শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি - মতামত - Dainikshiksha

শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

একটি ছাত্র সংগঠন কিছুদিন আগে দাবি জানিয়েছে, আগামী বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের ২০ শতাংশে উন্নীত করা হোক। না, ছাত্র সংগঠনটি সরকার দলীয় নয়, অথবা এক-এগারোর আগে যে দলটি ক্ষমতায় ছিল, তার ছাত্র সংগঠনও নয়। এ সংগঠনটি বামাদর্শের, যার সদস্য ভিত্তিটি দুর্বল, এবং যার দাবি সরকারের অর্থ অথবা শিক্ষামন্ত্রী অথবা নীতিনির্ধারকরা শোনারও প্রয়োজন বোধ করবেন না, আমলে আনা তো দূরের কথা। তবে যে যুক্তি বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর পেছনে সংগঠনটি তুলে ধরেছে, তা খণ্ডন করা সম্ভব নয়। যুক্তিটি হলো- শিক্ষায় বরাদ্দ না বাড়ালে শিক্ষার মান ও গুণগত বিস্তার বাড়ানো অসম্ভব, ফলে প্রকৃত শিক্ষাপ্রাপ্ত — যাকে আমরা আলোকপ্রাপ্তও বলতে পারি — জাতি গঠনের স্বপ্নটি অধরাই রয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৮ মে) দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়। নিবন্ধটি লিখেছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

আমরা জানি, বিশ্বব্যাপী আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দের যে হিসাবটিকে আদর্শ ধরা হতো, তা মোট দেশীয় উত্পাদন বা জিডিপির ৬ শতাংশ, অথবা বার্ষিক বাজেটের ২৫ শতাংশ। এই হারে অথবা এর ধারে-কাছের সংখ্যার হারে অর্থের সংস্থান না হলে আমরা যে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে সামিল হওয়ার স্বপ্ন দেখছি, সেটি দিবাস্বপ্নে পরিণত হবে। গত একদশক ধরে আমাদের জিডিপি ৬-৭.৫ শতাংশ হারে বাড়ছে, এটি নিঃসন্দেহে একটি সুখবর। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে পা রাখছি, এ কথাটিও অবাস্তব নয়।

কিন্তু উন্নয়ন ধরে রাখার জন্য যে গুণগত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা আমাদের প্রয়োজন, তার ব্যবস্থা আমরা করতে পারছি না। আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে একটা ঈর্ষণীয় অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ, কৃষিক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি এবং হাতেগোনা কয়েকটি রপ্তানি-পণ্যের বিনিময়ে অর্জিত অর্থ। কিন্তু যেহারে শিল্পক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী উন্নত প্রযুক্তি এবং রোবোটিকস (বিস্তৃত অর্থে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহূত হচ্ছে, তাতে তৈরি পোশাক (এবং অন্যান্য উত্পাদন ও শ্রমনির্ভর) শিল্পে আমাদের সামর্থ্য কতদিন আমরা ধরে রাখতে পারব, সেটি একটি প্রশ্ন। পৃথিবীতে তৈরি পোশাক ক্ষেত্রে চীন একসময় ছিল দুর্দন্ত প্রতাপশালী। কিন্তু শ্রমঘন হওয়ার কারণে এই শিল্প আর তেমন লাভজনক নয় — যেহেতু চীনের শ্রমিকেরা বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাইতে ৭/৮ গুণ বেশি মজুরি পায়। একটি বিদেশি জার্নালে একটি লেখায় পড়লাম, চীন এখন রোবোটিকস-প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে পোশাক শিল্পে পুরনো কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী।

আমরা কি এই নতুন চ্যালেঞ্জগুলো গ্রহণ করতে তৈরি? আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন মুখস্থনির্ভর, কোচিং-বাণিজ্য চালিত, পরীক্ষা-ভারাক্রান্ত এবং সনদমুখী। আমরা চাকরির বাজারের জন্য সনদধারী শিক্ষার্থী প্রস্তুত করছি। আমরা কি বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক তৈরি করছি? আমরা কি আমাদের দেশীয় বাজারের জন্য সুপার ম্যানেজার তৈরি করছি, যারা বাইরে থেকে আনা ম্যানেজারদের অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে? আমরা কি সেই মানের চিকিত্সক, প্রযুক্তিবিদ, প্রকৌশলী অথবা কৃষিবিজ্ঞানী তৈরি করছি, যারা বিশ্বের সঙ্গে টেক্কা দিতে পারেন? একথা সত্যি যে অনেক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ প্রমুখ পৃথিবীর নানা দেশে, এমনকি বাংলাদেশেও সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন।

কিন্তু তারা উচ্চতর গবেষণা, যেমন পিএইচডি গবেষণা করেছেন বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমাদের দেশে এ ধরনের উচ্চতর গবেষণা করে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন, তেমন বিজ্ঞানী-উদ্ভাবকের সংখ্যা নগণ্য। তাঁরা ব্যতিক্রম। আমাদের মন্ত্রী থেকে খেলোয়াড়, কারো জটিল — এমনকি আপাতদৃষ্টিতে জটিল— কোনো রোগ হলেই বা উপসর্গ দেখা দিলেই তাঁরা দৌড়ান সিঙ্গাপুরে না হয় ব্যাংককে। আমরা মোবাইল ফোন উত্পাদন করতে পারি না, পারি সংযোজন করতে, এমনকি একটা বৈদ্যুতিক কেটলিও আমরা নিজেদের প্রযুক্তিতে বানাতে পারি না।

এই ধার করা দ্বিতীয় স্তরের সক্ষমতা দিয়ে আমাদের কতদিন চলবে? যে ডিজিটাল বাংলাদেশের জয়গান আমরা গাই, তা কত শতাংশ দেশীয়? একটা বাংলাদেশি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপও কি আমরা নিজেদের জ্ঞান ও মেধা থেকে তৈরি করতে পেরেছি?

শিক্ষা যদি ভবিষ্যত্মুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক, ক্রমাগত উদ্ভাবনশীল না হয়, তাহলে একটা সময় আসবে, দেশটা ডিগ্রিপ্রাপ্ত বেকারে ভরে যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি শিক্ষকতায় ছিলাম ২০১৭ সাল পর্যন্ত, যদিও সংযুক্তিটা এখনো আছে। গত দশ-পনেরো বছর ধরে আমি দেখছি, প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন হচ্ছে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে প্রশাসন-ক্যাডারে নাম লেখানো। সরকারি চাকরি এখন দেশসেবা নয়, নিজের এবং পরিবারের সেবার প্রধান উপায়। অনেক তরুণ নিশ্চয় দেশটাকে কিছু দেয়ার জন্য উদগ্রীব থাকে। কিন্তু সরকারি চাকরি যে কাঠামো তৈরি করেছে, তাতে একবার সংযুক্ত হলে সেই উদ্দেশ্য পূরণ করাটা কঠিন হয়।

আমাদের নীতি নির্ধারকরা নিশ্চয় জানেন, এবং পত্র-পত্রিকায় অসংখ্যবার পরিসংখ্যানসহ বিষয়টি আলোচনা হয়েছে যে, আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর ৬ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করে নিচ্ছে ভারত, কোরিয়া, চীন এমনকি শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানি সুপার-ম্যানেজাররা। আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প, টেলিকম (বিশেষ করে মোবাইল টেলিকম সেবা দানকারী কোম্পানিগুলো), ওষুধসহ অনেক খাতে এখন উপরের দিকের ম্যানেজারদের মধ্যে তদেরই আধিক্য। বড় বড় হাসপাতালে (যাদের ফাইভস্টার হাসপাতাল বলা হয়) যান, দেখবেন ভারতীয় ডাক্তারদের নাম অনেক দরজায় শোভা পাচ্ছে।

আমি বিষয়টা নিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাকে বলা হয়েছে এটি হওয়ার পেছনে আমাদের দু’তিনটি অভাব কাজ করছে। এক হচ্ছে আমাদের বিষয় দক্ষতার অভাব। যাকে স্টেট অফ দি আর্ট বা কাটিং এজ প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতা বলা হয়, তা আমাদের স্নাতকদের নেই। দুই হচ্ছে ইংরেজিতে দুর্বলতা। খুব কম স্নাতক ইংরেজিতে সেই দক্ষতা দেখাতে পারে, যা তাকে আন্তর্জাতিক কর্পোরেট বিশ্বে স্বাগতম জানাতে পারে। আরেকটি অভাব হচ্ছে সংস্কৃতির জায়গায়। আমরা কাজের নৈতিকতাটা জানি না। কাজে ফাঁকি দেই, ঘুষ খাই, আসলের জায়গায় নকল বানিয়ে দেই, অফিসে বসে ফেসবুকে ডুবে থাকি। আমাদের স্নাতকদের পড়াশোনার চর্চাটা নাই। ফলে বিশ্বের চলমান ঘটনাবলি নিয়ে তাদের জ্ঞানের স্বল্পতা থেকে যায়। এক বিদেশি বিনিয়োগকারী আমাকে একবার বলেছিলেন, বাংলাদেশের তরুণদের সম্ভাবনা আছে, কিন্তু তাদের সেই জ্ঞান ও শিক্ষা দেয়া হয় না, যা তাদের মেধার বিকাশ ঘটাবে।

আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে চলব। কিন্তু চলার জন্য গাড়িটা কিনবে বিদেশ থেকে, অনেক টাকা দিয়ে বিদেশি চালক নিয়োগ দেব, গাড়ির জ্বালানিটাও আনবো বিদেশ থেকে। এবং মহাসড়কটি তৈরি করে দেবে জাপানিরা অথবা চীনারা।

২.

যে ছাত্র সংগঠনটি শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি করেছে, তার কথা কেউ শুনবে না। কিন্তু তারা আমাদের পরনির্ভরশীলতার অবসান চায়, তারা আত্মবিশ্বাসী এবং সকল ক্ষেত্রে সক্ষম একটি জাতি চায়। এই সংগঠনের সদস্যরা যদি বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ করার জন্য একটা আন্দোলন শুরু করে, তাহলে যা হতে পারে, সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন আন্দোলনটা বানচাল করার উপায় খুঁজতে নামবে। সরকারের অনেক নীতিনির্ধারকদের মতো সরকার দলীয় ছাত্ররাও হয়তো জানে না, এই দাবিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমর্থন পেত, কারণ তিনি ১৯৭৪ সালে বলেছিলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে জিডিপির চার শতাংশ বরাদ্দ না হলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে হয়তো ১৯৮০-৮২ নাগাদ আমরা এই বরাদ্দটি পেতাম। অথচ আমাদের বরাদ্দ এখনো দুই শতাংশের সামান্য উপরে।

আমি সভা-সেমিনারে এই দাবিটি কয়েকবার তুলেছি এবং সরকারি দুএক কর্মকর্তা বলেছেন আমার দাবিটি অর্জন অসম্ভব। কারণ বাজেট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আমরা দুর্বল। ‘ফান্ড ম্যানেজমেন্ট’ একটা বিশেষজ্ঞ কাজ যাতে আমাদের অভাব আছে ইত্যাদি। আরেকটি যুক্তি শুনি এবং তা হচ্ছে সব খাতই গুরুত্বপূর্ণ— শিক্ষার জন্য এত অর্থের সংস্থান কোথা থেকে হবে? এক কর্মকর্তা একবার একটা টেলিভিশন টকশোতে বলেছিলেন, সরকার সকলের বেতন দ্বিগুণ করে দিয়েছে। শিক্ষকরা বেতন যথেষ্ট পান। তিনি নিশ্চয় জানেন, তার গাড়ির চালকের যে বেতন, একজন প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়তো সেই বেতনটা পান না।

কর্মকর্তাদের কথায় যুক্তি নিশ্চয় আছে, কিন্তু তার জওয়াবও তো আছে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে বাজেট বরাদ্দের কথাটা বলে যোগ করেছিলেন, এই বরাদ্দটা আসলে হচ্ছে বিনিয়োগ। ‘বিনিয়োগ’ কথাটা শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেও বলতে শুনেছি। কিন্তু সে দৃষ্টিকোণ থেকে বিনিয়োগের যোগান দেওয়ার বিষয়টি বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, তার অভাব এই সময়ে দেখতে পাচ্ছি। বরাদ্দ খরচ হয়; বিনিয়োগ বরাদ্দের অর্থটি কয়েকগুণ বাড়িয়ে ফেরত দেয়।

৩.

আমার যে বিশ্বাসটি অনেক দেশের — এমনকি আমার দেশেও — আমি সত্য হতে দেখেছি, তাহলো এই : ভালো শিক্ষক ছাড়া ভালো শিক্ষার্থী তৈরি হয় না। চারটি বিষয়ে সম্মিলন না হলে শিক্ষার মান বাড়ে না, শিক্ষার হেরফেরের চিরস্থায়ী হয় : ভালো শিক্ষক, ভালো পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক, আনন্দমুখর পাঠদান ও শ্রেণিকক্ষ এবং জীবনমুখি, বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষা। আমাদের দেশের ত্যাগী, পরিশ্রমী এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এখন তারা ক্ষুদ্র এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছেন। অনেক শিক্ষক এখন এই পেশায় আসেন নিরুপায় হয়ে। কেউ কেউ আসেন আঁকাবাঁকা পথে হেঁটে নানান উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে। সোনাগাজির মাদ্রাসার ওই ভণ্ড অধ্যক্ষের মতো শিক্ষকেরও অভাব নেই। এরা কোন দক্ষতার শিক্ষার্থী তৈরি করবেন, বলুন?

দুঃখজনক সত্যটি হচ্ছে, আমাদের ভাষাদক্ষতা তল স্পর্শ করেছে। বাংলা ভাষাটাই শুদ্ধ করে, সাবলীলভাবে কজন বলতে পারে? পাঁচ শতাংশ বাঙালিই কি পারে? অঙ্কে শিক্ষার্থীরা দুর্বল। আর মাদ্রাসা ব্যবস্থায় পড়ছে যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী, তাদের থেকে আমরা কি বিশ্বমানের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী অথবা উদ্ভাবক আশা করতে পারি, অথবা মাতৃভাষা ও ইংরেজিতে (এমনকি আরবিতেও) কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা? কেন এই অসংখ্য তরুণ এমন সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হবে?

৪.

শুরু করতে হবে শুরু থেকে। ২০১০-এর শিক্ষানীতির আলোকে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়ে মাধ্যমিককে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করতে হবে। তিনটি পর্যায়েই মান অর্জনের জন্য পাঠক্রম সাজাতে হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্রন্থাগার ও খেলার মাঠসহ চমত্কার শ্রেণিকক্ষ দিয়ে সাজাতে হবে। শিক্ষকদের বেতনভাতা বাড়িয়ে পেশাটিকে আকর্ষণীয় করতে হবে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই পেশাটি বেছে নেয়। আর পঞ্চম ও অষ্টমশ্রেণি সমাপনীসহ অপ্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা তুলে দিয়ে শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়ন চালু করতে হবে।

একদিনে হবে না। পর্যায়ক্রমে করতে হবে। কিন্তু শুরুটা করতে হবে বঙ্গবন্ধুর ভেবে রাখা পথে। বাজেট বরাদ্দ, এ বছর, অন্তত বাজেটের ১৫-১৬ শতাংশ করে।

যে দেশ একটি ২০০০-২৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্রের জন্য ১৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে পারে এবং ওই প্রকল্পের লোকজনের জন্য একটা বালিশের পেছনে ৬৭০০ টাকা ঢালতে পারে, সে দেশ প্রতিবছর মানসম্পন্ন ৫০০টি স্কুল নির্মাণ এবং সেসব স্কুলের শিক্ষকদের জন্য উন্নত বেতনের যোগান ও স্কুলের গ্রন্থাগার ইত্যাদির জন্য তিন-চার হাজার কোটি টাকা কেন খরচ করতে পারবে না?

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষা আইন যেন শুধু শিক্ষকদের শাসন করার জন্য না হয় - dainik shiksha শিক্ষা আইন যেন শুধু শিক্ষকদের শাসন করার জন্য না হয় হঠাৎ রাজধানীর ৩ স্কুলে প্রতিমন্ত্রী, ৫ শিক্ষককে শোকজ - dainik shiksha হঠাৎ রাজধানীর ৩ স্কুলে প্রতিমন্ত্রী, ৫ শিক্ষককে শোকজ ১৩ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কর্মবিরতির হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের - dainik shiksha ১৩ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কর্মবিরতির হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ - dainik shiksha এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে - dainik shiksha কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা, এক নজরে শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website