেখানে প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা হবে একধারার, সেখানে নতুন করে কলেজ পর্যায়ে দ্বৈত শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টির পায়তারা একটি জটিল সমস্যার সৃষ্টি করবে। বৈষম্য তৈরি করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি। মনে রাখতে হবে কলেজগুলো সরকারি হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব চিন্তা থেকে এর বিরোধিতা করা মানে, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা করা। যা করা হচ্ছে ভেবে করা হচ্ছে তো? নিজেকে ব্রাহ্মণ ভেবে আর সবাইকে নমশূদ্র ভাবার মানসিকতা যত বাদ দেয়া যায় ততই মঙ্গল।
আসলে একটি সার্বজনীন শিক্ষা নীতির আলোকে দেশের কলেজ শিক্ষাকে একটি ধারায় নিয়ে আসা জরুরী। শিক্ষায় কোন বিভাজন না রাখাই শ্রেয়। সে ক্ষেত্রে কতিপয় প্রস্তাবনা বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে।

এক. শিক্ষায় কোন ক্যাডার থাকবে না। প্রয়োজনে পাবলিক সার্ভিস রুলস পরিবর্তন করে কলেজ পর্যায়ের সমস্ত শিক্ষক পদগুলোকে পূর্বের মতো নন-ক্যাডার ঘোষণা করা হোক। কারণ বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় কোন ক্যাডার পদ নেই, মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে ক্যাডার নেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষরাও ক্যাডার নন, তাহলে শুধু কলেজ পর্যায়ে কেন ক্যাডার, নন-ক্যাডারের মতো দুটো ধারা বহমান থাকবে। সুতরাং কলেজ শিক্ষাকে পুরোপুরি নন ক্যাডার করে দেয়া হোক।
দুই. শিক্ষকরা শুধু শিক্ষক, কোন কর্মকর্তা হবেন না। সেক্ষেত্রে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন ডিজি, এনসিটিবি, নায়েম, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ক্যাডার শিক্ষকদের সরিয়ে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হোক। শিক্ষকদের মধ্যে কোন কর্মকর্তা থাকবে না- শিক্ষক তো শিক্ষাদান করার জন্য, গবেষণা করার জন্য, তিনি কর্মকর্তা হবেন কেন? কর্মকর্তা হবেন প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োজিত কর্মকর্তারা।
শেষ করার আগে সম্মানীত শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের স্মরণ করাতে চাই- পাবলিক সার্ভিস কমিশনের আটাশটা ক্যাডারের মধ্যে সাধারণভাবে সর্বশেষ পছন্দের (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) ক্যাডারটা কিন্তু শিক্ষা ক্যাডার। যারা উপরের ক্যাডারগুলোতে যোগ্য বিবেচিত হন না সাধারণভাবে তারাই শিক্ষা ক্যাডারের জন্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ক্যাডার নিয়েই যাদের এত অহংকার তারা প্রশাসন, পররাষ্ট্রের মতো ক্যাডার পেলে কী করতেন ভেবেছেন? তাই শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন, অহংকার দূর করতে শিক্ষকতায় কোন ক্যাডার পদ পরিহার করাই হবে যুক্তিযুক্ত। শিক্ষকরা শুধু শিক্ষক হবেন ক্যাডার বা কর্মকর্তা নয়।
বিষয়গুলোকে এভাবে ব্যাখা করলে অনেকের কাছেই হয়তো ভালো লাগবে না। কারণ বিতর্ক তৈরি করার মধ্যে কোন মৌলিকত্ব বা কৃতিত্ব নেই। এতে বিভাজন বাড়ে- যা কারো কাম্য নয়। তাই নিজেকে ব্রাহ্মণ ভেবে আর সবাইকে নমশূদ্র ভাবার জঘন্য মানসিকতা যত বাদ দেয়া যায় ততই মঙ্গল।

লেখক: গবেষক,প্রাবন্ধিক
শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, মুড়াপাড়া কলেজ, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

[মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন]

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩২টি

  1. মোহাম্মদ নূরূল ইসলাম,প্রভাষক কাদিরদী কলেজ (সৃস্টপদ) says:

    ভালো লাগলো,তবে শিক্ষকদের মধ্য হতে কর্মকর্তা হলে শিক্ষাখাতেরই লাভ বেশি।কারণ শিক্ষকই বুঝবেন শিক্ষক- শিক্ষার মর্ম।

  2. monna alam says:

    বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্তরা প্রমান করেছে তারা হীন মনের। দেশের অযোগ্য সন্তান।

  3. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    শিক্ষক কর্মকর্তা হলে দোষের কি? যদি তিনি প্রকৃত অর্থে শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা হতে পারেন। কিন্তু প্রচলিত নিয়মে একজন শিক্ষক যখন কর্মকর্তা হয়ে যাচ্ছেন তার ভিতরে শিক্ষকভাব থাকছে না, আমলাভাব চলে আসছে। শুধু বড় বড় জায়গায় কেন? একটি কলেজের অধ্যক্ষ পদটি কি কর্মকর্তা পদ নয়। তারও ক্লাসরুমে গিয়ে ছাত্র পড়ানোর কথা। কিন্ত কয়জন অধ্যক্ষ এ মহৎ কর্মটি করেন। ক্লাসরুমে ছাত্র পড়ানোকে নিম্ন পর্যায়ের বেতনভুক্তদের কর্ম মনে করেন। তার উপর কিছুদিন আগের ঢাকা বোর্ডের এক সার্কুলার অনুযায়ী অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষরা অশিক্ষক। তার অর্থই হলো অধ্যক্ষরা ক্লাসরুম সংশ্লিষ্ট নন। ক্লাসরুমের সংগে সংশ্লিষ্টহীন কোন ব্যাক্তিই শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা হওয়া সমীচীন নয়। আর শিক্ষার সমস্যাটা সেখানেই। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাই শিক্ষা, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী বান্ধব না হয়ে শিক্ষার্থীদের প্রদানকৃত অর্থের বান্ধব হয়ে যাচ্ছেন। এটার জন্য প্রচলিত বিধিবিধান দায়ী। যা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে শিক্ষকভাব থেকে আমলাভাবে রুপান্তর করছে। আর এই বিধিবিধানের আওতায় শিক্ষা প্রশাসনে শিক্ষক দেন আর অন্য যেকোন গ্রহ থেকে ধরে এনে বসান অবস্থার পরিবর্তন হবে না। তাই আমার প্রত্যাশা শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা হবেন শিক্ষকদের মধ্যে তিনি, যিনি অধিকতর ভাল মানের শিক্ষক, যে সকল ধরনের লেজুরবৃত্তি হতে স্বাধীন এবং আইন দারা সুরক্ষিত সৎ, স্বচ্ছ, শিক্ষাবান্ধব, শিক্ষকবান্ধব, শিক্ষার্থীবান্ধব একজন সোনার মানুষ।

  4. Sarker Alok Kumar says:

    স্যার আপনি যা লিখেছেন তার জবাব নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।

  5. মো: রবিউল আলম,সহকারি শিক্ষক, কাদিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়,পীরগঞ্জ, রংপুর। says:

    যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করান তিনি রোজাদের সমান সাওয়াব পান,কিন্ত রোজাদারের সাওয়াব কোনো অংশেও কম করা হয় না।তদ্রুপ আত্মীকরণ কৃত কলেজ সমুহের শিক্ষকদের ক্যাডার করা হলেও বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের বেতন
    তো কর্তন করা হবে না। তবু তাদের গা জ্বালা করার কারণ কি ? শুধুই বাঙ্গা্লী আনা মানসিকতা আর কিছু না।

  6. আবদুস সামাদ তালুকদার, সরকারি শেখ হাসিনা মহিলা কলেজ, ডাসার, মাদারীপুর । says:

    Thanks.

  7. birbol.. says:

    এই লেখাটি মহামান্য কোর্টে জমা দেয়ার জন্য অ্যামিকাস কিউরিদের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।

  8. birbol.. says:

    এসব সত্যের বিনিময়ে তাঁরা সরকারের নিকট সিনিয়রিটি(সম্মানসহ) দাবি করতে পারেন। নন ক্যাডার দাবি পরিহার করা উচিত।

  9. Titon says:

    চমৎকার লিখেছেন- সালিশ মানি তাল গাছটা আমার। মশাই আপনি কেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি তাহলে।
    শিক্ষা প্রশাসন আপনার কথায় চলবে না।শিক্ষক শুধু শিক্ষাদান করবেন আর শিক্ষা প্রশাসন চালাবে অন্যরা এতো আপনার ক্যাডার না হতে পারার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
    আপনি কখনো ক্যাডার শিক্ষকের সাথে চলেননি হয়তো আপনি এটা জানেন তো পরীক্ষা ছাড়া যারা এখানে এসেছে তাদের দাম্ভিকতা কত। আপনি জানেন তো বিনা কষ্টে অর্জিত সম্মানের কোন মূল্য নেই। তাহলে কেন বললেন না ক্যাডার না হলেও সমস্যা নাই।আপনিতো চাইছেন পরীক্ষাবিহীন ক্যাডার।

    এটার একমাত্র সমাধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি হবে কিন্তু জনবল না।তাহলে আর ভেজাল হবে না।
    শিক্ষায় ক্যাডার নন ক্যাডার হলে যদি আপনার সমস্যা হয় আপনি কেন এমপিও থাকতে চাইছেন না।
    যে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য তাকিয়ে আছে সেখানে আপনার মতো পরীক্ষাবিহীন লোক এখানে যোগ হলে মারাত্মক সমস্যায় পড়বে শিক্ষা ব্যবস্থা।
    এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা ধরনের শিক্ষক আছে এমিপও, নন এমপিও, সরকারি। আপনি কেমন কেমন গবেষক যেটা ধরতে পারলেন না।
    শিক্ষায় যদি এমপিও, নন এমপিও শিক্ষক থাকলে সমস্যা না হয় তাহলে আপনার মতো প্রাবন্ধিকের কেন ক্যাডারের সম্মান পেতে হবে না হলে শিক্ষা ব্যবস্থা সমস্যায় পড়বে এ ধারনা নিতান্তই আপনার ব্যক্তিগত।
    প্রশাসন,পুশিল, কর পভৃতি ক্যাডারেও ক্যাডার নন ক্যাডার আছে হয়তো আপনার জানার বাইরে। আর শিক্ষায়ও থাকতে পারে যেটা দোষের কিছু নয়।
    আপনি নিজে সর্বশেষ ক্যাডারটি পেয়ে কেন যে আসলেন না বড় আফসোস!!!!! গালি দিতে বাদ সাধলো কয়দিন কয়ঘণ্টা কতরাত আপনি না ঘুমিয়ে পড়ালেখা করেছেন আর কয়টা চাকুরির পরীক্ষা দিয়েছেন খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে।

  10. মোঃ পারভেজ অালী, প্রভাষক, জাহাঙ্গীরপুর টি.বি.এম কলেজ, মহাদেবপুর, নওগাঁ। says:

    মাফ করবেন। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তর শিক্ষক ছাড়া আর কে সুচারু রুপে পরিচালনা করতে পারবে?

  11. Swapan kumar Roy says:

    All are the servants of the People’s Republic of Bangladesh. Who are the officers?

  12. মো কামাল উদ্দিন says:

    ধন্যবাদ

  13. এস,এম,আলেক,অধ্যক্ষ, মেহনাজ হোসেন মীম আদশ' কলেজ। says:

    বিষয়টি অত্যন্ত যৌক্তিক:ভেবে দেখা যেতে পারে।

  14. আবদুল হামিদ, কসক, নোয়াখালী says:

    একজন গবেষকের পক্ষে এহেন ফালতু প্রবন্ধ লেখা কি করে সম্ভব! আর যিনি বি সি এস পরীক্ষা দেননি বা দিয়ে যোগ্য হননি তিনিই বা বিসিএস এর মর্ম কতটুকুই বা বুঝবেন।
    যতসব গবেষক!!

  15. Qmahin says:

    Sir, you are right but govt.plus bcs teachers cannot understand it. This is our bad luck.

  16. মোঃ আকতার হোসেন। says:

    দেশে কয়েকটি ক্যাডার – প্রশাসন, ফরেন সার্ভিস, প্রতিরক্ষা, নির্বাচন, বিচার, কর, অর্থ ও রাজস্ব রেখে বাকি সবগুলোই বিলুপ্ত করতে হবে।

  17. মো রাসেল। says:

    শ্রদ্ধাভাজন,
    লেখক প্রাবন্ধিক, আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছি। দেশের সবাই চায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হোক। আপনি কি মনে করেন ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বা মামা চাচার জোরে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা রাখেন যাদের অনেকেই জীবনে কখনো বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেননি। বুকে হাত দিয়ে কি বলতে পারবেন এমপিও পাওয়া প্রতিষ্ঠানে ভূয়া সার্টিফিকেট ধারীরা চাকরি করেছেন না? অহরহ করছে। অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই। আপনি তাদেরকে ক্যাডার হিসেবে দেখতে চান? একটু চোখটা খুলে দেখুন আপনি যে কলেজে আছেন সে কলেজের কতজন জীবনে বিসিএস পরীক্ষার ভাইবাতে অংশগ্রহন করেছেন? আপনার মনে হয় জানা আছে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবিরাই বিসিএস ক্যাডার হয় এবং তারা সামান্য নাম্বারের ব্যবধানে প্রশাসন বা শিক্ষা ক্যাডারে উর্ত্তীর্ণ হয়ে থাকেন। বরং জাতীয়করণ হওয়া কলেজ থেকে
    এমপিও ভূক্ত এসব শিক্ষকদেরক বদলি করে দেওয়া উচিত। শূন্যপদ সৃষ্টি করে এসব কলেজে মেধাবীদেরকে ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত। দেশের স্বার্থে নিজেদের অযৌক্তিক স্বার্থ পরিহার করুন। যারা বিসিএস ক্যাডার তারা সর্বোচ্চ মেধাবি। তাদের সম মর্যাদা আশা করাটা অতীব ঘৃণ্য ব্যপার। এটা সবাই মানে আপনারা ও মেনে চলুন।

  18. M S Alam says:

    An awesome article and written with huge intelligence. Thanks a lot.

  19. জাকির,প্রভাষক,হাতিবান্ধা,লালমনিরহাট। says:

    নিজের জন্য উন্নত সুযোগ সুবিধা না চেয়ে অন্যকে এই
    দেয়া যাবেনা, সেই দেয়া যাবে না। এই সকল হীন মানসিকতার মানুষদের জন্যই কলেজ জাতীয়করণ আজ শুধু সপ্নই রয়ে গেছে।প্রস্তাব গুলি যুক্তি যুক্ত বলে আমি মনে করি। শিক্ষার তিন স্তরেই ক্যাডার পদ না রেখেই প্রাথমিক,মাধ্যমিক এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও ক্যাডার পদ নাই তাহলে কলেজে ব্রাম্মণের ছেলেদের গলায় একটি চাকুরীর পরীক্ষার মাধ্যমে পইতা সাদুবেশে ক্লাসে ডুকতে হবে কেনো?সরকারি কিংবা বেসরকারি কলেজেতো একই সিলেবাসে পড়ানো হয়।যদি কলেজে এই বিভাজন সরকার করে তাহলে অতীতে যেসকল কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে সেই পদ গুলিকেও ওমিট করতে হবে।আর শিক্ষা সচিবের পদসহ শিক্ষায় প্রশাসন ক্যাডার থেকে জনবল নেয়া হউক।আর শিক্ষক শুধু শিক্ষকেই থাকবেন,তার কাজ হবে শিক্ষকতা করা।

  20. মোঃ আলমগীর হোসেন নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রী মহাবিদ্যালয় অর্থনীতি says:

    Awesome sir

  21. Mobarak Hossain says:

    vai Russel, sottie cadre ra sorbosso medabi bolei ei desher ha ja ba ra la obosta (!!!)

  22. Yousuf Ali says:

    আপনাদের মতামত/মন্তব্য আপনাদের শিক্ষার্থীরা পড়লে বুঝবে আপনারা কত বড় মাপের মানুষ!

  23. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম .সহকারী শিক্ষক তাপসী রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় .বগুড়া । says:

    আমার মতে যে ক্যাডারের এতো গায়ে বাজে তারা চাকরী বাদ দিয়ে রাস্তায় নামেন সাধারণ মানুষের কাতারে .কারণ তাদের কিছু মূল্য আছে । আপনদের কেউ দুই টাকা দেবে না । আপনি ক্যাডার আছেন থাকেন অন্য কাউকে সরকার ক্যাডার বানালে আপনার তাতে কি ? সরকার ভালো তাই আন্দলোনে নামা ফালতু ক্যাডারদের কিছু বলেনি ‘নচেত গলা ধাক্কা দিয়ে বিদায় জানানো উচিত ছিল ।

  24. মানবেন্দ্র শেখর says:

    স্যার, সঠিক কথা বলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে

  25. তাপস , প্রভাষক says:

    যাহারা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষা ক্যাড়ারে শিক্ষক হয়েছেন তারা সকল শিক্ষক ক্যাড়ার করা হোক এটা চাইবে ৷ আর যারা যথেষ্ঠ শিক্ষার অভাব রয়েছে……৷

  26. মোঃ এনামুল হক says:

    মি. গবেষক আপনার সামনে ক্যাডার নামক মূলা ঝুলানো আছে। আপনি মূলা দেখুন এবং গবেষণা করুন।

  27. Majharul says:

    Non cadre Na hole tahole attikito teacher ra cader er exam. dik fail korle non cade ghosona kora r suparish korte hobe

  28. মাহফুজ says:

    নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভংগ করা কথাটি জনাব বাংলা গবেষকের লেখায় উৎকটভাবে ফুটে উঠেছে।তিন লাখ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বাছাই করে মাত্র হাজার পাচেঁক তরুণ মেধাবীকে ক্যাডার নন ক্যাডার পদে সুপারিশ করা হয়।আপনাদের বিনা পরীক্ষায় নন ক্যাডার করা হলে তো যারা নন ক্যাডার পদে চাকুরী করেন তারাসহ দেশের লাখ লাখ চাকুরী প্রার্থী তরুণদের সাথে অবিচার করা হয়। বিষয়গুলি আপনারা গভীরভাবে ভেবে দেখবেন।

আপনার মন্তব্য দিন