please click here to view dainikshiksha website

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি পর্যালোচনায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে কমিটি

মিজান চৌধুরী | জানুয়ারি ১২, ২০১৮ - ৮:২০ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিও নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে সরকারি হিসাবে নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩টি। এতে এমপিওভুক্ত নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে প্রতি বছর অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ মুহূর্তে এমপিও বাস্তবায়নে বিশাল অঙ্কের আর্থিক সংশ্লেষ এবং জনবল বাড়ানোর বিষয়টি বড় ধরনের চাপ মনে করছে সরকার। তাই বাস্তবতার  নিরিখে এ বিষয়ে সরকারের সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করতে ৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।  একাধিক সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

এ প্রসঙ্গে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান  বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বড় ধরনের অর্থ ব্যয় হবে। এটি যাচাই-বাছাই করতে হবে। যারা এমপিও নিয়ে আন্দোলন করছেন তাদের অনেকের জানা নেই এতে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষ কতটুকু।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত ওই কমিটির প্রধান হবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও সামষ্টিক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবদুর রউফ তালুকদার। সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন বাজেটের যুগ্মসচিব হাবিবুর রহমান। এছাড়া কমিটিতে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট পরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট পরিচালক সদস্য হিসেবে থাকবেন।

সূত্রমতে, এমপিও নীতিমালা বাস্তবায়ন, আর্থিক সংশ্লেষ ও নতুন পদ সৃষ্টি এবং কমিটি গঠনের অনুমোদন ও মতামত চেয়ে সম্প্রতি অর্থ বিভাগ থেকে একটি সার-সংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে।

সার-সংক্ষেপে ভারপ্রাপ্ত অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইতিপূর্বে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালার বিষয়ে মতামত চেয়েছে। তা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে বছরে অতিরিক্ত ৩ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত এমপিও নীতিমালায় জনবল বাড়ানো এবং আর্থিক সংশ্লেষ থাকায় সরকারের সামর্থ্য পর্যালোচনার জন্য এ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। কমিটি বাস্তবতার আলোকে সামর্থ্য বিবেচনায় এনে তা যাচাই-বাছাই করে একটি প্রতিবেদন প্রদান করবে।

অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো সার-সংক্ষেপে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত এমপিও নীতিমালা (২০০৮) এবং বিদ্যমান নীতিমালা (২০১৩) এ দুটির মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে- বিভিন্ন পর্যায়ে অনুমোদিত বিদ্যালয়ে জনবল কাঠামো অর্থাৎ পদ সৃষ্টির সংখ্যা। এছাড়া প্রস্তাবিত নীতিমালায় নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওকরণের শর্তের ক্ষেত্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য দেখা যায়নি। শুধু শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসি) মেধাক্রম বা মনোনয়ন বা নির্বাচন অনুসারে করা হবে বলে সেখানে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত নীতিমালায় শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আগের নীতিমালায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা এখানে বাদ দেয়া হয়েছে। পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হলে নতুন করে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩টি নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, সরকার বিভিন্ন দিক থেকে আর্থিক চাপের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে এ বছর ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন না হওয়ায় রাজস্ব আয় নিয়ে চাপের মুখে আছে সরকার। এরপর এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হলে বাজেট থেকেই অর্থ সংস্থান করতে হবে। ফলে শেষ সময়ে এসে এ ধরনের চাপ মোকাবেলায় সরকারের সক্ষমতা কতটুকু আছে সেটি নিয়েও চিন্তার বিষয় আছে। এ কমিটি তা পর্যালোচনা করবে।

জানা গেছে, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি পর্যায়ের মোট ১১ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওর জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর সংখ্যা হবে প্রায় ২৮ হাজার। দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজার ৯০টি। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিন লাখ ৬০ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। আর কর্মচারী রয়েছেন প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৭৪ জন। সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৬৬ হাজার।

এদিকে বর্তমান বাংলা, ইংরেজি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য মাধ্যমিক স্কুলে একজন শিক্ষক নিয়োগ করার বিধান আছে। নতুন প্রস্তাবে প্রতিটি বিষয়ের জন্য একজন করে নিয়োগের কথা আছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ৩ জন শিক্ষক নিয়োগ করা যেত। এখানে আরও ১ জন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যমান এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ের জন্য আলাদা পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং এমএলএসএস পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত আছে।

ইতিপূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে এবং দাখিল ও আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসায় বিজ্ঞানের একজন শিক্ষকই পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা ও উচ্চতর গণিত পড়াতেন। এতে পাঠদানে জটিলতা হতো। নতুন প্রস্তাবে ভৌতবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকে প্রভাষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২৫ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হয়। প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করে ১৫ জন করা হয়েছে।

সৌজন্যে: যুগান্তর

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৫৩টি

  1. মাওঃ ওয়ালি উল্লাহ, প্রভাষক, দশপাইকা আলিম মাদরাসা বিশ্বনাথ,সিলেট says:

    রাষ্ট্রের টাকা শিক্ষাখাতে ব্যয় করতে বাঁধা কার!??

  2. মোঃ জাইদুল ইসলাম জাহিদ শিক্ষক উচ্চতর গণিত কাটাখালী বাজার রাজশাহী says:

    সম্ভাবনাময় দেশে সবই সম্ভব ।

  3. মো: মমতাজ হোসেন, ঠাকুরগাও। says:

    নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত না করার জন্য ধানাইপানাই শুরু হয়ে গেছে। সরকারি হাইস্কুলে চলন্ত সিঁড়ি নির্মাণ করতে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এরকম আরো অনেক অপ্রয়োজনীয় বিলাসী প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের টাকার অভাব হয়না। শুধু ১০-২০ বছর ধরে যারা বিনাবেতনে দেশমাতার সন্তানকে শিক্ষাদান করে চলেছেন তাদের বেতন দেয়ার সময় টাকার অভাব হয়ে যাচ্ছে। আমাদের কর্তাব্যক্তিদের বিবেক আজ কোথায় চলে যাচ্ছে।

  4. saif says:

    MPO institution but few student or there are many area more institutions than students both should be abolished

  5. মো: আব্দুল কুদ্দুস says:

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনেক কিছুই তো প্র।স্তাব করা হয়,বাজেট করা হয় বাস্তবায়ন হলে তো ভালই হয়।

  6. শেখ মেজবাউদ্দিন আহমেদ says:

    আর কতোটি কমিটি কতবার করতে হবে? নতুন পদ সৃষ্টির নাটক বাদ দিয়ে যারা পদে কর্মরত আছে তাদের এমপিওভুক্ত করুন। পরে হাজারটি কমিটি করে লক্ষ লক্ষ পদ সৃষ্টি করেন।

  7. MD:ALAMGIR HOSSAIN, Asst.Teachers, Harpakna Fojilatun Nesa Girls' High School, Muradnagar, Comilla. says:

    আপনার মন্তব্য

    দ্রুততম সময়ের মধ্যে এমপিও দিন।কোনপ্রকার টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না

  8. Dhonesh Chandra Barman says:

    প্রত্যেকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসায় শাখা খোলা হউক। কেননা দেশের ৯০%মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসায় শাখা খোলা নেই।তাই অামরা যারা ব্যবসায় শাখায় শিক্ষক নিবন্ধন পাশ করেছি।কিন্তু ব্যবসায় শাখার খোলার অভাবে অাজ অামরা যোগ্য শিক্ষক হিসবে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও হতাশায় ভুগিতেছি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ ব্যবসায় শাখার কোন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি বিশেষ করে অামাদের পঞ্চগড় জেলায়। তাই মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী অাপনার কাছে বিনিত অনুরোধ ব্যবসায় শাখাটিকে খোলার পক্ষে সুুদৃষ্টি রাখবেন।ধন্যবাদ।

  9. Dhonesh Chandra Barman says:

    প্রত্যেকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসায় শাখা খোলা হউক। কেননা দেশের ৯০%মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসায় শাখা খোলা নেই।তাই অামরা যারা ব্যবসায় শাখায় শিক্ষক নিবন্ধন পাশ করেছি।কিন্তু ব্যবসায় শাখার খোলার অভাবে অাজ অামরা যোগ্য শিক্ষক হিসবে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও হতাশায় ভুগিতেছি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ ব্যবসায় শাখার কোন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি বিশেষ করে অামাদের পঞ্চগড় জেলায়। তাই মাননীয় শিক্ষা প্রতি মন্ত্রী অাপনার কাছে বিনিত অনুরোধ ব্যবসায় শাখাটিকে খোলার পক্ষে সুুদৃষ্টি রাখবেন।ধন্যবাদ।

  10. নামপ্রকাশে না says:

    আপনার মন্তব্য আমরা ডিআইএ ও অন্যান্য দৈনিক পত্র পত্রিকার রিপোর্টে জানতেপারি যে সারাবাংলাদেশে প্রায় ষাট হাজার জাল নিবন্ধনধারী ও ভুয়া একাডেমিক সনদধারী এমপিও ভুক্ত শিক্ষক আছে। এদের এমপিও বাতিল করে বৈধ সনদধারীদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। সেই সাথে এদের প্রাপ্ত এমপিওর টাকা সরকারী কোষাগারে জমা নেওয়া হউক।

  11. Bidhan Das says:

    Kotha joto kom hohe kaj toto besi hobe.

  12. বটোকৃষ্ট রায়,শিক্ষক(শরীরচর্চা), শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ,ডিমলা,নীলফামারী says:

    আশায়! আশায়!! আশায়!!!
    আর কত?
    পোহাতে হবে রাত,
    সকল নন-এমপিও ভুক্ত শিক্ষকজাত!
    মোদের সংসারে পড়েছে অভাব,
    তাই হতাশায় অনেকের
    মাথা হচ্ছে ছাদ।
    আবার অনেকের মাথা হয়েছে
    ক্রিকেট আর ফুটবল মাঠ।
    চিন্তায় কপালে পড়েছে হাত
    ঠিকমত পেটে যায় না ভাত।
    নিত্যদিন মোদের করুন আত’নাদ
    কবে পাব শিক্ষকতার স্বাদ।
    তাই আর আশ্বাস নয় মাগো!
    মোদের খুলে দিন বরাত,
    আর এ ব্যাপারে মাগো তুমিই সব।
    “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”

  13. নীল সমূদ্র রায়,পাটগ্রাম,লালমনিরহাট says:

    সব কিছু ভূয়ার দল, ওরা সবাইকে পাগল মনে করে, আরে বাবা যদি জনবল বারান, তাহলে বারবে, সেটা তো আর এখন এমপিও দিলে বারবে না।সেটা বারবে যখন এনটিআরসি জনবল কাঠামো হাতে পাবে এবং সরকার নিয়োগ দিতে বলবে। এখন এ হিসাব কেন আসে? তাছাড়া আপনারা বহুদিন থেকে এমপিও বন্ধ রেখেছেন, যার কারনে এত সমস্যা। আপনারাতো পদ দেখে হিসাব করেছেন,আসলে বাস্তবে শিক্ষক অনেক কম আছে। ডিজি মহোদয়, দয়া করে সকল নন এমপিও প্রতিষ্ঠানের বর্তমানে তিন দিন সময় দিয়ে একটি হালনাগাদ তালিকা তৈরি করেন, প্রত্যেক উপজেলা পর্যায় হতে,, নেটের মাধ্যমে, শিক্ষক+ কমর্চারী সংখ্যা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম।তাহলে দেখবেন কত কম টাকা লাগে।তাছাড়া তাদের তো প্রাপ্য দিতে হবে। যদি সারা জীবন হিসাব করেন আর, তালিকা করেন, পরে আবার বলেন এত টাকা লাগবে,, সরকারের জন্য কঠিন। আবার প্রতিদিন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ার অনুমোদন দেন। তাহলে কি হবে? সব হ জ ব র ল। আমার অনুরোধ, তৃতীয় শিক্ষক,শাখা শিক্ষক,তথ্য প্রযুক্তি,সহ সকল বৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিও দিন, যাদের আপনারা নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন এবং প্রতিনিধি দিয়েছেন। ডিজি মহোদয় আপনি বিচক্ষন মানুষ,আপনি ভাল বুঝবেন যারা প্রাপ্য এবং কোর্টে গেলে রায় পাবে তাদের এমপিও দিয়েদেন। সব মিলে সবার সহযোগিতায় বর্তমান শিক্ষার বিশেষ করে বে সরকারী শিক্ষক দের যে, জটিল সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, গত কয়েক বছরে, তা অচিরেই সমাধান না করলে, মনে হয় ভয়াভয়ো রুপ ধারন করবে এবং শিক্ষকের করুন দশা সহ সরকার আরো আন্দোলনের মূখে পড়বে।

  14. ওয়াহিদ বেগ, প্রভাষক,আটপাড়া ডিগ্রি কলেজ says:

    এখন পর্যন্ত অনুমোদন পাওয়া সকল নন-এমপিও শিক্ষকদের মধ্যে একজনও যদি বাধ পড়ে থাহলে আবার আন্দোলন হবে।

  15. মোস্তাফিজুর, কুড়িগ্রাম says:

    তালবাহানা বাদ দিয়ে অতি দ্রুত স্বীকৃতি প্রাপ্ত নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হোক। চলমান প্রত্রুিয়া আর কতকাল ।

  16. বটোকৃষ্ট রায়,শিক্ষক(শরীরচর্চা), শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ,ডিমলা,নীলফামারী says:

    বটোকৃষ্ট রায়,শিক্ষক(শরীরচর্চা), শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ,ডিমলা,নীলফামারী:Your comment is awaiting moderation.জানুয়ারি ১২, ২০১৮ at ১:৫৪ অপরাহ্ণআশায়! আশায়!! আশায়!!!আর কত?পোহাতে হবে রাত,সকল নন-এমপিও ভুক্ত শিক্ষকজাত!মোদের সংসারে পড়েছে অভাব,তাই হতাশায় অনেকেরমাথা হচ্ছে ছাদ।আবার অনেকের মাথা হয়েছেক্রিকেট আর ফুটবল মাঠ।চিন্তায় কপালে পড়েছে হাতঠিকমত পেটে যায় না ভাত।নিত্যদিন মোদের করুন আত’নাদকবে পাব শিক্ষকতার স্বাদ।তাই আর আশ্বাস নয় মাগো!মোদের খুলে দিন বরাত,আর এ ব্যাপারে মাগো তুমিই সব।“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  17. মোঃ উজ্জল হোসেন,সহকারী শিক্ষক ,ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয় says:

    মাথাই নষ্ট মামা

  18. Md.Rezaul Karim, Debiganj. says:

    শিক্ষাব্যবস্থা: বৃট্রিশ আমল থেকেই এ দেশে শিক্ষাব্যবস্থায় তিনটি স্তর বিদ্যমান।
    প্রাথমিক, মাধমিক ও উচ্চশিক্ষা। ১ম—৫ম পর্যন্ত প্রাথমিক, ৬ষ্ঠ—১০ম পর্যন্ত মাধ্যমিক। প্রাথমিকে ৩৩ শতাংশ জমি ও ৩ টি শ্রেণীকক্ষ এবং মাধ্যমিকে কমপক্ষে১০০ শতাংশ জমি, ৭/৮ টি শ্রেণীকক্ষ, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ, শিক্ষকদের কমন কক্ষ ও অফিস কক্ষ রহিয়াছে। এই কাঠামো নিয়েই বিদ্যালয় গুলি শতবছর ধরে চলছে । বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রি: প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করার পর থেকে পূর্বের কাঠামো অনুযায়ী বিদ্যালয় গুলির উন্নয়ন হতে থাকে । কিন্তু ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক ঘোষণা করায় শিক্ষাব্যবস্থায় হ-য-ব-র-ল অবস্থা দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিতে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করা সম্ভয় হয়নি। আবার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে ৬ষ্ঠ—৮ম শ্রেণী পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাদানও হচ্ছে না। তাহলে কি প্রাথমিকশিক্ষা পুরোটা সরকারি নয় ? স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পুর্ন হবে ২০২১খ্রি:। যথেষ্ট সময় ও অর্থ নষ্ট হয়েছে । স্তর-কাঠামোর পরিবর্তন ঘটিয়ে শিক্ষার উন্ননয়ের চিন্তা অমূলক। অথচ শিক্ষার স্তর-কাঠামো ঠিক রেখে দশম বা দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সহজেই জাতীয়করণ করে শিক্ষায় উন্নয়ন করা সম্ভব ।

  19. মো: মনিরুজ্জামান says:

    বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ এখন সময়ের দাবী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ আছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা পাওয়ার পরও চালু হয়নি। কিন্তু কেন? অবিলম্বে সকল নিবন্ধন্ধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক।

  20. আহাদ says:

    আর কত কমিটি করবে।

  21. এস,এম,আলেক,অধ্যক্ষ, মেহনাজ হোসেন মীম আদশ' কলেজ, তিতাস,কুমিল্লা। says:

    গোলেমালে যায় যতদিন।

  22. AFJAL HOSSEN SHISHIR says:

    prodhanmontir mukher kothar o dam rakse na ara

  23. প্রশান্ত, রাকসাকান্দী, আমলসার,শ্রীপুর,মাগুরা says:

    তাহলে কি এবারও এমপিও দেওয়া হবে না।

  24. md Ismail hossain says:

    আপনার মন্তব্য
    index krito sikkhok der interchange bidimala sai

  25. মো: মনিরুজ্জামান says:

    স্বীকৃতি প্রাপ্ত সকল প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করুন। দেশতো এখন অনেক স্বাবলম্বী। টাকার জন্য এত চিন্তা কিসের?

  26. রবিউল ইসলাম,(রতন)বি,এসসি, চর সারিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়।জামালপুর। says:

    ধন্যবাদ।

  27. কাওছার হাবিবপুর আলিম মাদরাসা,চারঘাট.রাজশাহী says:

    MPO একবারে না দেয়ার ধান্দা । এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে বারে বারে MPO দিবে আর শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে সর্বশান্ত করবে ।এমন হলে আরো কঠোর আন্দোলন শুরু হবে ।

  28. মোহাম্মাদ শামসুল আলম says:

    অবিলম্বে প্রতিটি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়কে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

  29. মোঃ সাইদুজ্জামান আকাশ, কম্পিউটার শিক্ষক, মালঞ্চী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাগুরা। says:

    তাল-বাহানা বাদ দিয়ে এমপিওর সুনির্দিষ্ট ঘোষনা দিন।

  30. মোঃ আশরাফুল রহমান says:

    আমাদের দেশের অর্থ মন্ত্রী ৪০০০ হাজার কোটি টাকা কে টাকা মনে করেন না । তাহলে ৩০০০ হাজার কোটি টাকা বেশি কি করে হয়।

  31. মোঃ আশরাফুল রহমান says:

    বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় শিক্ষকদের না খায়য়ে রাখা কি বঙ্গবন্ধুর কন্যার উচিত?

  32. harun says:

    বিষয় ভিওিক শিক্ষক কে এমপিও ভুক্ত করা হোক

  33. ফয়সাল আহমেদ,শ্যামপুর আল-হেরা দাখিল মাদ্রসা,ঈশ্বরদী,পাবনা says:

    ২০০৫ইং হতে আজ পযন্ত এত লম্বা সময় ধরে ছাত্র/ছাত্রীদের বিনা বেতনে অধ্যয়ন করে যাচ্ছি অথচয় সরকার এখনো এসমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যবস্তা করেনি,জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মানুষ গড়ার কারিগারদের কবে দুরগতি শেষ হবে,বলতে পারেন মাননিয় প্রধান মন্ত্রী

  34. মোছাঃশিরিনা খাতুন says:

    অালিম মাদ্রাসায় সহকারী লাইব্রেরীয়ানদের এমপিও দিন ।

  35. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক প্রধান শিক্ষক ধলহরা পশ্চিমপাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সদর, মাগুরা। says:

    এম পি ও ভূক্তির কোন বিকল্প নাই।

  36. মোঃ মনিরুল ইসলাম says:

    অর্থমন্ত্রীর কাছে ৪ হাজার কোটি টাকা তো কিছুই না। তাহলে শিক্ষকদের বেতন-ভাতার জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার জন্য এতো চিন্তা কিসের ? এবারও কি শিক্ষকদের বোকা বানিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন ? যদি তাই হয় তাহলেতো আর কোনো উপায় দেখছিনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো কোনো মিথ্যা আশ্বাস দেননা। তাহলে এমপিও দেওয়ার জন্য এতো তালবাহানা কেনো ?

  37. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    পদ সৃষ্টি করতে হবে 145003 টি। এতসংখ্যক পদের জন্য অবশ্যই ইতোমধ্যে ততসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগও হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন যাবৎ ননএমপিও শিক্ষক হিসাবে অবৈতনিক পাঠদান কার্যক্রমে নিয়োজিত। কিন্তু এসব শিক্ষক তো আর এমনি এমনি নিয়োগ পাননি। অনেক টাকাপয়সা দিতে হয়েছে। যাকে আমরা নিয়োগ বানিজ্য নামে অভিহিত করি। টাকা না দিলে নিয়োগ নাই। 1%/2% প্রতিষ্ঠানে যে টাকা ছাড়া নিয়োগ হয়েছে তারও নজির আছে। কে নিয়েছে? অবশ্যই সে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সুপার, অধ্যক্ষ এবং সভাপতি। সাথে দু একজন সদস্য থাকলেও থাকতে পারে। কত করে টাকা মাথাপিছু নেয়া হয়েছে? খবর আছে নিচে দুলক্ষ থেকে উপরে বত্রিশ লক্ষ। গড়ে দশ লক্ষ ধরা হলো। বানিজ্য কত হলো? 145003×1000000=145003000000
    এর 98% কত? তাও তা 14 হাজার কোটি টাকার উপর। অবিশ্বাস্য সত্য এটি। দেশে আর একটি পদ্মা সেতু বানাতে অতিরিক্ত অর্থের কি আর প্রয়োজন হতো।

  38. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    পদ সৃষ্টি করতে হবে 145003 টি। এতসংখ্যক পদের জন্য অবশ্যই ইতোমধ্যে ততসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগও হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন যাবৎ ননএমপিও শিক্ষক হিসাবে অবৈতনিক পাঠদান কার্যক্রমে নিয়োজিত। কিন্তু এসব শিক্ষক তো আর এমনি এমনি নিয়োগ পাননি। অনেক টাকাপয়সা দিতে হয়েছে। যাকে আমরা নিয়োগ বানিজ্য নামে অভিহিত করি। টাকা না দিলে নিয়োগ নাই। 1%/2% প্রতিষ্ঠানে যে টাকা ছাড়া নিয়োগ হয়েছে তারও নজির আছে। কে নিয়েছে? অবশ্যই সে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সুপার, অধ্যক্ষ এবং সভাপতি। সাথে দু একজন সদস্য থাকলেও থাকতে পারে। কত করে টাকা মাথাপিছু নেয়া হয়েছে? খবর আছে নিচে দুলক্ষ থেকে উপরে বত্রিশ লক্ষ। গড়ে দশ লক্ষ ধরা হলো। বানিজ্য কত হলো? 145003×1000000=145003000000
    এর 98% কত? তাও তা 14 হাজার কোটি টাকার উপর। অবিশ্বাস্য সত্য এটি। দেশে আর একটি পদ্মা সেতু বানাতে অতিরিক্ত অর্থের কি আর প্রয়োজন হতো?

  39. মোঃ রবিউল ইসলাম ট্রেড় ইন্সট্র্যাকটর সরকার বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় রাজার হাট কুড়িগ্রাম says:

    এম পি ওর কোনো বিকল্প নেই|

  40. মোঃরুস্তম আলী,প্রভাষক রসায়ন( নাটোর মহারাজা জে এন. স্কুল এন্ড কলেজ। says:

    মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি।নিজেরা বেতন পান তো তাই তালবাহানা করছেন?। তালবাহানা না করে মায়ের হুকূম পালন করুন।

  41. জুল হোসেন ভাটপাড়া বিএন কলেজ গাংনী মেহেরপুর says:

    জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশকে পর্যালোচনা করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে অর্থ মন্ত্রনালয়! তিনি ননএমপিওশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার নির্দেশ দিলেন , আর উনারা কমিটি তৈরি করার নামে সময় ক্ষেপণ করছেন।

  42. mmonjurul says:

    দেশকে উন্নত করতে হলে শিক্ষা খাতে আগে উন্নয়ন করতে হবে। এ চিন্তা সবার করা দরকার।

  43. মোঃ সোহেল রানা, সহঃ শিক্ষক, বাঁশবাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় says:

    তাল বাহানা আর কত করবেন?

  44. Md.Humayun Kabir says:

    As Per Your Coments, Pls.MPO Din. All Non MPO School ,& Collage ke, As soon as Possible.

    Md.Humayun Kabir

  45. মোহন বিশ্বাস, প্রভাষক, হিসাববিজ্ঞান। গরিয়ারডাঙ্গা আদর্শ কলেজ,বটিয়াঘাটা,খুলনা।। says:

    হিসাবের সাথে বাস্তবতার মিল কোথায়?

  46. আব্দুর রহমান says:

    সকল তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিও দিয়েদেন।আর নাটক করবেননা।

  47. Abu Sufian, assistant teacher, Patonusher, Moulvibazar says:

    বর্তমান সরকারএমন সাহসী শিক্ষা নুরাগি সরকার হয়েও আমরা নন এম,পি,ও শাখা শিক্ষকরা, আই,সি,টি এবং নন এম,পি,ও বিদ্যালয় এর শিক্ষকরা এমপিও পাচ্ছিনা কেন??? তা জানার একান্ত ইচ্ছা হয়।

  48. মো: মোশাররফ হোসেন says:

    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও যদি এত টালবাহানা করা হয় তবে আর —- — —

  49. মোঃ হাবিবুর রহমান ( প্রভাষক জীববিদ্যা) মমিনপুর স্কুল এন্ড কলেজ,সদর,রংপুর। says:

    যে দেশে আমরা পদ্মা সেতু নিজের অর্থায়ানে করতে পারি।আর মানুষ গড়ার কারিগড়দের বেলায় যতসব।একটু সু নজর দেন ইন্ সাআল্লাহ্ ঠেকবেনা

  50. মোঃমনির হোসেন কুড়িগ্রাম says:

    আপনার মন্তব্য সরকার চাচ্ছে শিক্ষক মারা যাক।

  51. মো: এবাদত হোসেন সহ: শিক্ষক says:

    আগে নন এমপি শিক্ষকদের এমপিও দিন

  52. মো: এবাদত হোসেন সহ: শিক্ষক says:

    এমপিও আগে দিনগত

আপনার মন্তব্য দিন