শিক্ষার মান সিজিপিএ ও পাস নম্বর বিতর্ক - মতামত - Dainikshiksha

শিক্ষার মান সিজিপিএ ও পাস নম্বর বিতর্ক

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে পাবলিক পরীক্ষার কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পরীক্ষার ফলের মানদণ্ড জিপিএ ৫ থেকে ৪-এ নামিয়ে আনা হচ্ছে। পাবলিক পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তনের জন্য এরই মধ্যে প্রস্তাব তৈরি করেছে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সাবকমিটি। রবিবার (১৪ জুলাই) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়। নিবন্ধনটি লিখেছেন মাছুম বিল্লাহ।

জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ফলাফলে বিদ্যমান গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজের (জিপিএ) পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর এই চিন্তার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ও নীতিগতভাবে একমত।

তবে এখনো নম্বর বণ্টন অর্থাৎ কত নম্বরের মধ্যে সিজিপিএ কত হবে, তা ঠিক করা হয়নি। সিজিপিএতে ফলের সর্বোচ্চ সূচক ৪, যা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চালু আছে। আর জিপিএতে ফলের সর্বোচ্চ সূচক ৫, যা পাবলিক পরীক্ষায় চালু আছে।

কিছু পরীক্ষায় গ্রেড ৫ আবার কিছু পরীক্ষায় গ্রেড ৪। এর ফলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, ফল তৈরি ও চাকরিতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সেদিক থেকে সিদ্ধান্তটিকে যৌক্তিক বলা যায়। কিন্তু শিক্ষার মানের যে অবনতি হয়েছে, সেটি থেকে উদ্ধারের পথ কী?

১২ জুন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বোর্ড চেয়ারম্যানদের সভায় নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত হয় যে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার জন্য পাবলিক পরীক্ষার ফল জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪ নিয়ে আসা হবে। কথা হচ্ছিল যে আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকেই এটি হবে; কিন্তু সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই বোর্ড সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তবে এজাতীয় পরিবর্তন আনা হলে সামঞ্জস্য রাখার জন্য তা পাবলিক পরীক্ষার সব স্তরে একই রকম হওয়া উচিত।

জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশের ব্যাপারে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে বৈঠক করা হবে বলে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে কিভাবে ফল প্রকাশ করা যায় সে ব্যাপারে খসড়া উপস্থাপনের জন্য এক মাসের মধ্যে তা প্রস্তুত করা হবে। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারা সমস্যায় পড়েন।

আর বিদেশে পড়ালেখা ও চাকরির ক্ষেত্রে পড়তে হয় আরো বড় সমস্যায়। কারণ প্রতিনিয়তই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলের সমতা করে তারপর বিদেশে যেতে হয়। এতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে অনেককে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়, সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড ‘এ’ প্লাস। এটিই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড ‘এ’। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫, লেটার গ্রেড ‘এ’ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড ‘বি’। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড ‘সি’। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ১, লেটার গ্রেড ‘ডি’।

আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়াদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড ‘এফ’। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ ধরা হয়। কোনো বিষয়ে ‘এফ’ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করে একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়। এখানে একটি টেকনিক্যাল বিষয় আছে। আর সেটি হচ্ছে সেমিস্টার পদ্ধতি, না হলে একটিমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ফলাফল দেওয়া হলে কিউমুলেটিভ জিপিএতে ফল প্রকাশ করা কতটা ঠিক হবে, তা ভেবে দেখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছরের জিপিএ থেকে সিজিপিএ হিসাব করা হয়ে থাকে। এখানে সেটি কিভাবে করা হবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মানিক, বার্ষিক পরীক্ষার ভিত্তিতে না করলে ‘কিউমুলেটিভ’ কিভাবে হবে তার ব্যাখ্যা কিন্তু দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সেটি ভেবে দেখতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপর নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ এবং লেটার গ্রেড ‘এ’ প্লাস ধরা হয়। তারপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৩.৭৫ এবং লেটার গ্রেড ‘এ’, ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে পেলে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ এবং লেটার গ্রেড ‘এ’ মাইনাস ধরা হয়। ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পেলে গ্রেড পয়েন্ট ৩.২৫ এবং লেটার গ্রেড ‘বি’ প্লাস ধরা হয়। ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পেলে গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড ‘বি’। ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পেলে গ্রেড পয়েন্ট ২.৭৫, লেটার গ্রেড ‘বি’ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পেলে গ্রেড পয়েন্ট ২.৫০, লেটার গ্রেড ‘সি’ প্লাস, ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পেলে ২.২৫, লেটার গ্রেড ‘সি’, ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে নম্বর পেলে পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড ‘ডি’, ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল ও লেটার গ্রেড ‘এফ’ ধরা হয়।

এতে কোনো পয়েন্ট নেই। শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে অতীতে অনেক কিছুই করা হয়েছে। পরীক্ষা বা শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। ডিভিশনের পরিবর্তে জিপিএ ৫ করা হয়েছে। এখন শোনা যাচ্ছে জিপিএর পরিবর্তে সিজিপিএ করা হবে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কেউ কেউ বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এ জন্য যে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কিছুটা হলেও সামঞ্জস্য থাকবে। যা-ই করা হোক না কেন, ভেবেচিন্তে করতে হবে। তাড়াহুড়া করে কিছু করলে হিতে অনেক সময় বিপরীত হয়।

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আরেকটি পরিবর্তন নিয়ে আসা হচ্ছে। সেটি হচ্ছে প্রচলিত পাস নম্বর ৩৩-এর পরিবর্তে ৪০ করা। দেশে শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি শিক্ষার মান বাড়ানোর যে তাগিদ রয়েছে, তা অবশ্যই যৌক্তিক। মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানা রকমের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সমতা নিশ্চিত করার বিষয়েও মনোযোগী হওয়ার আবশ্যকতা অস্বীকার করা যাবে না।

সেই প্রেক্ষাপটেই পাবলিক পরীক্ষার পাস নম্বর নির্ধারণের তাগিদ অনুভূত হয়। পাবলিক পরীক্ষায় পূর্ণমান ১০০-এর বিপরীতে পাস নম্বর ৩৩, যা বহু বছর ধরে প্রচলিত আছে; কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে এই মান গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। তাই এই সিদ্ধান্তও যৌক্তিক। তবে ৩৩ যাতে ৪০ না হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে পাবলিক পরীক্ষা হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্লাসসহ অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষার কেন্দ্র থাকে। শ্রেণি কার্যক্রম ছাড়াও একাডেমিক অনেক কাজ ব্যাহত হয়। তাই পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার চিন্তাভাবনা হচ্ছে। ২০১৪ সাল থেকেই নাকি পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ২০১৪ সালেই বলেছিলেন, ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচিতে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া কোনো বিরতি রাখা হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গঠিত একটি তদন্ত কমিটিও বিদ্যমান দীর্ঘ সময়ব্যাপী সময়সূচির নিয়ম পুনর্নির্ধারণ করে সম্ভব হলে এক দিনে দুই পরীক্ষা (সকাল-বিকেল) বা প্রতিদিন একটি করে বিরতিহীনভাবে পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল।

তখন এ নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হলে তা আর এগোয়নি। পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার ব্যাপারটিকে কেউ কেউ স্বাগত জানিয়েছে। বিশেষ করে, অনেক প্রতিষ্ঠানপ্রধান বলেছেন যে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা চলতে থাকলে শ্রেণি কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ অনেক শিক্ষককে পরীক্ষার ডিউটি করতে হয়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষা ১০ দিনের মধ্যে নেওয়া হবে, বর্তমানে যা ১৫ দিনে হয়। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষা হবে ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যে, এখন হয় তা এক মাস ধরে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে এক মাসের মধ্যে, যা বর্তমানে হয় এক মাস ২০ দিন থেকে এক মাস ২১ দিন ধরে। ২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া জেএসসি পরীক্ষা থেকেই নতুন সময়সূচি কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীর ওপর মানসিক চাপের ব্যাপারটি বিবেচনায় নিতে হবে।

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সিলেবাসেও পরিবর্তন আসছে। পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না। ক্লাস পারফরম্যান্সসহ বিভিন্ন দিকের বার্ষিক মূল্যায়ন করে কিছু বিষয়ে নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় দেখা যায়, অনেক অভিভাবক জিপিএ ৫-এর জন্য ব্যাকুল থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তী ধাপে ভর্তি পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল করতে পারে না। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সমতা রেখে পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ফলাফলের ব্যাপারে যেমন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া দরকার, তেমনি মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অধিকতর মনোযোগ জরুরি।

পাস নম্বর বাড়িয়ে দিলেই যে শুধু শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে বড় ধাপ অতিক্রম করা যাবে, তা কতটা যৌক্তিক—এ নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। অনেক শিক্ষক সৃজনশীল প্রশ্নই বুঝতে পারছেন না। সৃজনশীলের ওপর বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান, প্রশ্নপত্র তৈরি, উত্তরপত্র মূল্যায়নসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও চাহিদার সঙ্গে এ ক্ষেত্রে জোগানের অসংগতি রয়েছে। যদিও শিক্ষকদের এ বিষয়ে পড়াশোনা করা, নিজেদের আগ্রহে নতুন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং দক্ষতা অর্জন করার কথা; কিন্তু সেটি আমাদের দেশে হয়ে ওঠে না।

এই বাস্তবতায় নতুন কিছু করার আগে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি, শিক্ষকদের বিষয়টি ভালোভাবে অবহিত করানো, তাঁদের পড়াশোনা ও অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত করানো কতটা এগোনো যাবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন এই বলে যে জাতীয় পর্যায়ে কমিশন গঠন করে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্বলতাগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। তারপর কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এসব বিষয়ে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে, তা না হলে পুরো বিষয়টিই আবার এমসিকিউ এবং তথাকথিত সৃজনশীল প্রশ্নের মতো মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।

লেখক : ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত সাবেক ক্যাডেট কলেজ ও রাজউক কলেজ শিক্ষক

প্রাথমিক শিক্ষকরা ৩৬ হাজার টাকা বেতন পান : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষকরা ৩৬ হাজার টাকা বেতন পান : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল নভেম্বরে - dainik shiksha প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল নভেম্বরে তিন বছরের চুক্তিতে প্রাথমিকে দপ্তরী নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha তিন বছরের চুক্তিতে প্রাথমিকে দপ্তরী নিয়োগ দেয়া হবে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা অক্টোবরে - dainik shiksha প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা অক্টোবরে ‘শিক্ষা প্রশাসনে জামাতীরা বহাল, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে পরীক্ষা দিতে হয়’ - dainik shiksha ‘শিক্ষা প্রশাসনে জামাতীরা বহাল, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে পরীক্ষা দিতে হয়’ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল দেখুন - dainik shiksha প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল দেখুন বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ১৪ অক্টোবর - dainik shiksha বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ১৪ অক্টোবর এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ - dainik shiksha এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে - dainik shiksha কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website